প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

অত্যাচারী নীলকর ও বিদ্রোহী জমিদার প্যারী সুন্দরী - মীর মশাররফ হোসেন

জমিদার প্যারী সুন্দরী ছিলেন করগণ্য নীল বিদ্রোহী জমিদারদের মধ্যে অন্যতম। দুপুরের সূর্যের মতো দীপ্যমান নারী। নীলকরের সর্বগ্রাসী থাবা থেকে প্রজাদের রক্ষা করাই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান। তাই নীল আন্দোলনের ইতিহাসে ও মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যের বদৌলতে শিক্ষিত মহলে তিনি পরিচিতি পান প্রজাপ্রেমের সুবাদে। তৎকালীন নদীয়া জেলার কুষ্টিয়া-সদরপুরের জমিদার ছিলেন প্যারী সুন্দরী।

পাবনা শহরের রাধানগরে তাঁদের তহশিল কাচারিবাড়ি ছিল। তারা এডওয়ার্ড কলেজে খানিক জমি দান করেন। এ কলেজে প্যারী সুন্দরীর নামে এক সময় স্কলারশিপ দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হয়। এ রকম একজন জমিদার সুখস্বার্থ উপেক্ষা করে কুষ্টিয়ার শালঘর মধুয়ার নীলকর টমাস আইভান কেনির বিরুদ্ধে যেভাবে লড়েছেন, প্রাণ উৎসর্গ করেছেন তা অবশ্যই স্মরণীয়। তাঁর বিরোধিতার কারণেই ধানি জমিতে নীল বুনতে বাধা পেয়ে বারুদ হয়ে ওঠেন কেনি। প্যারী জমিদারকে ধরে নীলকুঠিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি পুরস্কার ঘোষণা করেন হাজার টাকা। কেনি তাঁকে বিলেতি সাবান দিয়ে গায়ের ময়লা পরিষ্কার করে বাঙালির গন্ধ শরীর থেকে দূর করতে চান। গাউন পরিয়ে দিব্বি মেম সাজিয়ে রাখতে চান কুঠিতে। অত্যাচারী নীলকরের এমন কথায় প্যারী সুন্দরীও পাল্টা জবাব দেন। তিনি কেনির স্ত্রীকে ধরে তাঁর সামনে আনার জন্য হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন। আজীবন তার চাকরি বজায় রেখে তার বংশধরকে বিশেষ বৃত্তিদানের ঘোষণা দেন।

অনিচ্ছাকৃত নীলচাষিরা কিভাবে তাদের সামাজিক মর্যাদা হারিয়েছেন, লাঞ্ছিত হয়েছেন, নীলকর ও তার সমর্থকদের হাতে, সর্বস্ব হারিয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে, জীবন দিয়ে মামলার উপকরণ হয়েছেন, নির্যাতনে কতটা কাতর হয়ে থেকেছেন তা জানা যায় মশাররফ সাহিত্যে। লেখক দেখিয়েছেন, কিছু দেশপ্রেমী মানুষ চিরকালই প্রজার পাশে থাকেন। যারা নিজের কল্যাণী আদর্শ, দানশীল স্বাধীনকামী ও বিদ্যোৎসাহী হয়ে অপরের প্রেরণা জুগিয়ে যান। অপরকে অনুপ্রাণিত করেন। প্যারী সুন্দরীর মধ্যে এই প্রিয় গুণগুলো থাকায় তিনি ঐতিহাসিকদের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। পরাধীন ফ্রান্সের মুক্তিদাত্রী বীরকন্যা ‘জোয়ান অব আর্ক’-এর সাথে তাঁকে তুলনা করা হয়। মীর আন্দোলনের কালটি বাঙালির জাগ্রত চৈতন্যের বহুমুখী আত্মপ্রকাশের ক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা গৌরবদৃপ্ত অধ্যায়। মশাররফ সাহিত্যে প্যারী ক্ষণপ্রভা বিজলি। তিনি ভীতু চাষিদের বুকের মধ্যে সাহসের স্রোত বাড়িয়ে দেন, যে স্রোত ছলাৎ ছলাৎ শব্দে ভয় তাড়ায়, তা চাষিরা অনুভব করে।

প্যারী সুন্দরী সম্পর্কে কেনি তার শুভাকাক্সক্ষী জমিদার মীর মুয়াজ্জমকে বলেন, ‘আমরা বিলাতের লোক যতগুলি এই দেশে বাস করিতেছি, আপনাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করিয়া মনের কথা বলিতেছি, কিন্তু আমাদের মনের নিগূঢ় তত্ত্ব-গুপ্তকথা কখনই পাইবেন না। আপনি দেখিবেন, কালে প্যারী সুন্দরীর যথাসর্বস্ব যাইবে। খুন্তি হস্তে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করিতে হইবে। এ ঘটনা শীঘ্র ঘটিতেছে না। কারণ এখনও টাকার অভাব হয় নাই। ঘটিতে বিলম্ব আছে।

