প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

কাঙ্গাল হরিনাথ ও কালান্তরের ইতিহ ভাবনা

বাঙলা এবং বাঙালির অস্তিত্ব সৃষ্টির পর হতে নানা কারনে বাঙালির জীবন কখনও গৌরবের আবার কখনও বিষাদের। মহাকালের পরিক্রমায় কিছু কিছু সময় ও সূচীর ঘটনা সমূহ আমাদের জীবনকে বিশেষভাবে সীলমোহর দিয়ে আবদ্ধ করে রেখেছে। যে কারনে আমরা কখনও কাঁন্না করি, আবার কখনও হাসি। কখনও উদ্ভাস বা উদ্বেলিত হয়, আবার কখনও নিস্তব্ধ হয়।

একথা নিসন্দেহে বলা যায় আমাদের জীবন ও তার পরিচালন চক্রে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন সময়ে প্রকৃতির উপাদানের উপকরণ ও তার উপাচার। তার প্রথমটা হলো বছর ঘুরে আসা গঙ্গা অববাহিকার ঘোলা অথচ মিষ্টি জলে ভেসে আসা পলি ও পাথর। যা আমাদের কৃষি,অর্থনীতি, সমাজ এমনকি মানষিক পরিমন্ডলকে ঔজ্বল্য ও সমৃদ্ধ করে।

দ্বিতীয়টা হলো ঘাত প্রতিঘাতের দোলাচালে এ দেশে মোঘল শাসনের পরে ১৭৪০ সালে বাংলার সুবেদার সরফরাজ খানের ব্যর্থতার মধ্যদিয়ে মসনদ দখল করেন বিহারের শাসক আলিবর্দী খান। এই শাসকের মৃত্যুর পর অনেকটা প্রথাগতভাবে বাংলা ও বিহারের শাসন নেন প্রয়াতের দৌহিত্র কিশোর নবাব, সিরাজউদৌল্লা। কিন্তু সিরাজ কার্যত: নবাব হয়েছিলেন ১৭৫৬ সালের ৯ এপ্রিল। তবে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবীন এই নবাবের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে স্তমিত হয় ভাগিরথী নদীর তীরে পলাশী প্রান্তের স্বাধীন এক সূর্যের। তারপর ভারত উপমহাদেশে জেঁকে বসে ইংরেজদের শাসন-নামা। ভারত বর্ষের এক বৈচিত্র্যময় দেশ বাংলার প্রাপ্তি ও অর্জনের ২০০ শত বছরের দীর্ঘ সময়ে শেকড় ছড়িয়েছে হিন্দু- মুসলমান দ্বিজাতী-তত্বের বিষ ফোঁড়া। সময়ের চাকা আর গঙ্গার জল গড়িয়ে অবশেষে আসে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট। দ্বিজাতী-তত্বের বিষ্টায় জন্ম নেয় পাকিস্থান রাষ্ট্র নামের কলঙ্কিত ও ক্ষত চিহ্নের এক উপাক্ষ্যান। “হাঁসকে লিয়া পাকিস্থান, লড়কে লেঙ্গে হিন্দুস্থান” শ্লোগানের অবস্বাদ অধ্যায়ের।

১৯৭১ সাল। সময়ের মহেন্দ্র ক্ষণে আসে আমাদের পরম প্রাপ্তির যুগ সন্ধি সাধনের আমোঘ স্পর্শ স্বাধীনতা। নয় মাসের শক্তি, ধৈর্য, সাহস, ত্যাগ এবং প্রাপ্তির সাবলিক সমাধান আমাদের স্বাধীনতা। যুগের মহা-কৈলিক ধারায় সাধন ও সিদ্ধির জন্য জন্ম নিয়েছে এক এক জন মহান পুরুষ। আবার সাধন ভঙ্গ বিহনে তারা চলেও গেছেন বিনাশ বিলোতায়। আসা আর যাওয়ার পথে কেউ হারিয়ে যায় সূর্যাস্তের সাথে সাথে আবার কেউ কেউ স্মরণে থাকেন যুগ যুগ সময় নিয়ে। এই কাল প্রবাহের এক নিরন্তর শ্রীময়ি ব্যক্তিত্ব কুষ্টিয়ার কুমারখালির কালজয়ি ও নৈসর্গিক বরপুত্র কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদার। জন্ম ২০ জুলাই ১৮৩৩ সাল এবং তার দিব্যধামে গমন ১৬ এপ্রিল ১৮৮৬ সাল। মাঝখানে ৬৩ বছর সময় তিনি ছিলেন নানা চিন্তা ও কর্মে ভবের এই নাট্যশালায়।

