প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

খোকসার কালীর ইতিহাস - সৌজন্যে শ্রী রবীন্দ্র নাথ বিশ্বাস

কোন সুদুর অতীতে খোকসা এবং খোকসার কালী জন্মলাভ করেছিলো এবং একে অপরকে পরিচিত করতে করতে একদিন অভিন্ন হয়ে উঠেছিলো তা আজ নিরুপন করা সম্ভব নয়। তবে এ তথ্যানুসন্ধানে মানব-মনীষা যতদুর এগিয়েছে, তার থেকে খোকসা থানা এবং এই কালী পূজার একটা মোটামুটি ধারনা লাভ করা যেতে পারে। দীর্ঘদিন থেকেই খোকসা ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক থানা। বিবিধ সাংস্কৃতিক প্রবাহ বহুবার এই থানার উপর দিয়ে বয়ে গেছে। ফলে খোকসা থানা বর্তমানে সভ্যতা ও সাংস্কৃতির চর্চার একটি পীঠস্থান।

খোকসার কালীর এ যাবৎ কোন ইতিহাস পাওয়া যায়নি। কোন গ্রন্থের বা কোন বৃদ্ধের পিত-পিতামহ-শ্রুত ইতিহাসও প্রচলিত নেই। যা আছে তা ইতিহাস নয় – কিংবদন্তী। ইতিহাসের আলো যেখানে অপ্রাপ্য সেখানে কিংবদন্তীর অন্ধকারেই পথ চলতে হয়। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানে খোকসার এবং খোকসার কালীর যে কিংবদন্তী পাওয়া গিয়েছে তা খোকসার পরিচয় অধ্যায়ে সন্নিবেশিত হয়েছে।

খোকসার কালী সম্পর্কে যেসব আরো কিংবদন্তী ও লোক বিশ্বাস প্রচলিত আছে, তার থেকে এখানে কিছু আলোচনা করা যাক। খোকসার কালীর বর্তমান পূজারী শ্রী নৃপেন্দ্র কৃষ্ণ ভট্টাচার্যের ( দুলাল ঠাকুর ) ষোড়শ উর্দ্ধস্তন পুরুষ। রামদেব তর্কালংকার প্রথম এই পূজা আরম্ভ করেন। তিন পুরুষে ১০০ বছর ( বাংলা সাহিত্যের হিসাব অনুসারে ) হিসাবে এই পূজার বয়স প্রায় ৫০০ বছর।

রামদেবরা দুই ভাই। রামদেব তর্কালংকার ও মহাদেব বাচস্পতি। কালক্রমে এরা দুই ভাই-ই নলডাঙ্গা রাজার কালী পূজা করতেন। মহাদেব বাচস্পতি তৃতীয় অধঃতন পুরুষ বানী সিদ্ধান্ত ছিলেন বিখ্যাত পন্ডিত। তৎকালীন কাশীর স্বনামখ্যত বৃদ্ধ পন্ডিত রামধন বাচস্পতির সাথে একবার মাসাধিককাল ধরে বানী সিদ্ধান্তের শাস্ত্র বিষয়ে তর্ক হয়। বাণী সিদ্ধান্ত ছিলেন তখন যুবক। দীর্ঘদিন ধরে তর্ক যুদ্ধে কেউ কাউকে পরাস্ত করতে না পেরে বানী সিদ্ধান্ত উত্তেজিত হয়ে রামধন বাচস্পতিকে ব্যাক্তিগতভাবে ব্যঙ্গোক্তি করেন। ফলে, রামধন বাচস্পতি ক্রোধান্ধ হয়ে অভিসম্পাৎ দেয় যে, বাণী সিদ্ধান্তের বংশে যে পন্ডিত হবে, সেই মারা যাবে। এই অভিসম্পাৎ দারুনভাবে ফলে যায়। বাণী সিদ্ধান্ত কাশী থেকে ফিরতে মহামারী লাগার ন্যায় তার বংশের অধিকাংশ পন্ডিতমন্ডলী মারা যায়।

