প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

বাউলদের যৌন চিন্তা ১৮+

ঘাটে নামবে কিন্তু জল ঘোলা করবে না

রুক্ষ্ম বাবরী চুল। গোঁফের বাহাদুরী। হাতে একতারা এবং ডুগডুগির টুং টাং শব্দ। পায়ে একজোড়া কাঠের খরম। ইদানিং চপ্পল, গায়ে কখনও সাদা বা গেরুয়া রঙের থানকাটা কাপড়ের পাঞ্জাবী এবং পরনে সেলাইছাড়া লুঙ্গি। সাধারণ মানুষের চেয়ে একটু বিচিত্রতা তাদের। যাদের মন-মনন, জীবন, জগৎ সংসার, চলাফেরা, আঁচার-ব্যবহার অন্যদের চেয়ে কিছুটা হলেও ভিন্ন। একটু ভিন্ন ধাঁচের গান শুনলেই এদেরকে চেনা যায় তারা হলো বাউল। অর্থাৎ বা-উল কিংবা বাতাসের মধ্যে অনুসন্ধানের যে জিঘাংসা সেই অনুসন্ধানকারী মানুষই হলো বাউল।

বাউল মতবাদ পৈত্রিক কোন ধর্ম নয়। ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবাদী ধর্ম এবং সামাজিক আন্দোলন থেকে এই মতবাদকে আবিস্কার করার উৎস বলে মনে করা যায়। প্রাচীন এক ঐতিহ্য গুরু সূত্রস্য ও পরম্পরায় বাহিত এবং পরিবাহিত হয়ে বাউল তত্ব বয়েই চলেছে। বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ইহজাগতিক অমানবীক দর্শন,ধর্মীয় কথায় জড়িয়ে দেওয়া কুসংস্কার অথবা সামাজিক অনৈতিক রীতি-নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী স্রােতের সম্মিলিত রূপই বাউল। বৌদ্ধ, বৈদিক, সুফি,বামাচারী সাধকের সাধনা, তন্ত্র, বৈষ্ণবতায় বা বৈষ্ণব সহজিয়া সাধকের ধ্যান বা জ্ঞানে বাউল মতবাদের জন্ম হয় নাই। মুলত: লোক সমাজের প্রতিবাদ থেকে এর জন্ম। প্রতিবাদের পরেও প্রতিবাদই একে পুষ্ট করে এবং বাঁচিয়ে রাখে। চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় দশম শতকের নাঢ় পন্ডিত এবং তাঁর স্ত্রী নাঢ়ীকে বাউল মতের আদি প্রবক্তা মনে করেন।

বাউলদের উদ্ভব বা বিকাশ যে ভাবেই হোক না কেন, বাংলাদেশের বাউলেরা দুই ধারায় দর্শন প্রচার করে থাকে। প্রথমত: বৈষ্ণব সহজিয়া মতবাদ এবং দ্বিতীয়ত: হলো সুফি মতবাদ। তবে এই দুই ধারার বাউলদের বিশ্বাস উপস্থিত এক জায়গাতে। ‘‘ যা আছে ব্রম্মান্ডে, তা আছে এই দেহ ভান্ডে।’’ অর্থাৎ প্রকৃতি এবং সৃষ্টি রহস্যের তাবৎ অনুচ্ছায়া আমাদের শরীরে বিদ্যমান। আবার বাউলদের জীবন-যাপন দুই ধরণের। এরা এক হলো গৃহী, দুই হলো যোগী বা সন্ন্যাসী। অন্য বৈশিষ্ট্য যাই থাকুক না কেন সকল বাউলেরা সঙ্গীত সাধন করে থাকেন। যোগী বা সন্ন্যাসী বাউলের দেখা মেলা ভার এখন এই দেশে। এ জন্য আমাদের সামাজিক নিরাপত্তার দূরবস্থা অনেকটা দায়ী। আমাদের দেশে গৃহী বাউলের সংখ্যা বেশি। এদের বসবাস আবার দেশের উত্তর এবং দক্ষিণ অঞ্চলেই বেশি। হিন্দু কিংবা মুসলমান যে ধর্মের বাউলই হোক না কেন এদের মধ্যে ধর্মে কোন বিভেদ নেই। এরা উভয়েই পরিচ্ছন্ন, শান্ত এবং তাঁরা গোষ্ঠীবদ্ধ। এরা যে কোন সামাজিক কোন্দলকে এড়িয়ে চলে। এরা সরল এবং সাবলীল জীবন যাপন পছন্দ করে। এরা যৌক্তিকতা পোষণ করে তবে বাহাস বা তর্ক নয়। ধর্মান্ধ মৌলবাদিরা বাউলদের শত্রু। বাংলা ১৩ শতকের ত্রিশ দশকে বাউলেরা এদের দ্বারা প্রবল বিরোধীতার সম্মুখীন হয়েছিল। যশোহর, রাজশাহী এবং কুষ্টিয়াতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিজয় সরকার, পাগলা কানাই, গগণ হরকরা, মহামতি লালন এবং কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের কারণে বাউল সাধন চর্চ্চা গতি পেয়েছিল। তবে এক্ষেত্রে সুফিবাদের প্রভাবকে ছোট করে দেখাও ঠিক হবে না। পীর মাশায়েকদের মাধ্যমে সুফিবাদের প্রভাব ঘটেছিল এ অঞ্চলে।

