প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

জাতীয় বীর মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শহীদ কাজী আরেফ আহমেদ

কাজী আরেফ আহমেদ (জন্ম- ৮ই এপ্রিল ১৯৪২ , মৃত্যু- ১৬ই ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯) কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রামে জন্ম। ১৯৬২ এর নিউক্লিয়াসের সদস্য ও মুজিব বাহিনীর অন্যতম সংগঠক ছিলেন তিনি ।পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টরে মুজিব বাহিনীর ডিপুটি প্রধান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন কাজী আরেফ, মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার।

কাজী আরেফ আহমেদ: ১৯৭১এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মুজিব বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টরের ডিপুটি প্রধান ছিলেন।

কাজী আরেফের জন্ম ১৯৪২ সালের ৮ এপ্রিল জন্ম নানার বাড়ি সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রামে এবং পৈতৃক সূত্রে ঠিকানা মীরপুর উপজেলার খয়েরপুর গ্রাম।

  • ১৯৬৬ সনে ছয় দফা আন্দোলনকে জনপ্রিয় করতে তিনি সাহসী ভূমিকা পালন করেন।
  • ১৯৭২ সনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদে)-এর উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম একজন ছিলেন।
  • জাতীয় কৃষক লীগের সভাপতি ছিলেন।
  • স্বাধীনতার পর জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ‘গণকণ্ঠ’-এর প্রধান কার্যনির্বাহী ছিলেন।
  • মীরপুর মুক্তিযোদ্ধা গোরস্থানে অন্তীম শয়নে কাজী আরেফ আহমেদ

 

"ইসলাম ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম ঘোষনা করে ইসলামের মান বাড়েনি বরং ইসলামের মহাত্বকে খাটো করা হয়েছে। ইসলাম উদারতার ধর্ম, ইসলামে সব মানুষের ধর্ম বিশ্বাসকে সমমর্যাদার দৃষ্টিতে দেখা হয়েছে। কোরান ও সুন্নার কোথাও খৃষ্টান বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্মকে উপেক্ষা করেনি। ইসলামে সকল ধর্মের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করা হয়েছে।"(সাপ্তাহিক এখনই সময়)

----কাজী আরেফ আহমেদ

জাতিয় সমন্বয় কমিটির আজকের আন্দোলনের লক্ষ্য শোষনমুক্ত অসাম্প্রদায়িক গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং ৭১ এর যুদ্ধাপরাধী ঘাতক গোলাম আযম , আব্বাস আলী , নিজামী , কামারুজ্জামান , আলীম , মাওলানা মান্নান এবং আনোয়ার জাহিদদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করবো। এ লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের ২য় পর্ব শুরু হয়েছে জাতীয় সমন্বয় কমিটির আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।

---- কাজী আরেফ আহমেদ।

মন্তব্য : ১৬/০২/১৯৯৩ সালে আজ থেকে প্রায় ২২ বছর আগে কাজী আরেফ আহমেদ যা ভেবেছিলেন তা আজ বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।

kazi aref ahmed handwriting
kazi aref ahmed janara imam

 

মুহাম্মদ আলী জিন্নাত: সাংবাদিক, নব্বইয়ের গণ আন্দোলনের কেন্দ্রিয় ছাত্র সংগঠক, কাজী আরেফ আহমেদ এর সহকর্মী বলেছেনঃ

কাজী আরেফ কেবল বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান স্বপ্নদ্রষ্টাই ছিলেন না, বাংলাদেশের আত্মার খবরও রাখতেন। তাই তাকে বাংলাদেশের আত্মা বলে জানতেন রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা। বাঙালি জাতিসত্ত্বার হাজার বছরের ইতিহাসকে পরিপূর্ণ রূপ দেয়ার জন্য যারা স্বপ্ন দেখেছিলেন সেই স্বপ্নবাজ তারুণ্যের অগ্রগণ্য একজন ছিলেন তিনি। ১৯৪২ সালের ৮ এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের নানাবাড়িতে জন্ম তাঁর। পৈত্রিক বাড়ি ছিলো কুষ্টিয়ার মীরপুর উপজেলার খয়েরপুর গ্রামের বিখ্যাত কাজী বাড়ি। বাবা কাজী আবদুল কুদ্দুস মা খোদেজা খাতুন। ১০ ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। ১৯৪৮ সালে বাবার সাথে সপরিবারে ঢাকায় চলে আসেন। বসত গড়েন পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী টিকাটুলী এলাকায়। ঢাকার নামকরা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ১৯৬০ সালে মেট্রিক, জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও ১৯৬৬ সালে বিএসসি পাশ করেন।

এরপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগে। রাজনীতির কারণে সরকারের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁর ভর্তি বাতিল করে দেয় ১৯৬৬ সালে। স্কুল জীবন থেকেই বাঙালি জাতীয়তাবোধের চিন্তা-চেতনার উন্মেষ ঘটে কাজী আরেফের মাঝে। ১৯৬০ সালে আইয়ুব শাহীর সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি। ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য ও ১৯৬৩ সালে ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। তখন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ছিলেন কেএম ওবায়দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল আলম খান (দাদা ভাই)। ৬২ সাল থেকেই তিনি বাংলার স্বাধীনতা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি তথা বাঙালির জাতিরাস্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিপ্লবী সংগঠন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা উপলব্দি করেন। এ নিয়ে সিরাজুল আলম খান ও আবদুর রাজ্জাকের সাথে নিয়মিত শলাপরামর্শ শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ৬৪ সালে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের তিন সদস্য বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস গঠিত হয়।

নিউক্লিয়াসের সদস্যরা হলেন, সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমদ। এই নিউক্লিয়াস ছিল স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। নিউক্লিয়াসের সিদ্ধান্তে ৬৪ সাল থেকে কাজী আরেফের পৈত্রিক নিবাস পুরাতন ঢাকার ১৪/৩ অভয় দাশ লেনের বাড়িতে নিজের হাতে লেখা ‘জয়বাংলা’ ‘বিপ্লবী বাংলা’ বিভিন্ন নামে স্বাধীনতার ইশতেহার সাইক্লোস্টাইল মেশিনে ছাপানো হতো। কর্মীরা ওইসব পত্রিকা পড়ে পরে পুড়িয়ে ফেলতো নেতাদের পরামর্শে। আবদুর রাজ্জাকের দায়িত্ব ছিল শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগের। কাজী আরেফের দায়িত্ব ছিল স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের সংগঠন গড়ে তোলা। শেখ মুজিবের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন ছিল বিপ্লবী পরিষদের সকল কর্মকান্ডে। ৬২ এর ছাত্র আন্দোলন, ৬৬ এর ছয় দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর সাধারণ নির্বাচন, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রকাশ্যে স্বাধীনতা ঘোষনা, শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধি, স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তৈরী, আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলন, স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ সর্বোপরি বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ ওই সবকিছুই ছিলো স্বাধীনতা বাংলা বিপ্লবী পরিষদের দুদীর্ঘ পরিকল্পনারই অংশ। আর ওইসব কিছুই পরিকল্পনা করতেন ৩ সদস্যের নিউক্লিয়াস। স্বাধীনতা সংগ্রামের নীতি কৌশল প্রনয়ন হতো নিউক্লিয়াস থেকেই।

কাজী আরেফ ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক জাতীয় পতাকারও অন্যতম রূপকার। তিনি ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমানে জহুরুল হক হল) ১১৮ নং কক্ষে বিপ্লবী পরিষদের সদস্যদের সাথে বাংলাদেশের পতাকার নকশা চূড়ান্ত করেন। নিউক্লিয়াসের সদস্য হিসেবে তিনি তাতে নেতৃত্ব দেন। তৈরি করা ওই পতাকা ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় উত্তোলন করেন ঢাকসুর ভিপি আ,স,ম আব্দুর রব। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার লক্ষ্য নিয়ে একদল তরুণ ৭২ সালের ৩১ অক্টোবর গঠন করেন জাসদ। কাজী আরেফ ছিলেন জাসদ প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা। তিনি সে সময়ে দলের মুখপাত্র সর্বাধিক প্রচারিত সংবাদপত্র দৈনিক গণকন্ঠের সম্পাদকের দায়িত্বও গ্রহন করেন।

তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধেরও একজন শীর্ষ পর্যায়ের সংগঠক। তিনি বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) তথা মুজিব বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টরের ডেপুটি প্রধানের পাশাপাশি মুজিব বাহিনীর ৪ আঞ্চলিক প্রধান শেখ ফজলুল হক মনি, সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক ও তোফায়েল আহমেদ এর মধ্যে সমন্বয়কের দায়িত্বও পালন করেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে। স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল সংগঠন ও ব্যক্তিকে একটি প্লাটফর্মে নিয়ে আসার মূখ্য সংগঠকও ছিলেন তিনি। ১৯৯০ সালে ঐতিহাসিক ছাত্র-গণ অভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার কাজী আরেফ ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল দৃষ্টান্ত। তার মত সৎ, নির্ভীক, দৃঢ়চেতা, আদর্শবান রাজনীতিক আজকের যুগে বিরল। তিনি ছিলেন নির্লোভ এবং নির্মোহ।