এই বংশের আরেকজন পন্ডিত অত্যন্ত বিখ্যাত হয়েছিলেন – যিনি চন্ডী দিয়ে মহিষ বধ করেছিলেন। উক্ত পন্ডিতকে একদিন একটি ভীষনাকৃতির ক্ষিপ্ত মহিষ আক্রমন করে। তখন আত্মরক্ষার জন্য ঐ পন্ডিত হাতের চন্ডী গ্রন্থখানা ছুড়ে মারে। আর সাথে সাথে মহিষ বলি হয়ে গেলো। এই ঘটনা লক্ষ্য করেছিলেন নলডাঙ্গার রাজা এবং তিনি এই অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ব্রাহ্মণ বংশের ১০০ লোক সমন্বিত ৪টি শরীকের জন্য ১৪০০ বিঘা জমি ব্রহ্মোত্তর করে দেন। রাজা উক্ত জমি দেবোত্তর হিসাবে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্রাহ্মন বংশ দেবত্তর হিসাবে জমি গ্রহন করতে রাজী হয়নি – কেননা, দেবোত্তর জমি ভোগ করা যায় কিন্তু বিক্রয় করা যায় না। অতঃপর উক্ত জমি ব্রহ্মোত্তর হিসাবে দেওয়া হয়। ব্রহ্মোত্তর জমিতে ব্রাহ্মণের সর্বোময় ক্ষমতা ন্যস্ত হয়।

পূজারী নৃপেন্দ্র কৃষ্ণ ভট্টাচার্য ( দুলাল ঠাকুর ) ১২ বৎসর বয়স থেকে এই পূজা আরম্ভ করেন পূজারীর মা শিখরবাসিনী কালী পূজায় পুত্রকে সম্মতি দেননি। কেননা দুলাল ঠাকুরের এক ভাই অতি অল্পবয়সে মারা যায়। শিখরবাসিনী দেবীর ধারনা পূজায় কোন ত্রুটি হওয়ায় তার পুত্র মারা গেছে। কিন্তু তথাপিও দুলাল ঠাকুরের পিতা ফনী ভট্টাচার্য স্ত্রীকে না জানিয়ে পুত্রকে কালী পূজায় নিযুক্ত করেন। ফনী ভট্টাচার্য সংস্কৃতের আদ্য ও মধ্য পাশ করেন। ফলে তিনি চিন্তা করতেন রামধন বাচস্পতি অভিসম্পাতে তিনি সত্বরই মারা যাবেন। ফনী ভট্টাচার্যের আশংকা যথাযথ হোল। পুত্র দুলাল ঠাকুরের ১৩ বৎসর বয়সে তিনি পরলোক গমন করেন। তার পিতামহের নাম কেশব ভট্টাচার্য এবং প্রপিতামহের নাম চন্দ্রকান্ত ভট্টাচার্য। গৌরীশংকর ভট্টাচার্য বৃদ্ধ পিতামহের নাম এবং অতি বৃদ্ধ প্রপিতামহের নাম কেবল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য।

যতীন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য ( কালুখালী, ফরিদপুর ) কাব্যতীর্থ দুলাল ভট্টাচার্যকে পূর্ণাভিষেক করতঃ দীক্ষা দেন। ধর্মীয় বিশ্বাস যে পূর্নাভিষেক করে দীক্ষা দিলে পূজায় কোন ত্রুটি হলেও মা ক্ষমা করবেন। কেননা দীক্ষা সময়ে দুলাল ঠাকুরের বয়স খুবই কম ছিলো। অতএব মাতৃপূজায় কোন প্রকার ত্রুটি হওয়া অসম্ভব ছিলো না।

স্থায়ী কালী মন্দিরে সংরক্ষিত কালো পাথর সম্পর্কে খোকসার পরিচয় অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে। এক্ষনে কালো পাথরটির ভগ্নের সম্পর্কে আলোচনা করা যায়। বর্তমান পূজারীর পিতার আমলে ( ফণী ভট্টাচার্য ) এক ভুমিকম্পে মন্দির ভেঙ্গে গেলে উক্ত কালো পাথর ৭ দিন জঙ্গলে ছিলো। পরে স্বপ্নাদেশে খুজে বের করলে ভগ্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। পাথরখানি এখনো বেদীতে প্রতিষ্ঠিত আছে। যার গঠন অনেকটা চারপায়া বিশিষ্ঠ চৌকির মতন। যার পূর্বদিকের দুটি পা এবং পশ্চিম দিকের উপরস্ত পা ভাঙ্গা। ফলে ইট দিয়ে সমতল অবস্থায় রাখা হয়েছে। যে কাঠের আসনের উপর উক্ত কালো পাথরখানি বসানো আছে সেটা যদুণাথ সিংহ মহাশয় তার কাঠের আড়ৎ থেকে দেন। আর বড় আসনখানি প্রদান করেন ১৩৩২ সালে শৈলকুপা থানার ফাদিলপুরের অমরেন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য মহাশয়। পূর্বে পূজার যায়গাটি ছিলো বর্তমান পূজা মন্দিরের প্রায় এক ফার্লং দক্ষিন –পশ্চিমে।

