প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

কুষ্টিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস

১৯৭১ সমসাময়িক উত্তাল বাংলাদেশের ঢেউ বেশ ভালোভাবেই আছড়ে পড়ে কুষ্টিয়াতে। ১৯৭১ এ এদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কুষ্টিয়া জেলার ভূমিকা ছিল নেতৃস্থানীয়। আমরা আমাদের প্রবন্ধ শুরুর সময়কাল হিসেবে বেছে নিয়েছি ১৯৭১ সালের মার্চ মাসকে।

১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ মাঠে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের জনসভায় লাল সবুজের ছয়টি তারা খচিত একটি পতাকা স্বাধীন বাংলার পতাকা হিসাবে উড়িয়ে দেন কুষ্টিয়া জেলা স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ও জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি আব্দুল জলিল। স্বাধীন বাংলার ইশতেহার পাঠ করেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ও স্বাধীন বাংলা সেলের নেতা শামসুল হাদী। মারফত আলী, আব্দুল মোমেন, শামসুল হাদীর নেতৃত্বে গঠিত হয় জয়বাংলা বাহিনী। ২৩শে মার্চ কুষ্টিয়া হাইস্কুল মাঠে পূনরায় স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য(এমপিএ) গোলাম কিবরিয়া ও আব্দুর রউফ চৌধুরী জয়বাংলা বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ করেন। যুদ্ধের প্রস্তুতি চলতে থাকে। কুষ্টিয়ার প্রতিটি গ্রামে জয় বাংলা বাহিনী গঠিত হয়।

২৫শে মার্চ ১৯৭১ রাত পৌনে বারোটায় মেজর শোয়েবের নেতৃত্বে এবং ক্যাপ্টেন শাকিল, ক্যাপ্টেন সামাদ ও লেঃ আতাউল্লাহ শাহ এর উপঅধিনায়কত্বে ২৭ বেলুচ রেজিমেন্টের ডি কোম্পানীর ২১৬ জন সৈন্য কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন আক্রমন করে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের নিরস্ত্র করে। ডিউটিরত পুলিশেরা অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে নদী পার হয়ে আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামে আশ্রয় নেয়। পাকিস্তানী সৈন্যরা পুলিশ লাইন, জেলা স্কুল, টেলিগ্রাফ অফিস, থানা ও আড়ুয়াপাড়া ওয়ারলেস অফিসে অবস্থান নেয়। তাদের কাছে M.M.R.R, S.M.G, L.M.G, H.M.G, অটোমেটিক চাইনিজ রাইফেল ও প্রচুর গোলাবারুদ ছিল ।

২৬শে মার্চ সমস্ত শহরে ২৪ ঘন্টার জন্য কারফিউ জারি করে পাক সেনারা শহরময় টহল দিতে থাকে। পরদিন ২৭ মার্চ বিকেলে ভাষা সৈনিক জনাব নজম উদ্দিন আহম্মেদ এর শ্যালক রনি রহমান হানাদারদের উপর বোমা আক্রমন করতে উদ্যত হলে শহীদ হন। ২৮শে মার্চ কারফিউ ভঙ্গের পর কুষ্টিয়া পৌর বাজারের জনারণ্যে পাকসেনাদের নির্মম গুলিবর্ষণে বহুলোক আহত হয় ।

তৎকালীন এমএনএ আজিজুর রহমান আক্কাস, এমপিএ আব্দুর রউফ চৌধুরী, খন্দকার শামসুল আলম, এম এ বারী, অধ্যাপক নুরুজ্জামান, আনোয়ার আলী, আব্দুল মোমেন, শামসুল হাদী কুষ্টিয়ায় পাক আর্মির অবস্থান, সৈন্য সংখ্যা, অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে সাম্ভব্য আক্রমনের একটি নকসা তৈরি করে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও দৌলতপুর ইপিআরদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

আব্দুর রউফ চৌধুরীর নেতৃত্বে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা মাঙ্গন মিয়া সহ আরো কয়েকজন সেনা সংগ্রহের দায়িত্বে থাকেন।

