প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়া জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে) অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়ায় একটি পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। হ্যামিলটন'স গেজেট প্রথম কুষ্টিয়া শহরের কথা উল্লেখ করে।

Kushtia (Bengali: কুষ্টিয়া জেলা, Kushtia Jela also Kushtia Zila) is a district in the Khulna administrative division of western Bangladesh. Kushtia has existed as a separate district since the partition of India. Prior to that, Kushtia was a part of Nadia District under Bengal Province of British India. Kushtia was home of many famous people, especially authors and poets. Present day Kushtia is known for the Islamic University, Shilaidaha Kuthibari and Lalon's shrine.

কুষ্টিয়ার কৃতিসন্তান দীপু মাহমুদ পেলেন সেরা শিশু সাহিত্যিকের পুরস্কার

দীপু মাহমুদ জন্ম ১৯৬৫ সালের ২৫ মে। শৈশব ও বাল্যকাল কেটেছে মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে চুয়াডাঙ্গা জেলার হাট বোয়ালিয়া গ্রামে। বেড়ে ওঠা স্নেহময়ী কালিশংকরপুর কুষ্টিয়া।

নাট্যকার মাসুম রেজা

মাসুম রেজা জন্মগ্রহণ করেন ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬৩ কোর্টপাড়া কুষ্টিয়া। তিনি একজন বাংলাদেশী নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, নাট্য নির্দেশক। তিনি তার টেলিভিশন ধারাবাহিক রঙের মানুষ (২০০৩-০৪) এর চিত্রনাট্যের জন্য বেশি পরিচিত। এই ধারাবাহিকের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নাট্যকার বিভাগে বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন।

গীতিকার আমিরুল ইসলাম

শিশু অভিনয় শিল্পী হিসেবে চৌড়হাস মুকুল সংঘ স্কুল থিয়েটার থেকে যাত্রা শুরু আমিরুল ইসলামের। এরপর রাসেল স্মৃতি সংসদ, নুপুর, বোধন, পরিমল থিয়েটারসহ কুষ্টিয়ার সবগুলো থিয়েটারেই কমবেশি অবদান আছে তাঁর। সেই সাথে সমান গতিতে চলেছে লালনের মাজার কেন্দ্রিক বাউল গানের চর্চা।

মোহিনী মোহন চক্রবর্তী আঠার টাকার এক কেরানী থেকে বিচারপতি এবং শিল্পপতি

সেই সময়ের নদীয়া এবং এখনকার কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি সর্ব কালেই এক অভিন্ন ও স্বতন্ত্র ধারার পরিচয়ে পরিচিত। রাজনীতি থেকে সমাজ ব্যবস্থা, প্রশাসনিক বিন্যাস থেকে সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে অর্থনৈতিক স্তর যেন সব কিছুতেই অন্যসব এলাকার সাথে বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য ছিল। কুমারখালিতে জল যোগাযোগের সহজ মাধ্যম ছিল। এক সময়ের গৌড় বা এখনকার গড়াই নদীর তীর ঘেষা, আবার পদ্মা নদীর তীরবর্তী হওয়াতে এখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তেমন চেষ্টা করতে হয় নাই। ১৮৫৭ সালে কুমারখালি প্রথম মহকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

কাঙ্গাল হরিনাথ ও কালান্তরের ইতিহ ভাবনা

বাঙলা এবং বাঙালির অস্তিত্ব সৃষ্টির পর হতে নানা কারনে বাঙালির জীবন কখনও গৌরবের আবার কখনও বিষাদের। মহাকালের পরিক্রমায় কিছু কিছু সময় ও সূচীর ঘটনা সমূহ আমাদের জীবনকে বিশেষভাবে সীলমোহর দিয়ে আবদ্ধ করে রেখেছে। যে কারনে আমরা কখনও কাঁন্না করি, আবার কখনও হাসি। কখনও উদ্ভাস বা উদ্বেলিত হয়, আবার কখনও নিস্তব্ধ হয়।

হাটশ হরিপুর কুষ্টিয়ার অন্যতম একটি গ্রাম

হাটশ হরিপুর কুষ্টিয়া জেলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রাম। এই গ্রামে কবি, সাহিত্যিক, শিল্পপতি, প্রকৌশলী, পীর-দরবেশ, বাউল এবং অসংখ্য গুণী মানুষের জন্মস্থান। কুষ্টিয়া শহরে ব্যবসায়িক উন্নয়নে হরিপুরবাসী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। ঘুম থেকে উঠেই কাজের জন্য চলে আসেন কুষ্টিয়া শহরে সারাদিন কর্ম-ব্যস্ত সময় পার করে সন্ধ্যায় ফিরে যান আপন নীড়ে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন আগামীতে উপশহর হিসেবে পরিচিত লাভ করবে এই হাটস হরিপুর ইউনিয়ন।