কেও কেও মনে করেন, বিন্দু সাধনা থেকে বাউল ধারার উৎস এসেছে। অর্থাৎ বিন্দু সাধনাকে রূপান্তরীত করে এসেছে বাউল মতবাদ। বিন্দু, হাওয়া, নিরঞ্জন, প্রাণপাখি এমন এক শুটকীটের অনেক নাম। আবার ইড়া, পিঙ্গলানাড়ী, সুষমা এ সকলকে নিয়ন্ত্রণ করে বীর্য ক্ষমতাকে ধারণ করাই বাউল সাধনার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তবে এই বিন্দুর সাথে আরো চারটি বিষয়কে সংযত পর্যায় রাখতে হয়। কিন্তু তা ইচ্ছে করলেই পরিত্যার্য নয়। তা হলো, রজ:,মল,মূত্র এবং বীর্য। বাউলদের মতে এগুলো হলো তাদের ভাষায় চারি চন্দ্র। এগুলো বায়ু,পানি ও আগুনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। বাউলেরা বিশ্বাস করেন এই বিষয়গুলো দিয়ে মানব শরীর গঠিত হয়। সুতরাং সাধনার উপজীব্য বলতে এগুলো গুরুত্বপূর্নও বটে। বাউলধারা আরো মনে করে, দীর্ঘ জীবন এবং অসুখ-ব্যাধি থেকে রেহাই পেতে শরীরে সৃষ্ট জিনিস শরীর ফিরে পেলে তা সম্ভব হয়। রজ:,মল,মূত্র এবং বীর্য এই চারি চন্দ্রের সমাহারে বাউলেরা ‘প্রেম ভাঙ্গা’ নামে পেঁপের বীজের মত দেখতে একধরনের বটিকা তৈরী করে এবং তা নিয়মিত মুখের মধ্যে দিয়ে রাখে। বাউলেরা বিশ্বাস কারেন এই বটিকার কারণে তাদের জটিল অসুখ-বিসুখ হয় না। তাঁরা আরো বিশ্বাস করেন, দীর্ঘস্থায়ী এবং জটিল রোগের হাত হতে রেহাই পেতে নারীদের বুকের দুধ নাকি পান করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। এমনকি এই দুধ পান করলে দীর্ঘ সময় যৌবণকে ধরে রাখা যায়। তবে আর যাই হোক বাউলদের জীবন চলে তাদের ভক্তিবাদ এবং দেহতত্বের গান পরিবেশনা দিয়ে। তাদের গানের শব্দ এবং সুরের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তাদের ধর্ম জ্ঞান, বিশ্বাস, কর্তব্য সমুহ। বাউলদের গানের কথাগুলো বেশ দূর্বোধ্য। গুরুসাধনায় সফল হলে, তাঁরা এই গানের সাধনতত্ত্ব উপলদ্ধি করতে পারেন। গুরু সাধনের মাধ্যমে শিষ্যের বিনির্মাণ সম্ভব। এই বিনির্মান হলে দেহ থেকে আত্মার মুক্তির উপায় হিসেবে তা বিবেচিত হয়।

