প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty
  • নজরুল গীতি

    সকল নজরুলগীতি ১০টি ভাগে বিভাজ্য। এগুলো হলোঃ ভক্তিমূলক গান, প্রণয়গীতি, প্রকৃতি বন্দনা, দেশাত্মবোধক গান, রাগপ্রধান গান, হাসির গান, ব্যাঙ্গাত্মক গান, সমবেত সঙ্গীত, রণ সঙ্গীত এবং বিদেশীসুরাশ্রিত গান।

  • Joomla

    Joomla is one of the most popular free content management systems (CMS) in the world that allows you to easily create and manage a dynamic website. It has an intuitive management interface to control all the features and functionality this powerful CMS possesses. Furthermore, there are hundreds of free extensions written for Joomla that allows users to extend its functionality and customize it to their own objectives. Joomla Content Management System is supported by a large and friendly community where newbies could really rely on assistance from more experienced members.

  • কালা শাহ

    কালা শাহ বাংলাদেশের প্রথম সারির বাউল ছিলেন। তিনি প্রায় চার শতাধিক গান লিখেছেন।

     

  • রাজ্জাক দেওয়ান

    মাতাল কবি আব্দুর রাজ্জাক দেওয়ান (জন্মঃ ২৭শে আগষ্ট ১৯৩৩ মৃত্যুঃ- ১৬ই ফেব্রুয়ারী ২০০৩ইংরেজী) ১৯৩৩ সালে ২৭শে আগষ্ট ওয়াসপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি প্রখ্যাত বাউল শিল্পী। কেরানীগঞ্জ থানার দেওয়ান আব্দুল খালেকের শিষ্য।

    বাউল সাধক খালেক দেওয়ান মাতাল কবি তার কাছ থেকেই হাতে খড়ি নেন এই মরমী কবি তাঁর জীবনে অগণিত গান রেখে গেছেন এর মধ্যে কিছু জনপ্রিয় গান হলোঃ- "ঘুম দিয়ে কাটালিরে মন চির কাল", "মদ খেয়েছি মাতাল হয়েছি", "সরিয়ে দাঁড়া তোরা জতো মাওলানা", "সাকি পুরা বোতল দে আমারে নেশায় মজে রই", "ভূল বুঝে চলে জাও জতো খুশি ব্যাথা দাও", "সুখ পাখিটা গেছে মারা একটা তৃরের আঘাত খাইয়া", "আদম বানাইতে নিরাঞ্জন ফেরেশতারা করে ছিলো মাটির আয়োজন", "শ্যামল বংশি দারি", "ঘাটে একবার আসি একবার জাই কেগো সুন্দরী", "তোমার রুপ দেখে মরি জল ভরিয়া জাও", "সন্ধ্যা বেলা শ্রী মধু সুধনো বিপদ বন্জনো তুমি নারায়ন", "মরার কোকিলে", "ধুম চলেছে বেচা কেনা", "প্রতিমা হবে বিসর্জন নবী এসে ঘুচালেন আঁধার" এরকম আরো অগণিত গান রয়েছে কবির গানের কথা সারা রাত দিন লিখলেও শেষ হবেনা বাউল গানে মরমী এই কবির অনেক অবদান রয়েছে।

  • কাজল দেওয়ান

    কাজল দেওয়ান বর্তমানের জনপ্রিয় বাউল শিল্পী। গুরু শিষ্য, বিচ্ছেদ, ভক্তি মূলক, পালা গান এবং বাউল লোক গান গেয়ে মানুষের মন জয় করেছেন। বাংলার গুণী বিভিন্ন সাধকের গান গুলিকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছেন। তিনি নিজেও অনেক গান রচনা করেছেন।

  • আব্দুর রশিদ সরকার

    বাউল সম্রাট আব্দুর রশিদ সরকার

    মানিকগঞ্জের গর্ব বিখ্যাত বাউল শিল্পী রশিদ সরকার সারাদেশের চার-পাঁচ জন পালাগান শিল্পীর মধ্যে একজন। সারা দেশেই এক নামে পরিচিত। তাঁর বাড়ি সিঙ্গাইর সদরের আজিমপুরে।

    রশিদ সরকারের সঙ্গে পালাগানে জুটি বেঁধে অল্প বয়সেই তার সঙ্গে বিয়ে হয় মমতাজের। স্বামীর চেয়ে তাকে ওস্তাদ হিসেবেই বেশি গুরুত্ব দিতেন মমতাজ। বড় মাপের মানুষ রশিদ সরকার ছিলেন পীর মানুষ। বড় সংসার ছিল। সারা দেশে হাজার হাজার মুরিদ ছিল তার। মমতাজ বিয়ের পরে বাবার বাড়িতেই থাকতেন। তবে বিয়ের পর রশিদ সরকারের সঙ্গেই গান করতেন তিনি।

    ভাব সাধক রশিদ সরকার ছিলেন অত্যন্ত রাগী লোক। সর্বদা ন্যায়ের কথা বলতেন তার গানের মাধ্যমে। ন্যায় কথা বলতে তিনি কাউকে ভয় করতেন না। তিনি ছিলেন জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদী বিরুদ্ধী মানুষ। সারা জীবন মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এজন্য তার উপর অনেকবার হামলা হয়েছে। তাতেও তিনি ভীত হননি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সাধনা করে গেছেন।

    মহান এই বাউল শিল্পী ২০০৯ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরলোকে পাড়ি জমান। প্রতি বছর সিঙ্গাইরের আজিমপুরে তার নামে বাউল মেলা হয়।

  • বারী সিদ্দিকী

    বারী সিদ্দিকী (১৫ নভেম্বর ১৯৫৪ - ২৪ নভেম্বর ২০১৭) বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও বংশী বাদক। তিনি মূলত গ্রামীণ লোকসংগীত ও আধ্যাত্মিক ধারার গান করে থাকেন। তিনি তার গাওয়া ‘শুয়া চান পাখি, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘সাড়ে তিন হাত কবর’, ‘পুবালি বাতাসে’, ‘তুমি থাকো কারাগারে’, ‘রজনী’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘ওগো ভাবিজান নাউ বাওয়া’, ‘মানুষ ধরো মানুষ ভজো প্রভৃতি গানের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

    ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে জেনেভায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাঁশি সম্মেলনে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে তিনি অংশগ্রহণ করেন।

  • বাউল কবি রশিদ উদ্দিন

    বাউল সাধক রশিদ উদ্দিন ছোটবেলা থেকেই ছিলেন আত্নভোলা। তাই বড় ভাইয়ের নিকট বাল্য শিক্ষা পাঠ ছাড়া কোন বিদ্যালয়ে তার লেখাপড়া হয়নি। রশিদ উদ্দিন ১৫/১৬ বছর বয়সে পার্শ্ববর্তী পুখুরিয়া গ্রামের টাকনা মিস্ত্রীর সান্নিধ্যে এসে একটু একটু করে একতারা বাজিয়ে বাউলগান শিখতে শুরু করেন। তখন বাহিরচাপড়া গ্রামে কৃষ্ণলীলা গান শুরু হয়। রশিদ উদ্দিন কৃষ্ণের অভিনয় করে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন। এ সময় পার্শ্ববর্তী বাংলা বেতাটিসহ সর্বত্র কবিগানের ব্যাপক প্রসার ছিল। দুর্গাপূজা, কালীপূজা, দোলপূজাসহ হিন্দু ধর্মীয় বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে কবি গান ছিল অত্রাঞ্চলে এক বিশেষ আকর্ষণ। পাশাপাশি টিপু পাগলের নেতৃত্বাধীন পরিচালিত ১৮২৭ সনে ফকির বিদ্রোহের ব্যর্থতার পর লেংটা ফকিরদের জলসা ছিল নিত্য দিনের ব্যাপার। তখন বাহিরচাপড়া গ্রামে কিশোরগঞ্জের কঠিয়াদী থেকে এক লেংটা পীরের আগমন ঘটে। ১৯০৯ সনে রশিদ উদ্দিন এ লেংটা শাহের শিষ্যত্ব গ্রহণ করে নিজ বাড়িতে হাল্কা জিকিরের জলসায় মেতে উঠেন। এ জলসায় বাংলার দীনা মাঝি ও পুখুরিয়ার টকনা মিস্ত্রী ছিল রশিদের নিত্য রাতের সাথী। নেত্রকোণার প্রখ্যাত বাউল কবি জালাল খাঁ তখন রশিদ উদ্দিনের বাড়িতে লজিং থেকে নেত্রকোণা স্কুলে লেখাপড়া করতেন। জালাল খাঁ তখন থেকেই রশিদ উদ্দিনের নিকট বাউল গানের তালিম নেয়া শুরু করেন। বাউল সাধক রশিদ উদ্দিন তার বড় ছেলে আরশাদ উদ্দিনের দুই বছর বয়সের সময় ছেলেকে মৃত্যু শয্যায় রেখে হঠাৎ রাতে গৃহত্যাগ করেন। তখন রশিদ উদ্দিনের গৃহত্যাগের সংবাদ পেয়ে জালাল খাঁ ১৯২৮ সনের মার্চ মাসে এক পুত্র ও এক কন্যাকে সিংহের গ্রামস্থ শ্বশুরালয়ে রেখে বালুয়াখালীর সিদ্দিক জমাদারের বাড়িতে এসে রশিদ উদ্দিনের গৃহত্যাগের অথ্য সগ্রহপূর্বক সন্ধানে বের হন এবং দীর্ঘ নয় মাস পর রশিদ উদ্দিনকে শারফিনের মাজারে খুঁজে বের করেন। জালাল খাঁ শারফিন থেকে রশিদ উদ্দিঙ্কে সঙ্গে নিয়ে বালুয়াখালী ফিরে আসেন। রশিদ উদ্দিন তখন থেকে প্রায় দুই বছর ভাত খাওয়া ছেড়ে দেন। তখন তিনি শুধু দুধ ও রুটি খেতেন। রশিদ উদ্দিনের এ উদাসী ভাব দেখে বাউল কবি জালাল খাঁ স্থায়ীভাবে রশিদের সঙ্গে থাকার জন্য সিদ্দিক জমাদারের মেয়ের সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন এবং জালাল খাঁ রশিদের শিষ্যরূপে বাউল সাধনায় মনোনিবেশ করেন। তাই জালাল খাঁ রশিদ উদ্দিনের অন্যতম সহকর্মী ও সাগরেদ।

