প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা

বাংলা ১২৮৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৮৮০ সালে ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় ছেউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখরা বাড়ীতে বাৎসরিক সাধুসেবা ও স্মরণ উৎসবে তাঁর সকল শিষ্য, ভক্ত ও সাধুগুরু ফকির দরবেশ যোগদান করেন। অনুষ্ঠান শেষে কিছু শিষ্য ভক্ত রয়ে গেলেন। তাঁরা পরের দিন ফকির লালন সাঁইয়ের সাথে দেখা করে তাঁকে তাঁদের মনের বাসনা জানালেন- “সাঁইজী, আমরা আপনার সাথে তীর্থ ভ্রমণে যেতে চাই।” এই প্রস্তাব শুনে শিষ্য ভক্তদের বললেন- “তোমাদের মনের বাসনা পূরণের চেষ্টা করবো।”

ফকির লালন সাঁইয়ের শিষ্য ভক্ত হিন্দু মুসলমান উভয়ই ছিলেন। সেহেতু এই তীর্থ ভ্রমণে যাওয়ার আগ্রহীদের মধ্যে কৃষ্ণনগর অঞ্চলের মহেশগঞ্জ, তিওরখালি ও আমঘাটা যে শিষ্য ভক্তদের বাড়ি, তাঁরা সাঁইজীর সঙ্গে এই তীর্থ ভ্রমণে যাওয়ার জন্য পরামর্শ করলেন। কৃষ্ণনগর অঞ্চলের ভক্তদের উদ্দেশ্য সাঁইজী যখন তীর্থ ভ্রমণে যাবেন তখন প্রথম চরন ধুলি তাঁরাই পাবেন। যেহেতু তাঁদের বাড়ি কৃষ্ণনগর অঞ্চলে, সেহেতু সাঁইজী এই পথেই যাবেন। সেই কারণে এই শিষ্য ভক্তরা আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, এ বিষয়ে শীতল শাহের শরণাপন্ন হলে বহুদিনের লালিত মনের বাসনা পূরণ হতে পারে। কারণ শীতল শাহ্‌ ভক্তদের মধ্যে বড় ছিলেন। তাঁর ব্যবহার ছিল ভদ্র, মার্জিত এবং বিনয়ী; তাছাড়া তিনি অত্যান্ত বিচক্ষণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাই লালন সাঁইজী যে কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজে মত বিনিময়ের জন্য শীতল শাহের সঙ্গে আলোচনা করতেন। এই সকল বিষয় শিষ্য ভক্ত জানতেন। তাই তীর্থযাত্রার জন্য শিষ্য ভক্তগন ফকির শীতল শাহকে জানালেন যে, “আমরা সাঁইজীর সঙ্গে তীর্থ ভ্রমণে যেতে চাই।” নবদ্বীপ বাৎসরিক সাধু সম্মেলন শেষ করে আমরা উড়িষ্যার পুরীতে জগন্নাথ মহাপ্রভুর ধামে যাবার জন্য আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি। আপনি আমাদের হয়ে সাঁইজীর সঙ্গে আলোচনা করে আমাএর জানালে খুশি হবো।

ফকির শীতল শাহ্‌ বিষয়টি শুনে হাসিমুখে জিজ্ঞাসা করলেন, “সাঁইজী আপনাদের কি আশ্বাস দিয়েছেন ?” তখন শিষ্য ভক্তগণ হাসি মুখে বললেন- আমাদের প্রস্তাব শুনে সাঁইজী জানালেন, “আচ্ছা তোমাদের মনের বাসনা পূরণের চেষ্টা করবো।” ফকির শীতল শাহ্‌ বুঝলেন সাঁইজীর বাক্য কোনদিন বিফল হবে না। তাই ভক্তদের জানালেন, “এ বিষয়ে আপনারা নিশ্চিত থাকেন। সময় যখন হবে তখন সাঁইজী আপনাদের জানাবেন।” এই কথা শুনে শিষ্য ভক্তগণ খুশি হলেন, কিন্তু তাঁদের মনের ধাঁধাঁ কাটল না।