আল্লারদর্গা নামকরণের ইতিহাস

আল্লারদর্গা কথাটি শুনলেই মনের মধ্যে এক অন্যরকম অনুভূতি জাগে যে, নিশ্চয় আল্লারর্দগায় কোন মাজার বা দরগা আছে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আল্লারদর্গাতে এ ধরণের তেমন কোন মাজার বা দরগা নেই। তবে আল্লারদর্গা নাম করণের ইতিহাস রয়েছে চমকপদ ঘটনা। আল্লারদর্গা নামকরণের ইতিহাস খুঁজতে গিয়ে লোক মুখে পাওয়া গেছে, প্রায় আড়াই’শ বছর আগে বৃটিশ শাসন আমলে ভারতের মুর্শিদাবাদ থেকে আসা একটি পরিবার কুষ্টিয়া জেলা দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নে মিরপুর নামক গ্রামে কয়েকটি তালুক নিয়ে বসবাস করতেন। ঐ পরিবারটির কর্তা ছিলেন ছুটি মন্ডল, তাহার ছিল পাঁচটি সন্তান মিলন, আলম, চাঁদ, সুবাদ ও ফতাব মন্ডল।

কুষ্টিয়ার সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ্, গগন হরকরা, কালজয়ী ঐতিহাসিক উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু’র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন, কবি আজিজুর রহমান, বিপ্ল­বী বাঘা যতীন, কাঙাল হরিনাথ মজুমদার, ওহাবী আন্দোলনের অগ্রপথিক কাজী মিয়াজান এর মত বিদগ্ধ মানুষের পদচারণায় ধন্য পদ্মা-গড়াই বিধৌত সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়ার জনপদ।

কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল

মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম হলো বস্ত্র। শীতাতপ ও লজ্জা নিবারণের জন্যই মানুষ গড়ে তোলে বস্ত্রশিল্প। হস্তচাালিত তাঁতবস্ত্র এক সময় এদেশের গণচাহিদা মেটাতো। সে সময়ে গড়ে উঠেছিল বাঙালির সুতি বস্ত্রের শিল্প গৌরব। ঔপনিবেশিক কালে যান্ত্রিক তাঁতশিল্প এসে সেই স্থান জবরদখল করে বসলো। গড়ে উঠলো কল-কারখানা।

আব্দুল জব্বার (কণ্ঠশিল্পী)

মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার ( জন্মঃ ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৮ - মৃত্যুঃ ৩০ আগস্ট, ২০১৭) একজন বাংলাদেশি সঙ্গীত শিল্পী। আব্দুল জব্বার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে প্রচারিত "সালাম সালাম হাজার সালাম", "জয় বাংলা বাংলার জয়" সহ এরকম আরো অনেক উদ্বুদ্ধকরণ গানের গায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

আব্দুল জব্বারের নতুন অ্যালবাম ‘কোথায় আমার নীল দরিয়া’ প্রকাশিত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী মোঃ আব্দুল জব্বারের মৌলিক গানের অ্যালবাম ‘কোথায় আমার নীল দরিয়া’ সম্প্রতি অনলাইনে মুক্তি পেয়েছে। অ্যালবামটিতে ৯টি গান আছে। গানগুলো লিখেছেন মোঃ আমিরুল ইসলাম। সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন গোলাম সারোয়ার।

মোহিনী মোহন চক্রবর্তী

সেই সময়ের নদীয়া ও এখনকার কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী সর্বকালেই এক অভিন্ন ও স্বতন্ত্র ধারার পরিচয়ে পরিচিত। রাজনীতি থেকে সমাজ ব্যবস্থা, প্রশাসনিক বিন্যাস থেকে সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে অর্থনৈতিক স্তর— সবকিছুতেই যেন অন্য সব এলাকার সঙ্গে বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য ছিল। কুমারখালীতে জল যোগাযোগের সহজ মাধ্যম ছিল। একসময়ের গৌড়ি বা এখনকার গড়াই নদীর তীরঘেঁষা আবার পদ্মার তীরবর্তী হওয়ায় এটি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে দ্রুত প্রতিষ্ঠা পায়।

