প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

খালি কার্ট

মানবতাবাদী লালন: বাউল গানের অগ্রদূত

কেউ বলে ফকির লালন, কেউ লালন সাঁই, কেউ আবার মহাত্মা লালন বিভিন্ন নামেই পরিচিত তিনি। তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। তিনি একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক। তিনি অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।

লালন শাহ্ -কে বাউল গানের একজন অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার সহজ কথায় অসাধারণ ভাব গাম্ভীর্যতা এখনো মনকে শীতল রসে আস্বাদিত করে। আত্মতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, গুরু বা মুর্শিদতত্ত্ব, প্রেম-ভক্তিতত্ত্ব, সাধনতত্ত্ব, মানুষ-পরমতত্ত্ব, আল্লা-নবীতত্ত্ব, কৃষ্ণ-গৌরতত্ত্ব এবং আরও বিভিন্ন বিষয়ে লালনের অসংখ্য গান রয়েছে। এসকল গানের তানে মন খুঁজে পায় অন্য এক জগত। যে জগতের সূর সতের শতকের সৃষ্টি হলেও তার মুর্ছনায় আজো মন ভেসে যায়।

জন্ম: লালন শাহ্ অবিভক্ত বাংলায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার চাপড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ভাড়ারা গ্রামে ১৭৭৪ সালে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। তাঁর সৃষ্টি শিল্পকর্ম ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হয়। লালন ছিলেন একজন মানবতাবাদী স্বত্তা। তিনি ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, জাত এর বিভেদ থেকে সরে এসে মানবতার জয়গান গেয়েছেন। তিনি অসাম্প্রদায়িক চিত্তে তাঁর গান রচনা করেছেন। বাংলা সাহিত্যের অনেক সাহিত্যিক প্রভাবিত হয়েছেন লালনে সৃজনশীল শিল্পকর্মে। তাঁর শিল্পকর্মের বাউল ভাবধারা অন্তকরণে লালিত হয়ে এখন আধুনিক যুগেও গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মহাত্মা গান্ধীরও ২৫ বছর আগে, ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম, তাকেই ‘মহাত্মা’ উপাধি দেওয়া হয়েছিলো যা অনেকেরই অজানা।

জীবনী: “হিতকরী” পত্রিকায় লালন সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্যের মধ্যে লালনের তীর্থযাত্রা, লালনের গুটি বসন্তে আক্রান্ত হওয়া, লালনের সাথীদের তাকে ফেলে চলে যাওয়া সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে। এ পরিসরে শুধু সংক্ষেপে লালন ফকিরে কিছু তথ্য উপস্থাপন করা প্রয়াস করবো। লালন ঘটনাক্রমে মলম শাহ্ এর বাড়িতে পালিত হতে থাকে। মলম শাহ ও তার স্ত্রী মতিজান এর পালিত পুত্র হিসেবে বাউল তত্ত্বের দীক্ষা গ্রহন করেন তিনি। গুটি বসন্তে তিনি একটি চোখ হারান। এরপর ছেউড়িয়াতে শিষ্যদের নিয়ে বসবাস শুরু করেন লালন। সেখানেই তিনি দার্শনিক, গায়ক সিরাজ সাঁইজির সংস্পর্শে তাঁর দ্বারা প্রভাবিত হন।

পারিবারিক জীবন: লালনের পারিবারিক জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত তেমন তথ্য পাওয়া যায় না। তার সবচেয়ে অবিকৃত তথ্যসূত্র তার নিজের রচিত অসংখ্য গান। বিস্তর তথ্য উপস্থাপন সম্ভব না হলেও তাঁর কয়েকটি গানে তিনি নিজেকে “লালন ফকির” হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর মৃত্যুর কিছুদিন পরে কুষ্টিয়া হতে প্রকাশিত “হিতকরী” পত্রিকার সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়, “ইহার জীবনী লিখিবার কোন উপকরণ পাওয়া কঠিন। নিজে কিছু বলিতেন না। শিষ্যরা তাহার নিষেধক্রমে বা অজ্ঞতাবশতঃ কিছুই বলিতে পারে না।