ফকির শীতল শাহ্‌ শিষ্য ভক্তদের বললেন, “তাহলে আগামীকাল সাঁইজীর সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে সকল বিষয় অবগত হয়ে আপনাদের জানাব।” পরের দিন সাঁইজী সাধন কক্ষ হতে এসে ভক্তদের নতুন একটি সত্যের বাণী শোনালেনঃ

“একবার জগন্নাথ দেখ রে যেয়ে
ও জাত কেমনে রাখ বাচায়ে।” [ গান নং- ৬০১]

এই বানী শুনে সকলেই আচার্যন্মিত হলেন। তারপর ফকির শীতল শাহ্‌ সাঁইজীর কাছে জিজ্ঞাসা করলেন তীর্থ ভ্রমণ সন্মন্ধে - শিষ্য ভক্তগণ আপনার কাছে যে অনুরোধ রেখেছেন এ বিষয়ে সকলেই অপেক্ষা করছেন। তখন লালন সাঁই হেসে বললেন, “আচ্ছা বাবা, সকল তীর্থ ভ্রমণে সত্যই যেতে হবে ?” শিষ্যগণ হ্যাঁ সাঁইজী বলে করজোড় মিনতি জানালেন। সাঁইজী বাক্য দিলেন, “হ্যাঁ তীর্থ ভ্রমণে যাওয়া হবে। শীতল শাহ্‌, ভোলাই শাহ্‌, মানিক শাহ্‌ ও মনিরুদ্দীন শাহের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে দিন ধার্য করলেই হবে।” অবশেষে সবাই মিলে একটা আলোচনা করে দিন ধার্য করে সাঁইজী জানালেন। সাঁইজী শিষ্যদের জিজ্ঞাসা করলেন- “তোমরা এবার সন্তুষ্ট হয়েছো তো ?” হ্যাঁ সাঁইজী ! সকলের মনে আনন্দের ঢেউ বয়ে গেলো।

প্রথমে কৃষ্ণনগর হয়ে নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ মহা প্রভুর ধামে সাধু সম্মেলন শেষ করে, উড়িষ্যার পুরী জগন্নাথ মহাপ্রভুর ধামে আমরা যাত্রা করবো এবং এই তীর্থ ভ্রমণ হবে এক মাস।

সুতারাং ধার্যদিনের দু’দিন পূর্বে তোমরা ছেউড়িয়া আঁখরা বাড়ীতে এসে পৌঁছাবে। আর এই আখড়ার শিষ্য ভক্তবৃন্দ তোমরাও তীর্থ ভ্রমনের জন্য প্রস্তুত থাকবে। শিষ্য ভক্তগণ সাঁইজীকে ভক্তি ও শ্রদ্ধার নিবেদন করে বিদায় নিলেন।

