প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

প্রাচীন জনপদ কুমারখালী

প্রাচীন জনপদ কুমারখালী। এর ইতিহাস-ঐতিহ্য কুষ্টিয়ার চেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীনতর। তাই ইংরেজ আমলের গোড়ার দিকে কুষ্টিয়ার পরিচয় দিতে বলা হতো "কুমারখালী-কুষ্টিয়া"। বাউলসম্রাট লালন শাহ, সাধক কাঙাল হরিনাথ, মোজাহেদ-নেতা কাজী মিয়াজান, বিপ্লবী-বীর বাঘা যতীন, সাহিত্যরথী মীর মশাররফ হোসেন, প্রজা-আন্দোলনের পুরোধা শামসুদ্দিন আহমদ প্রমুখ কুমারখালী থানার কৃতি সন্তান।

চৈতন্যদেবের আমলে কুমারখালীর নাম ছিল তুলসী গ্রাম। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ এ অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের জন্য কালেক্টর নিযুক্ত করেন কমরকুলি খাঁ কে। তার নাম থেকে আঞ্চলিক সদরের নাম হয় "কুমারখালী"। সাবেক 'কমরখালীর' বিবর্তিত রুপ বর্তমান 'কুমারখালী'। কুমারখালীর বিস্ত্তীর্ণ এলাকা আগে নদীগর্ভে ছিল। চরাইকোলযুক্ত গ্রামের নামগুলো তার প্রমাণ। নদী সরে গেলে পরে থাকে চর বা চরা এবং কোল। এই চরা ও কোল ঘেরা জমিনে গড়ে উঠেছে পুঁটিয়া-চরাইকোল, হয়তাপাড়া চরাইকোল, শিবরামপুর-চরাইকোল, পুরাতন চরাইকোল ইত্যাদি গ্রামসমূহ। অতি ক্ষুদ্র হ্রদের মত পানিভরা বিলগুলো দেখে বুঝা যায় এককালে এগুলো নদী-পরিত্যক্ত কোল ছিল। কুমারখালীর কয়েকটি বিলের নাম - করাতকান্দির বিল, জিয়ালার বিল, চাঁদপুরের বিল, বহলবাড়ীয়ার বিল, সোনাপাতিলার বিল, দলুয়ার বিল, বাঁশআড়ার বিল।

পুর্বে কুমারখালীর থানা-দফতর ছিল গড়াই নদীর দক্ষিণ পাড়ে ভালুকা গ্রামে। পরে থানা ভালুকা থেকে কুমারখালীতে উঠে আসে। এখনও ভালুকা গ্রামকে লোকে থানা ভালুকা বলে। ১৮২৮ সারে পাবনা জেলার গণ্ডীর মধ্যে কুষ্টিয়া ও খোকসায় দুটি থানা ছিল। একটি ফাঁড়ি ছিল চরাইকোলে। বর্তমানে কুমারখালী থানার অধীনে পান্টি ও শিলাইদহে ফাঁড়ি আছে। ১৮৫৭ সালে কুমারখালী, খোকসা, পাংসা ও বালিয়াকান্দি থানা নিয়ে কুমারখালীতে মহকুমার সৃষ্টি হয়। এটা ছিল পাবনা জেলার মহকুমা। কিছুদিন আগেও মহকুমা কারাগারের ধ্বংসাবশেষ দেখা যেত এখানে। ১৮৭১ সালে কুমারখালী পাবনা থেকে নদীয়ার গণ্ডিতে এসে তার মহকুমার মর্যাদা হারিয়ে ফেলে।

কুমারখালী বাংলাদেশের সেরা তাঁত-কাপড়ের হাট। হাজার হাজার তাঁতি ও মহাজন আসে হাট করতে। লাখ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয় প্রতি হাটে। স্থানীয় কারিগরেরা বিভিন্ন ধরণের শাড়ী ও ছিট কাপড় বুনে তাদের খঠ-খটি তাঁতে। শহরের অনেকগুলো ফ্যাক্টরীতে উৎপন্ন হয় নকশাকাটা রঙীন চাদর। বিসিক মিলেও তৈরী হয় শাড়ী, লুঙ্গী ইত্যাদি। বাংলার প্রথম কাপড়ের কল মোহিনী মিলস(স্থাঃ ১৯০৭ সালে)-এর প্রতিষ্ঠাতা ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট মোহিনীমোহন চক্রবর্তীর বাড়ী পৌর এলাকার এলংগী মহল্লায় (বর্তমানে মিলপাড়া)। বৃটিশ আমলে এখানকার তৈরী রেশম ও তসরের খ্যাতি দুরদূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল।

