প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

খালি কার্ট

প্রাচীন যুগের কুষ্টিয়ার ইতিহাস

খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে বিখ্যাত ভৌগোলিক টলেমীর মানচিত্রে গঙ্গা-নদীর অববাহিকায় কয়েকটি ক্ষুদ্র দ্বীপ দেখা যায়। এই ক্ষুদ্র দ্বীপাঞ্চলকে কুষ্টিয়া অঞ্চল মনে করা হয়। গঙ্গা অথবা অন্য জলময় স্থানের বুক থেকে জেগে উঠা এই উর্বর দ্বীপাঞ্চলে দক্ষিণবঙ্গ থেকে পুন্ডু, বা পোদ জাতি এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে অন্যান্য জাতির লোকেরা চাষাবাদ কিংবা প্রচুর মৎস্যলাভের আশায় দলে দলে এসে বসতি স্থাপন করেছিল বলে অনুমিত হয়। ভারতকোষগ্রন্থে কুষ্টিয়া অঞ্চল সন্মন্ধে বলা হয়েছেঃ “নদীবিধৌত গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ অঞ্ছলের পলিগঠিত সমভূমিতে অবস্থিত বলিয়া ইহার মৃত্তিকা অত্যন্ত উর্বর ও কৃষির পক্ষে উপযোগী। সুতারাং কৃষি উপযোগী ভূমি আর অসংখ্য নদী-নালা খাল-বিলে প্রচুর মৎস্য - এই দুটির আকর্ষণেই যে এ অঞ্চলে কৃষিজীবী এবং মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের আগমন ঘটেছিল এ অনুমান যুক্তিসঙ্গত।

খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতাব্দীর শেষে এবং চতুর্থ শতাব্দীর প্রথমভাগে পূর্ববাংলায় সমতট ও পশ্চিমবাংলায় পুস্করণ রাজ্য অথবা পঞ্চম শতাব্দীতে গুপ্তশাসনামলে কুষ্টিয়া অঞ্চলের কোন ইতিহাস জানা যায় না। খ্রিষ্টীয় অষ্টম শতাব্দিতেও এ অঞ্চলের ইতিহাস অজ্ঞাত। বাংলাদেশে সমতট বঙ্গ ও গৌড় এই তিনটি রাজ্যের শাসনামলে কুষ্টিয়া অঞ্চল কোন সময়ে সমতট আবার কোন সময়ে গৌড়ের শাসনভুক্ত ছিল। এ তিনটি রাজ্যের সীমা নির্ণয়ে ঐতিহাসিকগণ একমত হতে পারেননি।

রাজা শশাঙ্কের রাজত্বকালে চৈনিক পরিব্রাজক য়ূয়ান চুয়াং বাংলাদেশ ভ্রমন করে যে বিবরণ দান করে গেছেন তা থেকে জানা যায় যে তৎকালীন বঙ্গরাজ্য কামরূপ, পুন্ডূবর্ধন, কর্ণসুবর্ণ, সমতট ও তাম্রলিপ্তি এই পাঁচ ভাগে বিভক্ত ছিল। কুষ্টিয়া অঞ্চল সপ্তম শতাব্দীতে শশাঙ্কের রাজ্যভুক্ত ছিল বলে অনুমিত হয়। শশাঙ্কের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের সীমান্ত থেকে কয়েক মাইল দূরে মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত ছিল। কোন রাজা রাজ্যের সীমান্তে রাজধানী স্থাপন করেন বলে প্রমান পাওয়া যায় না। সমতট রাজ্যটি যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর, ঢাকা প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। ফরিদপুর জেলার কোটালীপাড়ায় আবিষ্কৃত শিলালিপি থেকে খ্রিষ্টীয় যষ্ঠ শতাব্দিতে দক্ষিণবঙ্গে মহারাজাধিরাজ গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও নরেন্দ্রাদিত্য সমাচারদের নামে তিনজন রাজার রাজত্ব করার কথা জানা যায়। ধর্মাদিত্যের একটি তাম্রশাসনে জানা যায় যে তাঁর রাজত্বকালে গৌড়ের অংশবিশেষের রাজা ছিলেন স্থানুদত্ত। এই “গৌড়ের অংশবিশেষ” স্থান কুষ্টিয়া অঞ্চল ছিল বলে অনুমিত হয়।

অষ্টম শতাব্দীর পঞ্চাশ দশকে বাংলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পালবংশের রাজত্ব প্রতিষ্ঠাপর্বে বৈদেশিক শক্তির আক্রমণ ও সামন্ত রাজাদের ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ের ফলে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। গোপালদের পাল ৭৫০ সালে পাল রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করার পর কুষ্টিয়া অঞ্চল তাঁর রাজ্যভুক্ত হয়। পাল রাজত্বের অবসানকালে (দশম শতাব্দীর শেষাংশ) পর্যন্ত এ অঞ্চল পাল রাজ্যভুক্ত ছিল।