সঙ্গিনী ছাড়া বাউলধারা একেবারেই মিছে। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী রূপে অথবা নির্বাচিত সঙ্গিনী হিসেবে বাউল দর্শন বা তাদের ক্রিয়াকলাপ সমুহ পালন করে থাকেন। লোক ধর্মগুলোতে সন্তান জন্ম দেয়া যায়। বাউল ধারায় সন্তান জন্মের কোন স্থান নেই। নি:সন্তান সাধক বাউলেরা বাউল ধারায় পরম শ্রদ্ধেয়। বৈষ্ণব-বৈষ্ণমীদের সন্তান হলে আখড়া বাসের অধিকার থাকে না। তবে কর্তাভজাদের সন্তান দেয়া অসাধুত্বের লক্ষণ না হলেও বাউলরা কিন্তু পতিকে ভজনা করেন, তবে সৃষ্টিকে করেন না। পশু মাংসের জন্য অন্ধ বিচারহীন তীব্র কামনা, ক্রোধ, হিংস্রতা প্রভৃতি আসে। ডিম ও মাংস মানবদেহে কামনা বৃদ্ধি করে এবং উত্তেজনা ছড়ায়। বাউলেরা বলে পৃথিবীর বাইরে কোন সুখ-দু:খ নেই। দেহ বহির্ভূত কোন আল্লাহ নেই। দুই না হলে কোন সৃষ্টি হয় না। বাউলেরা গৃহস্থ এবং ত্যাগীদের মধ্যবর্তী অবস্থানে থাকে। সন্তান, সম্পত্তি, ভোগবাদে তাদের অনীহা। তাদের অম্বিষ্ট সাধুত্ব এবং আত্মস্বার্থহীন মানবতা ।

বাউলেরা মনে করেন ‘শ্বাস’ কে যদি নিয়ন্ত্রণ করা যায় তবে জীবনকে সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য করা সম্ভব। নিজেদের শ্বাস কে ভিত্তি করে বাউলরা তাদের যৌন জীবনকে ভোগ্যময় করে গড়ে তোলে। যৌন মিলনের সময় কখন কিভাবে নসারন্ধ্রের কোন পার্শ্বদিয়ে শ্বাস প্রবাহিত হচ্ছে এবং পুরুষদের যে র্প্শ্বা ব্যবহার হয় তখন নারীদের কোন পাশে শ্বাস প্রবাহিত হয় কিংবা কোন পাশ ব্যবহার করা উচিৎ তার কৌশল ও ক্রিয়া কলাপের বিষয় রপ্ত করে নিতে হয়। যৌন বির্যপাতের সময় শ্বাস প্রবাহ বন্ধ করে রাখতে হয়। এভাবে সময় ক্ষেপণ করে আবারও তারা যৌন কাজে লিপ্ত হয়ে থাকেন। এতে দীর্ঘক্ষণ তারা যৌনতাকে উপভোগ করে। তবে পুরুষ বাউলেরা এক্ষেত্রে নিজেদের সাথে নারীদেরকে উপভোগ্য করে তোলে।

বাঙালি অন্য মেয়েদের মত বাউল মহিলাদের যৌন জীবন পদ্ধতিতে মিল পাওয়া গেলেও পুরুষদের ক্ষেত্রে বাউল ধারাটা যৌনচারে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। তাত্ত্বিকতায় বাউলেরা ভাবেন, অটল বা মুলবস্তুর নির্গম সম্পুর্ণবন্ধ করা অসম্ভব এবং তা শরীরের জন্য ক্ষতি করে। পুরুষের মুলবস্তু না পেলে নারীদের দেহ নষ্ট হয়। পুরুষ বাউলেরা নারীদেরকে চরম আনন্দের এক ক্ষেত্র হিসেবে ভেবে থাকেন। তাঁরা এটাই ভাবেন যে নারীদের ছাড়া পুরুষদের বাউল সাধনা একেবারেই অসম্পূর্ণ ও অচল। তবে যৌন আনন্দে বাউলেরা সৃষ্টিকে এড়িয়ে চলতে ভালবাসেন। সৃষ্টির রহস্য না জানার ফলে ‘‘অযোগ্য’’ সন্তান উৎপাদন করলে তা অন্ধ, বোবা, কালা,মূর্খ সন্তান সৃষ্টি হয়। বাউলেরা ‘‘সুযোগে’’ ইচ্ছেমত সন্তান জন্ম দেয় না। তাদের সৃষ্টির পূর্ব পরিকল্পনা জাত-পাতের কামের অন্ধ আবেগজাত নয়। বাউলদের কথায় আত্মসুখই ব্যাভিচার। তাদের আত্নন্দ্রিয় তৃপ্তির ইচ্ছে এবং অহং কেন্দ্রিক কামের ইচ্ছের বিরুদ্ধে বাউলেরা। আত্মসুখ বিসর্জন দিয়ে গোপী সখিরা কৃষ্ণের সুখেই সুখি। বাউলো সাধুসভায় দারুন মনোযোগী গান মানুষের সঙ্গে কথা বলে,দেহ মিলন প্রকৃতির প্রতি এ সমাজ অধিকতর মনোযোগী। তাদের মতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ বৃদ্ধিতে আপত্তি আছে। বাউলেরা নিজেদের শরীরকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে খাদ্য এবং নেশা জাতীয় পণ্য ব্যবহারের প্রতি সজাগ দৃষ্টিপাত রেখে চলে।

