প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

জালাল উদ্দিন খাঁ

আত্মতত্ত্ব, পরমতত্ত্ব, নিগূঢ়তত্ত্ব, লোকতত্ত্ব, দেশতত্ত্ব ও বিরহতত্ত্বের নামাঙ্কিতের মাঝে জালাল উদ্দিন প্রায় সহস্রাধিক গান রচনা করেছিলেন। প্রখ্যাত এই লোক কবি মালজোড়া গানের আসরেও ছিলেন অনন্য। জালাল উদ্দীন খাঁ অনেক গান রচনা করেছিলেন। তার জীবদ্দশায় চার খণ্ডের ‘জালাল-গীতিকা’ গ্রন্থে ৬৩০টি গান প্রকাশিত হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় ‘জালাল-গীতিকা’ পঞ্চম খণ্ড। সেই খণ্ডে গানের সংখ্যা ৭২টি। এই মোট ৭০২টি গান নিয়ে ২০০৫ সালের মার্চে প্রকাশিত হয়েছে ‘জালাল গীতিকা সমগ্র।’ জালাল তার গানগুলোকে বিভিন্ন ‘তত্ত্ব’তে বিন্যস্ত করে প্রকাশ করেন। সেই তত্ত্বগুলোর নামগুলো হলো- আত্মতত্ত্ব, পরমতত্ত্ব, নিগূঢ় তত্ত্ব, লোকতত্ত্ব, দেশতত্ত্ব, বিরহতত্ত্ব।

‘জালালগীতিকা’র অধিকাংশ গানই এরকম তত্ত্বনামাঙ্কিত হলেও অনেক গানকে জালাল খাঁ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত করেননি। যেমন- ‘জালাল গীতিকা’ প্রথম খণ্ডে সংকলিত ২০২টি গানের মধ্যে ২০টি গান ‘ভাটিয়ালি’ নামাঙ্কিত। দ্বিতীয় খণ্ডের ২২৮টি গানের ৬০টিই ‘ভাটিয়ালি’। তৃতীয় খণ্ডের ৭৮টি গানের সাতটি ‘তত্ত্ব’ বিষয়ে, আর ১৪টি ‘মুর্শিদি’ ও ১১টি ‘মারফতি’ নামাঙ্কিত গান। ‘জালাল গীতিকা’র চতুর্থ খণ্ডে কোনো তত্ত্ব নির্দেশ ছাড়াই বাউল সুর, ঝাপতাল, চৌপদী, প্রসাদ সুর, মুকুন্দ সুর, খেমটা নামে মোট ১০১টি গান সংকলিত হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর উত্তরসূরিদের হতে ‘জালাল গীতিকা’র যে পঞ্চম খণ্ড প্রকাশিত হয় তাতে গীতিগুলোর কোনোরূপ শ্রেণীবিন্যাস বা নামাঙ্কন করা হয়নি। নব এই প্রকাশনায় জালালের জীবৎকালে অপ্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের ৭২টি গীতি সংকলন করা হয়। তাছাড়া " বিশ্ব রহস্য " নামে একটি প্রবন্ধ গ্রন্হ প্রকাশ করেন। ১৯৭২ সনে ৩১ জুলাই বাংলা ১৬ই শ্রাবণ, ১৩৭৯ দুই পুত্র তিন কন্যা, এবং স্ত্রী শামছুন্নাহার বেগমকে রেখে দেহত্যাগ করেন। নিজ গ্রামের বাড়ীর আঙ্গিনায় তার মাজার অবস্থিত। প্রয়াত মরমী বাউল সাধক জালাল উদ্দিন খাঁ স্মরণে প্রতি বছর দু’দিন ব্যাপী পালিত হয় জালাল মেলা।

জম্মে যে জন পাপ করে না

পাপীর আছে তোমার কাছে দয়া পাইতে অধিকার

জম্মে যে জন পাপ করে না
ভাগি নয় সে করুনার
পাপীর আছে তোমার কাছে দয়া পাইতে অধিকার।।

ভাব তরঙ্গে

মওলার ভাব তরঙ্গে এসো আমার সঙ্গে

মওলার ভাব তরঙ্গে এসো আমার সঙ্গে
যদি কারো ভাল লাগে রে।।

আঁধারে ঘিরিলো কোথা যাই বলো

কে দেবে আমারে পথ দেখাইয়ারে

আঁধারে ঘিরিলো কোথা যাই বলো
কে দেবে আমারে পথ দেখাইয়ারে
আঁধারে ঘিরিলো।।

কত আশা ছিল

আগে না জানিয়া পিছে না ভাবিয়া

আগে না জানিয়া পিছে না ভাবিয়া।।

জীবনও ভরিয়া কাঁদিতে হইলো

পিরিতি জান্নাতি ফল ধরলনা মোর বাগানে

আমি কি সুখে জীবন খাটাবো, যাবো বলো কোনখানে

আমি কি সুখে জীবন খাটাবো
যাবো বলো কোনখানে?
পিরিতি জান্নাতের ফল
ধরলো না মোর বাগানে।।