    রশিদ উদ্দিনের অবস্থা তখন পাগল প্রায়। মানুষ-মানবদেহ-প্রকৃতি সৃষ্টিরহস্য, গুরু সাধন, নিঘোর তত্ত্ব, আত্না-পরমাত্না বিষয়ক চিন্তা তাঁর হৃদয়কে ব্যাকুল করে তোলে। তখন রশিদ উদ্দিনের বাড়ি বৈঠকী বাউলগানের এক আখড়ায় পরিণত হয়। গান ছিল তখনকার সার্বজনীন বিষয়। কবি গানে সাধারণত হিন্দু শাস্ত্রের মহাভারত, রামায়ণ, গীতা কেন্দ্রিক দুই কবির মধ্যে কবিতার ছন্দে প্রশ্ন ও উত্তর চলত। আর জারিগান ছিল জংগনামার পুঁথি ও শহীদি কারবালা ভিত্তিক দুই বয়াতির তর্কানুষ্ঠানের মাধ্যমে দলবদ্ধ গান। কবিগান ছিল হিন্দু শাস্ত্র এবং জারি গান ছিল মুসলিম দর্শন ভিত্তিক। এ কবি গান ও বয়াতিদের শাস্ত্রভিত্তিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা রশিদ উদ্দিনকে বাউল গানে বিভিন্ন তত্ত্ব ভিত্তিক সুর ছন্দে ও সুললিত ভাষায় তর্কানুষ্ঠানে উৎসাহিত করে। এ লক্ষ্যে রশিদ উদ্দিনের বাড়ি আস্তে আস্তে বাউল তত্ত্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিণত হয়। এ কেন্দ্রে সহযোগী হিসেবে খালিয়াজুরী থানার বাউল সাধক উকিল মুন্সী, মোহনগঞ্জ থানার হাসলার চান খাঁ, মদন থানার হাজরাগাতির পিতাম্বর রবিদাস সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

  • বাবু সুনিল কর্মকার

    বাবু সুনিল কর্মকার বাংলাদেশের একজন অন্ধ জনপ্রিয় বাউল শিল্পী। ৭ বছর বয়সেই গান তার রক্তের প্রতিটি বিন্দুতে দখল করে রেখেছিল। কিন্তু বিধিবাম হঠাৎ করে তার চোখের আলো নিভে যায়। সেই সঙ্গে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেলেন ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁ। কিন্তু নিয়তি তার মনোবলের কাছে হার মানলো।

    মাত্র ১৫ বছর বয়সে বেহেলা, দোতারা, তবলা, হারমোনিয়াম বাজাতে শিখে পুরোপুরি পেশাদার শিল্পী হয়ে যায় সে। গান যখন তার রন্ধে রন্ধে প্রবেশ করে তখন থেকেই ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর অপ্রকাশিত গানগুলো একটি একটি করে সুর দেওয়া শুরু করেছিল। যার সংখ্যা এখন প্রায় ৮ শতে দাঁড়িয়েছে।

  • জালাল উদ্দিন খাঁ

    আত্মতত্ত্ব, পরমতত্ত্ব, নিগূঢ়তত্ত্ব, লোকতত্ত্ব, দেশতত্ত্ব ও বিরহতত্ত্বের নামাঙ্কিতের মাঝে জালাল উদ্দিন প্রায় সহস্রাধিক গান রচনা করেছিলেন। প্রখ্যাত এই লোক কবি মালজোড়া গানের আসরেও ছিলেন অনন্য। জালাল উদ্দীন খাঁ অনেক গান রচনা করেছিলেন। তার জীবদ্দশায় চার খণ্ডের ‘জালাল-গীতিকা’ গ্রন্থে ৬৩০টি গান প্রকাশিত হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় ‘জালাল-গীতিকা’ পঞ্চম খণ্ড। সেই খণ্ডে গানের সংখ্যা ৭২টি। এই মোট ৭০২টি গান নিয়ে ২০০৫ সালের মার্চে প্রকাশিত হয়েছে ‘জালাল গীতিকা সমগ্র।’ জালাল তার গানগুলোকে বিভিন্ন ‘তত্ত্ব’তে বিন্যস্ত করে প্রকাশ করেন। সেই তত্ত্বগুলোর নামগুলো হলো- আত্মতত্ত্ব, পরমতত্ত্ব, নিগূঢ় তত্ত্ব, লোকতত্ত্ব, দেশতত্ত্ব, বিরহতত্ত্ব।

    ‘জালালগীতিকা’র অধিকাংশ গানই এরকম তত্ত্বনামাঙ্কিত হলেও অনেক গানকে জালাল খাঁ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত করেননি। যেমন- ‘জালাল গীতিকা’ প্রথম খণ্ডে সংকলিত ২০২টি গানের মধ্যে ২০টি গান ‘ভাটিয়ালি’ নামাঙ্কিত। দ্বিতীয় খণ্ডের ২২৮টি গানের ৬০টিই ‘ভাটিয়ালি’। তৃতীয় খণ্ডের ৭৮টি গানের সাতটি ‘তত্ত্ব’ বিষয়ে, আর ১৪টি ‘মুর্শিদি’ ও ১১টি ‘মারফতি’ নামাঙ্কিত গান। ‘জালাল গীতিকা’র চতুর্থ খণ্ডে কোনো তত্ত্ব নির্দেশ ছাড়াই বাউল সুর, ঝাপতাল, চৌপদী, প্রসাদ সুর, মুকুন্দ সুর, খেমটা নামে মোট ১০১টি গান সংকলিত হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর উত্তরসূরিদের হতে ‘জালাল গীতিকা’র যে পঞ্চম খণ্ড প্রকাশিত হয় তাতে গীতিগুলোর কোনোরূপ শ্রেণীবিন্যাস বা নামাঙ্কন করা হয়নি। নব এই প্রকাশনায় জালালের জীবৎকালে অপ্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের ৭২টি গীতি সংকলন করা হয়। তাছাড়া " বিশ্ব রহস্য " নামে একটি প্রবন্ধ গ্রন্হ প্রকাশ করেন। ১৯৭২ সনে ৩১ জুলাই বাংলা ১৬ই শ্রাবণ, ১৩৭৯ দুই পুত্র তিন কন্যা, এবং স্ত্রী শামছুন্নাহার বেগমকে রেখে দেহত্যাগ করেন। নিজ গ্রামের বাড়ীর আঙ্গিনায় তার মাজার অবস্থিত। প্রয়াত মরমী বাউল সাধক জালাল উদ্দিন খাঁ স্মরণে প্রতি বছর দু’দিন ব্যাপী পালিত হয় জালাল মেলা।

  • বিজয় সরকার

    বিজয় সরকার প্রায় ৪০০ সখি সংবাদ এবং ধুয়া গান রচনা করেন। এর মধ্যে কিছু কাজ বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত হয়। তিনি বাংলা একাডেমী, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, এবং রেডিও-টেলিভিশনেও কবিগান পরিবেশন করেন। বাংলাদেশ ও ভারতে তিনি আনুমানিক ৪০০০ আসরে কবিগান পারিবেশন করেন। এছাড়া তিনি রামায়ণ গানও পরিবেশন করতেন।

    বিজয় সরকার-এর পারিবারিক উপাধি ছিল বৈরাগী। তিনি নিজে বৈরাগী উপাধি ত্যাগ করে অধিকারী উপাধি গ্রহণ করেন। কবিয়াল হিসেবে খ্যাতি অর্জন করার পর তিনি অবশ্য বিজয় সরকার নামে পরিচিত হয়ে পড়েন।

