প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty
  • Lalon Song Cloud

মানবধর্মের গানই বেঁধেছিলেন লালন

(পড়তে সময় লাগবেঃ-: 8 - 16 minutes)

তিনি সম্রাট। ফকির সম্রাট। জীবদ্দশায় তাঁকে ঘিরে বিতর্ক ছিল, টানা-হ্যাঁচড়া ছিল দুই ধর্মের সর্দারদের মধ্যে। তিনি কোনও দিকে না ঝুঁকে মানব ধর্মের গান গেয়ে গিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর পরেও তাঁকে নিয়ে টানাটানি চলছে। এখন আর শুধু ধর্মীয় মৌলবাদীরা নয়, তাঁকে নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনীতির কারবারীরাও। তাঁকে পণ্য করে বিশ্ববাজারে নেমে পড়েছে সাংস্কৃতিক মাফিয়ারা।

‘বাড়ির কাছে আরশীনগর সেথায় এক পড়শী বসত করে’
লালন ফকির। সে ছিল কবি, আউল-বাউল এবং দার্শনিক। মানবতাবাদের দর্শন। এই সব নিয়েই একটা আস্ত লালন। সেই লালনকে টুকরো টুকরো করার একটা চেষ্টা চলছে। যা শুরু হয়েছে দেশভাগের পর থেকেই। বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পরে দুই বাংলার ফকিরেরা এবং লালন অনুরাগীরা ভেবেছিলেন লালনের দর্শনের চর্চা এ বার বাড়বে। কিন্তু না, দিনে দিনে লালন হয়ে উঠেছে ধর্ম আর রাজনীতির কারবারীরদেরও একটা বিশেষ ইস্যু। লালন এখন তিন টুকরো। লালন ‘মুসলিম’ সম্প্রদায়ের, লালন ‘ধর্ম নিরপেক্ষ’, লালন ‘কেনা-বেচার মশলা’। এই পরিস্থিতিতে, লালনের অনুগামী এবং অনুরাগীরা কী ভাবে লালন চর্চা করে চলেছে তা জানতে হলে বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে গেলে হবে না। যেতে হবে ও-পারে। বাংলাদেশে। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায়। লালনের আখড়ায়। লালন নেই। আখড়া হয়ে উঠেছে কারও কাছে লালন ধাম, কারও কাছে বা লালন মাজার। ছেউড়িয়া আজও দুই বাংলার আউল, বাউল, ফকিরদের অন্যতম তীর্থস্থান। ধর্মীয়, রাজনৈতিক হোতাদের ঠান্ডা চোখকে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র একতারা হাতে ফকিরেরা অবলীলায় পৌঁছে যান ছেউড়িয়ায়। সেই যাত্রাপথে অনেক সময় কোনও কোনও ফকিরের রক্ত ঝরে। হ্যাঁ, একতারা হাতে নিরীহ ফকিরেরা আজও বাংলাদেশের নানা জায়গায় আক্রান্ত। কিন্তু, লালন চর্চা থেমে নেই। সাবেকি ঢঙের পাশাপাশি এ কালের ঢঙে লালনের গান আজও গেয়ে চলেছে লক্ষ লক্ষ জন। আর শুনছে কোটি কোটি মানুষ।