এ বিশ্ব বাগানে সাঁই নিরাঞ্জনে

মানুষ দিয়া ফুটাইল ফুল

এ বিশ্ব বাগানে সাঁই নিরাঞ্জনে
মানুষ দিয়া ফুটাইল ফুল।

নতুন লালন গীতি

সব সৃষ্টি করলো যে জন তারে সৃষ্টি কে করেছে সব সৃষ্টি করলো যে জন তারে সৃষ্টি কে করেছে। সৃষ্টি ছাড়া কি রূপে সে...
দোটানাতে ভাবছি বসে ঐ ভাবনা দোটানাতে ভাবছি বসে কি করি কোন পথে যাই মনে কিছু ঠিক পড়ে না। দোটানাতে ভাবছি বসে ঐ ভাবনা।।
মন আমার গেল জানা কারো রবে না এ ধন জীবন যৌবন মন আমার গেল জানাকারো রবে না এ ধন জীবন যৌবনতবে রে কেন এত বাসনা।
খুলবে কেন সে ধন মালের গ্রাহক বিনে মুক্তামণি রেখেছে ধনি বোঝাই করে সেই দোকানে খুলবে কেন সে ধন মালের গ্রাহক বিনে। মুক্তামণি রেখেছে ধনি বোঝাই করে সেই দোকানে।।
ভুলো না মন কারো ভোলে রাসুলের দিন সত্য মান ডাক সদাই আল্লা বলে ভুলো না মন কারো ভোলে। রাসুলের দিন সত্য মান ডাক সদাই আল্লা বলে।।
আমার মন চোরারে কোথা পাই কোথা যাই, ও মন আজ কিসে বোঝাই আমার মন চোরারে কোথা পাই।। কোথা যাই, ও মন আজ কিসে বোঝাই আমার মন চোরারে কোথা পাই।।
লীলার যার নাইরে সীমা কোন সময় কোন রুপ সে ধরে সাঁইর লীলা বুঝবি ক্ষ্যাপা কেমন করে লীলার যার নাইরে সীমা কোন সময় কোন রুপ সে ধরে। সাঁইর লীলা বুঝবি ক্ষ্যাপা কেমন...
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী।।
তারে কি আর ভুলতে পারি মন দিয়েছি যে চরণে তারে কি আর ভুলতে পারি মন দিয়েছি যে চরণে।
মনের বিয়োগ জানে তারা আশেকে উন্মত্ত যারা আশেকে উন্মত্ত যারা তাদের মনের বিয়োগ জানে তারা।।
সোনার মানুষ ভাসছে রসে যে জেনেছে রসপন্থি সে সোনার মানুষ ভাসছে রসে যে জেনেছে রসপন্থি সে দেখিতে পায় অনায়াসে।।
কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে এসে কাল শমন বাঁধবে কোন দিনে কেন ডুবলি না মন গুরুর চরণে এসে কাল শমন বাঁধবে কোন দিনে।।
বলো স্বরূপ কোথায় আমার সাধের প্যারি যার জন্য হয়েছি রে দণ্ডধারী বলো স্বরূপ কোথায় আমার সাধের প্যারি। যার জন্য হয়েছি রে দণ্ডধারী।।
এমন দিন কি হবে রে আর খোদা সেই করে গেল রসুল রূপে অবতার খোদা সেই করে গেল রসুল রূপে অবতার এমন দিন কি হবে রে আর।।
দয়াল নিতাই কারো ফেলে যাবে না ধরো চরণ ছেড়ো না দয়াল নিতাই কারো ফেলে যাবে না ধরো চরণ ছেড়ো না।।
আর কি বসবো এমন সাধুর সাধবাজারে সাধুর সাধবাজারে আর কি বসবো এমন সাধুর সাধবাজারে। না জানি কোন সময় কী দশা হয় আমারে ।।
সমুদ্রের কিনারে থেকে ওরে বিধি হায়রে বিধি সমুদ্রের কিনারে থেকে জল বিনে চাতকী ম’লো।
মনের নেংটি এঁটে করো রে ফকিরী আমানতের ঘরে মনা হয় না যেনো চুরি মনের নেংটি এঁটে করো রে ফকিরীআমানতের ঘরে মনা হয় না যেনো চুরি।।
আমি কোন সাধনে তারে পাই আমার জীবনের জীবন সাঁই আমি কোন সাধনে তারে পাই। আমার জীবনের জীবন সাঁই।।
আমার তো কই মিটলো না আমার তো কই মিটলো না বসত বাড়ির ঝগড়া কেজেআমার তো কই মিটলো না। কার গোয়ালে কে দেয় ধূমা সব দেখি তা না না...

নতুন তথ্য

মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
দয়া কর মোরে গো রবিবার, 11 আগস্ট 2019
দয়া কর মোরে গো বেলা ডুবে এলো গুরু, দয়া কর মোরে গো বেলা ডুবে এলো। তোমার চরন পাবার আশে, রইলাম বসে সময় বয়ে গেল।।
সব সৃষ্টি করলো যে জন রবিবার, 11 আগস্ট 2019
সব সৃষ্টি করলো যে জন তারে সৃষ্টি কে করেছে সব সৃষ্টি করলো যে জন তারে সৃষ্টি কে করেছে। সৃষ্টি ছাড়া কি রূপে সে...
কি করি কোন পথে যাই রবিবার, 11 আগস্ট 2019
দোটানাতে ভাবছি বসে ঐ ভাবনা দোটানাতে ভাবছি বসে কি করি কোন পথে যাই মনে কিছু ঠিক পড়ে না। দোটানাতে ভাবছি বসে ঐ ভাবনা।।
মন আমার গেল জানা রবিবার, 11 আগস্ট 2019
মন আমার গেল জানা কারো রবে না এ ধন জীবন যৌবন মন আমার গেল জানাকারো রবে না এ ধন জীবন যৌবনতবে রে কেন এত বাসনা।
কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কি করবেন? সুন্নাহতে এ কথা প্রমাণিত যে, যে ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা বা সংকল্প করেছে তার জন্য ওয়াজিব; যুলহাজ্জ মাস...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top