বর্তমান পূজারী প্রাচীন পূজা মন্দিরের ভগ্নাবশেষ দেখেছেন। ঐ সময় অস্থায়ী টিনের চালায় দৈনন্দিত পূজা চলতো। তখন বাৎসরিক উৎসবের ( মাঘী আমাবস্যা ) মন্দির ছাওয়া হতো বিচেলি দিয়ে। ১৩৪১ সালে প্রাচীন পূজা মন্দির স্থানান্তরিত করা হয়, কুটিরশ্বর সাহা, ব্রজনাথ সাহা ও যদুনাথ সিংহ মহাশয়ের জমির উপর। উক্ত মন্দির নদীগর্ভে ভেঙ্গে গেলে ১৩৬২ সালে যদুনাথ সিংহ মহাশয়ের জমির উপর বর্তমান মন্দির গড়ে ওঠে। তৎপর যদুনাথ সিংহের তিন পুত্র শ্রী সুধীর কুমার সিংহ ও শ্রী শ্রীপতি কুমার সিংহ উক্ত জমি খোকসার কালীর নামে রেকর্ড করে দেন। রেকর্ডকৃত জমির পরিমান অর্থাৎ মন্দিরসহ মেলার জমির পরিমান এক একর পঞ্চাশ শতক।

এই পূজার জন্য নলডাঙ্গা রাজা পূজা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে অনেক জমি চাকরান দিয়েছিলেন অর্থাৎ বার্ষিক ভাবে খাজনা না দিয়ে এককালীন নিস্কর জমি ভোগের সুযোগ দিয়েছিলেন। যাদেরকে রাজা জমি চাকরান দিয়েছিলেন তাদের কাজ ও জমির পরিমান এখানে উল্লেখ করা গেলো।

  • (ক) বাৎসরিক উৎসবের কাঠামো তৈরির মিস্ত্রি ভোগ করতেন ১২ বিঘা।
  • (খ) পূজার কাপড় কাচার জন্য ধোপা পেয়েছিলেন ১২ বিঘা।
  • (গ) নিত্যপূজার ফুল, বাৎসরিক উৎসবের সোলার ও ডাকের সাজের জন্য মালাকারকে দেওয়া ছিলো ১২ বিঘা।
  • (ঘ) ফুল, দ্বীপ, ধুপ দেওয়া এবং যাবতীয় ভোগের যোগান দেওয়ার জন্য নাপিতকে দেওয়া ছিলো ১২ বিঘা। যেহেতু নাপিত জলচল তাই তাকে মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো।
  • (ঙ) মাটি তোলা, মাচা দেওয়া ও কাঠামোর গোড়ায় মাটি দেওয়া প্রভৃতি কাজে ভূইমালিকে দেওয়া ছিলো ১২ বিঘা।
  • (চ) বলি, নিত্যপূজার ভোগ যোগান এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ১২ বিঘা।
  • (ছ) প্রতি শনি ও মঙ্গলবারের ঢাক বাজানোর জন্য ঢাকীকে ১২ বিঘা।
  • (জ) বাৎসরিক পূজা উৎসবে ৭ দিন দীপান্বিতার সময়ে ১০৮ টি প্রদীপ মহড়ার তৈল এবং ভাদ্র মাসের তালবড়ার বাবদ খরচের জন্য ছিলো ১৬ বিঘা।