জয়গুরু
ছেউড়িয়ায় লালন শায়িত মাটির নীচে। সেই জায়গাটাই লালনের ধাম। তবে, মাজার হিসেবেই পরিচিতি লেখা রয়েছে। দুই বাংলার ফকিরেরা ছাড়া আর সবার কাছেই লালন ধামের পরিচয় আজ মাজার। ঢিমে-তালে হলেও শিক্ষিত বাঙালির ড্রয়িংরুমে রবীন্দ্র-নজরুলের পাশে লালনের একটা জায়গা হচ্ছে। লালন না হলে পুরো বাঙালি হওয়া যায় না বলেই আজ শিক্ষিত বাঙালি মনে করে। লালন সঙ্গীত চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের ফকির রহমান শাহ এমনটাই ভাবেন। কোনও রকম রাখঢাক না করেই তিনি বলেন, ‘‘লালনের প্রতি যত্নবান হওয়ার চাইতে কিছু প্রভাবশালী মহল লালনকে তাদের কাজে ব্যবহার করতে চাইছে। আমরা, সাধুরা এর ঘোরতর বিরোধী। কিন্তু আমাদের কথা কে শোনে!’’ তাঁর মতে গীতা, কোরান, ত্রিপিটকের কথায় লালন গান গেয়েছেন। লালন হিন্দুর নয়, মুসলিমের নয়, নয় বৌদ্ধ বা অন্য কোনও ধর্মের। যখন কুষ্টিয়ার লালন সঙ্গীত চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রে এ সব কথা হচ্ছে, সেই সময় রহমান ফকিরের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আল আমিন হাতজোড় করে ‘জয়গুরু’ বলে ঘরে প্রবেশ করলেন। সাদা দাড়িতে আলতো হাত বুলিয়ে ফকির বললেন, ‘‘লালন সাঁইয়ের গানে যে ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, উপস্থাপনায় হাতজোড় করে প্রণাম করা বা ধরেন গিয়ে এই জয়গুরু বলা বা কোনও রকম মাংস না খাওয়ায় অনেক মুসলমানের ধারণা লালনের গান মানে হিন্দুত্বের প্রচার। যা একেবারেই ঠিক নয়।’’ হিন্দুদের একটা বড় অংশও এ সবের ভিত্তিতেই মনে করেন লালন তাঁদেরই। এমন ভাবাটাও অনুচিত। ফকিরের কথায়, ‘‘আমরা কারও সঙ্গে দেখা হলে সেলাম আলেকম বা নমস্কার না বলে জয়গুরু বলি, এটাও অনেকের অপছন্দ। লালন সাঁই মানুষের কথা বলেছেন তাঁর গানে। লালন সাঁই গরিব-গুর্বো অশিক্ষিত খেটে-খাওয়া মানুষের জীবনের কথা বলেছেন তাঁর গানে।’’ কোনও বিশেষ ধর্মের কথা নেই লালন সাঁইয়ের গানের কথায়। রহমান ফকির বলেন, ‘‘এখন শিক্ষিত মানুষেরা লালনের গান শুনছেন। আগে তো শুধু সমাজের নীচের দিকে পড়ে থাকা মানুষগুলো ছাড়া আর কেউ লালনের গান করা তো দূরে থাক, শুনতেও চাইত না।’’ এখন চান। তাঁদের নিজেদের জন্যই। ওই যে বললাম না, হঠাৎ বাঙালি মনে করতে শুরু করেছে লালন ছাড়া পুরো বাঙালি হওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু, এ সবে যে আদতে লালন দর্শনের কোনও লাভ হচ্ছে না, সে কথাও জানাতে ভোলেননি রহমান ফকির।

ব্যান্ডে লালন
আধো-অন্ধকার স্টেজে ধোঁয়া উঠছে। একটু-আধটু লাল, নীল, হলুদ আলোর রশ্মি স্টেজময় ঘুরে বেরাচ্ছে। হঠাৎ সিন্থেসাইজারের সঙ্গে বেজে উঠল ড্রামের দ্রিম দ্রিম। আলোর ফোকাস গিয়ে পড়ল এক ঝোড়ো-কাকের মতো চেহারার গিটার বাদকের উপর। হঠাৎ সব বাজনা থেমে গেল। গিটারবাদক উচ্চগ্রামে গেয়ে উঠল ‘মানুষ ভালে মানুষ হবি’। শুনেই হলে জড়ো হওয়া কম বয়সী কয়েক’শো শ্রোতা এক অদ্ভুত আওয়াজ করে যেন জেগে উঠল। তার পর তালে তালে একে একে বেজে উঠল অন্য বাদ্য যন্ত্রগুলি। হাতে তালি বাজিয়ে গান-বাজনার তালে তাল মিলিয়ে কখন যেন গান গাইতে শুরু করে দিয়েছে। আজকালকার ছেলে-ছোকরারা লালনের গান গাইছে। তবে, তা তাদের নিজেদের মতো করে। এই নিয়ে নবীনে-প্রবীণে মৃদু ঝগড়াও রয়েছে। একদল মনে করছেন, ড্রাম, গিটার, সিন্থেসাইজার, মাউথ অরগ্যান বাজিয়ে ব্যান্ডের মাধ্যমে লালনের গান করা মানে লালন সঙ্গীতকে বিকৃত করা হচ্ছে।

