fbpx
প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233
খালি কার্ট
আমাদের ঐতিহ্য

আমাদের ঐতিহ্য

১৯৪৭ সনের ১৮ই আগষ্ট কুষ্টিয়া জেলা হিসাবে রূপ নেয়। কুষ্টিয়া জেলা প্রথমে রাজশাহী বিভাগে ও পরে খুলনা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয়। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কুষ্টিয়া জেলার প্রাণ। ১৮৬০ সালে কলকাতার সাথে রেল যোগযোগ স্থাপন, রেনউইক ও যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, মোহিনী মিলস কুষ্টিয়া সদরে গড়ে ওঠে।

শুরু থেকেই কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ধান,পাট, আখ ও বিভিন্ন ধরনের সবজি, ফসল উৎপাদন হয়ে আসছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ঝাউদিয়া গ্রামে চৌধুরী বাড়ীর উপর একটি প্রাচীন মসজিদ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পুরাকীর্তির একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। ঝাউদিয়ার এই মসজিদটির ভিতরে মোঘল শিল্পকলার অপূর্ব নিদর্শন নানা কারুকার্যে শোভিত রয়েছে। মোঘল সম্রাট শাজাহানের আমলে ঝাউদিয়ার মসজিদটি নির্মিত হয়। এমন অপূর্ব কারুকার্য শোভিত মসজিদ খুব কম দেখা যায়। এ মসজিদে একটি বড় গম্বুজ ও অনেক মাঝারী এবং ছোট গম্বুজ রয়েছে।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জগতিতে ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া সুগার মিলস অবস্থিত। অত্র উপজেলায় বিসিক শিল্প নগরী গড়ে উঠায় এখানে অনেকগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তার মধ্যে বিআরবি গ্রুব অব ইন্ডাস্টিজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম অর্জন করেছে। অত্র উপজেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় একদিকে যেমন কুষ্টিয়া জেলাসহ বাংলাদেশের সকল জেলার শিক্ষারদার উন্মুক্ত হয়েছে। তেমনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা ঐতিহ্য বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৭১ সালে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকবাহিনীর যুদ্ধ হয়। ৮নং সেক্টরের অধীনে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় যুদ্ধ হয়। তন্মধ্যে উজানগ্রাম ইউনিয়নের বংশীতলা , আবদালপুর ইউনিয়নের করিমপুর উল্লেখযোগ্য। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বৃত্তিপাড়া বধ্যভূমি বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য বধ্যভূমি।

বংশীতলার যুদ্ধ

দূর্বাচারা গ্রামে জিয়াউল বারী নোমানের নেতৃত্বে বি এল এফ এর একটি দল ছিল। তাদের পৃথক ক্যাম্প ছিল। এমন একটি ক্যাম্পের প্রধান ছিলেন শামসুল হাদী। ৫ই সেপ্টেম্বর তার অনুপস্থিতিতে ক্যাম্প ইনর্চাজ ছিলেন শাহাবুব আলী ও বাহার তাদের নেতৃত্বে প্রায় ২০০মুক্তিযোদ্ধা ছিল। রাজাকার বাহিনী কুষ্টিয়ার পিস কমিটিকে জানিয়ে দেয়। পিস কমিটি আর্মি ক্যাম্পে জানালে পাকিস্তানী বাহিনী ভাদালিয়া হয়ে দূর্বাচারার দিকে অগ্রসর হয় । পাকসেনা আসছে এ খবর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে পৌছে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা দূর্বাচারার ২ মাইল পশ্চিমে বংশীতলায় মধ্যরাত থেকে এ্যাম্বুশ করে।

কুষ্টিয়ার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস

১৯৭১ সমসাময়িক উত্তাল বাংলাদেশের ঢেউ বেশ ভালোভাবেই আছড়ে পড়ে কুষ্টিয়াতে। ১৯৭১ এ এদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে কুষ্টিয়া জেলার ভূমিকা ছিল নেতৃস্থানীয়। আমরা আমাদের প্রবন্ধ শুরুর সময়কাল হিসেবে বেছে নিয়েছি ১৯৭১ সালের মার্চ মাসকে।

