প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233

ভাষা পরিবর্তনঃ

Cart empty

হিরন্ময় স্বপ্নের এক মুক্তিযোদ্ধা – মোহাম্মদ মোকাদ্দেশ হোসেন

কুষ্টিয়া জেলা ১৮ ও ১৯ শতকে সাহিত্যিক মীর মোশাররফ হোসেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাউল সম্রাট লালন ফকির ও বিচারপতি রাধা বিনোধ পালের জন্য ইতিহাসব্যাপী প্রখ্যাতি অর্জন করেছিল। এই অর্জন আরো সম্প্রসারিত হয় বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে।

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে ভারি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কুষ্টিয়া শহরের নিয়ন্ত্রন গ্রহন করে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সামরিক সরকার প্রধান ইয়াহিয়া খান কতৃক উপেক্ষার পটভূমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আকস্মিক শহর দখলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে গ্রামগঞ্জের আন্দোলনরত সর্বস্তরের স্বাধীনতা পিপাসু জনগণের সহায়তায় কুষ্টিয়া শহরবাসী ২৯শে মার্চ গভীর রাতে বাঙালি ইপিআর সদস্যের নেতৃত্বে পুলিশ লাইন, জেলা হাইস্কুল, টেলিফোন ও ওয়্যারলেস ভবন আক্রমণ করেন। বিমান বাহিনীর সহায়তা সত্ত্বেও লাখো জনতার জয় বাংলা শ্লোগানের মুখে মাত্র ৪৮ ঘন্টার প্রতিরোধের মুখে ভেঙ্গে পড়ে হানাদার বাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা। নয়া উপনিবেশ থেকে বাঙ্গালির মুক্তির প্রত্যাশা প্রাধান্য পায় রক্তক্ষয়ী জনযুদ্ধে। হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এই বীরোচিত প্রতিরোধে সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যে কয়েকজন সরকারি অফিসার ও বেসরকারী সংগঠক জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন তাঁদের অনেকের মধ্যে আবু ওসমান চৌধুরী, এ আর আজম চৌধুরী, তৌফিক এলাহি চৌধুরী, মাহবুব উদ্দিন, মাহফুজ উস ছোবহান, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সামসুল হক, ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ এমএ হাফিজ, আজিজুর রহমান আককাস(এমপি), আব্দুর রউফ চৌধুরী(এমপি), জহিরুল হক (রাজা মিয়া) এমপি, গোলাম কিবরিয়া এমপি, আহসান উল্লাহ এমপি, আইনুল হক, মীর আবদুল জলিল, আককাস আলী মঞ্জু, খঃ সামসুল আলম দুদু, মুছা মিয়া, কামরুল ইসলাম সিদ্দিক, এমএ বারী, আব্দুল হামিদ রায়হান, আব্দুল আজিজ মিয়া, ডাঃ আব্দুল মান্নান, ডাক্তার তোফাজ্জল হক প্রমুখ।

bangladesh-war-staff
হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এই বীরোচিত প্রতিরোধে সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যে কয়েকজন সরকারি অফিসার ও বেসরকারী সংগঠক জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন তাঁদের কিছু ছবি।
Pakistan army destroyed the personal library of mokaddesh hossain
Pakistan army destroyed the personal library of mokaddesh hossain

১৫ই এপ্রিল পযন্ত কুষ্টিয়া পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর কব্জা থেকে মুক্ত ছিল। চরম ধ্বংসযজ্ঞের সড়ক দিয়ে তাঁরা পুনরায় দখল করে কুষ্টিয়া শহর। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি মিঃ কারগিলের ভাষায় ধ্বংসের ভয়াবহতা হিরোসিমা-নাগাসাকির দুর্ভাগ্যর কাহিনী নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয় ইতিহাস মনস্ক জনগণকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনগনের প্রতিবাদ উপেক্ষা করে জেনারেল ইয়াহিয়া খান যুদ্ধের আগুন ছড়িয়ে দেন বাংলাদেশের সর্বাঙ্গে। মুজিবনগরে সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিনের আহমদের নেতৃত্বে প্রবাসী সরকার গঠনের অব্যবহিত পরে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্ব। গেরিলা যুদ্ধের প্রয়োজনে বাংলার দামাল ছেলেরা আশ্রয় গ্রহণ করেন গ্রামগঞ্জে। শহর থেকে দূরের জনপদে গড়ে উঠে বেশ কয়েকটি প্রতিরোধ দুর্গ। কুষ্টিয়া জেলার বাঁশগ্রাম ছিল এমন একটি দুর্গ। বহুগুনে ঋণী মোঃ মোকাদ্দেশ ছিলেন এ দুর্গের মালিক। তাঁর দ্বিতল বাসভবনে দিনের আলোয় লুকিয়ে থাকতেন একদল চৌকস মুক্তিযোদ্ধা। স্থানীয় রাজাকার কমান্ডার খালেকের হুমকির মুখে বর্ষীয়ান অঞ্চল প্রধান মোকাদ্দেশ হোসেন অব্যাহত রাখেন মুক্তিযুদ্ধের ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রম। এ সংবাদ পৌঁছে যায় কুষ্টিয়া শহরের অবস্থিত হানাদার বাহিনীর দপ্তরে।

৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালের সকাল বেলা হানাদার বাহিনীর একটি অগ্রবর্তী প্লাটুন অবস্তান গ্রহণ করে বাঁশগ্রাম সন্নিকটস্থ বংশিতলায়। সম্মুখ যুদ্ধের অবতারণা ঘটে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরোচিত প্রতিরোধের ফলে। ভয়ানক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে শত্রুপক্ষের যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। সম্মুখ এ যুদ্ধে তাজু, দিদার, ইয়াকুব, খুরশিদ আলম দিল, চাঁদ আলী, সাজান আলী, আবদুর রাজ্জাক, আবদুল মান্নান, কিয়ামুদ্দিন, মোবারক হোসেন, আবু দাউদ সহ ছয়জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাৎ বরণ করেন।

হানাদার বাহিনী এ পরাজয় কোনমতেই মেনে নিতে পারেনি পদাতিক যুদ্ধের নিয়মে। জবাবে তাঁরা ৯ই সেপ্টেম্বর বাঁশগ্রাম অপারেশনের নামে স্থানীয় রাজাকার সমবিহারে মো মোকাদ্দেশ হোসেনের বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ করে। এ অগ্নি সংযোগে ভস্মীভূত হয়ে যায় শতাব্দীব্যাপী সংগৃহিত বই পুস্তকসহ অনেক মূল্যবান সম্পদ। উপরন্তু দৈহিক নির্যাতনের শিকার হন মোকাদ্দেশ হোসেন ও তদীয় ছোট ভাই কবি আবুল ফজল মোহাম্মদ মুত্তালিব। মোকাদ্দেশ হোসেনের অপরাধ তিনি প্রথমত “মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠন এমএ বারীর বাবা, দ্বিতীয়ত এ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দাতা”। মোহাম্মদ মুত্তালিব পেশাগতভাবে ডাক্তার। অসুস্থ ও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের তিনি সেবা করেন। হানাদার বাহিনীর চোখে এই সেবা মারাত্মক অপরাধ। বর্ণিত অগ্নি সংযোগের আগে ও পরে মোকাদ্দেশ হোসেনের বেশ কিছু আত্মীয়-স্বজনকে হানাদার বাহিনী ও তাঁদের দোসর রাজাকার-আলবদর নির্মমভাবে হত্যা করে। এখানে উল্লেখযোগ্য যে মোকাদ্দেশ সাহেব ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগ প্রাথী শাহ আজিজের বিরুদ্ধে যুক্তফ্রন্টের প্রাথী সৈয়দ আলতাফ হোসেনকে সমর্থন করায় মুসলিম লীগের রোষানলের শিকার হয়েছিলেন।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবর রহমান পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় মোঃ মোকাদ্দেশ হোসেনকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সাহায্য প্রদান করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বিনয়ের সাথে সে আর্থিক সাহায্য গ্রহণে অসম্মতি জ্ঞাপন করেন। এ ঘটনাটি জাতির জনককে অভিভূত করেছিলো। তিনি এক পর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনসুর আলী সাহেবকে বলেছিলেন যে, “I don’t find any difference between SK. Lutfor Rahman and M. Mokaddes Hossain.” মোকাদ্দেশ হোসেন গ্রামের বাড়ীতে জাতীয় শোকদিবস পালনে কোরআন খতম ছাড়াও গরিবদের জন্য খানার এন্তেজাম করতেন। মোঃ মোকাদ্দেশ হোসেন একটি ঘুমন্ত সমাজকে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি উপহার দিয়েছেন। নানান সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূল অবস্থা উপেক্ষা করে তাঁর অঞ্চলে যে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি করেছেন তাঁর প্রমাণ বিদ্যুৎ, পাকা সড়ক, গ্রোথ সেন্টার ভিত্তিক হাটবাজার, ইউনিয়ন হাঁসপাতাল, বণিক সমিতি ভবন, স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, জনতা ব্যাংকের শাখা, মাদ্রাসা, হাইস্কুল ও ডিগ্রি কলেজ। জীবন সায়াহ্নে তিনি ঘটনাবহুল বসতবাড়ি ভবিষ্যতের মালিকানা কলহ থেকে মুক্ত রাখার লক্ষে গণমুখী ট্রাষ্টের আওতায় নিবন্ধন করেন। তিনি যে কাজ অসমাপ্ত রেখে গেছেন তাঁর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ, জাদুঘর এবং পূর্ণাজ্ঞ একটি হাঁসপাতাল অন্যতম।