মোঘল আমল, সুলতানী আমল, কোম্পানী ও বৃটিশ আ্মল, পাকিস্থানী আমল সব সময়ই বাঙলার মানুষেরা ছিলেন পরাধীন। এই আবদ্ধ জীবনের জ্বালা ও যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের উৎগ্রীব আগ্রহ কিংবা আকাঙ্খা সেই সেকাল থেকেই। সময়ের বাতাবরণে অনেকের আত্মোৎস্বর্গের পরে এসেছে আমাদের স্বাধীনতা। মাস্টার দা সূর্য সেন. প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, ক্ষুদি রাম বসু, বাঘা যতিনসহ মুক্তি পাগল মানুষ যুগে যুগে আত্মাহুতি দিয়ে আমাদের স্বাধীকার কে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়ে গেছেন। এই সারল্য ধারার আরেক মহাবীর আমাদের কঙ্গাল হরিনাথ মজুমদার। যিনি ১৮৮০সালের মে সংখ্যায় তার গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা পত্রিকায় লেখনির মাধ্যমে স্বাধীনতার বীজকে অঙ্কুরোদগম করেছিলেন এই বলে যে,

‘‘স্বাধীনতা –হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়,
দাসত্ব শৃংঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে, কে পরিবে পায়।’’

সমকালিন শাসন, শোষণ এবং সমাজ বদলের উত্তরণ পেতে কাঙ্গাল হরিনাথ যে স্বপ্ন দেখে ছিলেন তার সরূপ উদ্ভাসিত হয় ৭১ সালে। কাঙ্গালের সে ইচ্ছের স্বপ্ন দর্শন হলো তারসৃষ্টিতঃ ‘‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’’ পত্রিকা।

১২৭০ বঙ্গাব্দের প্রথমেই ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’ প্রকাশিত হতে লাগলো। লেখনির ক্ষুরধারে অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে, অত্যাচার-নিপিড়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলতে লাগলো। এলাকার অত্যাচরিত জমিদারেরা তাদের সরূপ উন্মোচনের কারনে কাঙ্গাল নানাবিধ নিপিড়নের মুখোমুখি হতে লাগলেন। নিরূপায় তার অসহায়ত্বের কথা লিখে প্রেরণ করলেন তার প্রিয় এক স্নেহভাজন শিষ্যকে। তিনি লিখলেন-

‘‘ জমিদারেরা প্রজা পরিত্যাগ করিয়া আমার প্রতি যতদূর সাধ্য অত্যাচার করেন। কিন্তু তাহাতেও কৃতকার্য্য হইতে না পারিয়া পরিশেষে অত্যাচারের হাত খর্ব্ব করিয়া আনিয়াছেন। এখন আর তাহাদিগের অত্যাচারের কথা শুনিতে পাওয়া যায় না। গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা যথাসাধ্য প্রজার উপকার করিয়াছে। পরে কি ঘটে তা বলিতে পারি না। জমিদারেরা যখন আমার প্রতি অত্যাচার করে, এবং আমার নামে মিথ্যা মোকদ্দমা উপস্থিত করিতে যতœ করে, আমি তখন গ্রামবাসী সকলকেই ডাকিয়া আনি এবং আত্মাবস্থা জানাই। গ্রামের একটি কুকুর কোন প্রকারে অত্যাচারিত হইলেও গ্রামের লোকে তাহার জন্য কিছু করে, কিন্তু দু:খের বিষয় এই যে, ও আমার এতদূরই দূর্ভাগ্য যে, আমার জন্য কেহ কিছু করিবেন, এরূপ একটি কথাও বলিলেন না। যাঁহাদের নিমিত্তে কাঁদিলাম, বিবাদ মাথায় করিয়া বহন করিলাম, তাহাদিগের এই ব্যবহার।’’

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস পথের পাঁচালি। যার উপজিব্য বিষয় হলো শাশ্বত গ্রাম, তার মানুষ এবং প্রকৃতির আাঁচরকে নিয়ে। গ্রামের মানুষগুলোর পারিবারীক জীবনের অভাব আর দারিদ্রতার মধ্যেও ছিল অনাবিল এক আনন্দ। সত্যজিৎ রায় এই কাহিনী অবলম্বণ করে সৃষ্টি করেন পৃথিবী খ্যাত চলচিত্র ‘‘পথের পাঁচালী’’। ঐ চলচিত্রে তিনি শিল্পি চুণিবালার কন্ঠে যে গাণটি সুরালোলিত করেছিলেন তা ছিলঃ-

‘‘ হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা হলো পার করো আমারে।
তুমি পারের কর্ত্তা, শুনে বার্ত্তা, ডাকছি হে তোমারে।’’