দশম শতাব্দীর শেষে এ একাদশে শতাব্দীর প্রারম্ভে পাল রাজত্বের অবসানপর্বে কয়েকজন সামন্তরাজা বিশেষ শক্তি অর্জন করেছিলেন। এ সময় কুষ্টিয়া অঞ্চল কিছুকালের জন্য বিক্রমপুর-হরিকেলে স্থাপিত চন্দ্রবংশীয় রাজাদের দ্বারা শাসিত হয়েছিল। ফরিদপুর জেলার কেদারপুর গ্রামে আবিষ্কৃত ইদিল্পুর প্ট্রলিতে বিক্রমপুর-হরিকেলে চন্দ্রবংশীয় রাজা শ্রীচন্দ্রের “কুমারতালক মণ্ডলে” এবং “সমতট পদ্মাবতী বিষয়ে” একখণ্ড ভূমিদানের কথা জানা যায়। ডঃ নীহাররঞ্জন রায় “কুমারতালক মণ্ডলকে” কুমার নদী তীরবর্তী অঞ্চল বলতে চেয়েছেন। “পদ্মাবর্তীও পদ্মা নদীরুপে পরিচিত” সুতারাং তাঁর এ অনুমান যুক্তিপূর্ণ। কুমার নদ কুষ্টিয়া জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ছিল। কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিত্যাগ করলেই তাঁর নাম মধুমতি ছিল। সুতারাং কুষ্টিয়া অঞ্চল বাংলায় সেন রাজত্ব প্রতিষ্ঠার পূর্বে বিক্রম্পুর-হরিকেলের চন্দ্রবংশীয় রাজাদের দ্বারা শাসিত হওয়ার বিষয়টি সমর্থনযোগ্য।

দশম শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে ভারতের কর্ণাট থেকে আগত চন্দ্র বংশীয় ক্ষত্রিয় রাজা সামন্ত সেন বাংলায় সেন রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলায় সেন রাজবংশের পায় পৌনে দুইশত বছর শাসনকালে কুষ্টিয়া জেলাঞ্চল তাঁদের শাসনের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ভারতকোষে উল্লেখ করা হয়েছে “পূর্বকালে ইহা (কুশ্তিয়া-লেঃ) সেনরাজগণের রাজত্বধীন ছিল”। সেন রাজত্বের সূচনাপর্বে উত্তরবঙ্গে কৈবত্য নেতা দিব্যক কিছুদিনের জন্য যে স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কুষ্টিয়া তার অন্তর্ভুক্ত হয়নি। সেনবংশের শেষ নরপতি লক্ষণসেন গৌড় থেকে রাজধানী পরিবর্তন করে নদীয়ায় আসেন। তিনি প্রায় তিরিশ বছর রাজত্ব করেন। লক্ষণসেনের রাজত্বকালে ১২০১ মতান্তরে ১২০৩ সালে বিহার থেকে ঝাড়খন্ডের পথে ইখতিয়ারউদ্দিন মহাম্মদ বখতিয়ার খিলজী নামক একজন তুর্কি মুসলিম সেনাপতি মাত্র সপ্তদশ অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে লক্ষ্মণসেনের রাজধানী নদীয়া দখল করেন। বখতিয়ারের পিছনে সেনাবাহিনী ছিল কিন্তু মাত্র সতের জন অশ্বারোহী তার সঙ্গে দ্রুত আসতে সক্ষম হয়েছিল। বখতিয়ারের নদীয়া দখলের চল্লিশ বছর পর মিনহাজ-উস-সিরাজ রচিত “তবাকাত-ই-নাসিরী” গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে মাত্র অষ্টাদশ অশ্বারোহী সৈন্য নদীয়া নগরীতে প্রবেশ করলে তাঁদেরকে তুর্কি অশ্ববিক্রেতা মনে করে কেহ বাধা দান করেনি। বখতিয়ার ‘রাজপ্রাসাদে উপস্থিত হয়েই আক্রমণ করেন। সে সময় ‘রায় লছমণিয়া’ আহারে বসেছিলেন। তিনি মুসলমান আক্রমণের কথা শ্রবণ করে পুত্র-মহিলা, ধন-রত্ন-সম্পদ, দাস-দাসী পরিত্যাগ করে অন্তঃপুরের দ্বার দিয়ে নৌকাপথে পূর্ববঙ্গে পলায়ন করেন। বখতিয়ার খিলজীর নদীয়া বিজয় সন্মন্ধে রাখালদাস বন্দোপাধ্যায় সন্দেহ পোষণ করেছেন কিন্তু আর কোন ঐতিহাসিক তাঁর মত সমর্থন করেননি। এ সন্মন্ধে এবিএম, হাবিবুল্লাহ বলেনঃ For bakhtyar’s occupation of a portion ot the sena kingdom following his raid on Nodia is undisputed fadt. নদীয়ায় লক্ষ্মণসেনের রাজপ্রাসাদ বখতিয়ার মাত্র সতের জন সৈন্য নিয়ে দখল করলেও নদীয়া নগরী তাঁর সেনাবাহিনী দখল করেছিল। লক্ষ্মণসেনের বার্ধক্যজনিত কারণে রাজকার্যে অবহেলা, অমাত্যবর্গ ও রাজমহিষীর নানা ষড়যন্ত্র ও দুর্নীতি সম্ভবত রাষ্ট্রীয় কাঠামো দুর্বল করে ফেলে যার ফলে তুর্কি আক্রমণ অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়ে।