  • ফকির শাহাবুদ্দিন

    লোকসংগীত, বাউল ও সুফি গানের শিল্পী ফকির শাহাবুদ্দিন। গায়ক ছাড়াও তিনি একজন গীতিকার, সুরকার এবং সংগীত গবেষক। গ্রামে গ্রামে ঘুরে চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ হাজারের মত বাউল গান সংগ্রহ করেছেন তিনি। একটা সময় শিল্পী শাহ আব্দুল করিমের সান্নিধ্যেও থেকেছেন ফকির শাহাবুদ্দিন। নিজের জীবনকে ইতিবাচকভাবে দেখতে পছন্দ করেন গ্রামে বেড়ে ওঠা এ শিল্পী। লোকসংগীতের প্রচারের জন্য দেশ বিদেশে গান করে আসছেন তিনি।

  • দেশাত্ববোধক সঙ্গীত

    দেশের জন্য যে গান গাওয়া হয়, তাকে মুলত দেশাত্ববোধক গান বলা হয়। বাংলাদেশের অনেক শিল্পী গানের মাধ্যমে দেশকে বিশ্বের দরবারে আলোকিত করেছেন। অনেক শিল্পী দেশের জন্য বিভিন্ন আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক শিল্পী তাঁর পরিবার নীড় হারা হয়েছেন। দেশকে ভালোবেসে যারা আন্দোলন করেছেন এবং করছেন তাঁদের প্রতি কুষ্টিয়াশহর.কম এর পক্ষ হতে গভীর শ্রদ্ধা।

  • ভবা পাগলা

    এক কোনায় বসে, ঈশ্বরের এক পাগল প্রেমিক, রচনা করে চলেছেন হাজার হাজার গান। সেই গান ধীরে ধীরে একদিন বাংলার সংগীত সম্ভারের অমূল্য রতন হয়ে উঠলো। ভরে উঠলো বাংলার লোকগানের ডালি। জানেন কে সেই সন্ন্যাসী? যার তপস্যার মাধ্যম সংগীত আর আরাধনার উপলক্ষ্য গান? সেই পাগল রচয়িতা হলেন ভবা পাগলা

    তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৮৯৭ খৃস্টাব্দে। তাঁর পিতার নাম ‘গজেন্দ্র কুমার সাহা’। ভবা পাগলারা ছিলেন তিন ভাই এক বোন। তিনি দেখতে ছিলেন একরকম হালকা পাতলা গড়ন, গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ, মাথায় ঝাঁকড়া চুল, চিবুকে এক গোছা দাঁড়ী।

    তিনি বাংলাদেশ মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার (বর্তমানে উপজেলা) অন্তর্গত আমতা গ্রামের অধিবাসী ছিলেন। স্বাধীনতার পর (অর্থাৎ ১৯৪৭ এর পর ১৯৭১) তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে চলে যান। তাঁর গান মানিকগঞ্জ জেলা সহ বাংলাদেশ ও ভারতে বিভিন্ন স্থানে পরিচিতি লাভ করে ও গীত হয়ে আসছে। তিনি মূলত শ্যামা সঙ্গীত, ভাব গান, গুরুতত্ত্বের গান, দেহতত্ত্বের গান, ও সৃষ্টিতত্ত্বের গান রচনা এবং সুর নিজেই করেছেন।

  • পবন দাস বাউল

    পবন দাস বাউল ভারতের একজন উল্লেখযোগ্য বাউল শিল্পী। তিনি বাদ্যযন্ত্র হিসেবে একতারা ও ডুবকি বাজিয়ে থাকেন।তিনি ঐতিহ্যবাহী বাউল সঙ্গীতের একজন অগ্রগামী গায়ক যিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাউল গানকে পরিচিত করেছেন ও প্রতিষ্ঠা করেছেন নতুন এক ধারার সংগীত ফোক ফিউশন।

    পবন দাস বাউল ভারতে ১৯৬১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার একটি ছোট্ট গ্রাম মুহাম্মদপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর সঙ্গীতের প্রতি প্রাথমিক অনুপ্রেরণা ছিল তাঁর বাবা ও উদ্দেশ্যবিহীনভাবে ঘুরতে থাকা বাউলের দল।

    ১৯৮৮ সালে পবন দাস বাউল স্যাম মিলসের সাথে যুক্ত হন। স্যাম মিলস একজন লন্ডনে জন্ম নেয়া গিটারিস্ট যিনি পরীক্ষামূলক গানের দল অ্যাভান্ট গার্ড ২৩ স্কিডো-এর সাথে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত কাজ করেছেন।তাদের এই সংযুক্তির ফসল হিসেবে ১৯৯৭ সালে বের হয় রিয়েল সুগার অ্যালবাম পিটার গাব্রিয়েলের রিয়েল ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস থেকে, যা ছিল বাংলা ও পশ্চিমা পপ সঙ্গীতের সংমিশ্রণের অন্যতম প্রথম ফিউশন কাজ। পরে লন্ডন ভিত্তিক স্টেট অব বেঙ্গল ও সুশীলা রহমানের সাথেও পবন দাস বাউল কাজ করেন। ২০০৫ সালের ইউনেস্কো বাউল সংস্কৃতিকে মাস্টার পীস অব দ্যা ওরাল এ্যান্ড ইনট্যাঞ্জিবল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে। তিনি সংগীত পরিবেশন করেন জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল ও উইলিয়াম ডালরিম্পলের ২০০৯ সালের নাইন লাইভস কনসার্টে। পবন দাস বাউল বাংলাদেশ, ভারত, ফ্রান্স ইত্যাদি দেশ সফর করেছেন নানা সময়।

    ১৯৮২ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এক কনসার্টে পবন দাস বাউল মিমলুর সাথে পরিচিত হন যিনি ঐ কনসার্টের একজন দর্শনার্থী ছিলেন।পরে তারা বিয়ে করেন ও প্যারিসে বসবাস করতে থাকেন।মিমলু তাঁকে বাংলা ছাড়াও হিন্দি, ইংলিশ,ফ্রেঞ্চ পড়তে শিখিয়েছেন।

  • ভ্রমণ

    ভ্রমণ (Travel) হচ্ছে লোকজনের তুলনামুলকভাবে দূরতম ভৌগোলিক স্থানের মধ্যে গতিবিধি বা চলন, এবং মানুষজন সাধারণত পায়ে হেঁটে, সাইকেলে, গাড়িতে, ট্রেনে, নৌকায় কিংবা প্লেনে ভ্রমণে যায়। ভ্রমণকালে সাথে ব্যাগ বা লাগেজ থাকতেও পারে বা নাও থাকতে পারে এবং ভ্রমণটা একমুখী কিংবা রাউন্ড ট্রীপও হতে পারে। ধারাবাহিক গতিবিধির মাঝে একটুখানি অবকাশ যাপনও ভ্রমণের অংশ হয়ে থাকে।ভ্রমন ভৌগোলিক, ঐতিহাসিক, ধর্মিয় ইত্যাদি স্থানে হয়ে থাকে। ছাত্রছাত্রিদের জন্যে প্রথম দুটি লিখিত জায়গা উচ্চ শিক্ষায় নিশ্চয় দরকার। মনের শান্তি, সূদ্ধতা, প্রেরণা প্রভৃতির জন্যে ধর্মিয় স্থান।

    বাংলাদেশ রূপবৈচিত্রে অনন্য একটি দেশ। এ দেশে রয়েছে সমুদ্র, পাহাড়, নদী, নিদর্শন এবং স্থাপনাসহ আকর্ষণীয় অনেক স্থান। এসব স্থান পর্যটকদের মুহূর্তেই আকৃষ্ট করে। ভ্রমণে যাওয়ার আগে এসব স্থান সম্পর্কে একটু ধারণা থাকা ভালো। তাই বাংলাদেশে ভ্রমণের আগে উক্ত স্থান সম্পর্কে অবশ্যয় ভালো ধারণা নিয়ে যাবেন।

