প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

ভবা পাগলা

এক কোনায় বসে, ঈশ্বরের এক পাগল প্রেমিক, রচনা করে চলেছেন হাজার হাজার গান। সেই গান ধীরে ধীরে একদিন বাংলার সংগীত সম্ভারের অমূল্য রতন হয়ে উঠলো। ভরে উঠলো বাংলার লোকগানের ডালি। জানেন কে সেই সন্ন্যাসী? যার তপস্যার মাধ্যম সংগীত আর আরাধনার উপলক্ষ্য গান? সেই পাগল রচয়িতা হলেন ভবা পাগলা

তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৮৯৭ খৃস্টাব্দে। তাঁর পিতার নাম ‘গজেন্দ্র কুমার সাহা’। ভবা পাগলারা ছিলেন তিন ভাই এক বোন। তিনি দেখতে ছিলেন একরকম হালকা পাতলা গড়ন, গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ, মাথায় ঝাঁকড়া চুল, চিবুকে এক গোছা দাঁড়ী।

তিনি বাংলাদেশ মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার (বর্তমানে উপজেলা) অন্তর্গত আমতা গ্রামের অধিবাসী ছিলেন। স্বাধীনতার পর (অর্থাৎ ১৯৪৭ এর পর ১৯৭১) তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে চলে যান। তাঁর গান মানিকগঞ্জ জেলা সহ বাংলাদেশ ও ভারতে বিভিন্ন স্থানে পরিচিতি লাভ করে ও গীত হয়ে আসছে। তিনি মূলত শ্যামা সঙ্গীত, ভাব গান, গুরুতত্ত্বের গান, দেহতত্ত্বের গান, ও সৃষ্টিতত্ত্বের গান রচনা এবং সুর নিজেই করেছেন।

যদি কাঁদিবার তরে পাঠালে সংসারে

মুছায়ে দিও নয়ন বারি

যদি কাঁদিবার তরে পাঠালে সংসারে
মুছায়ে দিও নয়ন বারি।
জন্ম জন্মান্তরে রেখে দিও দূরে
তুমি কিন্তু মোরে দিওনাকো ছাড়ি।

আমি মহাপাপী, করিবইতো পাপ,
তুমি যতকিছু করে যেও মাফ।
তুমি যে দয়াল,
আমি যে কাঙ্গাল,
হাল ধরে তুমি জমিও পাড়ি।

মনের কোন দুঃখ নেইকো আমার,
তুমি যা করাবে তাই সুবিচার।
তব হাসি মুখ,
তাই মম সুখ,
হাত ধরে তুমি জমিও পাড়ি।

কাঁদিয়া কাঁদিয়া, ফিরিব সন্ধানে,
জানি তুমি আছো হৃদয় গোপনে।
দাও না যে ধরা,
ওগো চিত্তচোরা,
একি তোমার লীলা রূপমাধুরী।

ছলিতে তুমি বড় ভালবাসো,
ভক্তকে কাঁদিয়ে তুমি নিজে হাসো।
অপূর্ব লীলা,
কহে ভবা পাগলা,
বেদনার মাঝে খেলো লুকোচুরি।

কথাঃ- ভবা পাগলা
কণ্ঠেঃ- উমা রানি দাস

পরমে পরম জানিয়া

এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায়

এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায়
আদেশ করিবা মাত্র যাবো চলিয়া

বারে বারে আর আসা হবে না

তুমি ভেবেছো কি মনে

তুমি ভেবেছো কি মনে
এই ত্রিভুবনে তুমি যাহা করে গেলে,
কেহ জানেনা ?

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায়

দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু বাঁকা শ্যামরায়

ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায়
দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু,
বাঁকা শ্যামরায়।।

এখনো সেই বৃন্দাবনে

এখনো সেই বৃন্দাবনে বাঁশি বাজে রে

এখনো সেই বৃন্দাবনে
বাঁশি বাজে রে।
ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে
ময়ূর নাচে রে।।

নতুন তথ্য

কুষ্টিয়ার মোহিনী মিলের ঐতিহ্য নতুন রুপে ফিরে আসুক আগামী প্রজন্মের কাছে এক সময়ের এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রকল কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক...
ভাঙল কুষ্টিয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ্‌ এর তিরোধান দিবসের ৩ দিনের অনুষ্ঠান কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় সাঙ্গ হলো বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ’র ১২৯তম তিরোধান দিবস অনুষ্ঠান। “বাড়ির কাছে...
লালনের আদর্শে আধুনিক দেশ ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সবকিছুর...
লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন ছেড়ে অনেকেই এখন ভুল ব্যাখ্যা দিতে তৎপর ! আজ থেকে ১২৯ বছরের ব্যবধানে সেই সময়ের মরমী সাধক বাবা লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন, দিক নিদের্শনা,...
শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...

নতুন লালন গীতি

সোনার মান গেল রে ভাই বেঙ্গা এক পিতলের কাছে সোনার মান গেল রে ভাই বেঙ্গা এক পিতলের কাছে। শাল পটকের কপালের ফের কুষ্টার বোনাতে দেশ জুড়েছে।।
আমার ঘরের চাবি পরের হাতে কেমনে খুলিয়া সে ধন দেখবো চক্ষেতে আমার ঘরের চাবি পরেরই হাতে। কেমনে খুলিয়া সে ধন দেখবো চক্ষেতে।।
দেখ না মন ঝকমারি এই দুনিয়াদারি পরিয়ে কোপনি ধব্জা মজা উড়ালো ফকিরি দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি। পরিয়ে কোপনি ধব্জা মজা উড়ালো ফকিরি।।
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায়।।
মন বিবাগী বাগ মানে না রে যাতে অপমৃত্যু হবে তাই সদায় করে মন বিবাগী বাগ মানে না রে। যাতে অপমৃত্যু হবে তাই সদায় করে।। কিসে হবে আমার ভজন সাধন মন...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top