লক্ষ্মণসেনের পূর্ববঙ্গে কয়েক বছর রাজত্ব করার পর মৃত্যুমুখে পতিত হন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র কেশবসেন ও বিশ্বরূপসেন পর্যায়ক্রমে প্রায় তিরিশ বছর রাজত্ব করেন। এঁদের পর এই বংশের পতন হয়। বখতিয়ার নদীয়া দখল করে গৌড়ে গমন করেন। সেখান থেকে তিনি তিব্বত অভিযান করে ব্যর্থ হয়ে কোনমতে প্রাণ নিয়ে ফিরে এলে আলী মর্দান খিলজী নামক তাঁর এক পার্শ্বচর কতৃক ১২০৬ সালে নিহত হন। বখতিয়ারের নদীয়া বিজয় মুসলিম শাসনের কোন স্থায়িত্ব অর্জন করতে পারেনি তাঁর নদীয়া বিজয়ের পঞ্চাশ বছর পর মুগীসউদ্দিন য়ুজবুক পুনরায় নদীয়া দখল করেন। বখতিয়ার খিলজীর নদীয়া বিজয়ের প কুষ্টিয়া অঞ্চল মুসলিম শাসনে এসেছিল। নদীয়ায় বাংলার প্রথম মুসলিম শাসনের যে সূত্রপাত হয় তা প্রায় ছয়শত বছর স্থায় হয়েছিল। বাংলাদেশে মুসলিম প্রাধান্য প্রতিষ্ঠায় বখতিয়ার খিলজীর নদীয়া বিজয় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সেন রাজত্বকালের বিশেষ কোন স্মৃতিচিহ্ন কুষ্টিয়া অঞ্চলে আবিষ্কৃত হয়নি। মেহেরপুর মহকুমার আমদহের মাঠে এই আমলের একটি মন্দিরের স্তম্ভ আবিষ্কৃত হয়। তবে বর্তমান নদীয়ায় সেন আমলের বেশকিছু স্মৃতিচিহ্ন আবিষ্কৃত হয়েছে বলে মোহিত রায় লিখিত “নদীয়ার পুরাতত্ত্ব” (১৯৭৫ সালে প্রকাশিত) গ্রন্থ পাঠে জানা যায়।

তথ্য সংগ্রহ্যঃ-
ভারতকোষ, দ্বিতীয় খন্ড, ১ম সংস্করণ, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, কলিকাতা, ১৩৭৩, পৃষ্ঠাঃ ৩৭৮
বাংলায় ভ্রমণ, ১ম খন্ড, ২য় খন্ড সং, ১৯৪০, পৃষ্ঠাঃ ২
রাখাল দাস বঙ্গোপাধ্যায়ঃ বাংলার ইতিহাস ১ম খন্ড ১৯৭১, পৃষ্ঠাঃ ২৪০
ডঃ নীহার রঞ্জন রায়ঃ বাংলার নদ-নদী, পৃষ্ঠাঃ ২৮

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
    পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
    পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

