প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

খালি কার্ট

ব্যাটল অব কুষ্টিয়াঃ বা কুষ্টিয়া প্রতিরোধ

‘মূলত সাহস আসে ঘৃণা থেকেই’। মাথায় নানা কিছু ঘুরছে। ভারী অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত একটি সু-প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়ার সাহস কীভাবে পেয়েছিল এ বাংলার গ্রামের অতি সাধারণ সহজ-সরল মানুষজন? আর ঘুরেফিরে প্রায় একই উত্তর দেন মুক্তিযোদ্ধারাই- ‘সাহস আসে নাকি ঘৃণা থেকে’ই!

”যে অসীম সাহস আসে ঘৃণা থেকে। যে বৈষম্য আর শোষণ আমাদের ওপর চলছিলো দীর্ঘকাল ধরে, তাঁর কারণেই এই ঘৃণা।”

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ২৭ বালুচ রেজিমেন্টের একদল সদস্য মেজর শোয়েবের নেতৃত্বে গভীর রাতে কুষ্টিয়া শহরে অবস্থান নেয়। এ দলে সেনা সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ২০০ জন।

পাকিস্তানি সেনাদের আসার খবর পেয়েই লোকজন পালাতে থাকে দিকবিদক। তখন ইপিআরের ৪ নম্বর উইংয়ের দপ্তর ছিল বৃহত্তর কুষ্টিয়ার চুয়াডাঙ্গা মহকুমায়। আর এর অধিনায়ক ছিলেন বাঙালি মেজর আবু ওসমান চৌধুরী। সহকারী ছিলেন বাঙালি ক্যাপ্টেন এ আর আযম চৌধুরী (বীর বিক্রম, পরে কর্নেল) এবং পাঞ্জাবি ক্যাপ্টেন মো. সাদেক। কোম্পানি কমান্ডারদের সবাই বাঙালি। উইংয়ের অধীনে পাঁচটি কোম্পানি ও একটি সাপোর্ট প্লাটুন ছিল। তাদের কাছে হালকা ট্যাংকবিধ্বংসী কামান, ৩ ইঞ্চি মর্টার, মেশিনগান, এলএমজি, রাইফেল এবং গোলাবারুদ ছিল। আর ছিল চীনের তৈরি স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, তবে আসল জিনিস গুলিই ছিল না তাঁদের নিকট।

২৫ মার্চ রাতে আবু ওসমান তাঁর স্ত্রী-কন্যাসহ কুষ্টিয়ার সার্কিট হাউসে ছিলেন। ২৬ মার্চ সকালে পাকিস্তানি সেনাদের ফাঁকি দিয়ে চলে যান চুয়াডাঙ্গায়। সেখানে পৌঁছে আযম চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্রোহ করেন। পরে সভা করেন মহকুমা প্রশাসকের কার্যালয়ে। তাতে চুয়াড়াঙ্গার ডা. আসহাবুল হক জোয়ারদারসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা, নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ডাক আর দেশমাতৃকার মুক্তির জন্যই সুসজ্জিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মোকাবিলা করার দীপ্ত কঠিন শপথ নেন। উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করে আসহাবুল হককে বেসামরিক প্রশাসনের প্রধান এবং আবু ওসমানকে সামরিক বাহিনীর প্রধান করা হয়।