পূর্বে এই পূজায় নির্ধারিত বলির সংখ্যাও ছিলো অনেক। বাৎসরিক পূজার দিনে সকালের দিকে চন্ডী পাঠ শেষ করে চন্ডীর জন্য একটি পাঠা বলি দেওয়া হতো। বেলা ৪ টার দিকে দেবীকে আসনে প্রতিষ্ঠিতা করা হতো। তৎপর নলডাঙ্গার রাজার পত্তনি নড়াইলের জমিদার রতনবাবুদের পাঁচ শরীকের জন্য পাঁচটি পাঁঠা বলি দেওয়া হতো। তৎপর নলডাঙ্গার রাজা প্রেরিত মহিষ বলি হতো। এরপর খোকসার পার্শবর্তী দুই জমিদার ( পাংশার জমিদার ভৈরব বাবু এবং শিলাইদহের ঠাকুর বাবু ) এর সম্মান স্বরুপ তাদের প্রেরিত জোড়া পাঁঠা বলি দেওয়া হতো। জোড়া পাঁঠা বলি নিয়ে দুই জমিদারের ( ভৈরব বাবু ও ঠাকুর বাবু ) মধ্যে সম্মানের বাড়াবাড়ি নিয়ে দারুন প্রতিযোগিতা হতো।

খোকসা কালী মন্দির
পাঠা বলি - খোকসা কালী মন্দির

উভয়পক্ষই ৪০/৫০ জন লেঠেল সহ একটি করে পাঠা নিয়ে ঢোল বাজাতে বাজাতে কালী বাড়ীর দিকে আসতো। ঢোল বাজানো লেঠেলের বিক্রম দেখে জনসাধারন সন্ত্রস্ত হয়ে দূরে সরে যেত। এইবার দুই জমিদারের দুই পাঁঠা এক কাতলায় গলা সমান উচ্চ রেখে বসানো হতো। এই জমিদারের প্রতিনিধিগন অত্যন্ত তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে লক্ষ্য করতো কারো পাঁঠার গলা অন্যটি থেকে নীচুতে আছে কিনা এবং কারো পাঁঠার গলা এতটুকু নীচু হলেই সম্মান হানির ভয়ে এই পক্ষ প্রবল বাধা দিত, সাথে সাথে লেঠেলরা লাঠি ভেজে চিৎকার করে বিক্রম প্রকাশ করতো। যখন উভয় জমিদারের প্রতিনিধিগণ উভয় পাঠার গলা সমানে বসানো হয়েছে বলে রায় দিত, তখন জোড়া পাঁঠা বলি হতো।

এই সেকশনে বিজ্ঞাপন আবশ্যক

ফোন করুনঃ- ০১৯৭৮ ৩৩৪২৩৩

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

লালনের আদর্শে আধুনিক দেশ ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, সবকিছুর...
লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন ছেড়ে অনেকেই এখন ভুল ব্যাখ্যা দিতে তৎপর ! আজ থেকে ১২৯ বছরের ব্যবধানে সেই সময়ের মরমী সাধক বাবা লালন সাঁইজীর সঠিক দর্শন, দিক নিদের্শনা,...
শাঁইজীর আখড়াবাড়ীতে মানুষ রতনের ভীড় “বাড়ির কাছে আরশিনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে” এই স্লোগানে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী বাউল সম্রাট মরমী সাধক ফকির লালন...
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা সোমবার, 07 অক্টোবার 2019
লালন সাঁইজীর তীর্থ যাত্রা বাংলা ১২৮৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৮৮০ সালে ফাল্গুনের দোল পূর্ণিমায় ছেউড়িয়ায় ফকির লালন সাঁইয়ের আঁখরা...
কারবালার ইতিহাস সোমবার, 09 সেপ্টেম্বর 2019
কারবালার ইতিহাস কারবালার যুদ্ধ ইসলামিক পঞ্জিকা অনুসারে ১০ মুহাররম ৬১ হিজরী মোতাবেক ১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ বর্তমান ইরাকের...
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস বৃহস্পতিবার, 29 আগস্ট 2019
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
মতিউর রহমান সামনের সারিতে ডান থেকে দ্বিতীয় বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (২৯ অক্টোবর ১৯৪১ - ২০ আগস্ট ১৯৭১) বাংলাদেশের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
ফরিদা পারভীন লালন সঙ্গীত শিল্পী ফরিদা পারভীন (জন্মঃ ৩১ ডিসেম্বর ১৯৫৪ইং) বাংলাদেশের আপামর-সাধারণের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই লালন সঙ্গীত এবং ফরিদা...
১৯৪৪ সাল থেকে কলকাতার Morning News পত্রিকার বার্তা বিভাগে কাজ করেন সৈয়দ আলতাফ হোসেন (জন্মঃ ১৬ মার্চ ১৯২৩ইং, মৃত্যুঃ ১২ নভেম্বর ১৯৯২ইং) বিপ্লবী সাংবাদিক এবং...