  • প্রত্মতত্ব

    বাংলা প্রত্নতত্ত্ব শব্দটি 'প্র+ত্ন= প্রত্ন' অর্থ- পুরাতন ও 'তৎ+ত্ব= তত্ত্ব'অর্থ- জ্ঞান বা বিজ্ঞান। সমষ্টিগত অর্থ হল, পুরাতন বিষয়ক জ্ঞান। প্রচলিত ধারণায়, বস্তুগত নিদর্শনের ভিত্তিতে অতীত পুনঃনির্মাণ করার বিজ্ঞানকেই প্রত্নতত্ত্ব বলে চিহ্নিত করা হয়। অতীতের সংস্কৃতি ও পরিবেশগত নিয়ে চর্চা করে এমন অন্যান্য বিজ্ঞান বা বিষয়গুলোর (যেমন- ভূতত্ত্ব, পরিবেশ বিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস, মনোবিজ্ঞান, দর্শন, ধর্মতত্ত্ব ইত্যাদি) মধ্যে প্রত্নতত্ত্বের বিশেষত্ব হলো- এটি কেবল বস্তুগত নিদর্শন অর্থাৎ প্রামাণ্য তথ্য নিয়ে কাজ করে এবং তার সাথে মানুষের জীবনধারার সম্পর্ক নির্ণয় করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- ভূতাত্ত্বিক ও পরিবেশ বিজ্ঞানীরা প্রাচীন ভূমিরূপ ও অন্যান্য পরিবেশগত তথ্য বিশ্লেষণ করে ইনামগাঁওয়ের কয়েকহাজার বছরের বৃষ্টিপাতের ধরনের একটি উপাত্ত হাজির করেছেন। প্রত্নতাত্ত্বিকরা প্রাচীন ভূমিরূপ ও অন্যান্য পরিবেশগত তথ্য উদ্ধারের এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত থাকলেও ওই বিশেষ বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতিতে মানুষ কিভাবে বসবাস ও জীবনযাপন, এই বিশেষ বিশ্লেষণটি প্রত্নতাত্ত্বিকরা করে থাকেন। ইনামগাওয়ের পরিবৈশিক তথ্য ও গর্তবসতিগুলো এই দুই প্রাচীন উপাদান মিলিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিকরা সেই সময়ের মানুষের জীবনপ্রণালি বিশ্লেষণ করতে চেষ্টা করেন। তাই প্রত্নতত্ত্বের অধ্যয়নের মূল বিষয়গুলো হলো- ভৌত ধ্বংসাবশেষ, পরিবেশগত তথ্য, জৈব অবশেষ বা জীবাশ্ম, প্রাকৃতিক-সাংস্কৃতিক ভূদৃশ্যাবলী ইত্যাদি। আর প্রত্নতত্ত্বের কাজ হলো- এইসব বিষয়কে বিশ্লেষণ করে প্রাচীনকালের মানুষ এবং পরিবেশ ও প্রকৃতির তৎকালীন চিত্র বোঝা এবং তার মাধ্যমে মানুষ এবং পরিবেশ ও প্রকৃতির পরিবর্তনের ধারা ব্যাখ্যার মাধ্যমে ভবিষ্যতের মানুষ এবং পরিবেশের রূপরেখা নির্মাণ করা। এর ফলে প্রত্নতত্ত্ব প্রধানত ইতিহাস ও পরিবেশ বিজ্ঞানের এক সহযোগী। তবে পরিবৈশিক প্রেক্ষিতের চেয়ে মানুষের সংস্কৃতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এমন বিষয়েই দীর্ঘকাল ধরে প্রত্নতাত্ত্বিক কর্মকাণ্ড সীমিত ছিল। কাজেই সাধারণত প্রত্নস্থান ও পুরাতন জিনিসপত্র আবিষ্কার, স্থান ও বস্তু চিহ্নিতকরণ ও নথিভুক্তকরণ এবং বস্তু ও কাঠামোর বিজ্ঞানসম্মত সংরক্ষণ ও তা জনসমক্ষে উপস্থাপন এর মধ্যেই প্রত্নতাত্ত্বিক চর্চা সীমাবদ্ধ ছিল। প্রাকৃতিক ও পরিবৈশিক প্রেক্ষিত এবং অবস্তুগত ভাবগত নিদর্শন যেমন সামাজিক সম্পর্ক ও মনোস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বর্তমানে প্রত্নতত্ত্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর ফলে প্রত্নতত্ত্ব বর্তমানে মানুষের অতীত ইতিহাসের গৃহবন্দী চর্চার বদলে পরিবেশ, ভূপ্রকৃতি এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের অন্যান্য বিষয়ের অতীত অধ্যয়নের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যত নির্মাণের বিজ্ঞান হিসেবে চর্চিত হচ্ছে।

  • মশিউর রহমান রিংকু

    তরুণ শিল্পী মশিউর রহমান রিংকু পরিচিত মূলত ফোক গান দিয়ে। ২০০৫ সালে একটি ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে পরিচিতি তৈরি হয় তাঁর। ছোটবেলায় কথা বলতে শেখার সাথে সাথেই শুরু হয় তাঁর গান গাওয়া। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠায় আগ্রহ তৈরি হয় ফোক গানে। ফোক গানে আধুনিক যন্ত্র সংযোজন করে গান করেন রিংকু। এজন্য তাঁকে সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে। তবু তিনি মনে করেন গানের মৌলিকতা ঠিক রেখে আধুনিকায়ন করাটা সময়োপযোগী কাজ। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তিনি লোকগান সংগ্রহ করেছেন।

    লোকগানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে ‘আদি’ নামে একটি ব্যান্ডও গঠন করেছেন রিংকু। সামনে লালনের ১০০ গান নিয়ে তিনি অ্যালবাম বের করবেন যেটা বাংলাদেশ ও ভারত থেকে প্রকাশিত হবে।

  • ইসলাম

    ইসলাম (আরবি ভাষায়: الإسلام আল্‌-ইসলাম্‌) একটি একেশ্বরবাদী ধর্ম। "ইসলাম" শব্দের অর্থ "আত্মসমর্পণ", বা একক স্রষ্টার নিকট নিজেকে সমর্পন। খ্রিষ্টিয় সম্তম শতকে আরবের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা মুহাম্মদ (সঃ) এই ধর্ম প্রচার করেন। কুরআন ইসলামের মূল ধর্মগ্রন্থ। এই ধর্মে বিশ্বাসীদের মুসলমান বা মুসলিম বলা হয়। কুরআন আল্লাহর বাণী এবং তার কর্তৃক মুহাম্মদের (সঃ) নিকট প্রেরিত বলে মুসলমানরা বিশ্বাস করেন।

    তাদের বিশ্বাস অনুসারে মুহাম্মদ (সঃ) শেষ নবী। হাদিসে প্রাপ্ত তাঁর নির্দেশিত কাজ ও শিক্ষার ভিত্তিতে কুরআনকে ব্যাখ্যা করা হয়।ইহুদি ও খ্রিস্ট ধর্মের ন্যায় ইসলাম ধর্মও আব্রাহামীয়। মুসলমানের সংখ্যা আনুমানিক ১৪০ কোটি ও তারা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠী। মুহাম্মদ (সঃ) ও তার উত্তরসূরীদের প্রচার ও যুদ্ধ জয়ের ফলশ্রুতিতে ইসলাম দ্রুত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া, পূর্ব আফ্রিকা, পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মুসলমানরা বাস করেন। আরবে এ ধর্মের গোড়া পত্তন হলেও অধিকাংশ মুসলমান অনারব এবং আরব দেশের মুসলমানরা মোট মুসলমান সংখ্যার শতকরা মাত্র ২০ বিশভাগ। যুক্তরাজ্যসহ বেশ কিছু ইউরোপীয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম ইসলাম।

  • html

    What is HTML?

    HTML is the standard markup language for creating Web pages.

    • HTML stands for Hyper Text Markup Language
    • HTML describes the structure of Web pages using markup
    • HTML elements are the building blocks of HTML pages
    • HTML elements are represented by tags
    • HTML tags label pieces of content such as "heading", "paragraph", "table", and so on
    • Browsers do not display the HTML tags, but use them to render the content of the page
  • অর্ণব

    শায়ান চৌধুরী অর্ণব (Shayan Chowdhury Arnob) (জন্ম জানুয়ারি ২৭, ১৯৭৯; অর্ণব নামেই অধিক পরিচিত) একজন বাংলাদেশী-ভারতীয় সঙ্গীতঙ্গ, গায়ক, গীতিকার এবং রেকর্ড প্রযোজক। প্রথমদিকে তিনি বাংলাদেশি বাংলা ব্যান্ডের সদস্য হিসেবে কাজ করলেও পরবর্তীকালে প্রেয়ার হল নামে আলাদা একটি ব্যান্ড গঠন করেন।

    একক সঙ্গীতজীবনে তার ছয়টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৫ সালের এপ্রিলে মুক্তি পায় তার ষষ্ঠ একক অ্যালবাম খুব ডুব। সঙ্গীতের পাশাপাশি তিনি টেলিভিশন নাটকে কণ্ঠ দিয়েছেন এবং টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে জিঙ্গেল করেছেন। জাগো (২০১০) বাংলা চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনার পাশাপাশি কণ্ঠশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন আহা! (২০০৭), মনপুরা (২০০৯) চলচ্চিত্রে। ১৯৯৮ সালে তিনি কলকাতার বাংলা চলচ্চিত্রে গান করেন। অর্ণব ২০১৩ সাভার ভবন ধস নিয়ে মৃত্তিকা গুণের লেখা মন খারাপের বৃষ্টি শিরোনামে একটি গান করেন।

    শায়ান চৌধুরী অর্ণব ১৯৭৯ সালে বংলাদেশের ঢাকায় জন্ম নেন। তার বাবা চিত্রশিল্পী স্বপন চৌধুরী। তিনি ঢাকার উইল্‌স্‌ লিট্‌ল্‌ ফ্লাওয়ার স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন, তবে এর কিছুদিন পর দ্বিতীয় শ্রেণীতে অধ্যয়নের জন্য তাকে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় সাউথ পয়েন্ট স্কুলে পাঠানো হয়। অর্ণব পাঠ্য ভবন থেকে মাধ্যমিক এবং কলকাতা এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন থেকে স্নাতকোত্তর (এমএফএ) সম্পন্ন করেন।