কুষ্টিয়া আক্রমণের সিদ্ধান্তের পর ইপিআর বাহিনীর সঙ্গে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা শুধুমাত্র ঢাল, সড়কি, বল্লম, তির-ধনুক নিয়েই যুদ্ধে যোগ দিতে প্রস্তুত হয়। স্থানীয় আনসার, মুজাহিদ ও পুলিশকেও ইপিআর বাহিনীর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। স্থানীয় টেলিফোন বিভাগের সাহায্যে পোড়াদহের খোলা প্রান্তরে ‘ফিল্ড এক্সচেঞ্জ’ও বসানো হয়। রণাঙ্গনে আহত প্রতিরোধযোদ্ধাদের সু-চিকিৎসার জন্যও গঠন করা হয় মেডিকেল টিম। চুয়াডাঙ্গার টাউন হলে খোলা হয় মূল নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। আরেকটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয় মতিরাম আগরওয়ালার বাড়ির নিচতলায়। প্রতিরোধযোদ্ধারা তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে কুষ্টিয়ায় আক্রমণ করেন। একটি দল সুবেদার আবদুল মতিন পাটোয়ারির নেতৃত্বে পুলিশ লাইনের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের মজমপুরে একটি বাড়ির তিনতলা থেকে পুলিশ লাইনের পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ চালায়। কিছুক্ষণ পর মেহেরপুর থেকে প্রায় এক কোম্পানি আনসার ও মুজাহিদও তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয়। অন্য দল আযম চৌধুরীর নেতৃত্বে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে অবস্থিত পাকিস্তানি সেনাদের ওপর আক্রমণ চালায়। তৃতীয় দল নায়েব সুবেদার মনিরুজ্জামানের (বীর বিক্রম, পরে অন্য যুদ্ধে শহীদ) নেতৃত্বে মোহিনী মিলে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ওয়্যারলেস টিমের ওপর আক্রমণ চালায়। আক্রমণ শুরু হয় ৩০ মার্চ ভোর চারটার দিকে। প্রতিরোধযোদ্ধাদের গোলাগুলি ও সমবেত লোকদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে পাকিস্তানি সেনারা দিশাহারা আর চরম ভীত হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় জীবিত পাকিস্তানি সেনারা পুলিশ লাইন ও ওয়্যারলেস স্টেশন ছেড়ে জিলা স্কুলে একত্র হওয়ার চেষ্টা করে। পালানোর পথেও বহু সেনা নিহত হয়। দুপুরের মধ্যে জিলা স্কুল ছাড়া পাকিস্তানিদের সব অবস্থানই কুষ্টিয়া অঞ্চলের প্রতিরোধযোদ্ধাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ৩১ মার্চ ভোরে প্রতিরোধযোদ্ধারা আবার জিলা স্কুল আক্রমণ করলেও পাকিস্তানিদের ভারী অস্ত্রের ক্রমাগত গোলাবর্ষণে মাথা উঁচু করে সামনের দিকে এগোতেই পারেননি। সারা দিনের যুদ্ধ শেষে প্রায় অর্ধশত পাকিস্তানি সেনা তখনো জীবিত ছিল। তারা রাতের অন্ধকারে দুটি জিপ ও দুটি ‘ডজ’ গাড়িতে করে ঝিনাইদহের পথে পালিয়ে যায়। অত্যন্ত চতুর এ প্রতিরোধযোদ্ধাদের আরেকটি দল আগে থেকেই শহরতলীর চৌড়হাস এলাকা ও ঝিনাইদহের শৈলকুপায় একটি সেতুর কাছে অ্যামবুশ করে বসে ছিল। তারা সেতুটি ধ্বংস করে চালাকি করে বাঁশের চাটাইয়ে আলকাতরা মাখিয়ে শূন্য স্থানটিকে পিচঢালা পথের মতোই করে রাখে। তীব্র গতিতে যশোরের দিকে পালিয়ে যাওয়ার সময় পাকিস্তানি সেনাদের দুটি গাড়ি সেতুর একেবারে নিচে পড়ে যায়।

প্রতিরোধযোদ্ধারা আগেই প্রস্তুত ছিলেন। মেজর শোয়েবসহ কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। বাকিরা আহত হয়ে গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়ে এবং বেশির ভাগই নিহত হয়। জীবিত কয়েকজনকে আহত অবস্থায় চুয়াডাঙ্গায় পাঠানো হয়।

আর এটি ফিল্মি কোনো কল্পকাহিনী নয়, তৎকালীন মুজিবনগর সরকরের অস্থায়ী রাজধানী ও স্বাধীনতার সূর্যদয়ের জেলা কুষ্টিয়ার প্রতিরোধ যুদ্ধের প্রকৃত ও অনন্য সাধারণ ঐতিহাসিক ইতিহাস।

বছর কয়েক আগে এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি নিয়ে তৈরি ফিল্মটির নামই হলো-“ব্যাটল অব কুষ্টিয়াঃ বা কুষ্টিয়া প্রতিরোধ”

লেখকঃ মুন্সী তরিকুল ইসলাম - বিশিষ্ট গণমাধ্যম ও উন্নয়নকর্মী।

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
    পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
    পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