নীলিমায় মুক্তিযোদ্ধের স্বপ্ন বলাকা
Unbounded dream of a freedom fighter
Dr. Shazly Bari Sarah & Dr. Sadaf Bari Pinky
উক্ত বই হতে সংগৃত

মন্তব্য

মানুষ এবং সমাজের ক্ষতিসাধন হয় এমন মন্তব্য হতে বিরত থাকুন।


নতুন তথ্য

দেখ না মন ঝকমারি এই দুনিয়াদারি বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর 2019
দেখ না মন ঝকমারি এই দুনিয়াদারি পরিয়ে কোপনি ধব্জা মজা উড়ালো ফকিরি দেখ না মন ঝাকমারি এই দুনিয়াদারি। পরিয়ে কোপনি ধব্জা মজা উড়ালো ফকিরি।।
পাখি কখন জানি উড়ে যায় বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর 2019
পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় পাখি কখন জানি উড়ে যায় একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায়।।
মন বিবাগী বাগ মানে না রে বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর 2019
মন বিবাগী বাগ মানে না রে যাতে অপমৃত্যু হবে তাই সদায় করে মন বিবাগী বাগ মানে না রে। যাতে অপমৃত্যু হবে তাই সদায় করে।। কিসে হবে আমার ভজন সাধন মন...
রাখিলেন সাই কূপজল করে আন্ধেলা পুকুরে বৃহস্পতিবার, 19 সেপ্টেম্বর 2019
রাখিলেন সাই কূপজল করে আন্ধেলা পুকুরে কবে হবে সজল বর্ষা চেয়ে আছি সেই ভরসা রাখিলেন সাঁই কূপজল করে আন্ধেলা পুকুরে।। কবে হবে সজল বর্ষা চেয়ে আছি সেই ভরসা। আমার...
না জানি ভাব কেমন ধারা বুধবার, 18 সেপ্টেম্বর 2019
না জানি ভাব কেমন ধারা না জানিয়ে পাড়ি ধরে মাঝ-দরিয়ায় ডুবল ভারা না জানি ভাব কেমন ধারা। না জানিয়ে পাড়ি ধরে মাঝ-দরিয়ায় ডুবল ভারা।।
শুভ সাধু সঙ্গ লয়ে সঙ্গ পঙ্গ বুধবার, 18 সেপ্টেম্বর 2019
শুভ সাধু সঙ্গ লয়ে সঙ্গ পঙ্গ বনবিহঙ্গ প্রসন্ন করিলে শুভ সাধু সঙ্গ লয়ে সঙ্গ পঙ্গ বনবিহঙ্গ প্রসন্ন করিলে। জলে ফুটেছে কমল হলো সরোবর...
কি ভাব নিমাই তোর অন্তরে মঙ্গলবার, 17 সেপ্টেম্বর 2019
কি ভাব নিমাই তোর অন্তরে মা বলিয়ে চোখের দেখা কি ভাব নিমাই তোর অন্তরে মা বলিয়ে চোখের দেখা তাতে কি তোর ধর্ম যায় রে।। কল্পতরু হাওরে যদি তবু মা বাপ...
আয় গো যাই নবীর দ্বীনে সোমবার, 16 সেপ্টেম্বর 2019
আয় গো যাই নবীর দ্বীনে দীনের ডঙ্কা বাজে আয় গো যাই নবীর দ্বীনে দীনের ডঙ্কা বাজে শহর মক্কা মদীনে॥
বাগেন্দ্রিয় না সম্ভবে সোমবার, 16 সেপ্টেম্বর 2019
বাগেন্দ্রিয় না সম্ভবে আপনায় আপনি ফানা হলে তারে জানা যাবে কোন নামে ডাকিলে তারে হৃদাকাশে উদয় হবে আপনায় আপনি ফানা হলে তারে জানা যাবে।।
ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে সোমবার, 16 সেপ্টেম্বর 2019
ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে এমন বয়সে নিমাই ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে এমন বয়সে নিমাই ঘর ছেড়ে ফকিরী নিলে॥