আহমেদ শরীফ

আহমেদ শরীফ (আগস্ট ১২, ১৯৪৩) একজন বাংলাদেশী অভিনেতা। কুষ্টিয়া জেলার বানিয়া পাড়া গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি প্রায় আট শতাধিক বাংলা চলচিত্রে অভিনয় করেছেন। খলনায়ক হিসেবে সফল হলেও অনেক চলচ্চিত্রে ভিন্ন চরিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্য রয়েছে অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী , দেনমোহর (১৯৯৬), তিন কন্যা (১৯৮৫),বন্দুক প্রভৃতি।

মিজু আহমেদ

মিজু আহমেদ (১৭ নভেম্বর, ১৯৫৩ - ২৭ মার্চ, ২০১৭) ছিলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা। জন্ম নাম “মিজানুর রহমান” কুষ্টিয়া শহরে তাঁর জন্ম। তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ১৯৭৮ সালে তৃষ্ণা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। এছাড়াও তিনি একজন প্রযোজক হিসেবেও ঢালিউড পাড়ায় পরিচিত। মূলত, আহমেদ তার খলনায়ক চরিত্রের সুবাদে বাংলা চলচ্চিত্রে সুপরিচিত।

পরাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে

কত কষ্ট করে আমি, কামাই রোজগার করে আনি

কত কষ্ট করে আমি, কামাই রোজগার করে আনি।
তবু বন্ধুর মন পাইলাম নারে,

খোদার কাছে প্রার্থনা

আহারে জগতপতি, তোমা বিনা নাহি গতি

আহারে জগতপতি, তোমা বিনা নাহি গতি
ভিক্ষা মাঙ্গে এই দুরাচার।

তাল ছিপকা

চলরে মন সাধু বাজারে

চলরে মন সাধু বাজারে
সাধু সঙ্গ করলে পাব অমূল্য বন্ধুরে।।

আশকতত্ত্ব

আশক মাশুক কথা বলি এইখানে

আশক মাশুক কথা বলি এইখানে।
আশক বুঝিয়া কর পাবে নিরাঞ্জনে।।

নাথ

প্রথমে পড়িনু আমি তকবির আল্লার

প্রথমে পড়িনু আমি তকবির আল্লার।
দরুদ পড়িব নবী রাছুল আল্লার।।

হামদ

করিম রহিম সাঁই আপে পরয়ার

করিম রহিম সাঁই আপে পরয়ার।
দয়াবান নাই কেহ তোমার উপর।।

পাতা 7 এর 17

নতুন তথ্য

কুষ্টিয়ার মোহিনী মিলের ঐতিহ্য নতুন রুপে ফিরে আসুক আগামী প্রজন্মের কাছে এক সময়ের এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রকল কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক...
ভাঙল কুষ্টিয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ্‌ এর তিরোধান দিবসের ৩ দিনের অনুষ্ঠান কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় সাঙ্গ হলো বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ’র ১২৯তম তিরোধান দিবস অনুষ্ঠান। “বাড়ির কাছে...
লালনের আদর্শে আধুনিক দেশ ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সবকিছুর...
লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন ছেড়ে অনেকেই এখন ভুল ব্যাখ্যা দিতে তৎপর ! আজ থেকে ১২৯ বছরের ব্যবধানে সেই সময়ের মরমী সাধক বাবা লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন, দিক নিদের্শনা,...
শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...

নতুন লালন গীতি

সোনার মান গেল রে ভাই বেঙ্গা এক পিতলের কাছে সোনার মান গেল রে ভাই বেঙ্গা এক পিতলের কাছে। শাল পটকের কপালের ফের কুষ্টার বোনাতে দেশ জুড়েছে।।
আমার ঘরের চাবি পরের হাতে কেমনে খুলিয়া সে ধন দেখবো চক্ষেতে আমার ঘরের চাবি পরেরই হাতে। কেমনে খুলিয়া সে ধন দেখবো চক্ষেতে।।
দেখ না মন ঝকমারি এই দুনিয়াদারি পরিয়ে কোপনি ধব্জা মজা উড়ালো ফকিরি দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি। পরিয়ে কোপনি ধব্জা মজা উড়ালো ফকিরি।।
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায়।।
মন বিবাগী বাগ মানে না রে যাতে অপমৃত্যু হবে তাই সদায় করে মন বিবাগী বাগ মানে না রে। যাতে অপমৃত্যু হবে তাই সদায় করে।। কিসে হবে আমার ভজন সাধন মন...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top