নতুন তথ্য

Photo credit: Najmul Islam - Golden Bangla বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী সুখী মানুষের বসবাস এবং ১৩তম বড় শহর কুষ্টিয়া শহর। সকল ফসল উৎপাদনে সক্ষম কুষ্টিয়ার মানুষ। নদী-নালা,...
সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেন খালিদ হোসেন (জন্মঃ- ৪ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - মৃত্যুঃ- ২২ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাঙালি নজরুলগীতি শিল্পী এবং নজরুল গবেষক। তিনি নজরুলের ইসলামী গান...
হয়রত সোলাইমান শাহ্‌  চিশতী (রঃ) মাজার শরীফ আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ সোলাইমান শাহ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপ নগরে রয়েছে সোলাইমান শাহের...
কুষ্টিয়াবাসীর স্বপ্ন পুরুষ প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক কুষ্টিয়াবাসীকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পর্যটন নগরী সৃষ্টিতে সেই রুপকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক, মুক্তিযোদ্ধা...
মৌলভী শামসউদ্দিন আহম্মদ মৌলভী শামসউদ্দিন আহম্মদ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী ও কৃষক-প্রজা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মৌলভী...
আধুনিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ওয়ালিউল বারী চৌধুরী WaliUl Bari Chowdhury the pioneer of modern journalism বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তাণ্চল থেকে প্রকাশিত...
কুমারখালী মুক্ত দিবস ৯ই ডিসেম্বর ৯ই ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে (৯ই ডিসেম্বর) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী...
৭ই ডিসেম্বর আমলা সদরপুর মুক্ত দিবস ৭ই ডিসেম্বর। ৭১’র আজকের এই দিনে কুষ্টিয়ার মিরপুরের ঐতিহাসিক আমলা সদরপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস।...
নাট্যশিল্পী কচি খন্দকার কচি খন্দকার (জন্মঃ- ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) জন্ম থেকে মৃত্যু, এই তো জীবন। খুব অল্প সময় হলেও জীবন...
দেশ স্বাধীনের পর নির্বাচিত প্রথম চেয়ারম্যান ম. আ. রহিম ম. আ. রহিম (জন্মঃ- ৮ জানুয়ারি, ১৯৩১ মৃত্যুঃ- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭) দেশ স্বাধীনের পর জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে কুষ্টিয়া পৌরসভার...
কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ছিলেন সফল প্রশাসক কামরুল ইসলাম সিদ্দিক বাংলাদেশের পল্লি অবকাঠামো উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। তিনি যখন...
কুষ্টিয়া - সুকুমার বিশ্বাস আমরা জানি, কুষ্টিয়ার যুদ্ধে পাকবাহিনী বাঙ্গালীদের কাছে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয় এবং মূলত কুষ্টিয়া...
প্রাচীন যুগের কুষ্টিয়ার ইতিহাস খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে বিখ্যাত ভৌগোলিক টলেমীর মানচিত্রে গঙ্গা-নদীর অববাহিকায় কয়েকটি ক্ষুদ্র...
জগদীশ গুপ্ত জগদীশ গুপ্ত (জন্ম : ১৮৮৬ সালে মৃত্যু : ১৯৫৭ সালে) কুষ্টিয়া শহরে। তাঁর আদি নিবাস ফরিদপুরের...
পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন ১৮৬৭ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার দর্শনা হতে জগতি পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপন করেন এবং এরপর পর্যায়...
নদীটির নাম হিসনা নদীটির নাম হিসনা। এক সময় ওর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিল পদ্মার সাথে। আসলে পদ্মা ওর মা। নদী যখন তার...
ভেড়ামারা মুক্ত দিবস ১২ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ সাঁড়াশি আক্রমনের মুখে পাকিস্তানী হানাদার...
দৌলতপুর মুক্ত দিবস ৮ই ডিসেম্বর ৮ই ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কুষ্টিয়ার মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর থানা পাকিস্তানী হানাদারমুক্ত হয়।...
মিরপুর মুক্ত দিবস ৮ই ডিসেম্বর ৮ই ডিসেম্বর মিরপুর থানা পাক হানাদার মুক্ত দিবস। বাঙ্গালী ও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের...
৪ ডিসেম্বর খোকসা মুক্ত দিবস ৪ই ডিসেম্বর খোকসা হানাদারমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিন কুষ্টিয়ার ওই উপজেলায় বিজয়ের লাল-সবুজ পতাকা...

নতুন তথ্য

খুলবে কেন সে ধন মালের গ্রাহক বিনে মুক্তামণি রেখেছে ধনি বোঝাই করে সেই দোকানে খুলবে কেন সে ধন মালের গ্রাহক বিনে। মুক্তামণি রেখেছে ধনি বোঝাই করে সেই দোকানে।।
ভুলো না মন কারো ভোলে শুক্রবার, 19 জুলাই 2019
ভুলো না মন কারো ভোলে রাসুলের দিন সত্য মান ডাক সদাই আল্লা বলে ভুলো না মন কারো ভোলে। রাসুলের দিন সত্য মান ডাক সদাই আল্লা বলে।।
আমার মন চোরারে কোথা পাই শুক্রবার, 19 জুলাই 2019
আমার মন চোরারে কোথা পাই কোথা যাই, ও মন আজ কিসে বোঝাই আমার মন চোরারে কোথা পাই।। কোথা যাই, ও মন আজ কিসে বোঝাই আমার মন চোরারে কোথা পাই।।
লীলার যার নাইরে সীমা কোন সময় কোন রুপ সে ধরে সাঁইর লীলা বুঝবি ক্ষ্যাপা কেমন করে লীলার যার নাইরে সীমা কোন সময় কোন রুপ সে ধরে। সাঁইর লীলা বুঝবি ক্ষ্যাপা কেমন...
পরমে পরম জানিয়া শুক্রবার, 05 জুলাই 2019
পরমে পরম জানিয়া এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায় এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায় আদেশ করিবা মাত্র যাবো চলিয়া
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী বৃহস্পতিবার, 04 জুলাই 2019
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী।।
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা মঙ্গলবার, 02 জুলাই 2019
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া মঙ্গলবার, 02 জুলাই 2019
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top