নতুন তথ্য

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের ইতিহাস ১৮১৬ এবং ১৮১৯ সালের স্থানীয়ভাবে ফেরী ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষণ, সড়ক/ সেতু নির্মাণ ও মেরামতের জন্য বৃটিশ সরকার...
সাঁতারে বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টিকারী কানাই লাল শর্মা কানাই লাল শর্মা (জন্মঃ ৭ই নভেম্বর ১৯৩০ইং, মৃত্যুঃ ১৯শে আগস্ট ২০১৯ইং) কুষ্টিয়ার হাটস হরিপুর ইউনিয়নের শালদহ গ্রামে...
Photo credit: Najmul Islam - Golden Bangla বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী সুখী মানুষের বসবাস এবং ১৩তম বড় শহর কুষ্টিয়া শহর। সকল ফসল উৎপাদনে সক্ষম কুষ্টিয়ার মানুষ। নদী-নালা,...
সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেন খালিদ হোসেন (জন্মঃ- ৪ ডিসেম্বর ১৯৩৫ - মৃত্যুঃ- ২২ মে ২০১৯) ছিলেন একজন বাঙালি নজরুলগীতি শিল্পী এবং নজরুল গবেষক। তিনি নজরুলের ইসলামী গান...
হয়রত সোলাইমান শাহ্‌  চিশতী (রঃ) মাজার শরীফ আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ সোলাইমান শাহ। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপ নগরে রয়েছে সোলাইমান শাহের...
কুষ্টিয়াবাসীর স্বপ্ন পুরুষ প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক কুষ্টিয়াবাসীকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন পর্যটন নগরী সৃষ্টিতে সেই রুপকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক, মুক্তিযোদ্ধা...
মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী ও কৃষক-প্রজা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মৌলভী শামসউদ্দিন আহম্মদ ১৮৮৯ সালে...
আধুনিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ওয়ালিউল বারী চৌধুরী WaliUl Bari Chowdhury the pioneer of modern journalism বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তাণ্চল থেকে প্রকাশিত...
কুমারখালী মুক্ত দিবস ৯ই ডিসেম্বর ৯ই ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে (৯ই ডিসেম্বর) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী...
৭ই ডিসেম্বর আমলা সদরপুর মুক্ত দিবস ৭ই ডিসেম্বর। ৭১’র আজকের এই দিনে কুষ্টিয়ার মিরপুরের ঐতিহাসিক আমলা সদরপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস।...
নাট্যশিল্পী কচি খন্দকার কচি খন্দকার (জন্মঃ- ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) জন্ম থেকে মৃত্যু, এই তো জীবন। খুব অল্প সময় হলেও জীবন...
দেশ স্বাধীনের পর নির্বাচিত প্রথম চেয়ারম্যান ম. আ. রহিম ম. আ. রহিম (জন্মঃ- ৮ জানুয়ারি, ১৯৩১ মৃত্যুঃ- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭) দেশ স্বাধীনের পর জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে কুষ্টিয়া পৌরসভার...
কামরুল ইসলাম সিদ্দিক ছিলেন সফল প্রশাসক কামরুল ইসলাম সিদ্দিক বাংলাদেশের পল্লি অবকাঠামো উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। তিনি যখন...
কুষ্টিয়া - সুকুমার বিশ্বাস আমরা জানি, কুষ্টিয়ার যুদ্ধে পাকবাহিনী বাঙ্গালীদের কাছে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয় এবং মূলত কুষ্টিয়া...
প্রাচীন যুগের কুষ্টিয়ার ইতিহাস খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে বিখ্যাত ভৌগোলিক টলেমীর মানচিত্রে গঙ্গা-নদীর অববাহিকায় কয়েকটি ক্ষুদ্র...
জগদীশ গুপ্ত জগদীশ গুপ্ত (জন্ম : ১৮৮৬ সালে মৃত্যু : ১৯৫৭ সালে) কুষ্টিয়া শহরে। তাঁর আদি নিবাস ফরিদপুরের...
পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন ১৮৬৭ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার দর্শনা হতে জগতি পর্যন্ত রেল লাইন স্থাপন করেন এবং এরপর পর্যায়...
নদীটির নাম হিসনা নদীটির নাম হিসনা। এক সময় ওর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিল পদ্মার সাথে। আসলে পদ্মা ওর মা। নদী যখন তার...
ভেড়ামারা মুক্ত দিবস ১২ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ সাঁড়াশি আক্রমনের মুখে পাকিস্তানী হানাদার...
দৌলতপুর মুক্ত দিবস ৮ই ডিসেম্বর ৮ই ডিসেম্বর ঐতিহাসিক কুষ্টিয়ার মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুর থানা পাকিস্তানী হানাদারমুক্ত হয়।...

Subscribe Our Newsletter

welcome to our newsletter subscription

প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রকাশকঃ- সালেকউদ্দিন শেখ সুমন

Made in kushtia

Go to top