    অর্ণবের চাচা তপন চৌধুরী বাংলাদেশের একজন সঙ্গীতশিল্পী।

    সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালীন সময়ে অর্ণব এস্রাজ শেখা শুরু করেন। পরবর্তীকালে ধীরে-ধীরে সঙ্গীতের বিভিন্ন ধারা, বিশেষ করে পাশ্চাত্য সঙ্গীতের উপর তিনি জ্ঞান অর্জন করেন। বিদ্যালয়ে থাকাকালীন তিনি গিটার এবং কিবোর্ড বাজানো শুরু করেন। শান্তিনিকেতনের বাউল গান তার পরবর্তী সঙ্গীতে ছাপ ফেলে। ১৯৯৭ সালে অর্ণব নিজের কিছু ভারতীয় সঙ্গীদের সাথে বাংলা নামে ব্যান্ডদল গঠন করেন। পরবর্তিতে বুনো এবং আনুশেহ্‌ অনাদিল দলটিতে যোগ দেয়।

    শান্তিনিকেতন থেকে বিদায় নিয়ে অর্ণব বাংলাদেশে ফিরে এলে বাংলা একটি পরিপূর্ণ বাংলাদেশী ব্যান্ড হিসাবে পরিচিত পায় যা ছিলো অর্ণব ও অন্যান্য ব্যান্ড সদস্যদের বহুদিনের স্বপ্ন। অর্নব বাংলা ব্যান্ড ছাড়াও তিনি প্রেয়ার হল নামের একটি ব্যান্ডেরও সদস্য।

    ২০১০ সাল থেকে তিনি আধখানা মিউজিক কোম্পানির অধিনে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এখানে তিনি মিউজিক ভিডিও, প্রামাণ্যচিত্র এবং বিজ্ঞাপন ভিডিও ইত্যাদির নির্দেশনা দেন। সেখান থেকেই তাঁর সঙ্গীতের সফর শুরু হয়। পাঠভবনে ছাত্রদের গাছতলায় গুরুশিষ্য পরম্পরায় পড়ানো হতো। বর্ষাকালে বৃষ্টি হলেই ক্লাস মুলতুবি রাখা হত। এই সময় অর্ণব তাঁর কিছু বন্ধুদের সাথে বসে গান লিখতেন ও তাতে সুরারোপ করতেন।

    ব্যন্ডের পাশাপাশি একক সঙ্গীতজীবনে অর্ণবের ছয়টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৫ সালে তার প্রথম একক স্টুডিও অ্যালবাম চাইনা ভাবিস প্রকাশিত হয়। তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম হোক কলরব প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। শান্তিনিকেতনে থাকার সময় নিজে ও বন্ধুদের নিয়ে তিনি যেই গানগুলি করেছিলেন সেগুলোই এই অ্যালবামে স্থান পেয়েছে। তার তৃতীয় অ্যালবাম "ডুব"। কাব্যিক ভাষায় গানের কথা ও জটিল সুরমুর্ছনার সুবাদে অর্ণব বাংলাদেশী শ্রোতাদের কাছে অনেক জনপ্রিয়। তাঁর চতুর্থ অ্যালবাম "রোদ বলেছে হবে" । এটাই সম্ভবত তাঁর অ্যালবাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষামুলক অ্যালবাম। তার পঞ্চম অ্যালবাম আধেক ঘুমে, যেটি একটি রবীন্দ্রসঙ্গীতধর্মী অ্যালবাম। তার সর্বশেষ অ্যালবাম খুব ডুব, যেটি ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয়।

    এছাড়া শাহানা বাজপেয়ীর রবীন্দ্রসঙ্গীত অ্যালবাম "নতুন করে পাবো বলে" এবং কৃষ্ণকলির অ্যালবাম "সূর্যে বাঁধি বাসা"-তেও তিনি সুরারোপ করেছেন।

    ব্যক্তিগত জীবনে অর্ণব ভারতীয়-বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী শাহানা বাজপেয়ীকে বিয়ে করেন ২০০১ সালে। তারা একসাথে পড়াশোনা করেছেন শান্তিনিকেতনের পাঠ্যভবনে। তাদের বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটে বিবাহের ৭ বছর পর ২০০৮ সালে। বর্তমানে ভারতের প্রবাসী হন ।

  • রুনা লায়লা

    রুনা লায়লা (ইংরেজি: Runa Laila, জন্ম: ১৭ নভেম্বর, ১৯৫২) একজন খ্যাতনামা বাংলাদেশী গায়িকা। তিনি বাংলাদেশে চলচ্চিত্র, পপ ও আধুনিক সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত। তবে বাংলাদেশের বাইরে গজল গায়িকা হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে তাঁর সুনাম আছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে থেকেই তিনি চলচ্চিত্রের গায়িকা হিসাবে কাজ শুরু করেন। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতীয় এবং পাকিস্তানী চলচ্চিত্রের অনেক গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। রুনা লায়লা বাংলা, উর্দু, পাঞ্জাবি, হিন্দী, সিন্ধি, গুজরাটি, বেলুচি, পশতু, পারসিয়ান, আরবি, মালয়, নেপালি, জাপানি, স্পেনিশ, ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান ও ইংরেজি ভাষাসহ মোট ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন। পাকিস্তানে তাঁর গান দমাদম মাস্ত কালান্দার অত্যন্ত জনপ্রিয়।

    রুনা লায়লা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সিলেটে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী। তার যখন আড়াই বছর বয়স তার বাবা রাজশাহী থেকে বদলী হয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের মুলতানে যান। সে সুত্রে তার শৈশব কাটে পাকিস্তানের লাহোরে।

  • কিরণ চন্দ্র রায়

    কিরণ চন্দ্র রায় একজন বিশিষ্ট লোকসঙ্গীত শিল্পী এবং ফোক শিল্পী। তাঁর স্ত্রী চন্দনা মজুমদারও একজন সঙ্গীত শিল্পী। ৩৫ বছর আগে কিরণচন্দ্র রায় গলায় তুলে নিয়েছিলেন বাউলগান। হাতে ধরেছিলেন একতারা, খঞ্জনি আর খমক। গায়ে গেরুয়া পোশাক।

    আজও বিদেশের নানা প্রান্তে গেয়ে বেড়ান লোকগান। তাঁর স্ত্রী চন্দনা মজুমদারের কণ্ঠেও অনুরণিত হয় মাটির গান। ঘরে চন্দনা তাঁর স্ত্রী, কিন্তু বাইরে তিনি শ্রোতাদের সম্পদ—এমনটাই ভাবেন কিরণচন্দ্র রায়।

  • জসীমউদ্দীন

    জসীম উদ্ দীন (জানুয়ারি ১, ১৯০৩ - ১৩ মার্চ, ১৯৭৬) একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি। তিনি বাংলাদেশে পল্লী কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর লেখা কবর কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় অবদান। পুরো নাম জসীম উদ্ দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীম উদ্ দীন নামেই পরিচিত। নকশী কাঁথার মাঠ কবির শ্রেষ্ঠ রচনা যা বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

    তিনি ১৯০৩ সালের পহেলা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার বাড়ি ছিলো একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।

    জসীম উদ্ দীন ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল, ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে পড়ালেখা করেন। এখান থেকে তিনি তার প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১৯২১ সনে উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা থেকে বি. এ. এবং এম. এ. শেষ করেন যথাক্রমে ১৯২৯ এবং ১৯৩১ সনে।

    ১৯৩৩ সনে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. দীনেশ চন্দ্র সেনের অধীনে রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগ দেন। এরপর ১৯৩৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সনে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করেন।

    তিনি ১৩ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাকে তাঁর নিজ গ্রাম গোবিন্দপুরে দাফন করা হয়।

  • আত্নতত্ত্ব

    আত্মার খোঁড়াকের জন্য যে তত্ত্ব, সাধারণত তাঁকেই আত্ম তত্ত্ব বলে। ফকির লালন শাঁইজীর অনেক গান বা বানীতে তা খুব সুন্দর ভাবে প্রকাশ হয়েছে।

  • বাউল শাহ আব্দুল করিম

    শাহ আবদুল করিম (ইংরেজি: Shah Abdul Karim, জন্মঃ ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯১৬ - ম্রিতুঃ ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯) হলেন বাংলা বাউল গানের একজন কিংবদন্তি শিল্পী। সুনামগঞ্জের কালনী নদীর তীরে বেড়ে উঠা শাহ আব্দুল করিমের গান ভাটি অঞ্চলে জনপ্রিয় হলেও শহরের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায় তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি প্রায় দেড় সহস্রাধিক গান লিখেছেন।