কুষ্টিয়ার নেতৃবৃন্দের নকসার উপর ভিত্তি করে ২৮শে মার্চ রাতে চুয়াডাঙ্গায় ইপিআর সেক্টর মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন আজম চৌধুরীর সঙ্গে কুষ্টিয়া আক্রমনের পরিকল্পনায় সিন্ধান্ত হয় ২৯শে মার্চ ভোর ৪টায় চারদিক থেকে কুষ্টিয়া আক্রমন করার। কথা থাকলেও ইপিআর বাহিনী সময়মত যথাস্থানে পৌছাতে না পারায় ৩০শে মার্চ ভোর ৪টায় যুদ্ধ শুরু হয়।

সুবেদার মোজাফ্‌ফরের নেতৃত্বে একদল ইপিআর আনসার পুলিশ বাহিনীর সদস্যগন ও জয় বাংলা বাহিনীসহ ছাত্র জনতা পুলিশ লাইন সংলগ্ন জজ সাহেরের বাড়ী ও আশে পাশে অবস্থান নেন।

ট্রাফিক মোড়ে রউফ চৌধুরির বাড়ী হতে থানা ও টেলিফোন এক্সচেন্জ অফিসে হানাদার বাহিনীর অবস্থানে আক্রমন করার জন্য জাহেদ রুমী, শামসুল হুদা সহ ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রলীগের ছেলেরা এবং ২৫শে মার্চ হরিপুরে আশ্রয় নেয়া পুলিশ সদস্যগণ অবস্থান নেন।

কমলাপুরের অবস্থানরত ইপিআর বাহিনী আড়ুয়া পাড়া ওয়ারলেস অফিসের দক্ষিণপূর্ব ও পশ্চিম দিকে অবস্থান নেয়। নুর আলম জিকু, আবুল কাশেম ও এ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ছাত্র, জনতা, ইপিআর, পুলিশ, আনসার, জয় বাংলা বাহিনী নিয়ে ওয়ারলেস অফিসের দক্ষিণপূর্ব দিকে অবস্থান নেন।

ক্যাপ্টেন আজম চৌধুরী, ডিসি (ফুড) সাহেবের বাড়ীতে বসে যুদ্ধ পরিচালনা করতে থাকেন। ৩০শে মার্চ ভোর ৪টায় পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ভেড়ামারা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কুষ্টিয়া শহরকে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করার পর একটি ওপেনিং ফায়ারের সঙ্গে সঙ্গে কুষ্টিয়ার চারদিক থেকে পাক সেনাদের উপর আক্রমন করা হয় ।

তাদের অত্যাধুনিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে সামান্য রাইফেল কয়েকটি এল.এম.জি আর অফুরন্ত মনোবল অদম্য সাহস ও দেশপ্রেম নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। হাজার হাজার বাঙালি লাঠি, ফালা, সড়কি নিয়ে সমস্ত কুষ্টিয়া শহর ঘিরে জয় বাংলা ধ্বনি দিতে থাকে। এতে পাকিস্তানী হানাদারদের মনোবল ভেঙ্গে পড়ে পরবতীতে মুক্তিবাহিনীর প্রচন্ড আক্রমনে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পুলিশ লাইন, ওয়ারলেস অফিস ও থানা মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে আসে। বহু হানাদার সেনা নিহত হয়। অফিসার সহ বেশ কিছু সৈন্য জেলা স্কুলে আশ্রয় নেয় । শুধু জেলা স্কুল বাদে কুষ্টিয়া শহর শক্রমুক্ত হয়। জেলা স্কুল অবরোধ করে রাখে মুক্তি বাহিনী। হানাদাররা যশোর ক্যান্টনমেন্টের সাহায্য চেয়ে ব্যর্থ হয় । ৩১শে মার্চ একটি বিমান এসে জেলা স্কুলের আশে পাশে এইচ.এম.জির গুলি বর্ষণ করে চলে যায় ।

১লা এপ্রিল ভোরে সব অফিসার সহ ৪০/৫০ জন পাকিস্তানী সেনা একটি ডজ গাড়ি ও দুইটি জিপে উঠে গাড়ির লাইট বন্ধ রেখে পালাতে চেষ্টা করে। গেট থেকে বের হওয়া মাত্র ইপিআরদের ফাঁদে পড়ে প্রথম জীপটির সবাই হতাহত হয় এবং বাকি ২টা গাড়ি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ঝিনাইদহ রোড হয়ে এই পলায়ন কালে গাড়াগঞ্জ ব্রিজের মুখে ফাঁদ তৈরি ছিল। তীব্র গতিতে পালিয়ে যাবার সময় ১টি জীপ এই গর্তে পড়ে যায়। সৈন্য সহ মেজর শোয়েব ও অন্য অফিসাররা আহত ও নিহত হয়। ডজ গাড়িটি থামিয়ে অন্যরা আশেপাশের গ্রামে পালিয়ে যেতে চেষ্টাকালে লেঃ আতাউল্লাহ শাহ তার সব সৈন্য সহ গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়ে এবং ফালা,সড়কি,রামদার আঘাতে আহত ও নিহত হয়।