মুক্তিযুদ্ধে কুষ্টিয়া

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কুষ্টিয়া জেলার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য । ০৩ মার্চ কুষ্টিয়াতে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয়। ‌‌১৯৭১ এর ১৭ই এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা বৈদ্যনাথতলাতে (বর্তমান মেহেরপুরের মুজিবনগর) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করেন। এই সরকারের নেতৃত্বেই নয় মাসব্যাপী বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। ১১ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ কুষ্টিয়া চূড়ান্তভাবে দখলদারমুক্ত হয়।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইংরেজি: Islamic University) স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এটিই দেশের সর্বোচ্চ ইসলামী বিদ্যাপীঠ। দেশে শুধুমাত্র এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতেই ধর্মতত্ব ও ইসলামী আইনের উপর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি আর্থিকভাবে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সাহায্য পরিচালিত হয়। ইসলামী শিক্ষার উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলায় প্রতিষ্ঠানটি গঠন করা হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৬ সালের ২৮ জুন তাদের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করেন।

মহান স্বাধীনতা দিবস

মহান স্বাধীনতা দিবস যা ২৬শে মার্চ হিসেবে পরিচিত। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে। এই দিনে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের উদ্দেশ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণের ডাক দেন। বিভিন্ন বই-পুস্তকে এই তথ্য থাকলেও এই তথ্যের ব্যাপারে মতবিরোধও দেখা যায়।

কুষ্টিয়ার ঐতিহাসিক এবং দর্শনীয় স্থানসমূহ

কুষ্টিয়া বাংলাদেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে। বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলাতে রয়েছে নাম করা মসজিদ, মন্দির, গির্জা, দর্শনীয় স্থান, নদ নদী এবং ইতিহাসের নাম করা গুণী ব্যাক্তিদের পটভূমি। কুষ্টিয়ার ধূলি কোণায় মিশে আছে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, নীল চাষের বিরুদ্ধে আন্দোলন, পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্দোলন, সামাজিক আন্দোলন, ইসলামিক আন্দোলন, বাউল মতের আন্দোলন। ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, রাজবাড়ীও এর ভিতর অন্তর্গত। কুষ্টিয়াতে বহিরাগত যারা এসেছে তাঁরা আর ফিরে যাইনি কুষ্টিয়াতেই স্থায়ী বসবাসের বন্দোবস্ত করেছে। তাঁর কারণ হিসেবে ধরা যেতে পারে কুষ্টিয়ার প্রকৃতি এবং সমাজের মানুষ। নিম্নে কিছু দর্শনীয় স্থান সমূহের বর্ণনা দেওয়া হলঃ-

টেগর লজ

সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়াতে বিশ্ব কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজ হাতে নির্মিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘টেগর লজ’। ১৮৯৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেকে ব্যবসার সাথে জড়িয়ে ফেলেন। তিনি ও তার দুই ভাগ্নে সুরেন্দ্রনাথ ও বলেন্দ্রনাথ এর সহায়তায় শিলাইদহে টেগোর এন্ড কোম্পানী গড়ে তোলেন যৌথ মুলধনী ব্যবসা।

ঝাউদিয়া শাহী মসজিদ

কুষ্টিয়া শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রাম। সেখানেই অবস্থান ইতিহাসের সাক্ষী প্রাচীন এই মসজিদের। দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন এই মসজিদটি।

শৈলকুপা শাহী মসজিদ

কুমার নদের তীরে অবস্থিত শৈলকুপা শাহী মসজিদ দক্ষিণবঙ্গে সুলতানী আমলের স্থাপত্যকীর্তির একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। মসজিদটি দরগাপাড়ায় অবস্থিত।