ধর্ম বিশ্বাস: লালনের ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে। লালন মানবতাকে সবার উপরে স্থান দিয়েছিলেন। লালন এর প্রথম জীবনী রচয়িতা বসন্ত কুমার পাল বলেছেন- “সাঁইজি হিন্দু কি মুসলমান, এ কথা আমিও স্থির বলিতে অক্ষম।” লালনের জীবদ্দশায় তাকে তেমন কোনো ধরনের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করতে দেখা যায় নি। অবাক করা বিষয় হলো লালন ফকির প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও সাধনাবলে তিনি হিন্দুধর্ম এবং ইসলামধর্ম উভয় শাস্ত্র সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন। সকল ধর্মের লোকের সাথেই তাঁর সুসম্পর্ক ছিল। প্রকৃতপক্ষে লালন ছিলেন মানবতাবাদী এবং তিনি মানুষের মাঝে কোন ভেদাভেদে বিশ্বাস করতেন না। কিছু লালন অনুসারী মনে করেন তিনি ওহেদানিয়াত নামক একটি নতুন ধর্মীয় মতবাদের অনুসারী। ওহেদানিয়াত এর মাঝে রয়েছে বৌদ্ধধর্ম এবং বৈষ্ণব ধর্মের সহজিয়া মতবাদ সহ সুফিবাদও আরও অনেক ধর্মীয় মতবাদ বিদ্যমান। বাউলদের ধর্ম-সাধনায় গুরুত্বের সাথে বিবেচ্য ‘সহজিয়া’ পন্থা বা ‘সহজপন্থা’। ‘সহজিয়া সাধনা’র মূল কথা হলো ‘উজান-সাধনা’। এই পন্থা শাস্ত্রীয় ধার্মিকের সাধনার মতো নয়। এদের পথ বিপরীতমুখী, উজানের দিকে। ভোগ বিলাসিতা ইন্দ্রিয়সুখের গড্ডালিকায় এরা আবর্তিত নয়। এঁদের পথ ‘সহজ’ সত্য স্বরূপের পথ। রূপ থেকে অরূপে পৌঁছাবার নিরন্তর সাধনা।

লালনের আখড়া: লালন কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার ছেউড়িয়াতে একটি আখড়া তৈরি করেন, যা এখনো বিদ্যামান রয়েছে। যেখানে তিনি তার শিষ্যদের নীতি ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা দিতেন। তার শিষ্যরা তাকে “শাঁই’’ বলে সম্বোধন করতেন। তিনি প্রতি শীতে আখড়ায় মহোৎসবের আয়োজন করতেন যা এখনও চলমান। লালনের আখড়াতে এখনও তাঁর জন্ম ও তিরোধান দিবসে স্মরণোৎসব আয়োজিত হয়। যেখানে এখনো এসকল আয়োজনে প্রচুর লোকের সমাগমে আখড়া ভরে ওঠে। তৎকালীন সময়ের উৎসবে শিষ্য ও সম্প্রদায়ের লোক একত্রিত হয়ে সংগীত ও আলোচনা করা হত।

বাউল দর্শন: বাউল একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়। এটি বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকাঁচার। সতের-আঠার শতকে বাংলায় এ সম্প্রদায়ের অভ্যুদয় হয় যা এখনো তেমনি জনপ্রিয়। লালনকে বাউল মত এবং বাউল গানের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাউল সম্প্রদায়ের ধর্মমত লৌকিক। বাউল সাধনায় জ্ঞান, যোগ ও বামাচার-সবকটি ধারারই মিশ্রণ রয়েছে। বাউলরা আধ্যাত্ব সাধনা, পরমাত্মার অন্বেষণ করে। জীবনের প্রতিবন্ধকতাকে উৎরিয়ে সংগ্রামের মাধ্যমে পরমে অমলীন হওয়ার প্রচেষ্টারত থাকে বাউলরা। তারা মানবতার মর্মবাণী প্রচার করেই জীবন অতিবাহিত করেন। তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বের বিষয় আত্মা। তারা বিশ্বাস করে আত্মাকে জানলেই পরমাত্মা বা সৃষ্টিকর্তাকে জানা সম্ভব। আত্মার বাস দেহে তাই বাউলরা দেহকে পবিত্র জ্ঞান করেন। প্রাত্যহিক জীবনে বাউলদের র্নিলোভ জীবন যাপন করতে দেখা যায়। একতারা বাজিয়ে, গান গেয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ানোই তাদের নিত্যকার অভ্যাস।বাংলা লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ অংশ বাউল গান। ইউনেস্কো ২০০৫ সালে বাউল গানকে বিশ্বের মৌখিক এবং দৃশ্যমান ঐতিহ্যসমূহের মাঝে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে।