নতুন তথ্য

Photo credit: Najmul Islam - Golden Bangla বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী সুখী মানুষের বসবাস এবং ১৩তম বড় শহর কুষ্টিয়া শহর। সকল ফসল উৎপাদনে সক্ষম কুষ্টিয়ার মানুষ। নদী-নালা,...
সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেন খালিদ হোসেন (জন্মঃ- ৪ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - মৃত্যুঃ- ২২ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাঙালি নজরুলগীতি শিল্পী এবং নজরুল গবেষক। তিনি নজরুলের ইসলামী গান...
হয়রত সোলাইমান শাহ্‌  চিশতী (রঃ) মাজার শরীফ আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ সোলাইমান শাহ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপ নগরে রয়েছে সোলাইমান শাহের...
কুষ্টিয়াবাসীর স্বপ্ন পুরুষ প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক কুষ্টিয়াবাসীকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পর্যটন নগরী সৃষ্টিতে সেই রুপকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক, মুক্তিযোদ্ধা...
মৌলভী শামসউদ্দিন আহম্মদ মৌলভী শামসউদ্দিন আহম্মদ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী ও কৃষক-প্রজা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মৌলভী...
আধুনিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ওয়ালিউল বারী চৌধুরী WaliUl Bari Chowdhury the pioneer of modern journalism বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তাণ্চল থেকে প্রকাশিত...
কুমারখালী মুক্ত দিবস ৯ই ডিসেম্বর ৯ই ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে (৯ই ডিসেম্বর) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী...
৭ই ডিসেম্বর আমলা সদরপুর মুক্ত দিবস ৭ই ডিসেম্বর। ৭১’র আজকের এই দিনে কুষ্টিয়ার মিরপুরের ঐতিহাসিক আমলা সদরপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস।...
নাট্যশিল্পী কচি খন্দকার কচি খন্দকার (জন্মঃ- ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) জন্ম থেকে মৃত্যু, এই তো জীবন। খুব অল্প সময় হলেও জীবন...
দেশ স্বাধীনের পর নির্বাচিত প্রথম চেয়ারম্যান ম. আ. রহিম ম. আ. রহিম (জন্মঃ- ৮ জানুয়ারি, ১৯৩১ মৃত্যুঃ- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭) দেশ স্বাধীনের পর জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে কুষ্টিয়া পৌরসভার...
কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ছিলেন সফল প্রশাসক কামরুল ইসলাম সিদ্দিক বাংলাদেশের পল্লি অবকাঠামো উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। তিনি যখন...
কুষ্টিয়া - সুকুমার বিশ্বাস আমরা জানি, কুষ্টিয়ার যুদ্ধে পাকবাহিনী বাঙ্গালীদের কাছে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয় এবং মূলত কুষ্টিয়া...
প্রাচীন যুগের কুষ্টিয়ার ইতিহাস খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে বিখ্যাত ভৌগোলিক টলেমীর মানচিত্রে গঙ্গা-নদীর অববাহিকায় কয়েকটি ক্ষুদ্র...
জগদীশ গুপ্ত জগদীশ গুপ্ত (জন্ম : ১৮৮৬ সালে মৃত্যু : ১৯৫৭ সালে) কুষ্টিয়া শহরে। তাঁর আদি নিবাস ফরিদপুরের...
পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন ১৮৬৭ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার দর্শনা হতে জগতি পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপন করেন এবং এরপর পর্যায়...
নদীটির নাম হিসনা নদীটির নাম হিসনা। এক সময় ওর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিল পদ্মার সাথে। আসলে পদ্মা ওর মা। নদী যখন তার...
ভেড়ামারা মুক্ত দিবস ১২ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ সাঁড়াশি আক্রমনের মুখে পাকিস্তানী হানাদার...
দৌলতপুর মুক্ত দিবস ৮ই ডিসেম্বর ৮ই ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কুষ্টিয়ার মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর থানা পাকিস্তানী হানাদারমুক্ত হয়।...
মিরপুর মুক্ত দিবস ৮ই ডিসেম্বর ৮ই ডিসেম্বর মিরপুর থানা পাক হানাদার মুক্ত দিবস। বাঙ্গালী ও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের...
৪ ডিসেম্বর খোকসা মুক্ত দিবস ৪ই ডিসেম্বর খোকসা হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিন কুষ্টিয়ার ওই উপজেলায় বিজয়ের লাল-সবুজ পতাকা...

নতুন তথ্য

পরমে পরম জানিয়া শুক্রবার, 05 জুলাই 2019
পরমে পরম জানিয়া এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায় এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায় আদেশ করিবা মাত্র যাবো চলিয়া
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী বৃহস্পতিবার, 04 জুলাই 2019
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী।।
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা মঙ্গলবার, 02 জুলাই 2019
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া মঙ্গলবার, 02 জুলাই 2019
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
Photo credit: Najmul Islam - Golden Bangla বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী সুখী মানুষের বসবাস এবং ১৩তম বড় শহর কুষ্টিয়া শহর। সকল ফসল উৎপাদনে সক্ষম কুষ্টিয়ার মানুষ। নদী-নালা,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ বুধবার, 26 জুন 2019
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top