১৮৫৬ সালে মথুরানাথ কুণ্ডু নীলকুঠী কিনে একটি হাইস্কুল কায়েম করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বছর আগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। একটি মহাবিদ্যালয়সমেত অনেকগুলো হাইস্কুল আছে এই থানায়। তেবাড়িয়া, পান্টি ও ডাঁসার তিনটি জুনিয়ার মাদ্রাসা লুপ্ত হয়ে গেছে ইতিপূর্বে। বর্তমানে আলিয়ানেসাবের দুটি মাদ্রাসা আছে কুমারখালী ও বাঁশগ্রামে। পৌর এলাকার দরিদ্র-বান্ধব লাইব্রেরী, উন্নয়ন মজলিশ এবং শিলাইদহের মহর্ষি পাঠাগার বিভিন্ন সময়ে পড়ুয়াদের জ্ঞানপিপাসা মিটিয়েছে।

গ্রামবার্তা প্রকাশিকা, শৈবী, কোহিনুর ও বংগীয় তিলিসমাজ পত্রিকা কুমারখালীর কয়েকটি সাময়িকপত্র। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কাঙাল হরিনাথ, প্রফুল্লকুমার সরকার, মীর মশাররফ, নারায়ণকৃষ্ণ মজুমদার, কবিরাজ আতিয়ার রসুল সিদ্দিকী, আমজাদ হোসেন প্রমুখের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

খোকসার সৈয়দ আবদুল কুদ্দুস রুমী প্রতিষ্ঠিত 'আনজুমানে ইত্তেফাক ইসলাম'(১৯০৪) নদীয়া জেলার অন্যতম প্রধান সমাজসংস্কারমূলক সংস্থা। দুর্গাপুরে প্রধান দফতর থাকলেও নানাস্থানে এর শাখা ছিল। মিয়া সাহেবদের বিরাট আমবাগানে আনজুমানের সভা-সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতো। সেহেতু এ জায়গা এখনও "সভার বাগান" নামে পরিচিত। সম্মেলন উপলক্ষে ফুরফুরার পীর আবুবকর সিদ্দিকী, শান্তিপুরের কবি মোজাম্মেল হক ও নদীয়ার জেলা ম্যাজিষ্ট্যাট দুর্গাপুর এসেছিলেন । তালোয়া 'আঞ্জুমানে তরক্কীয়ে ইসলাম' অন্য একটি জনকল্যাণমুলক প্রতিষ্ঠান।

প্রায় প্রত্যেকটা আন্দোলনের সঙ্গে কুমারখালীবাসী জড়িত। দুর্গাপুরের কাজী মিয়াজান মোজাহেদ আন্দোলনের শীর্সস্থানীয় নেতা ছিলেন। সামরিক আদালতের বিচারে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়। গোঁসাইযেংগী ও ধোকড়াকোল গ্রামে কয়েকজন মোজাহেদ ছিলেন।

কুমারখালী, শিলাইদহ, ধোকড়াকোল ইত্যাদি গাঁয়ে নীলকুঠি ছিল। খাজনা বন্ধ ও নীল চাষ বিরোধী আন্দোলনে কুমারখালী এলাকার লোকদের অবদান উল্লেকযোগ্য। আন্দোলনের নেত্রী ছছিলেন আমলার জমিদার প্যারীসুন্দরী দাসী। তাঁর সহযোগী ছিলেন সাঁওতার শাহ গোলাম আজম ও শালঘর মধুয়ার শেখ আমির আলি। সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনে যুগান্তর দলের নেতা কয়ার যতীন্দ্রনাথ মুখোপ্যাধ্যায়ের (বাঘা যতীন) নাম শ্রদ্ধার সংগে স্মরণীয়। তিনি উড়িষ্যার বালেশ্বরে ইংরেজ বাহিনীর সংগে যুদ্ধে শহীদ হন। আরেক সন্ত্রাসবাদী বীরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপ্যাধ্যায়। দক্ষিণেশ্বর বোমার মামলায় তাঁর দ্বীপান্তর হয়। গোঁড়া মৈত্রেয়, অন্নদা রায়, নিবারণ রায়ও সন্ত্রাসবাদী দলের সদস্য ছিলেন।

