প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty
  • Lalon Song Cloud
পাঞ্জু সঙ্গীত

পাঞ্জু সঙ্গীত

মরমী সাহিত্য ধারায় লালন শাহ্‌ অত্যন্ত জনপ্রিয়। লালন পরবর্তী মরমী কবিগণের মধ্যে পাঞ্জু শাহের নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য। লালন শাহের আশিবানী ও স্বীকৃতি পাঞ্জুকে মরমী সাধক সমাজে পরিচিত করে তোলে এবং দীর্ঘদিন এ দেশের সাধক মণ্ডলীর পরিচালক রূপে নিয়োজিত রাখে। এ সম্পর্কে খোন্দকার রফি উদ্দিনের মন্তব্য বিশেষ মূল্যবান। তিনি বলেন- “বাংলার সূফী ফকিরদের মধ্যে লালনের স্থান সর্বচ্চো। কিন্তু লালনের তিরোধানের পর যিনি সারা বাংলার ফকির মহলে লালনের শূন্যস্থান পূরণ করে রেখেছিলেন।” অসাধারণ প্রতিভা-ধর লালন শাহের তিরোভাব-জনিত শূন্যতা পূরণের ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছিলেন পাঞ্জু শাহ্‌।

এ কথাটি চিন্তা করলে পাঞ্জু প্রতিভা সম্পর্কে আর দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবকাশ থাকে না। বস্তুত পাঞ্জু শাহ্‌ যথার্থ পূর্বসুরির মর্যাদা উপলব্ধি করেছিলেন। সেজন্যে তিনিও লালনের ভাবশিষ্য হয়েই কাব্য চর্চার আত্ননিয়োগ করেন। ফলে সমকালীন বাংলাদেশে পাঞ্জুর কবি-খ্যাতি ও মরমী ভাব সাধনা বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে। তাই দেখা যায়, “লালন শাহের অত্যন্ত বয়ঃকনিষ্ঠ সমসাময়িক” এই সাধক একটি স্বতন্ত্র ঘরানা ও বিশেষ “কাব্য-সঙ্গীত” গোষ্ঠীর উদ্যেক্তা হিসেবে উনিশ শতকের শেষাধে ও বিশ শতকের প্রথমার্ধে এদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ক্ষেত্রে বিরাজমান। এসব দিক বিবেচনা করলে পাঞ্জুর জীবনেতিহাস বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

কবি পাঞ্জু শাহ্‌ ১২৫৮ বঙ্গাব্দের (১৮৫১ খ্রী) ২৮শে শ্রাবণ ঝিনাইদাহ জেলার শৈলকূপা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ঐ সময় কবির পিতা খাদেমালী খোন্দকার এবং কবি মাতা জোহরা বেগম শৈলকূপাতেই তাঁদের নিজস্ব জমিদার ভবনে বাস করতেন।

Close

নতুন সঙ্গীত

নতুন লালন গীতি

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

We Bangla

Go to top