বৈশিষ্ট্যযুক্ত প্রবন্ধ
বৃহত্তর কুষ্টিয়ার হারিয়ে যাওয়া পেশা, হাটবাজার ও গ্রামীণ জীবন
- Sub Title: সময়ের পরিবর্তনে বদলে যাওয়া জনপদ, জীবিকা ও লোকজ ঐতিহ্যের গল্প
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ বৃহত্তর কুষ্টিয়া
বাংলার গ্রামীণ জীবন একসময় গড়ে উঠেছিল কৃষি, নদী, হাটবাজার, কারুশিল্প এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে। গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতেন গ্রামেরই বিভিন্ন পেশার মানুষ। কামার তৈরি করতেন লাঙলের ফাল, কাস্তে ও দা; কুমার বানাতেন মাটির হাঁড়ি-পাতিল; তাঁতিরা বুনতেন কাপড় ও গামছা; আর বাঁশ-বেতের কারিগরেরা তৈরি করতেন কুলা, ডালা, ঝুড়ি ও নিত্যব্যবহারের নানা সামগ্রী। সাপ্তাহিক হাটে এসব পণ্যের বেচাকেনা হতো, আর সেই হাটকে ঘিরেই জমে উঠত গ্রামের অর্থনীতি ও সামাজিক জীবন।
কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী মোহিনী মিল: গৌরবময় অতীত, শিল্পের ইতিহাস ও বর্তমান বাস্তবতা
- Sub Title: ১৯০৮-এ প্রতিষ্ঠা, আশির দশকে বন্ধ — এখন পুনরুদ্ধারের নতুন প্রতিশ্রুতি
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ মোহিনী মোহন
কুষ্টিয়া শহরের শিল্প-ঐতিহ্যের কথা বলতে গেলে যে প্রতিষ্ঠানটির নাম বিশেষভাবে উঠে আসে, সেটি হলো মোহিনী মিল। একসময় এই বস্ত্রকল শুধু কুষ্টিয়ার অর্থনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেনি, বরং বৃহত্তর অঞ্চলের তাঁতি, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল। মিলটির উৎপাদিত সুতা, শাড়ি ও ধুতি একসময় পরিচিতি লাভ করেছিল বিভিন্ন এলাকায়। কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য।
কুষ্টিয়া কি সত্যিই ‘লালন নগরী’ হয়ে উঠবে? সম্ভাবনা, পরিকল্পনা ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ
- Sub Title: সংস্কৃতিমন্ত্রীর ঘোষণা থেকে বাস্তব রূপের দূরত্ব — সম্ভাবনা, সার্কিট ও ছয় চ্যালেঞ্জের বিশ্লেষণ
- বিস্তারিত
- ক্যাটাগরিঃ ফকীর লালন শাঁহ
কুষ্টিয়া কি একদিন শুধু বাংলাদেশের মানচিত্রে একটি জেলা হিসেবে নয়, বরং লালন শাঁইজীর মানবতাবাদী দর্শন, বাউলসংগীত, লোকঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পর্যটনের আন্তর্জাতিক পরিচিত কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে? প্রশ্নটি নতুন নয়। তবে ২০২৬ সালের অক্টোবরে ফকির লালন শাঁইজীর ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় আয়োজিত স্মরণোৎসবে ‘লালন নগরী’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উঠে আসার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বাংলা
English