আমার কাছ থেকে দেখা আরেফ ভাই নি:শব্দে কাজ করতেন। খানিকটা নেপথ্যচারি বলা যায়। তাঁর চলাফেরায় জীবনযাপনে কোথাও পরির্তন দেখিনি। একই ধরণের প্যান্ট-শার্ট পরতেন। হাটতেন, রিকসায় চড়তেন। সাধারণ বাসে যাতায়াত করতেন। অতি সাধারণ জীবন। সততার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক মহীরুহ রাজনীতিক।

বাঙালি জাতি-রাষ্ট্রের এই স্বপ্নপুরুষের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি বিশ্বের অনেক মহান জাতীয় বীরের মতো। আমাদের কালের রাজনীতির বরপুত্র জাতীয় বীর কাজী আরেফ আহমেদ ১৯৯৯ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারী কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার কালিদাসপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক সন্ত্রাস বিরোধী জনসভায় বক্তব্যরত অবস্থায় সন্ত্রাসী ঘাতকদের ব্রাশফায়ারে নিহত হন। পরিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর মরদেহ সমাহিত করা হয় রাজধানীর মীরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। তিনি রেখে যান তাঁর এক সময়ের রাজনৈতিক সহকর্মী, সহধর্মিনী রওশন জাহান সাথী (নবম জাতীয় সংসদের সদস্য), একমাত্র পুত্র অরূপ ও একমাত্র কন্যা জুলিসহ লাখো লাখো সহযোদ্ধা ও সহকর্মী।

লাল সবুজের পতাকা যতোদিন উড্ডয়ন থাকবে ততোদিন কাজী আরেফও বেঁচে থাকবেন বাঙালির হৃদয়ে। সবশেষে মাওসেতুং এর ভাষায় বলতে চাই-কাজী আরেফের মৃত্যু থাই পাহাড়ের চেয়েও ভারী।

স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকার রুপকার - কাজী আরেফ আহমেদ

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

দেখ না মন ঝকমারি এই দুনিয়াদারি বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর 2019
দেখ না মন ঝকমারি এই দুনিয়াদারি পরিয়ে কোপনি ধব্জা মজা উড়ালো ফকিরি দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি। পরিয়ে কোপনি ধব্জা মজা উড়ালো ফকিরি।।
পাখি কখন জানি উড়ে যায় বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর 2019
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায়।।
মন বিবাগী বাগ মানে না রে বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর 2019
মন বিবাগী বাগ মানে না রে যাতে অপমৃত্যু হবে তাই সদায় করে মন বিবাগী বাগ মানে না রে। যাতে অপমৃত্যু হবে তাই সদায় করে।। কিসে হবে আমার ভজন সাধন মন...
রাখিলেন সাই কূপজল করে আন্ধেলা পুকুরে বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর 2019
রাখিলেন সাই কূপজল করে আন্ধেলা পুকুরে কবে হবে সজল বর্ষা চেয়ে আছি সেই ভরসা রাখিলেন সাঁই কূপজল করে আন্ধেলা পুকুরে।। কবে হবে সজল বর্ষা চেয়ে আছি সেই ভরসা। আমার...
না জানি ভাব কেমন ধারা বুধবার, 18 সেপ্টেম্বর 2019
না জানি ভাব কেমন ধারা না জানিয়ে পাড়ি ধরে মাঝ-দরিয়ায় ডুবল ভারা না জানি ভাব কেমন ধারা। না জানিয়ে পাড়ি ধরে মাঝ-দরিয়ায় ডুবল ভারা।।
শুভ সাধু সঙ্গ লয়ে সঙ্গ পঙ্গ বুধবার, 18 সেপ্টেম্বর 2019
শুভ সাধু সঙ্গ লয়ে সঙ্গ পঙ্গ বনবিহঙ্গ প্রসন্ন করিলে শুভ সাধু সঙ্গ লয়ে সঙ্গ পঙ্গ বনবিহঙ্গ প্রসন্ন করিলে। জলে ফুটেছে কমল হলো সরোবর...
কি ভাব নিমাই তোর অন্তরে মঙ্গলবার, 17 সেপ্টেম্বর 2019
কি ভাব নিমাই তোর অন্তরে মা বলিয়ে চোখের দেখা কি ভাব নিমাই তোর অন্তরে মা বলিয়ে চোখের দেখা তাতে কি তোর ধর্ম যায় রে।। কল্পতরু হাওরে যদি তবু মা বাপ...
আয় গো যাই নবীর দ্বীনে সোমবার, 16 সেপ্টেম্বর 2019
আয় গো যাই নবীর দ্বীনে দীনের ডঙ্কা বাজে আয় গো যাই নবীর দ্বীনে দীনের ডঙ্কা বাজে শহর মক্কা মদীনে॥
বাগেন্দ্রিয় না সম্ভবে সোমবার, 16 সেপ্টেম্বর 2019
বাগেন্দ্রিয় না সম্ভবে আপনায় আপনি ফানা হলে তারে জানা যাবে কোন নামে ডাকিলে তারে হৃদাকাশে উদয় হবে আপনায় আপনি ফানা হলে তারে জানা যাবে।।
ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে সোমবার, 16 সেপ্টেম্বর 2019
ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে এমন বয়সে নিমাই ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে এমন বয়সে নিমাই ঘর ছেড়ে ফকিরী নিলে॥