তবে এই গানে গীতিকার হিসেবে কারো নাম ছিল না। বিষয়টি নজরে আসে কুষ্টিয়ার সদ্য প্রয়াত ঋত্ত্বিক ব্যক্তিত্ব ও কাঙাল গবেষক ম, মনিরুজ্জামানের চোখে। তিনি বিষয়ীট তাৎক্ষণিক চলচিত্রকার সত্যজিৎ রায়কে চিঠি লিখে জানিয়ে দিলেন। সত্যজিৎ রায় ০৮-১১-১৯৮০ তারিখে ফিরতি পত্রে ম, মনিরুজ্জামানকে জানালেন যখন চলচিত্রে এই গানটি কম্পোজ করা হয়েছিল, তখন তিনি জানতেন না এই বিখ্যাত গানটির গীতিকার কে। অথচ এই গানটি বাঙালির মুখে মুখে প্রচারিত একটা গান। তবে পরে আমি (সত্যজিৎ রায়) জানতে পারি এই গানটির গীতিকার বিখ্যাত কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদার।

১৮৮০সালের মে সংখ্যায় গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা পত্রিকার মাধ্যমে কাঙ্গাল জীবন হতে শৃঙ্খল মুক্তির কথা বললেন। স্বাধীনতা আর পরাধীনতার স্বাদ-বিস্বাদটা শুধু মানুষ উপলদ্ধি করতে পারে। যে জন্য মানুষ অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়। কিন্তু এই নিষ্ঠাবান, উপলদ্ধিসম্পন্ন মানুষই কখনও পশু-প্রাণি, বৃক্ষ-তরুলতা, পাহাড়-নদীল প্রতি কত নির্দয়্ তাদের স্বাধীনতাকে এরা গলাটিপে হত্যা করছে। আবার কাঙ্গাল ‘‘ হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা হলো’’....... গানের মাধ্যমে মুক্তির স্বাদ অন্মেষণ করেছিলেন। এখানে তিনি মহামুক্তির কথা প্রকাশ করে গেছেন। কাঙ্গালের হৃদয় ব্যাকুলতার আরো অনেক প্রমাণ আমরা পায়। তিনি বাঙালি জাতিকে শিক্ষিত করে তুলতে বিশেষ করে অনগ্রসর হিসেবে নারীদের শিক্ষার প্রতি সাগ্রাহক ভাব প্রকাশই করেন নি, তিনি এজন্য নিজ বাড়ীতে তাদের শিক্ষার ব্যবস্থাও করেছিলেন। আমরা ১১৮ বছর পরে কাঙ্গালের দিব্যধাম প্রস্থান দিবসে এসে ভাবছি, কাঙ্গাল যুগের সন্ধিক্ষণে এসে ভেবেছিলেন যে সামাজিক আবদ্ধতা এবং মানস মুক্তির ভাবনাকে জোছ্নায় ছড়িয়ে দিতে। আর এ ভাবনাকে তিনি আন্দোলিত করেছিলেন কবিতা এবং গানে গানে। আমরা আমাদের যুগের ধারায় আগত মঙ্গোলিক স্বাধীনতার সতীর্থদের সাথে কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারকে এ কাফেলার এক উত্তম পুরুষ হিসেবে বলতে পারি।

লেখক: গৌতম কুমার রায় - গবেষক, উদ্ভাবক ও পরিবেশ ব্যক্তিত্ব।

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কি করবেন? সুন্নাহতে এ কথা প্রমাণিত যে, যে ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা বা সংকল্প করেছে তার জন্য ওয়াজিব; যুলহাজ্জ মাস...
কুরবানীর ইতিহাস শনিবার, 10 আগস্ট 2019
ধারনা করা হয় ছবির এই  জায়গা কাবিলের হাতে খুন হয়ে ছিল হাবিল। কুরবানী শব্দের উৎপত্তি হলো কুরবান শব্দ থেকে। কুরবান শব্দের অর্থাৎ নৈকট্য, সান্নিধ্য, উৎসর্গ। সুতরাং...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শুক্রবার, 26 জুলাই 2019
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে। পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে।।
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি আমাদের জীবনের প্রেক্ষাপটে রোজ আমরা পাই জীবনের রূপরেখা, এবং তাকেই তুলির টানে রাঙিয়ে চলায় আমাদের...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবন উপন্যাস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৮৩ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ মোট বারোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন।...
স্বদেশপ্রেমী মানবতাবাদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী রবি প্রথম জীবন থেকেই স্বদেশ ও সমাজের ভাবনাতে ব্যাকুল ছিলেন। তিনি যখন...
বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ আনুমানিক ১৮২০ সালে সুনামগঞ্জের জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ধাইপুর গ্রামে জন্ম...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top