লালন সাঁইজীর তীর্থ ভ্রমনের উদ্দেশ্যে কৃষ্ণনগর যাত্রা

নিদিষ্ট দিনে সাঁইজী ভদ্র ছমির, ফকির গোপাল শাহ্‌, ফকির ছুটির শাহ্‌ এবং ফকির আহাদ আলী শাহ্‌কে আখড়ার দায়িত্বে নিয়োজিত করে শিষ্য ভক্তসহ চল্লিশজন (?) কৃষ্ণনগরের উদ্দেশ্যে ছেউড়িয়া আখড়া হতে কুষ্টিয়া বড় ষ্টেশনে পৌঁছালেন। কিছুক্ষণ পর প্লাটফরমে গাড়ি এসে দাঁড়ালো। সকলেই রাল গাড়িতে উঠে বসলেন। তারপর গাড়ি দুরতগতিতে চলতে শুরু করলো। রানা ঘাট জংশন ষ্টেশনে গাড়ি পৌঁছালে, সকলেই গাড়ি হতে নেমে কৃষ্ণনগর অভিমুখের গাড়িতে উঠে বসলেন। এক সময় গাড়ি কৃষ্ণনগর ষ্টেশনে যেয়ে পৌঁছালে কৃষ্ণনগরের ভক্তবৃন্দ সাঁইজীকে অভ্যর্থনা জানালেন। পূর্বেই অনেকগুলা গরুর গাড়ি ঠিক করা ছিলো। সবাই গাড়িতে চড়ে কৃষ্ণনগর ও নবদ্বীপের মাঝামাঝি মহেশগঞ্জ ফকির ইমান আলী শাহের আখড়াতে উপস্থিত হলেন। তারপর গাড়ি থেকে ফকির লালন সাঁইকে নামিয়ে নির্দিষ্ট আসনে বসানো হলো। স্থানীয় শিষ্য ও ভক্তবৃন্দ সাঁইজীকে ভক্তি শ্রদ্ধা জানালেন এবং সকলেই যে যার মত সাঁইজীকে সেবা শুশ্রদ্ধায় লেগে গেলেন।

ফকির ইমান আলী শাহের আখড়াতে ফকির লালন সাঁইয়ের স্বরচিত গান মহা ধুমধামের সঙ্গে শুরু হলো। এই গান শোনার জন্য এবং সাঁইজীকে এক নজর দেখার জন্য অনেক মানুষের ভীড় জমে উঠল। এই অনুষ্ঠান তিন দিন চলে।

লালন সাঁইজীর নবদ্বীপ যাত্রা

অবশেষে নির্দিষ্ট দিনে ফকির ইমান আলী শাহের আখড়া হতে আরো দশজন ভক্তসহ মোট পঞ্চাশজনের একটা দল গরুর গাড়ি যোগে নবদ্বীপে উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। স্বরূপগঞ্জ ঘাটে নেমে নৌকা যোগে গঙ্গানদী পার হয়ে ভক্তবৃন্দসহ নবদ্বীপে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর ধামে পৌঁছালেন।

পঞ্চাশজন লোকের একই রকম বেশভুষা অবলোকন করে মন্দির কমিটির লোক ইনাদের পরিচয়াদি জানতে চাইলে “ফকির শীতল শাহ্‌ বললেন- “আমরা কুষ্টিয়া থেকে এসেছি” কমিটির লোক আবারও জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনারা কোন মতবাদের সাধক ?” ফকির লালন সাঁইজী বললেন, “আমরা দরবেশ, ফকির মতবাদের সাধক।” সম্মেলনে সাধুগুরু বৈষ্ণবদের বসবার জন্য নির্ধারিত জায়গা থাকলেও মুসলমান নাড়ার ফকির বলে সাঁইজী ও তাঁর ভক্তদের জন্য আঙ্গিনার একপাশে বড় একটি নিম গাছের তলায় জায়গা নির্ধারণ করে দিলেন। ফকির লালন সাঁই ও তাঁর ভক্তগণ সেইখানে আসন গ্রহণ করলেন। অধিবাসের সেবার সময় দেখা গেল- সাধুগুরু বৈষ্ণবদের সেবা হয়ে যাবার পর এঁদের সেবা দিলেন। সমস্ত রাত অনুষ্ঠান চলল। সকালে বাল্য সেবার পূর্বে একদল যুবক একটি পিতলের থালায় সোয়া সের চুন নিয়ে আঙ্গিনায় ঢুকে বলল, “সাধুদের জন্য আমরা মহাপ্রভুর প্রসাদ এনেছি।” আপনারা সবাই হাত পাতুন এবং প্রসাধ গ্রহণ করুন। কিন্তু সাধু মহোদয়গণ চুনে মুখ পুড়ে যাওয়ার ভয়ে কেহই হাত পাতলেন না। করজোড়ে ক্ষমা চাইলেন। তখনি যুবক দল বলল, “আপনারা কেমন সাধু ? মুখ পুড়ে যাবার ভয়ে কেহই হাত পাতলেন না। কিন্তু সাধুগুরু বৈষ্ণবদের তো মুখ পুড়বার কথা নয়।”

