Support:
+88 01978 334233

Language Switcher:

Cart empty

চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা (Chuadanga) জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে এটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। দেশ বিভাগের পূর্বে এটি পশ্চিম বঙ্গের নদিয়া জেলার অন্তর্গত ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে সর্বপ্রথম চুয়াডাঙ্গাকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঘোষণা করা হয়।পরবর্তিকালে নিরাপত্তা এবং কৌশলগত কারণে চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজধানী মুজিবনগরে সরিয়ে নেয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলার আয়তন ১,১৫৭.৪২ বর্গ কিলোমিটার। চুয়াডাঙ্গা জেলার উত্তর-পূর্বদিকে কুষ্টিয়া জেলা, উত্তর-পশ্চিমে মেহেরপুর জেলা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ঝিনাইদহ জেলা, এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে ভারতের নদিয়া জেলা অবস্থিত। জেলার মূল শহর চুয়াডাঙ্গা মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।

নামকরণের ইতিহাসঃ কুষ্টিয়া চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর - বিলু কবীর

১৯৪৭ সালে দেশবিভাগকালে মুসলিম সংখ্যাধিক্যের এলাকা হিসাবে কুষ্টিয়া তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। অবিভক্ত ব্রিটিশ শাসনকালে কুষ্টিয়া জনপদটি ছিল প্রেসিডেন্সি বিভাগের নদীয়া জেলার অংশ। উক্ত ১৯৪৭ সালের ৭ আগস্টে অবিভক্ত নদীয়া জেলার পাঁচটি মহকুমার মধ্য হতে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর নিয়ে কুষ্টিয়া জেলার জন্ম হয়।

হজরত মালেক-উল-গাউস (রঃ) মাজার শরিফ

কোন এক সময় বর্ণিত দর্শনীয় স্থানে সূফি দরবেশ হজরত মালেক-উল-গাউস (রঃ) তাঁর আস্তানা গড়ে তুলে ইসলাম প্রচার শুরু করেন।

কুষ্টিয়া - সুকুমার বিশ্বাস

আমরা জানি, কুষ্টিয়ার যুদ্ধে পাকবাহিনী বাঙ্গালীদের কাছে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয় এবং মূলত কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে অবস্থান নিয়ে যুদ্ধরত প্রায় সকল পাক-সেনাই নিহত হয়। এই পর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ জনতার হাতে বেশকিছু অবাঙালিও প্রাণ হারায়। এদের মধ্যে কুষ্টিয়া পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান অবাঙালিদের নেতা (বিহারী) নেতা নবীবক্সও ছিলো।

মাথাভাঙ্গা নদী

মাথাভাঙ্গা নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রধান নদী পদ্মার দ্বিতীয় বৃহত্তম শাখা মাথাভাঙ্গা । জন্মলগ্ন থেকে মাথাভাঙ্গা ছিল পদ্মার প্রধান শাখা। প্রায় ৪০০ বছর আগে গঙ্গা ভাগিরথী দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় নদীতল বালি পড়ে ভরাট হয়ে গেলে মাথাভাঙ্গা প্রধান স্রোত বয়ে নিয়ে যেত।

নীল বিদ্রোহ ও নীল চাষের সমাপ্তি

১৮৫৮ সালে নীলবিদ্রোহের অগ্নি দেশময় ছড়িয়ে পড়লেও নীলচাষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উঠেছিল অনেক আগ থেকেই। ১৮১০ সাল থেকেই নীলচাষের বিরুদ্ধে প্রজা সাধারণ সংগঠিত হতে থাকে।

এদেশে নীলের চাষ

বৃটিশ শাসনকালে এদেশে নীলের চাষ, নীলের ব্যবসা, নীলচাষের সাথে প্রজাকুলের দুর্ভোগ এবং নীলচাষের বিরুদ্ধে সচেতন মহল এবং কৃষককুলের বিদ্রোহ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নীলচাষকে কেন্দ্র করে ইংরেজ সাহেব, কুঠিয়াল এবং এদেশের জমিদার, জোতদার, মহাজনদের প্রজাশোষণ, নিপীড়ন ও অন্যায় অত্যাচারের এক করুন চিত্র পাওয়া যায়। ইংরেজ শাসনকালে ১৭৯৫ থেকে ১৮৯৫ প্রায় একশত বছর এদেশে নীলের চাষ ও ব্যবসা ছিল। বর্তমান যশোর, খুলনা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, ‍কুষ্টিয়া, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, পাবনা জেলাসহ পশ্চিমবাংলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপকাকারে নীলের চাষ করা হত। এ অঞ্চলেই নীলচাষের বিরুদ্ধে বিদ্রেহ গড়ে ওঠে যা ‘নীলবিদ্রোহ’ বলে পরিচিত। নীলচাষের বিরুদ্ধে কলম ধরেন সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষিত সমাজ।

কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড

কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার সীমান্তবর্তী জনপদ দর্শনায় অবস্থিত একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই বৃহৎ শিল্প-কমপ্লেক্সটি চিনি কারখানা, ডিষ্টিলারি, বাণিজ্যিক খামার সমন্বয়ে ও জৈব সারকারখানার সমন্বয়ে গঠিত। এর সদর দপ্তর ঢাকা, বাংলাদেশ ও দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা, আয়তন ৩৫৫৯.৮৯ একর। এটির মালিক বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন।

Close

নতুন তথ্য

নতুন লালন গীতি

  • মনের হল মতি মন্দ
    তাইতে রইলাম আমি জন্ম-অন্ধ মনের হল মতি মন্দ তাইতে রইলাম আমি জন্ম-অন্ধ।।
  • এই বেলা তোর ঘরের খবর জেনে নে রে মন
    কেবা জাগে কেবা ঘুমায় কে কারে দেখায় স্বপন এই বেলা তোর ঘরের খবর জেনে নে রে মন। কেবা জাগে কেবা ঘুমায় কে কারে...
  • ক্ষম ক্ষম অপরাধ
    দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময় ক্ষম ক্ষম অপরাধ দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়। বড় সঙ্কটে পড়িয়া দয়াল বারে...
  • চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে
    আমরা ভেবে করব কী চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে আমরা ভেবে করব কী ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম তাকে তোমরা বলো কী।।
  • কে তাহারে চিনতে পারে
    এসে মদীনায় তরিক জানায় এ সংসারে ভবে কে তাহারে চিনতে পারে এসে মদীনায় তরিক জানায় এ সংসারে।।

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

We Bangla

Go to top

>