প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

লালনগীতির মকছেদ আলী সাঁই

মোকসেদ বা মকছেদ আলী শাহ্‌ (জন্মঃ ১লা মার্চ ১৯৩৫ মৃত্যুঃ ১৭ জুন ১৯৮১) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার মকছেদ আলী সাঁইয়ের অবদান যেমন শব্দসৈনিক হিসেবে স্মরণযোগ্য, তেমনি বাংলাদেশ স্বাধীনতা-উত্তরকালে নানা বাদ্যযন্ত্র সহযোগে লালনগীতি পরিবেশনার যে ধারা আন্তর্জাতিকভাবে প্রসারিত হয়েছে; তাতেও রয়েছে তাঁর পথিকৃৎ ভূমিকা।

কুষ্টিয়া শহরের হরিশঙ্করপুর গ্রামের চাঁদগাড়াপাড়ায় ১৯৩৩ (মতান্তরে ১৯৩৫) সালে মকছেদ আলী সাঁই জন্মগ্রহণ করেন। পিতৃ-পদবি ‘খান’, ‘সাঁই’ তাঁর নিজের আরোপিত। বাবার নাম আবদুর রশিদ খান। মা নিকারি বেগম।

মকছেদ আলী সাঁই লালনগীতির পরিশীলিত কণ্ঠশিল্পী ছিলেন, সাধক ছিলেন না। নামের শেষে পূর্বপুরুষের পদবি ‘খান’ বাদ দিয়ে নিজে ‘সাঁই’ যোগ করেছিলেন; এবং সে নামেই তিনি বেশি পরিচিত। প্রথম জীবনে শাস্ত্রীয় সংগীত ছাড়াও অনুশীলন করতেন গণসংগীত, নজরুলগীতি ও অন্যান্য সংগীত। যাত্রা দলেও ছিলেন কিছুকাল। পেশা হিসেবে কুষ্টিয়া তহশিল অফিসে এসএ জরিপকালে (১৯৬২) অস্থায়ীভাবে নিয়োজিত থাকার পরে আনসার কমান্ডার হিসেবে চাকরি করেছেন ১৯৭১-এর আগে। শাস্ত্রীয় সংগীত চর্চায় তাঁর প্রথম শিক্ষাগুরু ওস্তাদ ওসমান গণি। গত শতাব্দীর ষাটের দশকে কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে লালনগীতি শেখার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হন।

১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশভাগের আগে অমূল্য শাহ নামের এক বিশিষ্ট লালনগীতির কণ্ঠশিল্পী বর্ধমান-বীরভূম অঞ্চলের বাউলদের অনুসরণে ডান হাতে একতারা এবং বাঁ হাতে বায়া বাজিয়ে বিভিন্ন আসরে দাঁড়িয়ে লালনের গান গাইতে শুরু করলে লালনগীতি পরিবেশনের একটি নতুন ধারা প্রবর্তিত হয়। পরবর্তী সময়ে এ ধারাটি বজায় ছিল সুকণ্ঠের অধিকারী বেহাল শাহ, নিমাই শাহ, খোদা বক্স শাহ (জাঁহাপুর) প্রমুখের মাধ্যমে। মকছেদ আলী সাঁইয়ের সুযোগ হয়েছিল তিনজনের অন্তরঙ্গ সান্নিধ্য লাভ করা। যার ফলে অমূল্য শাহের গায়কি-ঢংটি অপ্রত্যক্ষভাবে তাঁর ওপর প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে লালনশিষ্য ভোলাই শাহের মাধ্যমে প্রচলনকৃত ইসমাইল ফকির, ফকির গোলাম ইয়াছিন, মোতাহার খন্দকার প্রমুখ যাঁরা পরিচিত ছিলেন ‘ছেঁউড়িয়া ঘরনা’ বলে, তাঁদের গায়কি ধরন-ধারণ সম্পর্কে বিশেষভাবে অবগত ছিলেন তিনি। এঁদের সহায়তায় মকছেদ আলী সাঁই লালনগীতি শিখেছিলেন। লালনের গানে রাগ-রাগিণী, রামপ্রাসাদী, কীর্তন, ধুয়া গানের সুর প্রভৃতির সন্ধান তিনিই প্রথম করেন। পারিপার্শ্বিক প্রভাবের সমন্বয়ে সংগীত জগতের পরিশীলিত কণ্ঠশিল্পী মকছেদ আলী সাঁই যখন নিজস্ব ভঙ্গিতে নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র ব্যবহারের মধ্য দিয়ে লালনগীতি গাওয়া শুরু করলেন এবং পাশাপাশি আরও অনেক শিল্পীর কণ্ঠে তাঁর পরিবেশিত ভঙ্গির গান তুলে দিলেন—তখন সহজে এ ধারা জনপ্রিয়তা পায়। বর্তমানে অনেকে লালনগীতি পরিবেশনে অনুসরণ করছেন মকছেদ আলী সাঁইয়ের ধরন-ভঙ্গি। ফরিদা পারভীন, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, চন্দনা মজুমদার, কিরণচন্দ্র রায়, রেবা সরকার, বিউটি প্রমুখ এ ধারারই সার্থক উত্তরসুরি।