ফকিরেরা যে ভাবে লালন সাঁইয়ের গান গেয়ে থাকেন, সে সুরও ভেঙে খান খান করে দিচ্ছে ছোঁড়ারা। কিন্তু নবীন প্রজন্মের সঈদা হাবিবা বা মুস্তাফির রহমান খোকন মনে করেন, যে ভাবেই লালনের গাওয়া গানের কথা তো আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে। আজ লালনের থানেই গান গাওয়া হচ্ছে হারমোনিয়াম, তবলা, খঞ্জনি, জিপসি, বাঁশি সহযোগে। একতারা ও দোতারা বাজিয়ে হাবিবা বলেন, ‘‘লালন ফকির তো শুধু একতারা নিয়ে গান করতেন। শুধু তিনি-ই নন, বাকি ফকিরেরাও একতারা বাজিয়ে গান করতেন। সঙ্গে থাকত ডুগি আর মন্দিরা বা প্রেমজুড়ি। সময়ের সঙ্গে তাল রাখতে গিয়ে লালনের মাজারে বসে হারমোনিয়াম তবলা নিয়ে যদি লালনের গান গাওয়া যায় তা হলে ব্যান্ডে গাওয়ায় কোনও অন্যায় বলে মনে করি না।’’ বাংলা ব্যান্ড নতুন প্রজন্মের কাছে লালনের গানকে নিয়ে যাচ্ছে এটাও ভেবে দেখা উচিত বলে জানাচ্ছেন হাবিবা। নবীন-প্রবীণ লালন অনুরাগীদের এই তর্কে প্রবীণ ফকির রহমান শাহ কিন্তু নবীনদের পক্ষেই দাঁড়িয়েছেন। রহমান ফকিরের সাফ কথা, ‘‘মূল ধারার সঙ্গে এ কালের উপস্থাপনার কোনও বিরোধ নেই। বরং, লালন সঙ্গিতকেই যুগোপযোগী করে তুলছে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা। যে ছেলে তবলা বাজায়, লালন সাঁইয়ের প্রতি তার আকর্ষণ থাকলে সে তো তাই তবলায় বোল তুলে শোনাতে চাইবে এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই! যে বাঁশি বাজায় সে তো বাঁশিতেই ফকিরের উদাস করা গানের সুর বাজাবে।’’ নতুন প্রজন্মকে একটু প্রশ্রয়ই দিতে চান রহমান শাহ ফকির। তাঁর কথায়, ‘‘ওরা যেন লালন সাঁইকে নতুন করে খুঁজে পেয়েছে।’’

নেই কোনও ব্যকরণ
কত গান গেয়েছেন লালন?
কেউ বলেন ন’শো, কেউ বলেন হাজার। অনেকেই বলেন, লালন সাঁইয়ের গানের কোনও স্বরলিপি নেই বলে গানগুলি হারিয়ে যাচ্ছে। এই আশঙ্কার কথা জানাচ্ছেন বহু লালন অনুরাগী। লালন আকাদেমির উদ্যোগে কিছু কিছু গানের স্বরলিপি রচনা করেছেন কয়েক জন সুরকার। কিন্তু, এটা পথ নয় বলে মনে করেন লালন মাজারের খাদেম ফকির মহম্মদ আলি শাহ। লালন সাঁইয়ের গান তো ফকিরদের গলায় বেঁচে থাকবে ফকির মহম্মদ আলি শাহ বলেন, ‘‘এ ভাবেই তো এত দিন বেঁচে রয়েছে লালন সাঁইয়ের গান। তার জন্য স্বরলিপির দরকার পড়েনি।’’ আগে নিরক্ষরেরাই লালনের গান গাইত বলে তার কোনও স্বরলিপি নেই বলেও মনে করেন ফকির মহম্মদ আলি শাহ। লালন সঙ্গীত চর্চ্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের ফকির রহমান শাহ এই প্রজন্মের গাওয়া লালনের গানকে প্রশ্রয় দিলেও লালন মাজারের ফকির মহম্মদ আলি শাহ তা মানতে নারাজ। তিনি বললেন, ‘‘মূলধারা থেকে লালন সঙ্গীত সরে যাচ্ছে। আদি সুর এখন আর গাওয়া হচ্ছে না।’’

যন্ত্রানুষঙ্গের আওয়াজে চাপা পড়ে যাচ্ছে লালনের কথা, যা এক দর্শন। এখন গানের শব্দগুলি ঠিকঠাক উচ্চারণ না করায় অনেক ক্ষেত্রে লালনের গানের অর্থ বদলে যাচ্ছে। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি একটি গানের দু’কলি শোনালেন, ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কমনে আসে যায়।’ এখন অনেক ফকিরও কমনে না বলে ক্যামনে বলেন গানে। কিন্তু, তাতে তো মানে পাল্টে যাচ্ছে। কমনে মানে কোন দিক দিয়ে আর ক্যামনের অর্থ কী ভাবে ব্যাখ্যা করলেন ফকির মহম্মদ আলি শাহ। পশ্চিমবঙ্গের ফকিররা যে ভাবে লালনের গান গেয়ে থাকেন তাতে অনেক সময় ভাষার তারতম্য দেখা যায় তিনি বলেন, ‘‘লালন সাঁইয়ের হাজারখানেক গানের মধ্যে শ’খানেক গান বেশির ভাগ বাউল বা ফকির গেয়ে থাকেন। ফলে, বাকি গানগুলি আস্তে আস্তে মুছে যাচ্ছে।’’ তাই, আজ যখন কিছু মানুষ লালন ফকিরের গানের স্বরলিপি তৈরির উপর জোর দিচ্ছেন এবং ফকির মহম্মদ আলি শাহ নিমরাজি হয়েই তা মেনে নিচ্ছেন।