কুঠি লুটের মোকদ্দমায় হাজিরা আসামিগণ সাতটি বৎসরের জন্য জেলে গিয়াছে। দারোগা খুনের মোকদ্দমায় স্বয়ং কোম্পানি বাদী। শীঘ্রই দেখিবেন সুন্দরপুরের জমিদারি খাস হইয়া কোম্পানির হস্তগত হইয়াছে।’

মীর মশাররফের বিচিত্র মনোভাব চিত্রিত হয়েছে ‘উদাসীন পথিকের মনের কথায়’। ১৮৯০-এ প্রকাশিত এই আত্মজীবনীমূলক বইটিতে প্রধান চরিত্র অধিকার করে আছে শালঘর মধুয়ার অত্যাচারী নীলকর টি আই কেনি। নীল বিদ্রোহী জমিদার প্যারী সুন্দরীর স্থান ক্ষুদ্রতম। নীলকরের বিরুদ্ধে জাগ্রত জনতাকে অভিবাদন জানিয়েও লেখক হুঁশিয়ারির সাথে উভয়কূল রক্ষা করে আনন্দ ও উষ্মা প্রকাশ করেছেন। নীল বিদ্রোহের অদেখা সংগ্রাম সংঘর্ষ ষড়যন্ত্র ও সাজানো মামলার কথা জানিয়ে দেয় এ বই। তাতে যে ব্যঞ্জনা বয়ে এনেছেন, সংগ্রামী কৃষকদের অভাবী জীবনকে যেভাবে তুলে ধরেছেন তা প্রায় দুরবিন হয়ে উঠেছে অথচ তিনি কোনো রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন না। লেখক উল্লেখ করেন, প্যারী সুন্দরীর বাবা রামানন্দর পৈতৃক জমিদারি নয়। কুমারখালীর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রেসমের কুঠির কল্যাণেই এত জমিদারি।

মীর মশাররফের ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ (১৮৯০) আজও পাঠকদের বিস্মিত করে। নীল আন্দোলন চলাকালে মীরের বয়স ছিল ১২ বছর। লেখক বলেছেন, ‘শোনা কথাই পথিকের মনের কথা। সে শোনাও সেই ছোটবেলায়। অসংলগ্ন ভুলভ্রান্তি হওয়াই সম্ভব।’

মীর মশাররফ উল্লেখ করেন, টি আই কেনির উৎসাহে তাহার লাঠিয়ালগণ অর্ধক্রোশ পর্যন্ত বিপক্ষগণকে তাড়াইয়া লইয়া চলিল। শেষে তাহারা একেবারে দলভাঙ্গা হইয়া ঝাড়ে জঙ্গলে এবং সম্মুখে গ্রামের মধ্যে গিয়া প্রাণ বাঁচাইল। কেনি সদর্পে বলিতে লাগিলেন ‘আর আগে বাড়িও না। এক্ষণে প্যারী সুন্দরীর প্রজাগণের বাড়িঘর যাহা সম্মুখে পাও ভাঙ্গিয়া ফেল। জিনিসপত্র লুটিয়া নাও।’ আদের মাত্র লুট আরম্ভ হইল। থালা, ঘটী বাটী এবং কৃষক স্ত্রীদের গায়ের রূপার অলঙ্কার সর্দারগণ টানিয়া ছিঁড়িয়া খসাইতে আরম্ভ করিল। পাষণ্ডেরা স্ত্রীলোকদিগের পরনের কাপড় পর্যন্ত কাড়িয়া লইয়া কেহ মাজায় কেহ মাথায় বান্ধিয়া বাহাদুরি দেখাইতে লাগিল। গরু সকল তাড়াইয়া কুঠির দিকে লইয়া চলিল। ঘরের অন্যান্য জিনিসপত্র যাহাই সুবিধা পাইল লইল। অবশিষ্ট ভাঙ্গিয়া চুরমার করিয়া শেষ ভাঙ্গা ঘরে। ভালো ঘরে আগুন লাগাইয়া টি আই কেনি লাঠীয়ালসহ কুঠির দিকে ফিরিলেন।