বাউলদের মতে যে খাদ্য মানুষের শরীরে সহ্য হয় না তা হারাম। আবার যে খাদ্য মানুষের শরীরে হিতকর তাই হালাল। দেহের উত্তেজক শক্তি বৃদ্ধি করে এমন খাদ্য বাউল সমাজে হারাম। গোমাংস খাদ্য বাউল সমাজে নিষিদ্ধ। এই মাংস হিন্দু এবং মুসলমান বাউল সমাজে নিষিদ্ধ হওয়াতে উভয়ের মধ্যে সম্পর্ক গাঢ় হয়েছে। নিষেধ সত্ত্বেও গঞ্জিকার অপ্রতিহত প্রভাব বাউল সমাজে পড়েছে। সাধুদের অন্ন, তেল এবং তামাক, গাঁজা সেবা দেওয়া আবশ্যক। বাউলেরা মনে করেন, মদ বা তাড়ি খাওয়া বাউল সমাজের নৈতিক আপত্তি, এ নেশা মানুষকে উত্তেজিত এবং উশৃঙ্খল করে তোলে। কিন্তু গাঁজা বা আফিং এর নেশা মানুষকে আত্মমগ্ন করে। গাঁজা প্রাকৃতিক নেশা। যা থেকে গাঁজা, ভাঙ্ , গঞ্জিকা, চারস তৈরী হয়। তা কাঁচা, শুকনো, শেকড় ও ডাল দিয়ে তৈরী হয়। তারা মনে করেন সামাজিক উশৃঙ্খলা গাজা নেশা থেকে হয় না। গাজা বিঁষাক্ত নেশা দেহস্থ কামের বিঁষকে নিস্ক্রিয় করে মনকে উর্ধগামী করে দেয়। সন্তানের কামনা মানুষের সহজাত। কোন কামনাকে দমন করলে তা থেকে শারিরীক ও মানষিক বিকৃতি ঘটে। যাদের সন্তান কামনা আছে তারা ১-২ টি সন্তান জন্ম দিতে পারেন।

বাউলদের মতে জন্ম-জীবন সব সময় উপভোগ্যময়। যে জন্য কাম উত্তেজনাকে নিয়ন্ত্রণ করে ভোগ ক্রিয়াকে দীর্ঘ করে রাখাটা সমুচিন তাদের কাছে। এভাবে গানে গানে আত্ম উপলব্দিকে জাগ্রত করে রাখতে তাঁরা গানকে ধারণ করে মন কে আনন্দময় করে তোলেন। তবে তা সৃষ্টিকে আকড়ে নয়। মহামতি লালনের কথায় বলতে গেলে,

‘‘ আজব মানব দেহ ঘড়ি, চলতে চলতে চলে না
জীবন মানে জন্ম মৃত্যু, মাঝখানে কেউ থাকে না।’’

 

ঋণ স্বীকার: বাস্তুবাদী বাউল-শক্তিনাথ ঝা এবং মাসিক গণস্বাস্থ্য, ঢাকা, বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ সংখ্যা- বাংলা ১৩৯১ সংখ্যা।

লেখক : গবেষক, উদ্ভাবক ও পরিবেশ ব্যক্তিত্ব।

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কি করবেন? সুন্নাহতে এ কথা প্রমাণিত যে, যে ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা বা সংকল্প করেছে তার জন্য ওয়াজিব; যুলহাজ্জ মাস...
কুরবানীর ইতিহাস শনিবার, 10 আগস্ট 2019
ধারনা করা হয় ছবির এই  জায়গা কাবিলের হাতে খুন হয়ে ছিল হাবিল। কুরবানী শব্দের উৎপত্তি হলো কুরবান শব্দ থেকে। কুরবান শব্দের অর্থাৎ নৈকট্য, সান্নিধ্য, উৎসর্গ। সুতরাং...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শুক্রবার, 26 জুলাই 2019
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে। পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে।।
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি আমাদের জীবনের প্রেক্ষাপটে রোজ আমরা পাই জীবনের রূপরেখা, এবং তাকেই তুলির টানে রাঙিয়ে চলায় আমাদের...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবন উপন্যাস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৮৩ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ মোট বারোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন।...
স্বদেশপ্রেমী মানবতাবাদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী রবি প্রথম জীবন থেকেই স্বদেশ ও সমাজের ভাবনাতে ব্যাকুল ছিলেন। তিনি যখন...
বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ আনুমানিক ১৮২০ সালে সুনামগঞ্জের জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ধাইপুর গ্রামে জন্ম...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top