    শাহ আবদুল করিম ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের দিরাই থানার উজানধল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ইব্রাহীম আলী ও মাতার নাম নাইওরজান। দারিদ্র ও জীবন সংগ্রামের মাঝে বড় হওয়া বাউল শাহ আবদুল করিমের সঙ্গীত সাধনার শুরু ছেলেবেলা থেকেই। বাউল সম্রাটের প্রেরণা তার স্ত্রী আফতাবুন্নেসা; যাকে তিনি আদর করে ‘সরলা’ নামে ডাকতেন।

    ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবনের সুখ প্রেম-ভালোবাসার পাশাপাশি তার গান কথা বলে সকল অন্যায়,অবিচার,কুসংস্কার আর সাম্প্রদায়িকতার বিরূদ্ধে। তিনি তার গানের অনুপ্রেরনা পেয়েছেন প্রখ্যাত বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ এবং দুদ্দু শাহ এর দর্শন থেকে। যদিও দারিদ্র তাকে বাধ্য করে কৃষিকাজে তার শ্রম ব্যয় করতে কিন্তু কোন কিছু তাকে গান সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। তিনি আধ্যাত্নিক ও বাউল গানের দীক্ষা লাভ করেছেন কামাল উদ্দীন, সাধক রশীদ উদ্দীন, শাহ ইব্রাহীম মাস্তান বকশ এর কাছ থেকে। তিনি শরীয়তী, মারফতি, নবুয়ত, বেলায়া সহ সবধরনের বাউল গান এবং গানের অন্যান্য শাখার চর্চাও করেছেন।

    স্বল্পশিক্ষিত বাউল শাহ আব্দুল করিম এ পর্যন্ত প্রায় দেড় সহস্রাধিক গান লিখেছেন এবং সুরারোপ করেছেন। বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে তাঁর ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। কিশোর বয়স থেকে গান লিখলেও কয়েক বছর আগেও এসব গান শুধুমাত্র ভাটি অঞ্চলের মানুষের কাছেই জনপ্রিয় ছিল। তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে বেশ কয়েকজন শিল্পী বাউল শাহ আব্দুল করিমের গানগুলো নতুন করে গেয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করলে তিনি দেশব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন। বাউল সাধক শাহ আবদুল জীবনের একটি বড় অংশ লড়াই করেছেন দরিদ্রতার সাথে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময় তার সাহায্যার্থে এগিয়ে এলেও তা যথেষ্ট ছিল না। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে সাউন্ড মেশিন নামের একটি অডিও প্রকাশনা সংস্থা তার সম্মানে জীবন্ত কিংবদন্তীঃ বাউল শাহ আবদুল করিম নামে বিভিন্ন শিল্পীর গাওয়া তার জনপ্রিয় ১২ টি গানের একটি অ্যালবাম প্রকাশ করে। এই অ্যালবামের বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ তাঁর বার্ধক্যজনিত রোগের চিকি‍ৎসার জন্য তার পরিবারের কাছে তুলে দেয়া হয়। শিল্পীর চাওয়া অনুযায়ী ২০০৯ সালের প্রথম দিকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের উদ্যোগে বাউল আব্দুল করিমের সমগ্র সৃষ্টিকর্ম নিয়ে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।

  • চন্দনা মজুমদার

    চন্দনা মজুমদার মূলত লালন-সংগীত এর শিল্পী। কুষ্টিয়ার গড়াই নদীর পাড়ে তাঁর জন্ম। বাবা নির্মলচন্দ্র মজুমদার লালনগীতির শিল্পী হলেও তিনি চেয়েছিলেন নজরুলগীতি করুক চন্দনা।

    কিন্তু কুষ্টিয়া, পারিবারিক পরিবেশ আর ফরিদা পারভীনের গান তাঁকে নিয়ে আসে লালনের সুরে। লালনের বাইরে রাধারমণ, হাসনরাজা, শাহ্‌ আবদুল করিম আরও বিভিন্ন গীতিকবির গান করেন তিনি। এছাড়া কিছু চলচ্চিত্রেও গান গেয়েছেন চন্দনা মজুমদার।

    এর মাঝে ‘মনপুরা’ চলচ্চিত্রের একটি গান অনেক পরিচিতি পায় এবং তাঁকে এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তাঁর সহধর্মী কিরণ চন্দ্র রায়ও বাউল গানের শিল্পী। তাই গানের ব্যাপারে তাঁদের বোঝাপড়াটা বেশ ভালো।

  • রাজবাড়ী

    রাজবাড়ী জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

    রাজবাড়ী জেলার উত্তরে পদ্মা নদী, পশ্চিম থেকে পূর্বে পদ্মা ও যমুনার সঙ্গমস্থল দৌলতদিয়ার সামান্য উত্তরে আরিচা ঘাট। পদ্মার অপর পারে পাবনা ও মানিকগঞ্জ। দক্ষিণে পদ্মার শাখা নদী গড়াই নদী, গড়াই-এর ওপারে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলা। পূর্বে ফরিদপুর ও পশ্চিমে কুষ্টিয়া। রাজবাড়ীকে ঘিরে পদ্মা, চন্দনা, গড়াই নদী ও হড়াই নদী।

  • মেহেরপুর

    মেহেরপুর জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

    মেহেরপুর জেলা ২৩.৪৪/ থেকে ২৩.৫৯/ ডিগ্রী অক্ষাংশ এবং ৮৮.৩৪/ থেকে ৮৮.৫৩/ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের পশ্চিমাংশের সীমান্তবর্তী জেলা। এ জেলার উত্তরে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা ও পশ্চিমবঙ্গ (ভারত); দক্ষিণে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবনগর, দামুড়হুদা থানা ও পশ্চিসমবঙ্গ (ভারত); পূর্বে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। মেহেরপুরের পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত প্রায় ৬০ কিলোমিটার ভারতীয় সীমান্ত রয়েছে।

  • চুয়াডাঙ্গা

    চুয়াডাঙ্গা (Chuadanga) জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে এটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। দেশ বিভাগের পূর্বে এটি পশ্চিম বঙ্গের নদিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে সর্বপ্রথম চুয়াডাঙ্গাকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঘোষণা করা হয়।পরবর্তিকালে নিরাপত্তা এবং কৌশলগত কারণে চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজধানী মুজিবনগরে সরিয়ে নেয়া হয়।

    চুয়াডাঙ্গা জেলার আয়তন ১,১৫৭.৪২ বর্গ কিলোমিটার। চুয়াডাঙ্গা জেলার উত্তর-পূর্বদিকে কুষ্টিয়া জেলা, উত্তর-পশ্চিমে মেহেরপুর জেলা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ঝিনাইদহ জেলা, এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে ভারতের নদিয়া জেলা অবস্থিত। জেলার মূল শহর চুয়াডাঙ্গা মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।

  • ঝিনাইদহ

    ঝিনাইদহ জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

    ভৌগোলিক বিস্তৃতি ২৩°.১৫' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩°.৪৫' উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত এবং ৮৮°.৪৫' পূর্ব দ্রাঘিমা হতে ৮৯°.১৫' পূর্ব দ্রাঘিমা পর্যন্ত। জেলার আয়তন ১৯৪১.৩৬ বর্গ কিলোমিটার। ঝিনাইদহ জেলার পূর্ব পার্শ্বে মাগুরা জেলা, উত্তরে কুষ্টিয়া জেলা, দক্ষিণে যশোর জেলা ও পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা, এবং পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা ও বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলা অবস্থিত। ৭টি নদ-নদী প্রবাহিত এ জেলার মধ্য দিয়ে: বেগবতী, ইছামতী, কোদলা, কপোতাক্ষ নদ, নবগঙ্গা নদী, চিত্রা নদী ও কুমার নদী। এ অঞ্চলের জলবায়ু উষ্ণ প্রকৃতির ও সমভাবাপন্ন। বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২২.২৪° সেলসিয়াস। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৫২.১৯০ সেন্টিমিটার।

  • সাহাবুল

    বাউল সাহাবুল একজন লালন শিল্পী

  • করিম শাহ্‌

    অনেকটাই নিভৃতচারী ফকির আব্দুল করিম শাহের বয়স সাতাশি বছর, কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার অঞ্জনগাছী গ্রামে জন্ম নেয়া এই সাধক এক হাতে একতারা এবং কোমরে ডুগি বাজিয়ে হেঁটে হেঁটে গান করতেন। ছেলেবেলায় বাবা ঝুমুর আলী জোয়াদ্দারের সাথে পালাগান করতেন।

  • আদি লালন

    লালনের গান মহা সাধক ফকির লালন সাঁই থেকে শুরু করে আশির দশক পযন্ত যারা লালন গান করছেন তাঁদের গান গুলোকেই মূলত আদি ভাবের লালন গান বলে থাকে। বর্তমানে নতুন নতুন সুরে তাঁর গান শোনা যাচ্ছে।

  • গোষ্ঠ গান

    সাধকদের কাছে গোষ্ঠ গানের গুরুত্ব অপরিসীম। ফকির লালন শাহ সর্বসাকুল্যে আটটি গান লিখেছেন।

