প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

খালি কার্ট

সৈয়দ শাহ আব্দুল্লাহ রূমী - নীলকুঠির সাহেবদের বিরুদ্ধে আন্দোলন

লোক চক্ষুর আড়ালে যে সকল আউলিয়া ও দরবেশগন পুর্ব বাংলার অখ্যাত পল্লীতে এসে ইসলাম প্রচার করেছেন এবং সভ্যতা ও ইসলামিক কৃষ্টির নিদর্শন স্বরুপ বিভিন্ন আমানত আমাদের জন্য রেখে গিয়েছেন, সেইসব হারিয়ে যাওয়া নিদর্শনের কিছু কিছু খোঁজখবর আজকাল পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের বর্তমান ইতিহাসে এগুলির বিশিষ্ট স্থান থাকা দরকার।

বর্তমান হোসেনডাঙ্গা ইউনিয়নের অন্তর্গত সাজুরিয়া গ্রামে বহুকালের একটি লুপ্ত ইতিহাস আবিস্কৃত হয়েছে। সেখানে বিস্মৃতির গহবরে হারিয়ে যাওয়া দুটি আউলিয়ার মাজার আবিস্কৃত হয়েছে। একটি শাহ সৈয়দ আব্দুল্লাহ রুমী, অন্যটি শাহ জুবায়ের রুমীর।

সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে অনেক দরবেশ ও আউলিয়া ইসলাম ধর্ম প্রচার করতে হিন্দুস্থান তথা বাংলাদেশে আগমন করেন। হযরত শাহ সৈয়দ আব্দুল্লাহ রুমী এদেরই একজন। এদের পুর্ব পুরুষদের আবাসস্থল ছিলো আরব দেশে। সেখান থেকে তাদের কেউ কেউ এশিয়া মাইনরের “এরজরুমী” নামক স্থানে এসে বসতি স্থাপন করেন। সে কারনে এদের নামের শেষে রুমী শব্দটি লেখা হয়।

হযরত শাহ আব্দুল্লাহ রুমী দিল্লি হয়ে বাংলাদেশে আগমন করেন এবং বর্তমান চাটগা বা তার কাছাকাছি কোথাও অনেক আউলিয়ার সাথে পদার্পন করেন। তারপর সুমদ্র ও নদীপথ ধরে ভ্রমন করতে করতে পদ্মা ধরে উজান থেকে উঠে আসার সময় বর্তমান সাজুদিয়ার গ্রাম সেখানে একটি বালির চর ছিলো উনি সেখানে অবস্থান করতে থাকেন। ক্রমে স্থানটির শ্রীবৃদ্ধি হয়। তিনি ঔ স্থানটিই ইসলাম প্রচারের কেন্দ্রস্থল রুপে স্থির করেন।

যশোর জেলার শৈলকুপা [বর্তমান ঝিনাইদহ জেলার অধীনে] মৌলভী আকবর হোসেন সাহেবের প্রচেষ্টায় সেখানে মাটির নিচে একটি পুরাতন সুদৃশ্য মসজিদ আবিষ্কৃত হয়েছে এবং তারই প্রচেষ্টায় মুসলিম ঐতিহ্য এবং কুষ্টিয়ার বহু ইতিহাস পাওয়া গিয়েছে। সেখানকার দলিলপত্রেই শাহজীআরা গ্রামের নাম ও সেখান থেকে দরবেশ আউলিয়াদের ইসলাম প্রচারের ইতিহাস পাওয়া যায়।

ইসলাম ধর্মের উদারতা, মহত্ব ও ভাতৃত্বে এবং দরবেশ আউলিয়াদের উন্নত চরিত্র এবং বিরাট ব্যাক্তিত্বের সংস্পর্শে এসে এখানকার বর্ণ হিন্দুদের দ্বারা ঘৃনিত, নিন্দিত, অবহেলিত ও পদদলিত নিম্ন শ্রেনীর হিন্দুরা দলে দলে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নেন।

শাহজীআরা গ্রামকে কেন্দ্র কর দক্ষনে শৈলকুপা, পুর্বে পদ্মা নদী ও পশ্চিমে কুমারখালী পর্যন্ত এই বংশের লোকেরা ইসলাম প্রচার করেন। রাজশক্তির আশ্রয় না নিয়ে সম্পুর্ন নিরাশ্রয় অবস্থায় এরা ইসলাম প্রচার করেন শুধু মহান আল্লাহপাকের নাম ভরসা করে।