‘সত্য বলতে বাধা মিথ্যা বলতে মানা’
এত ক্ষণে যা জানা গেল তাতে সব ঠিকঠাক আছে বলেই মনে হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু না, লালনের ধামে একাধিক ফকিরের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, সামাজিক একটা বাধা রয়েছে। কারণ, লালন সঙ্গীত আজও একটি ধর্মীয় আন্দোলন। তাই, অন্যান্য ধর্ম প্রচারকদের দিক থেকে অনেক সময়েই বাধা আসছে। সেই লালনের সময় থেকেই। যা আজও অব্যাহত। সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ফকিরদের উপর আক্রমণ বেড়েছে। কোথাও জোর করে তাঁদের মাথার চুল আর দাড়ি কামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও বা তাঁদের উপর কোনও ফরমান জারি করা হচ্ছে দাড়ি কী ভাবে রাখতে হবে তা নিয়ে। ‘‘কোনও কোনও ধর্মগুরু আমাদের ঘৃণার চোখে দেখেন। আমরা কিন্তু সব ধর্মকেই শ্রদ্ধা করি।’’—বললেন ফকির মহম্মদ আলি শাহ। এক বারের জন্যেও তিনি ফকিরদের উপর কী ধরনের অত্যাচার হচ্ছে তা বলেননি। কিন্তু, লালন অনুরাগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, এই আধুনিক যুগেও বহু গ্রামে ফকিরদের উপর নামিয়ে আনা হচ্ছে মধ্যযুগীয় বর্বরতা। বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দল উঠে পড়ে লেগেছে লালনকে মুসলিম তকমা দিতে। আর একটি রাজনৈতিক দললালনকে ধর্ম-নিরপেক্ষতার প্রতীক হিসেবে প্রচার করছেন। ‘‘আসলে ভোট। ভোটের জন্যই নানা ধরনের ইমেজে লালনকে তুলে ধরা হচ্ছে।’’—এক লালন অনুগামী বললেন। তাঁর কথায়, ‘‘জানেন তো আর একটা গোষ্ঠী রয়েছে, যারা লালনকে নিয়ে শুধু ব্যবসা করে। দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ফান্ড আসে লালন আকাদেমিতে। লালন সঙ্গীতকে বিদেশে প্রচারের নামে অনেকের-ই বিদেশ ভ্রমণ হয় ফি বছর।’’

সূত্রঃ আনন্দবাজার প্রত্রিকা

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


Close

নতুন তথ্য

  • 28 মে 2020
    শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন
    জয়নুল আবেদিন (জন্মঃ- ২৯ ডিসেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যুঃ- ২৮ মে ১৯৭৬ ইংরেজি) বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত...
  • 28 মে 2020
    উকিল মুন্সী
    উকিল মুন্সী (১১ জুন ১৮৮৫ - ১২ ডিসেম্বর ১৯৭৮) একজন বাঙালি বাউল সাধক। তার গুরু ছিলেন আরেক বাউল সাধক...
  • 27 মে 2020
    আব্দুস সাত্তার মোহন্ত
    আব্দুস সাত্তার মোহন্ত (জন্ম নভেম্বর ৮, ১৯৪২ - মৃত্যু মার্চ ৩১, ২০১৩) একজন বাংলাদেশী মরমী কবি, বাউল...
  • 21 মে 2020
    মাবরুম খেজুর (Mabroom Dates)
    মাবরুমের খেজুরগুলি এক ধরণের নরম শুকনো জাতের (আজওয়া খেজুরের মতই)। যা মূলত পশ্চিম উপদ্বীপে সৌদি...
  • 04 মে 2020
    আনবার খেজুর (Anbara Dates)
    আনবার খেজুরগুলি মদীনা খেজুরগুলির মধ্যে অন্যতম সেরা। আনবারা হ'ল সৌদি আরবের নরম ও মাংসল শুকনো জাতের...

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

We Bangla

Go to top