আমাদের ঐতিহ্য নতুন তথ্য

পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে পার করো দয়াল আমায় কেশ ধরে। পড়েছি এবার আমি ঘোর সাগরে।।
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...
প্রথম সারির সর্ব বামে মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ আগস্ট ১৮৮৯, মৃত্যুঃ ৩১ অক্টোবর ১৯৬৯) অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রী। আজীবন...
শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি। কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার...
বাউলের আঞ্চলিক বৃত্ত ও পদকর্তা বাংলার বাউলদের আঞ্চলিক সীমারেখা হল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা,...
বাউল গানে বাউলের সংজ্ঞা বাউলের প্রকৃতি সম্পর্কে বাউল গানে নানা ধরনের তথ্য বিবৃত হয়েছে। এ পর্যায়ে বাউল-সাধকের রচিত সংগীতের...
বাউল - সাইমন জাকারিয়া বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ সৃজনশীল সাধকদের মধ্যে বাউল সম্প্রদায় অত্যন্ত প্রসিদ্ধ। এই...
গড়াই এর অপর নাম মধুমতি নদী গড়াই-মধুমতি নদী গঙ্গা নদীর বাংলাদেশ অংশের প্রধান শাখা। একই নদী উজানে গড়াই এবং ভাটিতে মধুমতি নামে পরিচিত। গড়াই নামে ৮৯ কিমি,...
কাছারি বাড়ি শিলাইদহ শিলাইদহের কাছারি বাড়ি থেকেই জমিদারি কাজ পরিচালনা করতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সময়ের প্রবাহে সেই জমিদারি এখন আর নেই,...
মীর মোশাররফ হোসেন - বাংলা সাহিত্যের পথিকৃৎ মীর মোশাররফ হোসেনের সংক্ষিপ্ত জীবনী উনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক রুপে খ্যাত 'বিষাদ সিন্ধুর' অমর লেখক মীর মশাররফ...
প্যারীসুন্দরী - নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র প্যারীসুন্দরী, নীল বিদ্রোহের অবিস্মরণীয় চরিত্র। স্বদেশ প্রেমের অনির্বান শিখাসম এক নাম। অবিভক্ত...
আধ্যাত্মিক সাধক হযরত আবুল হোসেন শাহ (রঃ) সত্য প্রচারে এক উজ্জল নক্ষত্র বাংলাদেশের অনেক আউলিয়াগণের মধ্যে আধ্যাত্মিক ও সূফী সাধক হযরত মাওলানা আবুল হোসেন শাহ (রঃ) মানব কল্যাণে ও...
কাজী নজরুল ইসলাম এবং তাঁর পরিবার Poor Nazrul is still bright দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা অনেক কষ্টের। পেট এবং পরিবারের চাহিদা...
নবাব সলিমুল্লাহ নবাব সলিমুল্লাহ (জন্ম: ৭ই জুন ১৮৭১ - মৃত্যু: ১৬ই জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব...
ছবির গান রেকডিং এর সময় সুবীর নন্দী (জন্মঃ ১৯ নভেম্বর ১৯৫৩ মৃত্যুঃ ৭ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী। তিনি মূলত চলচ্চিত্রের গানে কন্ঠ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি আমাদের জীবনের প্রেক্ষাপটে রোজ আমরা পাই জীবনের রূপরেখা, এবং তাকেই তুলির টানে রাঙিয়ে চলায় আমাদের...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যজীবন উপন্যাস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। ১৮৮৩ থেকে ১৯৩৪ সালের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ মোট বারোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন।...
স্বদেশপ্রেমী মানবতাবাদী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানবতার ধর্মে বিশ্বাসী রবি প্রথম জীবন থেকেই স্বদেশ ও সমাজের ভাবনাতে ব্যাকুল ছিলেন। তিনি যখন...
বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ বাউল সাধক প্রাচীন বাউল কালা শাহ আনুমানিক ১৮২০ সালে সুনামগঞ্জের জেলার দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ধাইপুর গ্রামে জন্ম...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top