আস্তে আস্তে কালের চাকা ঘুরে গিয়ে হিন্দুস্থানের মুসলমানদের ভয়ানক দুর্দিন উপস্থিত হয়। অদুরদর্শি মুসলিম বাদশাহদের অকর্মণ্যতা ও অলসতার সুযোগ নিয়ে অনুপ্রবেশ ঘটে বেনীয়া-ইংরেজ-ফরাসী ও ওলন্দাজদের। পরে বেনীয়া ইংরেজ বনীকের মানদন্ড রাজদন্ডে পরিনত হয়। মুসলমানেরা এর শাসন মেনে নিতে রাজি হয়নি। তাই ধুর্ত ইংরেজ সৃষ্টি করে একদল ঘৃনিত অনুগ্রহপ্রার্থী। আর তারই সাথে মুছে ফেলতে চেষ্টা করে মুসলিম সভ্যতা, কৃষ্টি ও ঐতিহ্য। তারা এ কার্যে অনেকদুর পর্যন্ত কৃতকার্য হয়।

এরপর আসে সিপাহী বিদ্রোহ ও ওহাবী আন্দোলনের যুগ। সিপাহী বিদ্রোহে সারা ভারত দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। তার ঢেউ এসে লাগে শাহজীআরা গ্রামে। শাহ সৈয়দ জুবায়ের রুমী এতদাঞ্চলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন। শক্তিশালী ইংরেজদের কামানের সামনে সামান্য তীর-ধনুক ও ওড়াল বাক নিয়ে আর কতকাল টিকে থাকা যায়। ইনি যুদ্ধে হেরে যান। এই যুদ্ধে তার একটি দান্দান শহীদ হন। সেই দান্দান গোর দেওয়া হয় বর্তমান কসবা মাজাইল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামে। ঐ স্থানটি এখনও ভাতশালা গ্রামের দরগাবাড়ী নামে পরিচিত। এই বংশের শাহ সৈয়দ হুসাইন রুমী বর্তমান হোসেনডাঙ্গা গ্রামে এসে বসবাস করতে থাকেন। গ্রামটির নাম প্রকৃতপক্ষে হোসেনডাঙ্গা নয়, তার নামানুশারে হোসেনপুর ছিলো। পুরাতন দলিলপত্রে ইহা পাওয়া যায়।

শাহজীআরা ও হোসেনপুর দুইটি পাশাপাশি গ্রাম। এখানে দুটি নীলকুঠি ছিলো। নীলকুঠির সাহেবেরা অযথা খুন যখম ও ব্যাভিচারে লিপ্ত থাকতো। এদের অকথ্য অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে স্থানীয় সরলপ্রান নিরীহ জনসাধারন হযরত শাহ হুসাইন রুমীর শরনাপন্ন হয়। তাই তিনি প্রতিবাদ করলেন। এতে সাহেবরা অগ্নীসর্মা হয়ে উঠলো এবং তাকে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার চরম পত্র দিয়ে বসলো।

ইংরেজ কুঠিয়াল সাহেবদের সাথে এখানে সৈয়দ হুসাইন রুমীর একটি ছোটখাটো যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে তিনি খন্দক তৈয়ারী করে তার ভেতর থেকে যুদ্ধ করেন এবং শাহাদাত বরণ করেন। খন্দকের বাংলা অর্থ গর্ত/গাড়া। এরপর থেকে ঐ গর্ত বা গাড়ার নামানুসারে গ্রামের নামকরন হয় হুসাইনগাড়া। পরে এই গর্ত বা গাড়া পলিমাটি পড়ে ডাঙ্গায় পরিনিত হয় বলে বহুকাল পরে আবার গ্রামের নামকরন করা হয় হুসাইনডাঙ্গা।

নীলকুঠীর সাহেবদের অত্যাচারে রুমী পরিবারের কেউ কেউ ভাতশালা গ্রামে আর কয়েকজন বর্তমান কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানার জানিপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে হিজরত করেন এবং ঐ দুটি গ্রামে হযরত শাহ সৈয়দ আব্দুল্লাহ রুমীর বংশধরেরা এখনও বসবাস করছেন।

এখন থেকে ১৫০ বছর পুর্বের একটি ঘটনার কথা লোক মুখে শুনিতে পাওয়া যায়। এই অঞ্চলের ১৪ টি নীলকুঠীর ম্যানেজার ছিলো হ্যাম্পার্ড সাহেব। স্থানীয় কৃষকদের নিজের জমিতে নীল উৎপন্ন করে বিনা খরচায় সাহেবদের কুঠিতে পৌছে দিতে হত। না দিলে জীবন হানী পর্যন্ত হত। তাছাড়া সাহেবও ছিলো পাড় মাতাল। প্রতি রাতে কামলিলার খোরাক হিসাবে একটি সুন্দরী ললনাকে সাহেবের কুঠিতে তার সামনে পৌছে দিতে হত। অসহায় নিষ্পাপ অবলা ললনার ব্যাকুল ক্রন্দন আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হয়ে পল্লীর নিভৃত কন্দরে সরলপ্রান অসহায় জনসাধারনের মধ্যে ভীতি ও ত্রাসের সঞ্চার করতো।