  • মুক্তিযোদ্ধা

    মুক্তিযোদ্ধা বলতে এমন একদল জনগোষ্ঠীকে বোঝানো হয় যারা নিজেদের বা অন্যকারো রাজনৈতিক মুক্তি বা স্বাধীনতা লাভের উদ্দেশ্যে সংগ্রামরত রয়েছে। যদিও সাধারণভাবে "মুক্তিযোদ্ধা" বলতে "মুক্তির জন্য লড়াইরত" বোঝায়, তবুও সশস্ত্র প্রতিরোধকারীদের নির্দেশ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বিপরীতে শান্তিপূর্ন পন্থায় আন্দোলনকারীর ক্ষেত্র তা ব্যবহারগতভাবে একিভূত করা যায় না (যদিও ভাবগতভাবে এটা যৌক্তিক)।

  • শফি মণ্ডল

    শফি মণ্ডল (Shofi Mondol) একজন লালন শিল্পী। তিনি দেশে বিদেশে ফকির লালন শাইজির বাণী পরিবেশন করেন।

  • টুনটুন শাহ ফকির

    টুনটুন ফকির (Tuntun Shah Fakir) লালন ভক্ত এবং লালনের গান দিয়ে তিনি সারা বিশ্ব জয় করেছেন। তিনি নিজেও অনেক বাউল গান বেঁধেছেন।

  • শাহনাজ বেলী

    ফোক গানের পরিচিত শিল্পী শাহনাজ বেলী (Shahnaz Beli)। কুষ্টিয়ার এ শিল্পীর শুরুটা হয়েছে বাবার সাথে লালনের গান করার মধ্য দিয়ে। ১৯৮৯ এ প্রথম ঢাকায় অনুষ্ঠান করতে আসা তাঁর। সেখান থেকে আনসার বাহিনীর অর্কেস্ট্রায় গান শেখার সুযোগ পান তিনি।

    ৯০ এর দশকে ঢাকায় এসে মঞ্চে গেয়ে গেয়ে প্রাথমিক পরিচিতি তৈরি হয় শাহনাজ বেলীর। তাঁর প্রথম অ্যালবাম 'একবার পাইলে' প্রকাশিত হয় ২০০৫ সালে। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত একক, ডুয়েট, মিশ্র মিলে ১০০র বেশি অ্যালবামে গান গেয়েছেন তিনি।

    এছাড়াও কণ্ঠ দিয়েছেন চলচ্চিত্র, নাটক ও বিজ্ঞাপনে। গানের জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে শাহনাজ বেলীর। অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে তিনি শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। সংগীত জীবনের নানান দিক নিয়ে বিবিসির সাথে গান-গল্পে কথা বলছেন শিল্পী শাহনাজ বেলী।

  • রব ফকির

    কালো রংয়ের খর্বকায় রব ফকির (ROB FAKIR) গলায় দোতারা ঝুলিয়ে অপূর্ব ভঙ্গিমায় গান করেন, তাঁর ভাষায় – "আমার দেহটাই দোতারা, লালনের গানই আমার ধর্ম"।

    সল্পভাষী রবের বয়স প্রায় ৪৮, বাড়ী কুষ্টিয়ার বাড়াদী। তাঁর বাবা সাধুগুরুদের ভালোবাসতেন, ছোট বেলায় বাবার সাইকেলে চড়ে রব লালনের আখড়ায় যেতেন। সেখানেই ওস্তাদের সাথে পরিচয় ভাব বিনিময়। রব ফকির এ বয়সেও সাদা পাঞ্চাবি গায়ে সাইকেল চালিয়ে আঁখরাবাড়ীতে আসে, পিঠে ঝুলানো থাকে সালু কাপড়ে মোড়ানো দোতারা।

  • মামুন নদীয়া

    মামুন নদীয়া (Mamun Noida) মৃত্যু: ৩১শে মে ২০০৭ ইং তিনি ছিলেন বাংলারই এক নিভৃতচারী বাউল। সর্বদা ধবল রঙের গেরুয়া পরতেন। চশমাপরিহিত মুখটি ছিল শ্যামল নিষ্পাপ । কথাবার্তার ভঙ্গিটি অত্যন্ত বিনীত। বাউল সম্রাট লালনের তীর্থ ভুমি কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুরে দরবেশ রেজন শাঁহ’য়ের মাজারে গুরু রেজন শাঁহ’র অন্যতম অনুসারী কন্ঠ শিল্পী মামুন নদীয়া (Mamun Noida)।

  • তপন চৌধুরী

    In the beginning of his career in the 1970s, Tapan was associated with Souls. Later, he started to work as a solo singer. his career began when he sang in a duet album with singer Mitali Mukherjee. Then, he sang the romantic duet "Tumi Amar, Prothom Sokalbela" with singer Shakila Zafar. Baut, he went to USA and returnned home after two decades. Singer Arnab Chowdhury is his nephew.

  • ডলি সায়ন্তনী

    জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ডলি সায়ন্তনী। অডিও অ্যালবাম রেকর্ডিং-এর বাইরে ডলি সায়ন্তনী চলচ্চিত্রের প্লে ব্যাক এবং বেশ ক’জন তরুণ সঙ্গীত পরিচালকের সুরে ছায়াছবির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন।

  • ফরিদা পারভীন

    ফরিদা পারভীন Farida Parveen (ডিসেম্বর ৩১, ১৯৫৪) বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য কণ্ঠশিল্পী। তিনি মূলত পল্লীগীতি গেয়ে থাকেন বিশেষ করে তিনি লালন সঙ্গীতের জন্য বেশি জনপ্রিয়। জন্ম নাটোরে হলেও বড় হয়েছেন কুষ্টিয়ায়। ১৯৬৮ সালে তিনি রাজশাহী বেতারে নজরুল সঙ্গীতের জন্য নির্বাচিত হন । নজরুলগীতি দিয়ে শুরু করলেও তিনি পরবর্তীতে দেশাত্মবোধক গেয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ১৯৭৩ সালের দিকে।

    Farida Parveen (born December 31, 1954) is a Bangladeshi folk singer. She specializes in Lalon song and has helped its popularity in Bangladesh. She has won the Ekushey Padak.

  • মন্দির

    হিন্দু মন্দির হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়। হিন্দু মন্দির একটি পৃথক স্থাপনা বা অন্য কোনো স্থাপনার অঙ্গরূপে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। মন্দিরের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল মূর্তির উপস্থিতি। সাধারণত যে দেবতার মন্দির, মন্দিরের কেন্দ্রে সেই দেবতার মূর্তি স্থাপিত হয়। মন্দিরে প্রধান দেবতার পাশাপাশি অন্যান্য দেবতাও পূজিত হতে পারেন। অবশ্য কোনো কোনো মন্দির একাধিক দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত হয়। আবার কোথাও কোথাও মূর্তির বদলে প্রতীকের পূজা হয়ে থাকে।

  • লালন গীতি

    ফকির লালন শাঁহ (Fakir Lalon Shah) লালন গীতি (Lalon Geeti)

    লালন (জন্ম: ১৭৭৪ খ্রি. - মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০ খ্রি.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালি; যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তিনি অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। লালনকে বাউল গানের অগ্রদূতদের অন্যতম একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং ‘বাউল-সম্রাট’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। তাঁর গানের মাধ্যমেই উনিশ শতকে বাউল গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

  • কবি

    কবি
  • Play Store

    Shop Google Play on the web. Purchase and enjoy instantly on your Android phone or tablet without the hassle of syncing.

  • App Store

    Browse and download apps to your iPad, iPhone, or iPod touch from the App Store.
  • কুষ্টিয়া

    কুষ্টিয়া জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে) অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়ায় একটি পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। হ্যামিলটন'স গেজেট প্রথম কুষ্টিয়া শহরের কথা উল্লেখ করে।

    Kushtia (Bengali: কুষ্টিয়া জেলা, Kushtia Jela also Kushtia Zila) is a district in the Khulna administrative division of western Bangladesh. Kushtia has existed as a separate district since the partition of India. Prior to that, Kushtia was a part of Nadia District under Bengal Province of British India. Kushtia was home of many famous people, especially authors and poets. Present day Kushtia is known for the Islamic University, Shilaidaha Kuthibari and Lalon's shrine.