আঙ্গিনার একপাশে অবস্থানরত ফকির লালন সাঁই সাধুগুরু বৈষ্ণবদের করজোড়ে ক্ষমা চাওয়া দেখে যুবকদের জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমাদের মনের বাসনা কি ?” যুবকদল তাঁদের বাসনা প্রকাশ করলে, সাঁইজী বললেন, “ঠিক আছে, তোমরা একটা বড় চাড়ি নিয়ে এসো, ঐ সঙ্গে একখণ্ড কলার পাতাও এনো।” যুবকদল সাঁইজীর কথামত চাড়ি এবং কলার পাতা নিয়ে এলো। তখন সাঁইজী বললেন, “জল দিয়ে এই চাড়িটা ভরে দাও।” এহেন কার্যকলাপ দেখে সাধুগুরু বৈষ্ণব সকলেই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে, আশ্চর্য ঘটনা দেখতে লাগলেন। সাঁইজী কলার পাতায় খানিকটা চুন তুলে রেখে বাকিটা সেই প্রকান্ড মাটির চাড়িতে জলে গুলিয়ে দিলেন। সেই গোলানো চুন হতে এমন সুঘ্রাণ বেরোতে লাগল যে, সাধুরা তাতে মহিত হয়ে গেলেন। এরপর সাঁইজী যুবকদের বললেন, “এইবার তোমরা মেটে গ্লাস নিয়ে এসো এবং সাধুগুরু বৈষ্ণব সবাইকে গোলানো চুনের শরবত এক গ্লাস করে দিয়ে দাও।” সাধুদের তখনও ভয় কাটেনি। তাছাড়া চুন গোলানো শরবত আবার কিভাবে সেবা করা যায় ? কিন্তু সাঁইজী সবার সামনে কলার পাতায় উঠানো সব চুনটুকু সেবা করলেন এবং সাধুদেরকে বললেন, এবার আপনারা আপনাদের গ্লাসের শরবত পান করুন।” সাঁইজীর কথামত তাঁরা পান করে দেখল, গ্লাসের চুন গোলানো শরবত সত্যিই শরবতে পরিণত হয়েছে এবং তা অমৃতের স্বাদে ভরপুর। এই ঘটনার পর সবাই বুঝলেন ইনি মানুষ নন একজন মহাসাধক। সুতারাং বাল্য সেবার পারশ সাঁইজীকে দেওয়ার জন্য সাধুগুরু বৈষ্ণব সকলেই কমিটিকে অনুরোধ জানালেন। বলা বাহুল্য, কমিটি বাল্যসেবা এবং পূর্ণসেবার উভয় পারশই সাঁইজীকে প্রদান করেন।

এই সেকশনে বিজ্ঞাপন আবশ্যক

ফোন করুনঃ- ০১৯৭৮ ৩৩৪২৩৩

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা সোমবার, 07 অক্টোবার 2019
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা বাংলা ১২৮৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৮৮০ সালে ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় ছেউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখরা...
কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কি করবেন? সুন্নাহতে এ কথা প্রমাণিত যে, যে ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা বা সংকল্প করেছে তার জন্য ওয়াজিব; যুলহাজ্জ মাস...

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা বাংলা ১২৮৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৮৮০ সালে ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় ছেউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখরা...
পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে। পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে।।
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি আমাদের জীবনের প্রেক্ষাপটে রোজ আমরা পাই জীবনের রূপরেখা, এবং তাকেই তুলির টানে রাঙিয়ে চলায় আমাদের...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবন উপন্যাস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৮৩ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ মোট বারোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন।...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top