প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ কেন্দ্র

বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র: ১৯৭০ সনের ০৩ জানুয়ারী তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান, এইচপিকে, বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৪ জুন ১৯৭৫ সনে বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

বর্তমানে উক্ত কেন্দ্রের মাধ্যমে সৌদি আরব, সিংগাপুর , হংকং, ওমান, পাকিস্তান, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মুম্বাই অর্থ্যাৎ মোট ১১টি দেশের সাথে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্স, টেলেক্স ইত্যাদি আদানপ্রদান করা হয়। প্রায় ৩৫,৯০০ কিঃ মিঃ বা ২২,৩০০ মাইল উর্ধ্বাকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে শক্তিশালী এন্টিনার দ্বারা বার্তা/তথ্য আদান প্রদানের কাজ সম্পাদিত হয়।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ সফল ভাবে চালু হলে বেতবুনিয়া ইউনিয়নের গুরুত্ব আরো অনেক গুনে বৃদ্ধি পাবে। ইতিহাসের মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি শেষ। স্যাটেলাইট, লঞ্চার ও লঞ্চপ্যাড সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশের আজকের এ অবস্থান একদিনে আসেনি। এ ইতিহাস বাংলাদেশের বয়সের প্রায় সমান। ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে উদ্বোধন হওয়া বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র সর্বপ্রথম সারাবিশ্বের সঙ্গে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের যোগাযোগের সুদূরপ্রসারী ভিত রচনা করেছিল। এর সূত্র ধরে দেশ আজ মহাকাশ পাড়ি দেবার দ্বারপ্রান্তে।

জাতির পিতার স্মৃতিবিজড়িত সেই বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের পাশেই পাঁচ একর জায়গার ওপর গড়ে তোলা হয়েছে ‘বেতবুনিয়া বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন-২’।

মহাকাশে পাড়ি দেয়ার পর এটির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও কোরিয়ার তিনটি গ্রাউন্ড স্টেশনে চলে যাবে। ওই তিন স্টেশন থেকে স্যাটেলাইটটিকে নিয়ন্ত্রণ করে এর নিজস্ব কক্ষপথে (১১৯.১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অরবিটাল স্লট) স্থাপন করা হবে। পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ২০ দিন সময় লাগবে। সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের গ্রাউন্ড স্টেশনে হস্তান্তর করা হবে।

গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন এ জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বেতবুনিয়া বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনটি ব্যাকআপ স্টেশনে হিসেবে কাজ করবে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাড়ি দেয়ার এর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ২০ দিন সময় লাগবে। এরপর এর নিয়ন্ত্রণ গাজীপুর গ্রাউন্ড স্টেশনে হস্তান্তর করা হবে।

বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র পরিদর্শনে দেখা যায়, এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে দেশের টেলিযোগাযোগের প্রথম এন্টেনাটি। কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে এটি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্রুততার সাথে তথ্য আদান-প্রদানের কাজ পরিচালিত হচ্ছে। একসময় সমগ্র বাংলাদেশে বৈদেশিক কল গ্রহণ ও পাঠানোর একমাত্র মাধ্যম ছিল রাঙ্গামাটির এ কেন্দ্র। সরকার তথা রাষ্ট্র, বিদেশি কূটনীতিক কিংবা ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বহির্বিশ্বের সব যোগাযোগ হতো এর মাধ্যমে। স্বাধীনতা-উত্তর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ গঠনে এ কেন্দ্রের অবদান ছিল অপরিসীম।

কয়েকশ' গজ ব্যবধানে দুটি ফটক পার করে যেতে হয় মূল কেন্দ্রে। পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে মূল ভবনের জৌলুস যেন অমলিন রয়েছে। পাশেই বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী মঞ্চ আর বিশালাকার এন্টেনা (ডিশ)। ডান পাশের দেয়ালজুড়ে আছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামাঙ্কিত ফলক। তিনি এর উদ্বোধন করেন ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন। এদিন একটি ডাকটিকিটও অবমুক্ত করেন বঙ্গবন্ধু।

একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন জাতির জনক যে স্থানে দাঁড়িয়ে এ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছিলেন সেই স্থানটি। যেটিকে সিবিএর উদ্যোগে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ফলক উন্মোচনী পাথরটি বসানো হয়েছে মূল কার্যালয়ের সম্মুখভাগে। কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে যে জায়গা থেকে জাতির জনক হেলিকপ্টারযোগে উড্ডয়ন করেছিলেন সেই জায়গাটিকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এখন স্থানটি ঈদগাহ মাঠ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