লালন ও দেহতত্ত্ব: লালন মানবতাবাদে বিশ্বাসী এ বিষয়টি পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। মানুষই সর্বোচ্চ আসনের আসীন। বিশ্বাস এই যে মানুষের মাঝে এক মনের মানুষের বাস। তার বহু গানে এই মনের মানুষের প্রসঙ্গ উল্লেখিত হয়েছে। সকল মানুষের মাঝেই ঈশ্বর বাস করেন। আত্মা তাদের গুরুত্বের বিষয়। যার দেহ পিঞ্জরে নিত্য যাওয়া আসা। যা কোন বাঁধনই মানে না। লালন ভক্ত বাউলরা মানেন দেহের মধ্যে স্থিত রয়েছে বিশ্বের সবকিছু। শুধু তা চিনতে হবে। অচেনারে চিনতে পারলেই সব পাওয়া হয়ে যাবে। আত্মার দেহে অবস্থান হেতু দেহকে কেন্দ্র করেই তাদের সব তত্ত্বকথা। দেহ তাত্ত্বিক ভাবধারায় ডুবে থাকে সব লালন ভক্তরা। কায়াসাধনাকে ঘিরেই তাদের সাধনা। বৌদ্ধতান্ত্রিক ও সহজিয়াদের মতে, সকল সত্য আমাদের ভিতরে-শুধু অন্তরে নয়, আমাদের দেহের ভিতরেও। যে সত্য বিরাজিত বিশ্বব্রহ্মান্ডের বিপুল প্রবাহের ভিতরে, সেই সত্যই বিরাজিত আমাদের দেহের ভিতরে-সমস্ত জৈবিক প্রবাহের ভিতরে। এই দেহের ভিতরেই রয়েছে চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-নক্ষত্র, সকল পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, বৎসর, মাস-দিবস-তিথিক্ষণ। এই দেহেই সত্যের মন্দির, সকল তত্ত্বের বাহন” (শশিভূষণ দাশগুপ্ত)। তাই বলা হয়েছে: “যা আছে ভান্ডে/তা আছে ব্রহ্মান্ডে।”

বিশ্ব সাহিত্যে প্রভাব: লালন ছিলেন একজন মহান দার্শনিক। তাঁর গান ও দর্শনের দ্বারা অনেক বিশ্বখ্যাত কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিকরাও প্রভাবিত হয়েছেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ লালনের মৃত্যুর ২ বছর পর তার আখড়া বাড়িতে যান এবং লালনের দর্শনে প্রভাবিত হয়ে ১৫০টি গান রচনা করেন। লালনকে রবীন্দ্রনাথ বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। লালনের মানবতাবাদী দর্শনে প্রভাবিত হয়েছেন সাম্যবাদী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আমেরিকান কবি এলেন গিন্সবার্গ লালনের দর্শনে প্রভাবিত হন। তাঁর রচনাবলীতেও লালনের রচনাশৈলীর অনুকরণ দেখা যায়। তিনি অভঃবৎ খধষড়হ নামে একটি কবিতাও রচনা করেন। লালন সংগীত ও দর্শন নিয়ে দেশে-বিদেশে নানা গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে। ১৯৬৩ ছেউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে লালন লোকসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। যা পরে বিলুপ্ত করে ১৯৭৮ সালে শিল্পকলা একাডেমীর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় লালন একাডেমী।

লালনের গান: লালনের গান লালনগীতি বা লালন সংগীত হিসেবে পরিচিত। লালন মুখে মুখে গান রচনা করতেন এবং সুর করে পরিবেশন করতেন। এ ভাবেই তার বিশাল গান রচনার ভান্ডার গড়ে ওঠে। তিনি সহস্রাধিক গান রচনা করেছেন বলে ধারণা করা হয়ে থাকে। তবে তিনি নিজে তা লিপিবদ্ধ করেন নি। তার শিষ্যরা গান মনে রাখতো আর পরবর্তীকালে লিপিকার তা লিপিবদ্ধ করতেন। আর এতে করে তার অনেক গানই হারিয়ে যায় বলে ধারনা করা হয়। লালন তাঁর গানে সমকালীন সমাজের নানান কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা, সামাজিক বিভেদ, বৈষম্য ইত্যাদির বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। এছাড়া তার অনেক গানে তিনি রূপকের আড়ালেও তার নানান দর্শন ও প্রশ্নের উত্তর উপস্থাপন করেছেন।