স্থানীয় জনসাধারন একরাতে গোপন বৈঠকে বসলো এবং পরবর্তি রাতে হ্যাম্পার্ড সাহেবকে সদলবলে হত্যা করে এবং তার লাশ তারই ঘোড়ার পিঠে বেধে বড় সাহেবের অফিসে পাঠিয়ে দেয়।

পরের ইতিহাস অতি সংক্ষিপ্ত। সাহেবরা ও তাদের আশ্রিত কতিপয় বর্ন হিন্দুরা এসে গ্রামটি পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়ে যায়। রামপ্রশাদ বিশ্বাস নামক জনৈক নমশুদ্র ভদ্রলোকের নেতৃত্বে সাহেবকে হত্যা করা হয়। এই রামপ্রসাদ বিশ্বাস বর্তমানকালের অভিমন্যু বিশ্বাসের পুর্বপুরুষ। এদের বাড়ী, পুকুর ইত্যাদি এখনও আছে। বহুকাল পদ্মার পলিমাটি পড়ে স্থানটি শস্য উৎপাদনের উৎকৃষ্ট বিবেচিত হওয়ায় আবার জনপদ গড়ে উঠে এবং তখনই গ্রামটির নাম হয় হুসাইনডাঙ্গা।

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে অংশ গ্রহন করার জন্য এই পরিবারের একজনের ফাঁশি হয়। মোঘল সম্রাটদের সময় রুমী পরিবারের পুর্বপুরুষদের লাখেরাজ জমি হিসাবে এক হাজার বিঘা জমি প্রদান করা হয়। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জমিদারি আমলে খোকসা কুমারখালী অংশ তাদের অধীনে ছিলো।

খাজনা দিতে দেরী হলে জমদারের লোকজন হাতি দিয়ে প্রজাদের ঘরবাড়ী ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিত। সেই সময় জমিদারের পাইক, পেয়াদা, নায়েবের অত্যাচারে জনগন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে সৈয়দ কামাল উদ্দিন রুমী সাহেবের কাছে এসে এর প্রতিকার চায়।

সৈয়দ কামাল উদ্দীন রুমী সাহেব সমগ্র জনগনকে একত্রিত করে আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে এসে কামাল উদ্দীন রুমী সাহেবের আহবানে প্রজাগন জমিদারের খাজনা দেওয়া বন্ধ করে দেয়।

জোড়াসাকোর জমিদার দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছে খবর গেলে তিনি সশরীরে বিষয়টি দেখার জন্য খোকসা চলে আসেন। আলোচনায় বসেন এবং প্রজাদের খাজনা কমিয়ে দেন, বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করেন এবং একটি মৌজার নাম কামাল উদ্দীন রুমীর সাহেবের নামে নামকরন করেন যেটা বর্তমান কামাল উদ্দীন মৌজা। কামাল উদ্দীন রুমী সাহেবের দাবী অনুযায়ী এখানে জমিদারের কাচারী স্থাপিত হয়।

প্রায় ১০০ বছর আগে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন ও মুসলিম জনগনের জন্য “আঞ্জুমানে ইত্তেফাকে ইসলাম” নামে একটি সংগঠন সারা ভারতবর্ষে গঠিত হয়। তার সভাপতি রুমী পরিবারের জ্ঞাতি ভাই সৈয়দ আব্দুল কুদ্দুস রুমী এবং স্যার আজিজুল হক তার সেক্রেটারী নির্বাচিত হন।

সৈয়দ শাহ আব্দুল্লাহ রুমীর বংশ তালিকা ও তাদের পরিচয়:
সৈয়দ কামাল উদ্দিন রুমীর পুত্র।
সৈয়দ গোলাম হোসেন রুমী।
তার পুত্র সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদ রুমী ( যে কংগ্রেস সমর্থক ও পাঁচটি ভাষায় কথা বলতে পারতেন)
সৈয়দ আব্দুল ওয়াহেদ রুমীর বংশধর -
পুত্র সৈয়দ আহমাদ রুমী
পুত্র সৈয়দ মামুন রুমী
পুত্র সৈয়দ মাসউদ রুমী
পুত্র সৈয়দ মাহাবুব রুমী
সৈয়দ আহমাদ রুমী - ঢাকা হাইকোর্টে কর্মরত ছিলেন।
সৈয়দ মামুন রুমী - ছাত্রজীবনে কংগ্রেস করতেন। কর্মজীবনে ইন্টারন্যাশনাল কম্পিউটারস লিমিটেড এ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে লন্ডন, বোম্বে ও কলকাতায় কর্মরত ছিলেন।
সৈয়দ মাসউদ রুমী - আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, খোকশা কুমারখালী অঞ্চল থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সৈয়দ মাহবুব রুমী এস,ডি,এম রেভিনিউ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ  