প্যারী বলেন, ‘বিপদ কালে সকলেই সকলের উপকার করিতে পারে। অর্থ বল আর বাহুবলই যে বল তাহা নহে। শত্রু দমন করিতে হইলে অন্য বলেরও আবশ্যক।’ টি আই কেনি যে বলে বলীয়ান তার অনুকরণ করতেও বলেছেন তিনি।

নীলকর কেনির জমিদারির কতক অংশ পাবনার শামিল। কতক যশোর ও মাগুরার অধীনে। পাবনা হতে শালঘর মধুয়ায় যাতায়াত একমাত্র নদীপথ। ১৮৬৯-এর আগে পাবনায় কোনো রাস্তা ছিল না। কাচ দিয়ে ঘাট দিয়ে পদ্মা পার হতে হয়। প্রশাসনের লোকবল এ পথেই যাতায়াত করতেন। প্যারীর সাথে কেনি এঁটে উঠতে না পেরে মশাররফের পিতা জমিদার মীর মোয়াজ্জেমের সহায়তা চাইলে তিনি হাত বাড়িয়ে দেন। এ কথা লেখক অকপটে স্বীকার করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে মানবিকতাবোধও পরাস্ত হয় ব্যক্তিস্বার্থের কাছে। ভুললে চলবে না অত্যাচারী নীলকর মৃত্যুদূতের ভূমিকা স্বয়ং কেনিও নিয়েছিলেন খুব কুশলতায়। তার স্ত্রীও সুপরিকল্পিত হত্যা ও বীভৎসতম নির্যাতনের যে নজির রেখেছেন ইতিহাসে তা জ্বলজ্বলে।

এ বইতে টি আই কেনি ঐতিহাসিক চরিত্র। তাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে জমিদার প্যারী সুন্দরী এবং অন্যান্য জমিদার। প্যারী চরিত্রের ইতি টানেন আকস্মিকভাবে। ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে নীলকর কেনি কৌশলে প্যারীকে পরাজিত করেন। এরপর থেকে কেনির পতিপত্তি উত্তরোত্তর বেড়েই চলে। ১৮৫৯-৬০ সালে শুরু হয় নীলবিদ্রোহ। এই বিশাল গণবিদ্রোহের নেতৃত্ব বাইরে থেকে আসেনি। সে বিদ্রোহ আপনা-আপনি গড়ে ওঠে তা তার নেতৃত্বকে নিজেই পরিচালিত করে। বাকল্যান্ড বলেছেন, নীলকর দস্যুদের মর্মান্তিক নির্যাতনে চাষিরা দলবদ্ধ হতে থাকে। তার মতে, উত্তরবঙ্গ থেকে প্রথম নীলবিদ্রোহ শুরু হয়েছিল। বিদ্রোহে কুঠির কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়।

১৮৭০ সালে গড়াই ব্রিজ নির্মাণকালে কেনির কুঠি ভেঙে বাঁধের মুখে ফেলা হয়। কেনি চলে যান কলকাতায়। হত্যা মামলায় প্যারী সুন্দরীর অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে সরকার তার সমুদয় জমিদারি ক্রোক করে নিয়ে অছি সরবরাহ নিযুক্ত করে। এ অবস্থায় একজন নারী জমিদার যে দৃষ্টান্ত রেখেছেন তা অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি আপিল করেন। অনেক তদবির, ছোটাছুটি ও টাকা ব্যয় করে জমিদারি খালাস করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন। কতক অংশ পত্তনি, কতক বন্দোবস্ত দিয়ে ঋণদায় হতে মুক্তি লাভ করেন।

এই সেকশনে বিজ্ঞাপন আবশ্যক

ফোন করুনঃ- ০১৯৭৮ ৩৩৪২৩৩

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

লালনের আদর্শে আধুনিক দেশ ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সবকিছুর...
লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন ছেড়ে অনেকেই এখন ভুল ব্যাখ্যা দিতে তৎপর ! আজ থেকে ১২৯ বছরের ব্যবধানে সেই সময়ের মরমী সাধক বাবা লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন, দিক নিদের্শনা,...
শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা সোমবার, 07 অক্টোবার 2019
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা বাংলা ১২৮৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৮৮০ সালে ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় ছেউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখরা...
কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

লালনের আদর্শে আধুনিক দেশ ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সবকিছুর...
লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন ছেড়ে অনেকেই এখন ভুল ব্যাখ্যা দিতে তৎপর ! আজ থেকে ১২৯ বছরের ব্যবধানে সেই সময়ের মরমী সাধক বাবা লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন, দিক নিদের্শনা,...
শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা বাংলা ১২৮৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৮৮০ সালে ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় ছেউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখরা...
পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে। পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে।।
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top