হক-মন্ত্রীসভার প্রভাবশালী সদস্য শামসুদ্দিন আহম্মদ ছিলেন বঙ্গীয় কৃষকপ্রজা আন্দোলনের প্রাণস্বরুপ। প্রজা-সমিতির সম্পাদক এবং কৃষক-নেতারুপে নিপীড়িত চাষীদের কল্যাণে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। শামসুদ্দিনের অগ্রজ সংগ্রামী আলেম মৌলভী আফসার উদ্দিন ছিলেন বাউল-বিরোধী আন্দোলনের নেতা। তাঁর সহকর্মীদের মধ্যে সুন্সী এমদাদ আলি, মুন্সী আহম্মদ আলি, খন্দকার খোরশেদ আলি ও খোঃ আবদুস সাত্তার প্রধান। কুষ্টিয়ার কুওয়াতুল ইসলাম মাদ্রাসা ও মসজিদ, আল্লার দরগা মসজিদ, বানিয়াপাড়া হাইস্কুল ইত্যাদি মৌলভী সাহেবের সমাজসেবার নিদর্শন।

কুমারখালী অঞ্চলে যেসব সুফি-সাধক ওলী-দরবেশ ইসলামের আলো ছড়িয়েছেন তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ছিলেনঃ মাহ সোনাবন্ধু, মুল্লুক খোরশেদ, বুড়ো দেওয়ান চাঁদ আলি মাহ, শাহ দরবেশ, মীর রুহুল্লাহ, মাহ আউলিয়া, পাঁচু খোন্দকার ও করিম শাহ। বিভিন্ন স্থানে এঁদের মাজার-মকবেরা আছে।

মীর মশাররফ হোসেন, জলধর সেন, অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব, গগন হরকরা, বসন্তকুমার পাল, হরিপদ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রফুল্লকুমার সরকার, ভোলানাথ মজুমদার, শচীন্দ্রনাথ অধিকারী, খোন্দকার আজহারুল ইসলাম, আকবর হোসেন, প্রমুখ কবি-সাহিত্যিক কুমারখালী থানার অধিবাসী।

জাতীয় অধ্যাপক ডঃ কাজী মোতাহার হোসেন জন্মগ্রহণ করেন মাতুলালয় লক্ষীপুরে। তিনি প্রাথমিক শিক্ষাও লাভ করেন এখানেই। প্রখ্যাত চিন্তাবিদ কাজী আবদুল ওদুদের জন্মও তাঁর মাতুলালয় হোগলা গ্রামে। তিনি জগন্নাথপুর স্কুলে পড়াশুনা করেছেন।

বামচরণ কর্মকার ও মাসুদ করিম দুজন বিশিষ্ট গীতিকার। বামচরণ কলকাতা বেতারের সংগে যুক্ত ছিলেন। অন্যান্য শিল্পীদের মধ্যে নির্মলকুমার মজুমদার বেতারশিল্পী। মাজগ্রামের আমিন শাহ গায়ানী, কল্যাণপুরের আব্বাস মিয়া, বাগুলাটের আতা খাঁ জনপ্রিয় কবিয়াল। বাটিকামারার গ্রাম্যকবি গোলাম রব্বানী পথের সাহিত্য রচয়িতা হিসাবে পরিচিত।

কুমারখালীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হচ্ছেনঃ কাজী গোলাম রসুল ওরফে রতি মিয়া, রায়বাহাদুর বিশ্বম্ভর রায়, সৈয়দ আবুল ফজল, মুন্সী বিলায়েত হোসেন, সুরেন্দ্রনাথ সরকার, মুন্সী নুরউদ্দিন আহম্মদ, যোগেন্দ্রনাথ সরকার, পূর্ণচন্দ্র লাহিড়ী, খানবাহাদুর খবির উদ্দিন, খান সাহেব দাদ আলী, জমিদার আবদুল গনি, রবীন্দ্রনাথ সাহা, ডাঃ রেবতীমোহন সাহা, তোফাজ্জেল হোসেন, কবিরাজ গোলাম সরওয়ার ও গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।

বানিয়াকান্দিতে শাহী আমলের একটি মসজিদ আছে। খোরশেদপুরে মুল্লুক খোরশেদের মাজার ও গোপীনাথদেবের মন্দির আছে। মন্দির, মঠ ও দীঘি নির্মাণ করান নাটোরের জমিদার রাণী ভবানী। দরবেশের মাজারটি পাকা করে মাসোহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন কবি রবীন্দ্রনাথ। ছেঁউড়িয়া গ্রামের লালনের সমাধিও বাঁধিয়ে দেন তিনি।

কুমারখালী ও তার আশপাশে বেশ কিছু সর্দার সম্প্রদায়ের লোক বাস করে। তাদের উর্দ্ধতন পুরুষেরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিল বলে জানা যায়। রেলষ্টেশন সংলগ্ন গোরস্তান দেখে মনে হয় এককালে বসবাসকারী খৃষ্টানদের কথা।