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ নাগাদ ভারতে গিয়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। গীতিকার ও সুরকার হিসেবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত তাঁর,

‘সোনায় মোড়ানো বাংলা মোদের,
শ্মশান করেছে কে?
এহিয়া তোমায় আসামির মতো জবাব দিতে হবে’।
—গানটি খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গান হচ্ছেঃ-

  1. ‘বাংলাদেশের খাঁটি মানুষ, শেখ মুজিবুর জেনো ভাই’
  2. ‘ওগো আগুন, ওগো সূর্যের আলো’
  3. ‘চোখের জলে বুকের রক্তে সারাটা দেশ ভেসেছে’
  4. ‘মাগো আমার কেঁদো নাকো তুমি’
  5. ‘আমায় তুমি খুঁজছ কি মা আকাশের তারায়’
  6. ‘শান্তির দূত রে শ্বেতকপোত উড়ে যা বাংলাদেশে’

১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার ‘হিন্দুস্তান মিউজিক্যাল প্রোডাক্ট লিমিটেড’ রেকর্ড কোম্পানি মকছেদ আলী সাঁইয়ের দুটি লালনগীতি (১. ‘গৌর প্রেম করবি যদি’ ২. ‘আপন ঘরের নে না’ প্রকাশ করে গ্রামোফোনের রেকর্ডে।

স্বাধীনতার পর ঢাকা বেতার কেন্দ্রে চালু হয়েছিল ‘ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিস’ নামের একটি বিভাগ। এই বিভাগে সংগীত পরিচালক হিসেবে তিনি কয়েক বছর নিয়োজিত ছিলেন। তখন দেশের বহু অবহেলিত ও অখ্যাত শিল্পী সংগ্রহ করে তাঁদের কণ্ঠের গান টেপ রেকর্ডারে ধারণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণীয়।

মকছেদ আলী সাঁইয়ের লেখা গান নানা সময়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর রচিত অধিকাংশ গান ও প্রবন্ধ রয়েছে এখন পর্যন্ত অপ্রকাশিত। লালন শাহের সাধক জীবনের ওপর ভিত্তি করে তিনি কীর্তি লালন [কীর্তিমান লালন?] শিরোনামে একটি নাটক লেখার পরিকল্পনা করেছিলেন, এর চার অঙ্কের কিছু দৃশ্যের খসড়া অংশ পাওয়া গেছে। সে দিনের এই দিন (মার্চ ১৯৮১) নামের লালনবিষয়ক একটি পুস্তিকা মকছেদ আলী সাঁই মৃত্যুর কয়েক মাস আগে প্রকাশ করেছিলেন গোলাম ইয়াছিন শাহের সঙ্গে যৌথ সম্পাদনায়। ১৭ জুন ১৯৮১ সালে হঠাৎ তাঁর মৃত্যু হয় হরিশঙ্করপুর গ্রামের পৈতৃক বাড়িতে।

কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার ও সুরকারঃ- মকছেদ আলী সাঁই এর সাথে কিছু কথা:

 

তথ্যঃ- ম. মনিরউজ্জামান - প্রথম আলো এবং কুষ্টিয়াশহর.কম

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কি করবেন? সুন্নাহতে এ কথা প্রমাণিত যে, যে ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা বা সংকল্প করেছে তার জন্য ওয়াজিব; যুলহাজ্জ মাস...
কুরবানীর ইতিহাস শনিবার, 10 আগস্ট 2019
ধারনা করা হয় ছবির এই  জায়গা কাবিলের হাতে খুন হয়ে ছিল হাবিল। কুরবানী শব্দের উৎপত্তি হলো কুরবান শব্দ থেকে। কুরবান শব্দের অর্থাৎ নৈকট্য, সান্নিধ্য, উৎসর্গ। সুতরাং...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শুক্রবার, 26 জুলাই 2019
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে। পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে।।
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি আমাদের জীবনের প্রেক্ষাপটে রোজ আমরা পাই জীবনের রূপরেখা, এবং তাকেই তুলির টানে রাঙিয়ে চলায় আমাদের...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবন উপন্যাস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৮৩ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ মোট বারোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন।...
স্বদেশপ্রেমী মানবতাবাদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী রবি প্রথম জীবন থেকেই স্বদেশ ও সমাজের ভাবনাতে ব্যাকুল ছিলেন। তিনি যখন...
বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ আনুমানিক ১৮২০ সালে সুনামগঞ্জের জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ধাইপুর গ্রামে জন্ম...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top