নতুন তথ্য

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
Photo credit: Najmul Islam - Golden Bangla বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী সুখী মানুষের বসবাস এবং ১৩তম বড় শহর কুষ্টিয়া শহর। সকল ফসল উৎপাদনে সক্ষম কুষ্টিয়ার মানুষ। নদী-নালা,...
সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেন খালিদ হোসেন (জন্মঃ- ৪ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - মৃত্যুঃ- ২২ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাঙালি নজরুলগীতি শিল্পী এবং নজরুল গবেষক। তিনি নজরুলের ইসলামী গান...
হয়রত সোলাইমান শাহ্‌  চিশতী (রঃ) মাজার শরীফ আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ সোলাইমান শাহ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপ নগরে রয়েছে সোলাইমান শাহের...
কুষ্টিয়াবাসীর স্বপ্ন পুরুষ প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক কুষ্টিয়াবাসীকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পর্যটন নগরী সৃষ্টিতে সেই রুপকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক, মুক্তিযোদ্ধা...
মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী ও কৃষক-প্রজা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মৌলভী শামসউদ্দিন আহম্মদ ১৮৮৯ সালে...
আধুনিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ওয়ালিউল বারী চৌধুরী WaliUl Bari Chowdhury the pioneer of modern journalism বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তাণ্চল থেকে প্রকাশিত...
কুমারখালী মুক্ত দিবস ৯ই ডিসেম্বর ৯ই ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে (৯ই ডিসেম্বর) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী...
৭ই ডিসেম্বর আমলা সদরপুর মুক্ত দিবস ৭ই ডিসেম্বর। ৭১’র আজকের এই দিনে কুষ্টিয়ার মিরপুরের ঐতিহাসিক আমলা সদরপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস।...
নাট্যশিল্পী কচি খন্দকার কচি খন্দকার (জন্মঃ- ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) জন্ম থেকে মৃত্যু, এই তো জীবন। খুব অল্প সময় হলেও জীবন...
দেশ স্বাধীনের পর নির্বাচিত প্রথম চেয়ারম্যান ম. আ. রহিম ম. আ. রহিম (জন্মঃ- ৮ জানুয়ারি, ১৯৩১ মৃত্যুঃ- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭) দেশ স্বাধীনের পর জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে কুষ্টিয়া পৌরসভার...
কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ছিলেন সফল প্রশাসক কামরুল ইসলাম সিদ্দিক বাংলাদেশের পল্লি অবকাঠামো উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। তিনি যখন...
কুষ্টিয়া - সুকুমার বিশ্বাস আমরা জানি, কুষ্টিয়ার যুদ্ধে পাকবাহিনী বাঙ্গালীদের কাছে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয় এবং মূলত কুষ্টিয়া...
প্রাচীন যুগের কুষ্টিয়ার ইতিহাস খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে বিখ্যাত ভৌগোলিক টলেমীর মানচিত্রে গঙ্গা-নদীর অববাহিকায় কয়েকটি ক্ষুদ্র...
জগদীশ গুপ্ত জগদীশ গুপ্ত (জন্ম : ১৮৮৬ সালে মৃত্যু : ১৯৫৭ সালে) কুষ্টিয়া শহরে। তাঁর আদি নিবাস ফরিদপুরের...
পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন ১৮৬৭ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার দর্শনা হতে জগতি পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপন করেন এবং এরপর পর্যায়...
নদীটির নাম হিসনা নদীটির নাম হিসনা। এক সময় ওর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিল পদ্মার সাথে। আসলে পদ্মা ওর মা। নদী যখন তার...
ভেড়ামারা মুক্ত দিবস ১২ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ সাঁড়াশি আক্রমনের মুখে পাকিস্তানী হানাদার...
দৌলতপুর মুক্ত দিবস ৮ই ডিসেম্বর ৮ই ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কুষ্টিয়ার মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর থানা পাকিস্তানী হানাদারমুক্ত হয়।...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top