তথ্য সূত্রঃ
কুষ্টিয়াঃ ইতিহাস-ঐতিহ্য
আবুল আহসান চৌধুরী
কুষ্টিয়া সাহিত্য পরিষদ

এই সেকশনে বিজ্ঞাপন আবশ্যক

ফোন করুনঃ- ০১৯৭৮ ৩৩৪২৩৩

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

লালনের আদর্শে আধুনিক দেশ ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সবকিছুর...
লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন ছেড়ে অনেকেই এখন ভুল ব্যাখ্যা দিতে তৎপর ! আজ থেকে ১২৯ বছরের ব্যবধানে সেই সময়ের মরমী সাধক বাবা লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন, দিক নিদের্শনা,...
শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা সোমবার, 07 অক্টোবার 2019
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা বাংলা ১২৮৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৮৮০ সালে ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় ছেউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখরা...
কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...

নতুন তথ্য

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
Photo credit: Najmul Islam - Golden Bangla বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী সুখী মানুষের বসবাস এবং ১৩তম বড় শহর কুষ্টিয়া শহর। সকল ফসল উৎপাদনে সক্ষম কুষ্টিয়ার মানুষ। নদী-নালা,...
সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেন খালিদ হোসেন (জন্মঃ- ৪ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - মৃত্যুঃ- ২২ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাঙালি নজরুলগীতি শিল্পী এবং নজরুল গবেষক। তিনি নজরুলের ইসলামী গান...
হয়রত সোলাইমান শাহ্‌  চিশতী (রঃ) মাজার শরীফ আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ সোলাইমান শাহ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপ নগরে রয়েছে সোলাইমান শাহের...
কুষ্টিয়াবাসীর স্বপ্ন পুরুষ প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক কুষ্টিয়াবাসীকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পর্যটন নগরী সৃষ্টিতে সেই রুপকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক, মুক্তিযোদ্ধা...
মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী ও কৃষক-প্রজা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মৌলভী শামসউদ্দিন আহম্মদ ১৮৮৯ সালে...
আধুনিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ওয়ালিউল বারী চৌধুরী WaliUl Bari Chowdhury the pioneer of modern journalism বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তাণ্চল থেকে প্রকাশিত...
কুমারখালী মুক্ত দিবস ৯ই ডিসেম্বর ৯ই ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে (৯ই ডিসেম্বর) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী...
৭ই ডিসেম্বর আমলা সদরপুর মুক্ত দিবস ৭ই ডিসেম্বর। ৭১’র আজকের এই দিনে কুষ্টিয়ার মিরপুরের ঐতিহাসিক আমলা সদরপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস।...
নাট্যশিল্পী কচি খন্দকার কচি খন্দকার (জন্মঃ- ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) জন্ম থেকে মৃত্যু, এই তো জীবন। খুব অল্প সময় হলেও জীবন...
দেশ স্বাধীনের পর নির্বাচিত প্রথম চেয়ারম্যান ম. আ. রহিম ম. আ. রহিম (জন্মঃ- ৮ জানুয়ারি, ১৯৩১ মৃত্যুঃ- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭) দেশ স্বাধীনের পর জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে কুষ্টিয়া পৌরসভার...
কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ছিলেন সফল প্রশাসক কামরুল ইসলাম সিদ্দিক বাংলাদেশের পল্লি অবকাঠামো উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। তিনি যখন...
কুষ্টিয়া - সুকুমার বিশ্বাস আমরা জানি, কুষ্টিয়ার যুদ্ধে পাকবাহিনী বাঙ্গালীদের কাছে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয় এবং মূলত কুষ্টিয়া...
প্রাচীন যুগের কুষ্টিয়ার ইতিহাস খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে বিখ্যাত ভৌগোলিক টলেমীর মানচিত্রে গঙ্গা-নদীর অববাহিকায় কয়েকটি ক্ষুদ্র...
জগদীশ গুপ্ত জগদীশ গুপ্ত (জন্ম : ১৮৮৬ সালে মৃত্যু : ১৯৫৭ সালে) কুষ্টিয়া শহরে। তাঁর আদি নিবাস ফরিদপুরের...
পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন ১৮৬৭ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার দর্শনা হতে জগতি পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপন করেন এবং এরপর পর্যায়...
নদীটির নাম হিসনা নদীটির নাম হিসনা। এক সময় ওর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিল পদ্মার সাথে। আসলে পদ্মা ওর মা। নদী যখন তার...
ভেড়ামারা মুক্ত দিবস ১২ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ সাঁড়াশি আক্রমনের মুখে পাকিস্তানী হানাদার...
দৌলতপুর মুক্ত দিবস ৮ই ডিসেম্বর ৮ই ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কুষ্টিয়ার মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর থানা পাকিস্তানী হানাদারমুক্ত হয়।...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top