লালন উৎসব: লালন শাঁইয়ের বেঁচে থাকাকালীন বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হতো। বিশেষত তিনি শীতকালে একটি উৎসবের আয়োজন করতেন। সেখানে আসরাকারে আলোচনা হতো, গান হতো। বর্তমানে তাঁর মৃত্যু দিবসে ছেউড়িয়ার আখড়ায় স্মরণোৎসব পালিত হয়। দেশ-বিদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অসংখ্য মানুষ লালন স্মরণোৎসব ও দোল পূর্ণিমায় এই আধ্যাত্মিক সাধকের দর্শন অনুস্মরণ করতে প্রতি বছর এখানে এসে থাকেন। ২০১০ সাল থেকে এখানে পাঁচ দিনব্যাপী উৎসব হচ্ছে। এই অনুষ্ঠানটি “লালন উৎসব” হিসেবে পরিচিত।

মৃত্যু: ১৮৯০ সালের ১৭ই অক্টোবর লালন ১১৬ বছর বয়সে কুষ্টিয়ার কুমারখালির ছেউড়িয়াতে নিজ আখড়ায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর প্রায় ১ মাস পূর্ব হতে তিনি পেটের সমস্যা ও হাত পায়ের গ্রন্থির সমস্যা ভুগছিলেন। মৃত্যুর দিন ভোর ৫টা পর্যন্ত তিনি গানবাজনা করেন এবং এক সময় তার শিষ্যদের কে বলেন : “আমি চলিলাম’’ এবং এর কিছু সময় পরই তার মৃত্যু হয়। তারই উপদেশ অনুসারে ছেউড়িয়ায় তার আখড়ার মধ্যে একটি ঘরের ভিতর তাকে সমাধি করা হয়।

সম্পাদনায়ঃ- মোঃ আরমান হোসেন
সিনিয়র রোভার মেট
আলোর সন্ধানে মুক্ত রোভার গ্রুপ, নওগাঁ

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

    কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
    পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
    পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

  • ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

    ফকির লালন শাইজির ১২৫তম তিরোধান দিবস

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি আমাদের জীবনের প্রেক্ষাপটে রোজ আমরা পাই জীবনের রূপরেখা, এবং তাকেই তুলির টানে রাঙিয়ে চলায় আমাদের...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবন উপন্যাস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৮৩ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ মোট বারোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন।...
স্বদেশপ্রেমী মানবতাবাদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী রবি প্রথম জীবন থেকেই স্বদেশ ও সমাজের ভাবনাতে ব্যাকুল ছিলেন। তিনি যখন...
বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ আনুমানিক ১৮২০ সালে সুনামগঞ্জের জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ধাইপুর গ্রামে জন্ম...
বারী সিদ্দিকী আবদুল বারী সিদ্দিকী (১৫ নভেম্বর ১৯৫৪ - ২৪ নভেম্বর ২০১৭) বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও বংশী বাদক।...
বাবু সুনিল কর্মকার বাবু সুনিল কর্মকারের জন্ম নেত্রকোনার জেলার কেন্দুয়া থানার বার্ণাল গ্রামে। বাবা দীনেশ কর্মকার এবং...
জালাল উদ্দিন খাঁ জালাল উদ্দীন খাঁ (১৮৯৪-১৯৭২) পূর্ব ময়মনসিংহের একজন বিশিষ্ট বাউল কবি ও গায়ক। তাঁর জন্ম নেত্রকোনা...
মথুরানাথ প্রেস গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকা প্রকাশিত হতো মথুরানাথ প্রেস বা এমএন প্রেস হতে। গ্রামবার্তা প্রকাশিকা উনিশ শতকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসিক পত্রিকা। ১৮৬৩ সালের...
বিজয় সরকার কবিয়াল বিজয় সরকার (ফেব্রুয়ারি ১৬, ১৯০৩ - ডিসেম্বর ০৪, ১৯৮৫) একজন বাউল কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার এবং সুরকার। তিনি ২০১৩ সালে একুশে পদক পান।

নতুন তথ্য

পরমে পরম জানিয়া শুক্রবার, 05 জুলাই 2019
পরমে পরম জানিয়া এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায় এসেছি হেথায় তোমারি আজ্ঞায় আদেশ করিবা মাত্র যাবো চলিয়া
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী বৃহস্পতিবার, 04 জুলাই 2019
কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী কোথায় হে দয়াল কান্ডারী ভবতরঙ্গে এসে কিনারায় লাগাও তরী।।
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা মঙ্গলবার, 02 জুলাই 2019
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া মঙ্গলবার, 02 জুলাই 2019
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
Photo credit: Najmul Islam - Golden Bangla বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী সুখী মানুষের বসবাস এবং ১৩তম বড় শহর কুষ্টিয়া শহর। সকল ফসল উৎপাদনে সক্ষম কুষ্টিয়ার মানুষ। নদী-নালা,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ বুধবার, 26 জুন 2019
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top