পাহাড় বেষ্টিত ১২৮ একর সমতল জমিতে স্থাপন করা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও গত শতাব্দীর আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যয়বহুল স্থাপনাটি মূলত কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে শক্তিশালী এন্টেনার মাধ্যমে ওভারসিস সিগন্যাল গ্রহণ করে বহির্বিশ্বের সঙ্গে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্স, টেলেক্স আদান-প্রদান করে আসছে।

বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রে যৌবনের শুরুতেই চাকরি নিয়েছিলেন চট্টগ্রামের ছেলে মো. আবদুল মান্নান। বর্তমানে অবসরে যাওয়া আবদুল মান্নান রাঙ্গামাটির কাউখালি এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুকে কাছ থেকে দেখা আবদুল মান্নান জানান, বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতির সে দিনটি এখনও যেন চোখের সামনে ভাসছে তার।

তিনি গর্ব করে বলেন, ‘আশির দশকের বিশ্বকাপ ফুটবলে ম্যারাডোনার খেলা আর মুষ্টিযুদ্ধে সারা দুনিয়ার সেরা মোহাম্মদ আলীর খেলা হলে এ কেন্দ্রের মাধ্যমেই সমগ্র বাংলাদেশে তা দেখানো হতো। এমনকী বাইরের সব অনুষ্ঠান সম্প্রচার হতো এর মাধ্যমে।’

আবদুল মান্নানের কাছে বেতবুনিয়া উপগ্রহ কেন্দ্রের উদ্বোধনের দিনটি এখনও 'সেরা'। তিনি আবেগতাড়িত হয়ে বলেন, ‘চারপাশে ছোট ছোট পাহাড়। ওইদিন জনমানবহীন পাহাড়ও লোকারণ্য হয়ে পড়ে। বাগানে বসেই বঙ্গবন্ধু চা-পান করলেন। অদূরে শুয়ে থাকা একটি কুকুরকে দেখে বঙ্গবন্ধু বললেন, 'তুইও আমার মতো ভুখা? হাতের বিস্কুট ছুড়ে দিয়ে বললেন, ‘নে খা'।

মান্নান বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৪ জুন। ওইদিন সকাল ১১টায় বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রের প্রথম গেটে একটি হাতি বঙ্গবন্ধুকে অভ্যর্থনা জানায় এবং তাকে ফুলের মালা পরিয়ে দেয়। বেজায় খুশি হলেন তিনি। বহর নিয়েই এলেন উদ্বোধনস্থলে। প্রচুর সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি উদ্বোধনী মঞ্চ ঘিরে। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে উদ্বোধন করে মোনাজাত করলেন বঙ্গবন্ধু। তারপর অফিসের ভেতরে সবটুকু ঘুরে দেখলেন। সবশেষে ফিরে গেলেন। কিন্তু সেই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা কে জানতো?’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারের নৃশংসভাবে হত্যার পর ক্ষমতায় আসীন পরবর্তী স্বৈরাচারী সরকার এবং ১৯৯০ -এর পরবর্তীতে দু-দফায় দেশ পরিচালনায় এসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটিকে কার্যত অচল করে দেয়।’ বঙ্গবন্ধুর গড়ে দেয়া সেই ভিতে আজ আবারও ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ আবারও উজ্জ্বল বেতবুনিয়ার পাহাড়। বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের পাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের পাশে অবস্থিত ‘বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রে’র ১২৮ একরের জায়গার পাঁচ একরজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে বেতবুনিয়া বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন-২’।

চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়ক হয়ে উপগ্রহ ভু কেন্দ্র কিংবা পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুলস্থ ইউনিয়ন ১নং বেতবুনিয়া মডেল ইউনিয়ন পরিষদে যে কোন গাড়ি যোগে খুব সহজে যোগাযোগ রক্ষা করা যাবে।

এই সেকশনে বিজ্ঞাপন আবশ্যক

ফোন করুনঃ- ০১৯৭৮ ৩৩৪২৩৩

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

ভাঙল কুষ্টিয়ায় বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ্‌ এর তিরোধান দিবসের ৩ দিনের অনুষ্ঠান কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় সাঙ্গ হলো বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহ’র ১২৯তম তিরোধান দিবস অনুষ্ঠান। “বাড়ির কাছে...
লালনের আদর্শে আধুনিক দেশ ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সবকিছুর...
লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন ছেড়ে অনেকেই এখন ভুল ব্যাখ্যা দিতে তৎপর ! আজ থেকে ১২৯ বছরের ব্যবধানে সেই সময়ের মরমী সাধক বাবা লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন, দিক নিদের্শনা,...
শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা সোমবার, 07 অক্টোবার 2019
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা বাংলা ১২৮৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৮৮০ সালে ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় ছেউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখরা...
কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...