১লা এপ্রিল বাংলাদেশের মধ্যে কুষ্টিয়া প্রথম শক্রমুক্ত হয়। বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র কুষ্টিয়া জেলা ১৬ দিন শত্রুমুক্ত থাকে। সে কারণে দেশবরেণ্য নেতৃবৃন্দ এই জেলাতে আসতে পারেন এবং ১৭ই এপ্রিল সরকারের শপথ গ্রহণ সম্ভব হয়। এই যুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে নারীরাও অসীম উদ্দীপনায় এগিয়ে এসেছিলেন।

এই যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় জানা যায়।

  • হামেদ আলী - পিতা ওমোদ আলী গ্রাম দুধ কুমড়া, কুমারখালী‌
  • দেলোয়ার হোসেন -পিতা আলম হোসেন গ্রাম ও থানা মিরপুর ।
  • খন্দকার আব্দুর রশিদ -পিতা আব্দুর রহমান গ্রাম বামন পাড়া, মেহেরপুর ।
  • ফজলুর রহমান -পিতা নাসির উদ্দিন গ্রাম মেহেরপুর ।
  • আশরাফ আলী খান - পিতা হাছেন আলী খান গ্রাম মশান, মিরপুর ।
  • গোলাম শেখ - পিতা নজীর শেখ গ্রাম মশান, মিরপুর ।

আব্দূল মোমেন (পিতা আব্দুল করিম কোটপাড়া, কুষ্টিয়া), আনসার আলী (পিতা আজগর আলী গ্রাম চাপাইগাছি, কুষ্টিয়া ) সহ আরো অনেকে আহত হন।

১লা এপ্রিল শক্রমুক্ত হলে ইপিআর বাহিনী পাকসেনাদের ফেলে যাওয়া বেশকিছু অস্ত্র গোলাবারুদ গাড়ি নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় চলে যায়। কুষ্টিয়া মুক্তিবাহিনীর হেফাজতে থাকে। ৩রা এপ্রিল এমএনএ জনাব আজিজুর রহমান আক্কাসের সভাপতিত্বে সর্বদলীয় সভায় এমপিএ জনাব এ্যাডভোকেট আহসানুল্লাহকে আহবায়ক করে “কুষ্টিয়া স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয়। উক্ত কমিটির অন্যতম সদস্য এম.এ.মজিদকে(বীমা ব্যক্তিত্ত্ব) আহবায়ক করে এমপিএ জনাব আব্দুর রউফ চৌধুরী, আব্দুল জলিল, শামসুল হাদী সহ তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের সহযোগীতায় কুষ্টিয়া ডাক বাংলোতে শান্তি শৃঙ্খলা ও বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়।

৩১শে মার্চে পাকসেনারা পূর্ব পাকিস্তানের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কুষ্টিয়া টেলিফোন অফিসের কিছু অংশ ধ্বংস করে দিয়ে যায়। ৩রা এপ্রিল লন্ডন টাইমসে ফলাও করে কুষ্টিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় ইতিহাস ছাপা হয় যা বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছিল । চূড়ান্ত বিজয়ের আগ পর্যন্ত কুষ্টিয়াতে মুক্তিযোদ্ধা ও পাকসেনাদের মধ্যে অসংখ্য যুদ্ধ সংঘটিত হয় ।

মানবিক কারনে মুক্তিযোদ্ধারা অবাঙালি ও বিহারীদের কোন ক্ষতি করেনি । নিরাপত্তার জন্য তাদেরকে জেলখানায় রাখা হয় । এই অবাঙালিরা পরবর্তীতে পাকিস্তানী সৈন্য ও রাজাকারদের সঙ্গে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছিল ।