এশিয়ার বৃহত্তম বটগাছ মল্লিকপুরের বটগাছ

এশিয়ার বৃহত্তম এবং প্রাচীন বটগাছটি কালীগঞ্জ শহর হতে ১০ কিঃমিঃ পূর্বে মালিয়াট ইউনিয়নের বেথুলী মৌজায় অবস্থিত। বটগাছটি বর্তমানে ১১ একর জমি জুড়ে বিদ্যমান। সুইতলা-মল্লিকপুরের বটগাছ নামে এটি বিশেষভাবে পরিচিত।

মিয়ার দালান

বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার সদর থানায় অবস্থিত একটি পুরানো জমিদার বাড়ী। বড়ীটি স্থানীয় নবগঙ্গা নদীর উত্তর দিকে অবস্থিত। ঝিনাইদহ শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে এটি অবস্থিত। ব্তমানে বাড়ীটি ভগ্নপ্রায়।

কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড

কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার সীমান্তবর্তী জনপদ দর্শনায় অবস্থিত একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। এই বৃহৎ শিল্প-কমপ্লেক্সটি চিনি কারখানা, ডিষ্টিলারি, বাণিজ্যিক খামার সমন্বয়ে ও জৈব সারকারখানার সমন্বয়ে গঠিত। এর সদর দপ্তর ঢাকা, বাংলাদেশ ও দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা, আয়তন ৩৫৫৯.৮৯ একর। এটির মালিক বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন।

আমঝুপি নীলকুঠি

আমঝুপি নীলকুঠি বাংলাদেশের মেহেরপুরে অবস্থিত একটি নীলকুঠি। ব্রিটিশ শাসনামলে এদেশে নীল চাষ পরিচালনার জন্য ইংরেজরা বিভিন্ন স্থানে কুঠি গড়ে তোলে যা নীলকুঠি নামে পরিচিত।

মুজিবনগর

মুজিবনগর (ইংরেজি: Mujibnagar) মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান। মুজিবনগর সবচাইতে বড় ঐতিহ্য হল বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী। অস্থায়ী রাজধানীতেই শপথ নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। তৎকালীন বৈদ্যনাথতলা বর্তমান মুজিবনগর আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল সরকারের মন্ত্রী পরিষদ শপথ নিয়েছিল। আজও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়। মুজিবনগর এর ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখানে নির্মান করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স।

সৈয়দ শাহ আব্দুল্লাহ রূমী - নীলকুঠির সাহেবদের বিরুদ্ধে আন্দোলন

লোক চক্ষুর আড়ালে যে সকল আউলিয়া ও দরবেশগন পুর্ব বাংলার অখ্যাত পল্লীতে এসে ইসলাম প্রচার করেছেন এবং সভ্যতা ও ইসলামিক কৃষ্টির নিদর্শন স্বরুপ বিভিন্ন আমানত আমাদের জন্য রেখে গিয়েছেন, সেইসব হারিয়ে যাওয়া নিদর্শনের কিছু কিছু খোঁজখবর আজকাল পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের বর্তমান ইতিহাসে এগুলির বিশিষ্ট স্থান থাকা দরকার।

যতীন এবং বাঘ

বিংশ শতাব্দীর শুরুর একটা সময় কুষ্টিয়ার কয়া গ্রামের মানুষ আতংকিত হয়ে উঠল। পাশের জঙ্গলে বিশাল একটি বাঘ দেখা গেছে। বাঘটির ভয়ে দিনের বেলায়ও কেউ রাস্তা-ঘাটে বের হয় না। রাতে তো কথাই নেই। বাঘটি প্রায়ই গ্রামের গরু, ছাগল খেতে শুরু করল। অতিষ্ঠ হ’য়ে উঠল গ্রামের মানুষ।

জ্যোতিন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ওরফে বাঘা যতীন

যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ( জন্মঃ ৭ ডিসেম্বর, ১৮৭৯ - মৃত্যুঃ ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯১৫) ১৮৭৯ সালের ৭ই ডিসেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালির গড়াই নদীর তীরে কয়া গ্রামে মাতুল তলায় জন্মলাভ করেন বিপ্লবী বাঘা যতীন (Bagha Jatin)। তিনি ছিলেন একজন বাঙালি ব্রিটিশ-বিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি বাঘা যতীন নামেই সকলের কাছে সমধিক পরিচিত।