# সাজ্জাদ রাহমান 06-03-2016 00:12
খুুব চমৎকার রচনা। পড়ে ভালো লাগলো।
উত্তর | প্রশাসকের কাছে অভিযোগ

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
    পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
    পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি আমাদের জীবনের প্রেক্ষাপটে রোজ আমরা পাই জীবনের রূপরেখা, এবং তাকেই তুলির টানে রাঙিয়ে চলায় আমাদের...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবন উপন্যাস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৮৩ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ মোট বারোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন।...
স্বদেশপ্রেমী মানবতাবাদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী রবি প্রথম জীবন থেকেই স্বদেশ ও সমাজের ভাবনাতে ব্যাকুল ছিলেন। তিনি যখন...
বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ আনুমানিক ১৮২০ সালে সুনামগঞ্জের জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ধাইপুর গ্রামে জন্ম...
বারী সিদ্দিকী আবদুল বারী সিদ্দিকী (১৫ নভেম্বর ১৯৫৪ - ২৪ নভেম্বর ২০১৭) বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও বংশী বাদক।...
বাবু সুনিল কর্মকার বাবু সুনিল কর্মকারের জন্ম নেত্রকোনার জেলার কেন্দুয়া থানার বার্ণাল গ্রামে। বাবা দীনেশ কর্মকার এবং...
জালাল উদ্দিন খাঁ জালাল উদ্দীন খাঁ (১৮৯৪-১৯৭২) পূর্ব ময়মনসিংহের একজন বিশিষ্ট বাউল কবি ও গায়ক। তাঁর জন্ম নেত্রকোনা...
মথুরানাথ প্রেস গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকা প্রকাশিত হতো মথুরানাথ প্রেস বা এমএন প্রেস হতে। গ্রামবার্তা প্রকাশিকা উনিশ শতকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসিক পত্রিকা। ১৮৬৩ সালের...
বিজয় সরকার কবিয়াল বিজয় সরকার (ফেব্রুয়ারি ১৬, ১৯০৩ - ডিসেম্বর ০৪, ১৯৮৫) একজন বাউল কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার এবং সুরকার। তিনি ২০১৩ সালে একুশে পদক পান।

নতুন তথ্য

খুলবে কেন সে ধন মালের গ্রাহক বিনে মুক্তামণি রেখেছে ধনি বোঝাই করে সেই দোকানে খুলবে কেন সে ধন মালের গ্রাহক বিনে। মুক্তামণি রেখেছে ধনি বোঝাই করে সেই দোকানে।।
ভুলো না মন কারো ভোলে শুক্রবার, 19 জুলাই 2019
ভুলো না মন কারো ভোলে রাসুলের দিন সত্য মান ডাক সদাই আল্লা বলে ভুলো না মন কারো ভোলে। রাসুলের দিন সত্য মান ডাক সদাই আল্লা বলে।।
আমার মন চোরারে কোথা পাই শুক্রবার, 19 জুলাই 2019
আমার মন চোরারে কোথা পাই কোথা যাই, ও মন আজ কিসে বোঝাই আমার মন চোরারে কোথা পাই।। কোথা যাই, ও মন আজ কিসে বোঝাই আমার মন চোরারে কোথা পাই।।
লীলার যার নাইরে সীমা কোন সময় কোন রুপ সে ধরে সাঁইর লীলা বুঝবি ক্ষ্যাপা কেমন করে লীলার যার নাইরে সীমা কোন সময় কোন রুপ সে ধরে। সাঁইর লীলা বুঝবি ক্ষ্যাপা কেমন...
পরমে পরম জানিয়া শুক্রবার, 05 জুলাই 2019
পরমে পরম জানিয়া এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায় এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায় আদেশ করিবা মাত্র যাবো চলিয়া
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী বৃহস্পতিবার, 04 জুলাই 2019
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী।।
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা মঙ্গলবার, 02 জুলাই 2019
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া মঙ্গলবার, 02 জুলাই 2019
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top