সড়ক ও রেলপথে আক্রমনে ব্যর্থ হয়ে পাকহানাদার বাহিনী আকাশ পথে কুষ্টিয়া আক্রমন করে । ১১ই এপ্রিল পাকিস্তানী বিমান বহর কুষ্টিয়া ও কুমারখালীর উপর হামলা করে । বহু বাঙালি মৃত্যুবরণ করে । ১২ই এপ্রিল পুনরায় বিমান হামলা হলে মুক্তিযোদ্ধাদের পাল্টা গুলিবর্ষনে একটি পাকিস্তানী জঙ্গী বিমান জেলখানার উপর ভেঙ্গে পড়ে বিধ্বস্ত হয় । ১৫ এপ্রিল বিমান বহরের কভারে পাকসেনাদের পদাতিক বাহিনী যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে বিশাখালী পর্যন্ত পৌছে আরেক পদাতিক বাহিনী ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নগরবাড়ী ঘাট পার হয়ে পাকশি ব্রিজের অপর পাড়ে এসে অবস্থান নেয় । উভয় জায়গাতে মুক্তিবাহিনীর সাথে তুমূল যুদ্ধ হয় । পাকসেনাদের মটার এইচ এমজি সহ অত্যাধুনিক ভারী অস্ত্রের গোলার মুখে মুক্তিবাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে এবং পিছু হটতে বাধ্য হয়। পাকহানাদার বাহিনী কুষ্টিয়ার দিকে এগিয়ে আসতে থাকে ।

১৭ই এপ্রিল পাকিস্তানী বিমান হামলা প্রচন্ড আকার ধারন করে । বিমান বাহিনীর ছত্রছায়ায় পাকবাহিনী ভেড়ামারা-কুষ্টিয়া সড়কের দুই ধারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সাধন করে । বহু ঘরবাড়ী জ্বালিয়ে পুড়িয়ে তারা শত শত বেসামরিক নিরীহ বাঙালীকে হত্যা করে কুষ্টিয়া দখল করে।

১৬ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত পাকিস্তানী সৈন্যরা কুষ্টিয়া জেলার প্রায় ২০ (বিশ) হাজার মানুষকে হত্যা করে। তারা শুধুমাত্র কুষ্টিয়া শহর থেকেই প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার সম্পদ লুট করে। বিশ্ব ব্যাংকের এক রিপোর্টে মে ' ১৯৭১ এর কুষ্টিয়া সম্পর্কে বলা হয়, শহরের প্রায় ৯০ ভাগ বাড়ি, দোকান, ব্যাংক প্রভৃতি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছে ।

এই প্রতিরোধ যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন:

  • ইন্তাজ আলী
  • আনসার আলী
  • হাসান ফয়েজ
  • সবুর মিয়া
  • সামসুল হুদা
  • হামিদ খান এবং আরো অনেকে।

কুষ্টিয়া, পাবনা, ফরিদপুর ও যশোর জেলা ৮নং সেক্টর গঠন করা হয়। প্রথমে এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরবতীতে মেজর এম.এ. মঞ্জুর । এ অঞ্চল দক্ষিণ পশ্চিম জোনাল কাউন্সিলের অন্তর্ভূক্ত হয়, যার চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন আব্দুর রউফ চৌধুরী। এই কাউন্সিল জনগণকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দিত।

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কি করবেন? সুন্নাহতে এ কথা প্রমাণিত যে, যে ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার ইচ্ছা বা সংকল্প করেছে তার জন্য ওয়াজিব; যুলহাজ্জ মাস...
কুরবানীর ইতিহাস শনিবার, 10 আগস্ট 2019
ধারনা করা হয় ছবির এই  জায়গা কাবিলের হাতে খুন হয়ে ছিল হাবিল। কুরবানী শব্দের উৎপত্তি হলো কুরবান শব্দ থেকে। কুরবান শব্দের অর্থাৎ নৈকট্য, সান্নিধ্য, উৎসর্গ। সুতরাং...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শুক্রবার, 26 জুলাই 2019
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে। পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে।।
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি আমাদের জীবনের প্রেক্ষাপটে রোজ আমরা পাই জীবনের রূপরেখা, এবং তাকেই তুলির টানে রাঙিয়ে চলায় আমাদের...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবন উপন্যাস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৮৩ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ মোট বারোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন।...
স্বদেশপ্রেমী মানবতাবাদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী রবি প্রথম জীবন থেকেই স্বদেশ ও সমাজের ভাবনাতে ব্যাকুল ছিলেন। তিনি যখন...
বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ আনুমানিক ১৮২০ সালে সুনামগঞ্জের জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ধাইপুর গ্রামে জন্ম...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top