প্রযুক্তি তথ্য

কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কি করবেন? সুন্নাহতে এ কথা প্রমাণিত যে, যে ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা বা সংকল্প করেছে তার জন্য ওয়াজিব; যুলহাজ্জ মাস...
ধারনা করা হয় ছবির এই  জায়গা কাবিলের হাতে খুন হয়ে ছিল হাবিল। কুরবানী শব্দের উৎপত্তি হলো কুরবান শব্দ থেকে। কুরবান শব্দের অর্থাৎ নৈকট্য, সান্নিধ্য, উৎসর্গ। সুতরাং...
ভিপিএন কি এবং ব্যবহার ভিপিএন(VPN) - ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Virtual Private Network )। সহজ ভাষায় বললে, ভিপিএন হলো একটা প্রাইভেট নেটওয়ার্ক, যেখানে...
হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) - মক্কা জীবন আরব জাতি (الشعب العربى وأقوامها) মধ্যপ্রাচ্যের মূল অধিবাসী হ’লেন আরব জাতি। সেকারণ একে আরব উপদ্বীপ (جزيرة العرب) বলা...
কাল্পনিক নৌকা আদম (আঃ) থেকে নূহ (আঃ) পর্যন্ত দশ শতাব্দীর ব্যবধান ছিল। যার শেষদিকে ক্রমবর্ধমান মানবকুলে শিরক ও...
কাল্পনিক ছবি আদমের অবতরণ স্থল আদম ও হাওয়াকে আসমানে অবস্থিত জান্নাত থেকে নামিয়ে দুনিয়ায় কোথায় রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে...
হযরত আদম (আঃ) এর জীবনী বিশ্ব ইতিহাসে প্রথম মানুষ ও প্রথম নবী হিসাবে আল্লাহ পাক আদম আলাইহিস সালাম -কে নিজ দু’হাত দ্বারা...
টেলিভিশন আবিষ্কার টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র যা থেকে একই সঙ্গে ছবি দেখা যায় এবং শব্দও শোনা যায়। টেলিভিশন শব্দটি...
পিএইচপি কি ? What is PHP পিএইচপি (PHP) একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি মূলত সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। পিএইচপি...
প্রযুক্তি কি? প্রযুক্তি (Technology) বলতে কোন একটি প্রজাতির বিভিন্ন যন্ত্র এবং প্রাকৃতিক উপাদান প্রয়োগের...
বৃহত্তর কুষ্টিয়ার ধর্মচারণ ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার মানুষ অসাম্প্রদায়িক চেতনাসমৃদ্ধ। যে কারণে এ অঞ্চলে...
মাহে রমজান খোশ আমদেদ মাহে রমজান কৃচ্ছ্রপূর্ণ ও আত্মসংযমের মাস। হিজরি সালের নবম মাস পবিত্র মাহে রমজান উম্মতে...
মাহে রমজান আমাদের জীবনে সার্থক ও মহিমান্বিত হোক অশেষ রহমত ও বরকত নিয়ে মাহে রমজানের আগমন হয়েছিল। আল্লাহর আদেশে, তাঁর সাধারণ নিয়মে তা আমাদের মধ্য থেকে বিদায়ও...
মাহে রমজানের গুরুত্ব খোশ আমদেদ মাহে রমজান। পবিত্র রমজান মাস হচ্ছে মহান আল্লাহর নিকটবর্তী হওযার মাস। এ মাসে মানুষ নিজের...
বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ কেন্দ্র বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র: ১৯৭০ সনের ০৩ জানুয়ারী তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আগা...
স্যাটেলাইট কি? স্যাটেলাইট হলো মহাকাশে উৎক্ষেপিত বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভাবিত উপগ্রহ। স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম...
ঈদে মিলাদুন্নবী ঈদে মিলাদুন্নবী (مَوْلِدُ النَبِيِّ) হল আরবি তিনটি শব্দের সম্মিলিত রূপ। ঈদ,মিলাদ ও নবী এই তিনটি...
ইসলাম কি ইসলাম (আরবি ভাষায়: الإسلام‎) একটি একেশ্বরবাদী এবং আব্রাহামিক ধর্ম; যা কুরআন (যা এমন এক কিতাব যা...
এইচটিএমএল (HTML)  কিভাবে শুরু করবেন ? এইচটিএমএল (HTML) এর অর্থ হচ্ছে “হাইপার টেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ (HyperText Markup Language)”।...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top