প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

রেন উইক যজ্ঞেশ্বর বাঁধ

কুষ্টিয়া শহরের পাঁশ ঘেঁষে রয়েছে গড়াই নদী। কুষ্টিয়া শহর রক্ষার্থে দ্বিতীয় যে বাঁধটি রয়েছে সেটির নাম "রেন উইক যজ্ঞেশ্বর বাঁধ"।এই শহরের প্রাণের বাঁধ বলা যাই এক কথায় । শহরের সব পেশার মানুষ বিনোদনের জন্য আসে এই বাঁধে। সবুজে ঘেরা পাঁশ দিয়ে নদীর কুল কুল শব্দে মুখরিত থাকে সারাক্ষণ। নদীর ওপারে দেখা যায় হরিপুর গ্রাম। যখন নদীতে পানি থাকে অসংখ্য শিশু মাছ লাফালাফি করতে দেখা যায়।

বর্তমানে এই মাছ কে মাছ বিশেষজ্ঞরা ছোট তিমি নামে অবহিত করেছে। যখন নদীতে জোয়ার আছে। সব শ্রেণীর মানুষ নৌকা ভ্রমনে যায়। এই বাঁধ থেকে দেখা যায় পদ্মা নদী। অনেকে ট্রলার নিয়ে পদ্মা নদীতে যায়। সেখানে গেলে আরো অপরূপ দৃশ্য। হাড্রিং ব্রিজ এবং লালন সেতু দেখা যায়। তার একটু এগিয়ে গেলে সোলেমান শাহ্‌ মাজার। সে এক অপুরুপ দৃশ্য। পাখি, মাছ, বাতাস এবং পানির কুল কুল রবে সারাক্ষণ মুখরিত।

বাস্তব হলেই সত্য আমাদের এই প্রাণের বাঁধটিতে পর্যটক এসে বসার তেমন কোন সু বাবস্থা নেই। আমাদের দাবি পর্যটক এসে যেন মজা পাই সেই দিকে আমাদের মনোযোগ দেবার সময় হয়েছে।

 

রেন উইক যজ্ঞেশ্বর বাঁধ (Rainweek badh)

কুষ্টিয়া শহরকে রক্ষা করার জন্য তিনটি বাঁধ রয়েছে।

  • কমলাপুর বাঁধ
  • রেন উইক বাঁধ
  • পাবলিক বাঁধ

কুষ্টিয়া শহরের মানুষের কাছে তিনটি বাঁধই খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই বেড়ি বাঁধ গুলা অনেক পুরাতন, এই গুলাকে পুনঃ মেরামত করা খুবই জরুরী। কুষ্টিয়া মানুষের প্রাণের দাবি গড়াই নদীর দুই পাস পাথর দিয়ে বেঁধে দেওয়া।

কুষ্টিয়া মানুষের সুখের এবং দুঃখের বাঁধ। মনে পড়ে যায় সেই দিন গুলা। যখন কেও পরীক্ষাই ফেইল করে। এই বাঁধই তখন তাঁর দুঃখের সাথী হয়। আবার যে পাস করে তাঁর সুখের সাথী হয়।

কপোত কপোতী প্রতিনিয়ত ভিড় জমায়। এই বাঁধটিতে রয়েছে অনেক পুরনো গাছ। অনেকে বলে থাকেন ব্রিটিশ আমলের গাছ। এই সব গাছে রয়েছে হরেক রঙের হরেক পাখি। আমাদের চোখে সব চেয়ে বেশি পড়ে টিয়া পাখি। প্রচুর টিয়া পাখি রয়েছে এই সমস্ত গাছে।

এই বাঁধ আমাদের ঐতিহ্য একে রক্ষাই কুষ্টিয়া শহরের মানুষকেই এগিয়ে আসতে হবে। কিভাবে এই বাঁধ গুলাকে আরো প্রাণবন্ত করা যায় সেই লক্ষে কুষ্টিয়া শহরের মানুষকে কাজ করতে হবে।

মন্তব্যসমূহ  

# ইব্রাহিম খলিল 19-11-2016 11:43
সত্যি এটা কুষ্টিয়াবাসীর প্রানের বাঁধ। আমি কুষ্টিয়াবাসী হিসেবে গর্বিত।আমার অনেক অনেক সৃতি জরিয়ে আছে এই বাঁধকে ঘিরে। এখন অনেক দূরে থাকলেও সব সময় মনে পরে এই জায়গাটিকে।
উত্তর | প্রশাসকের কাছে অভিযোগ

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


Close

নতুন তথ্য

দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর শুক্রবার, 24 জানুয়ারী 2020
দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর আরজ আলী মাতুব্বর (জন্ম:- ১৭ ডিসেম্বর, ১৯০০ – মৃত্যু:- ১৫ মার্চ ১৯৮৫) একজন বাংলাদেশী দার্শনিক, মানবতাবাদী, চিন্তাবিদ...
হালতির বিল বৃহস্পতিবার, 23 জানুয়ারী 2020
হালতির বিল হালতির বিল বা হালতি বিল নাটোর সদর থেকে ১০ কিলোমিটার উত্তরে নলডাঙ্গা থানার অন্তর্গত বিল। এটি অত্র অঞ্চলের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
চলন বিল বুধবার, 22 জানুয়ারী 2020
চলন বিল চলন বিল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি বৃহৎ বিল। এটি রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, এবং পাবনা জেলা জুড়ে...
ঐতিহ্যবাহী মাদার গান বুধবার, 22 জানুয়ারী 2020
ঐতিহ্যবাহী মাদার গান মাদার গান বাংলার লোকসংস্কৃতির এক অমূল্য সৃষ্টি। এ গানের উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের নাটোর জেলা‍র চলনবিল অঞ্চলে। এছাড়া...
জারী সম্রাট মোসলেম উদ্দিন বয়াতী মঙ্গলবার, 21 জানুয়ারী 2020
জারী সম্রাট মোসলেম উদ্দিন বয়াতী চারণ কবি জারী সম্রাট মোসলেম উদ্দিন বয়াতী (জন্মঃ- ১৯০৪ - মৃত্যুঃ- ১৯ আগস্ট ১৯৯০) বাল্যকাল হতেই তিনি সংগীতানুরাগী ছিলেন এবং জারী, ভাব,...

নতুন তথ্য

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
Photo credit: Najmul Islam - Golden Bangla বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী সুখী মানুষের বসবাস এবং ১৩তম বড় শহর কুষ্টিয়া শহর। সকল ফসল উৎপাদনে সক্ষম কুষ্টিয়ার মানুষ। নদী-নালা,...
সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেন খালিদ হোসেন (জন্মঃ- ৪ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - মৃত্যুঃ- ২২ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাঙালি নজরুলগীতি শিল্পী এবং নজরুল গবেষক। তিনি নজরুলের ইসলামী গান...
হয়রত সোলাইমান শাহ্‌  চিশতী (রঃ) মাজার শরীফ আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ সোলাইমান শাহ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপ নগরে রয়েছে সোলাইমান শাহের...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top