  • বাউল

    বাউল (Baul) একটি বিশেষ লোকাচার ও ধর্মমত। এই মতের সৃষ্টি হয়েছে বাংলার মাটিতে। বাউলকূল শিরোমণি লালন সাঁইয়ের গানের মধ্য দিয়ে বাউল মত পরিচতি লাভ করে। বাউল গান যেমন জীবন দর্শনে সম্পৃক্ত তেমনি সুর সমৃদ্ধ। বাউলদের সাদামাটা কৃচ্ছসাধনার জীবন আর একতারা বাজিয়ে গান গেয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ানোই তাদের অভ্যাস। ২০০৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্বের মৌখিক এবং দৃশ্যমান ঐতিহ্যসমূহের মাঝে বাউল গানকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে ঘোষনা করে।

    বাউল (Baul) শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে মতান্তর রয়েছে। কেউ বলেন 'বাতুল' থেকে 'বাউল' হয়েছে, কারো মতে 'বজ্রী' থেকে কিংবা 'বজ্রকুল' থেকে বাউল শব্দটি এসেছে। কেউ কেউ বলেন 'আউল' শব্দ থেকে 'বাউল হয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, সতেরো শতকে বাংলাদেশে বাউল মতের উদ্ভব হয়। এ মতের প্রবর্তক হলেন আউল চাঁদ ও মাধববিবি। বীরভদ্র নামে এক বৈষ্ণব মহাজন সেই সময়ে একে জনপ্রিয় করে তোলেন।

    বাংলাদেশের কুষ্টিয়া-পাবনা এলাকা থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম-বোলপুর-জয়দেবকেন্দুলি পর্যন্ত বাউলদের বিস্তৃতি। বাউলদের মধ্যে গৃহী ও সন্ন্যাসী দুই প্রকারই রয়েছে। বাউলরা তাদের গুরুর আখড়ায় সাধনা করে। প্রতি বৎসর পৌষ সংক্রান্তির দিন বীরভূমের জয়দেব-কেন্দুলিতে বাউলদের একটি মেলা শুরু হয়, যা "জয়দেব বাউলমেলা" নামে বিখ্যাত।

  • ফকির লালন শাঁই

    ফকির লালন শাঁহ (Fakir Lalon Shah) সে দিন ভোর বেলা মওলানা মলম ফজরের নামাজ পড়ে কালীগঙ্গা নদীর দিকে হাওয়া খেতে আসলেন, হটাতই দেখতে পেলেন এক অচেনা সংজ্ঞাহীন যুবক অধঃজলমগ্ন অবস্তায় পড়ে আছে, ছেলেটির মুখে ও শরীরে বসন্ত রোগের দাগ বিদ্যমান। তিনি কাছে গিয়ে দেখলেন ছেলেটি বেঁচে আছে, খুব ধীরলয়ে চলছে শ্বাস-প্রশ্বাস। নিঃসন্তান হাফেজ মলমের বুকের ভেতর হু হু করে উঠল, এ কোন অচেনা যুবক নয়; খোদা যেন তাঁর সন্তানকে ভাসিয়ে এনেছেন তাঁর কাছে। মলম তৎক্ষণাৎ বাড়ি ফিরলেন এবং তাঁর অপর তিন ভাইকে সাথে নিয়ে আসলেন।

    এবার চার ভাইয়ে ধরাধরি করে অচেতন যুবককে নিজের বাড়িতে আনলেন। মলম ও মতিজান দিন রাত পরম যত্নে সেবা করতে লাগলেন। দিনে দিনে অচেনা যুবকটির মুখে জিবনের আলো ফিরে এলো। মতিজান জিজ্ঞাসা করলো – বাবা তোমার নাম কি ?

    ---- ফকির লালন।

নতুন লালন গীতি

সব সৃষ্টি করলো যে জন তারে সৃষ্টি কে করেছে সব সৃষ্টি করলো যে জন তারে সৃষ্টি কে করেছে। সৃষ্টি ছাড়া কি রূপে সে...
দোটানাতে ভাবছি বসে ঐ ভাবনা দোটানাতে ভাবছি বসে কি করি কোন পথে যাই মনে কিছু ঠিক পড়ে না। দোটানাতে ভাবছি বসে ঐ ভাবনা।।
মন আমার গেল জানা কারো রবে না এ ধন জীবন যৌবন মন আমার গেল জানাকারো রবে না এ ধন জীবন যৌবনতবে রে কেন এত বাসনা।
খুলবে কেন সে ধন মালের গ্রাহক বিনে মুক্তামণি রেখেছে ধনি বোঝাই করে সেই দোকানে খুলবে কেন সে ধন মালের গ্রাহক বিনে। মুক্তামণি রেখেছে ধনি বোঝাই করে সেই দোকানে।।
ভুলো না মন কারো ভোলে রাসুলের দিন সত্য মান ডাক সদাই আল্লা বলে ভুলো না মন কারো ভোলে। রাসুলের দিন সত্য মান ডাক সদাই আল্লা বলে।।
আমার মন চোরারে কোথা পাই কোথা যাই, ও মন আজ কিসে বোঝাই আমার মন চোরারে কোথা পাই।। কোথা যাই, ও মন আজ কিসে বোঝাই আমার মন চোরারে কোথা পাই।।
লীলার যার নাইরে সীমা কোন সময় কোন রুপ সে ধরে সাঁইর লীলা বুঝবি ক্ষ্যাপা কেমন করে লীলার যার নাইরে সীমা কোন সময় কোন রুপ সে ধরে। সাঁইর লীলা বুঝবি ক্ষ্যাপা কেমন...
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী।।
তারে কি আর ভুলতে পারি মন দিয়েছি যে চরণে তারে কি আর ভুলতে পারি মন দিয়েছি যে চরণে।
মনের বিয়োগ জানে তারা আশেকে উন্মত্ত যারা আশেকে উন্মত্ত যারা তাদের মনের বিয়োগ জানে তারা।।
সোনার মানুষ ভাসছে রসে যে জেনেছে রসপন্থি সে সোনার মানুষ ভাসছে রসে যে জেনেছে রসপন্থি সে দেখিতে পায় অনায়াসে।।
কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে এসে কাল শমন বাঁধবে কোন দিনে কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে এসে কাল শমন বাঁধবে কোন দিনে।।
বলো স্বরূপ কোথায় আমার সাধের প্যারি যার জন্য হয়েছি রে দণ্ডধারী বলো স্বরূপ কোথায় আমার সাধের প্যারি। যার জন্য হয়েছি রে দণ্ডধারী।।
এমন দিন কি হবে রে আর খোদা সেই করে গেল রসুল রূপে অবতার খোদা সেই করে গেল রসুল রূপে অবতার এমন দিন কি হবে রে আর।।
দয়াল নিতাই কারো ফেলে যাবে না ধরো চরণ ছেড়ো না দয়াল নিতাই কারো ফেলে যাবে না ধরো চরণ ছেড়ো না।।
আর কি বসবো এমন সাধুর সাধবাজারে সাধুর সাধবাজারে আর কি বসবো এমন সাধুর সাধবাজারে। না জানি কোন সময় কী দশা হয় আমারে ।।
সমুদ্রের কিনারে থেকে ওরে বিধি হায়রে বিধি সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকী ম’লো।
মনের নেংটি এঁটে করো রে ফকিরী আমানতের ঘরে মনা হয় না যেনো চুরি মনের নেংটি এঁটে করো রে ফকিরীআমানতের ঘরে মনা হয় না যেনো চুরি।।
আমি কোন সাধনে তারে পাই আমার জীবনের জীবন সাঁই আমি কোন সাধনে তারে পাই। আমার জীবনের জীবন সাঁই।।
আমার তো কই মিটলো না আমার তো কই মিটলো না বসত বাড়ির ঝগড়া কেজেআমার তো কই মিটলো না। কার গোয়ালে কে দেয় ধূমা সব দেখি তা না না...

নতুন তথ্য

ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
দয়া কর মোরে গো রবিবার, 11 আগস্ট 2019
দয়া কর মোরে গো বেলা ডুবে এলো গুরু, দয়া কর মোরে গো বেলা ডুবে এলো। তোমার চরন পাবার আশে, রইলাম বসে সময় বয়ে গেল।।
সব সৃষ্টি করলো যে জন রবিবার, 11 আগস্ট 2019
সব সৃষ্টি করলো যে জন তারে সৃষ্টি কে করেছে সব সৃষ্টি করলো যে জন তারে সৃষ্টি কে করেছে। সৃষ্টি ছাড়া কি রূপে সে...
কি করি কোন পথে যাই রবিবার, 11 আগস্ট 2019
দোটানাতে ভাবছি বসে ঐ ভাবনা দোটানাতে ভাবছি বসে কি করি কোন পথে যাই মনে কিছু ঠিক পড়ে না। দোটানাতে ভাবছি বসে ঐ ভাবনা।।
মন আমার গেল জানা রবিবার, 11 আগস্ট 2019
মন আমার গেল জানা কারো রবে না এ ধন জীবন যৌবন মন আমার গেল জানাকারো রবে না এ ধন জীবন যৌবনতবে রে কেন এত বাসনা।
কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কি করবেন? সুন্নাহতে এ কথা প্রমাণিত যে, যে ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা বা সংকল্প করেছে তার জন্য ওয়াজিব; যুলহাজ্জ মাস...
কুরবানীর ইতিহাস শনিবার, 10 আগস্ট 2019
ধারনা করা হয় ছবির এই  জায়গা কাবিলের হাতে খুন হয়ে ছিল হাবিল। কুরবানী শব্দের উৎপত্তি হলো কুরবান শব্দ থেকে। কুরবান শব্দের অর্থাৎ নৈকট্য, সান্নিধ্য, উৎসর্গ। সুতরাং...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শুক্রবার, 26 জুলাই 2019
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top