বাউল গগন হরকরা

নাম তার গগন দাস। বাড়ি কুষ্টিয়ার শিলাইদহে। আড়পাড়া গ্রামের এক কায়স্থ পরিবারে জন্ম আনুমানিক ১৮৪৫, মৃত্যু ১৯১০ সাল।

উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের কথা। তার বাবা-মা সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। তবে কিরণ চন্দ্র দাস নামে গগনের এক ছেলের নাম জানা যায়। দুই যুগ আগেও গগনের ভিটার অস্তিত্ব ও ফলের বাগানের সাদৃশ্য ছিল। লোকমুখে জানতে পারা যায় যে, গগন হরকরা’র একটি বড় ফলের বাগান ছিল।

জাতীয় বীর মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শহীদ কাজী আরেফ আহমেদ

কাজী আরেফ আহমেদ (জন্ম- ৮ই এপ্রিল ১৯৪২ , মৃত্যু- ১৬ই ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯) কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রামে জন্ম। ১৯৬২ এর নিউক্লিয়াসের সদস্য ও মুজিব বাহিনীর অন্যতম সংগঠক ছিলেন তিনি ।পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টরে মুজিব বাহিনীর ডিপুটি প্রধান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন কাজী আরেফ, মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার।

  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

জনপ্রিয় তথ্য

বারে বারে আর আসা হবে না মঙ্গলবার, 19 ফেব্রুয়ারী 2019
বারে বারে আর আসা হবে না তুমি ভেবেছো কি মনে তুমি ভেবেছো কি মনে এই ত্রিভুবনে তুমি যাহা করে গেলে, কেহ জানেনা ?
ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় মঙ্গলবার, 19 ফেব্রুয়ারী 2019
ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু বাঁকা শ্যামরায় ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু, বাঁকা শ্যামরায়।।
এখনো সেই বৃন্দাবনে মঙ্গলবার, 19 ফেব্রুয়ারী 2019
এখনো সেই বৃন্দাবনে এখনো সেই বৃন্দাবনে বাঁশি বাজে রে এখনো সেই বৃন্দাবনে বাঁশি বাজে রে। ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে ময়ূর নাচে রে।।
ভবা পাগলা মঙ্গলবার, 19 ফেব্রুয়ারী 2019
ভবা পাগলা ভবা পাগলা (১৮৯৭-১৯৮৪) আসল নাম ‘ভবেন্দ্র মোহন সাহা’। তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৮৯৭ খৃস্টাব্দে। তাঁর পিতার নাম ‘গজেন্দ্র কুমার সাহা’। ভবা পাগলারা ছিলেন...
মুহাম্মদের একটি ডালে পাঁচটি ফুল তাঁর ফুটেছে মুহাম্মদের একটি ডালে পাঁচটি ফুল তাঁর ফুটেছে মুহাম্মদের একটি ডালে, পাঁচটি ফুল তাঁর ফুটেছে।।
কুলমান সঁপিলাম তোমারে বন্ধুয়ারে কুলমান সঁপিলাম তোমারে বন্ধুয়ারে কুলমান সঁপিলাম তোমারে বন্ধুয়ারে।। কুল দাও কি ডুবায়ে মারো।। জ্বালায় তোমার অন্তরে...
কোন মিস্ত্রি নাউ বানাইলো মঙ্গলবার, 02 আগস্ট 2016
কোন মিস্ত্রি নাউ বানাইলো কোন মেস্তরি নাও বানাইলো কেমন দেখা যায় কোন মেস্তরি নাও বানাইলো কেমন দেখা যায় ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী...
কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু মঙ্গলবার, 02 আগস্ট 2016
কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু ছেড়ে যাইবা যদি
যে গুণে বন্ধুরে পাবো, সে গুণ আমার নাই! যে গুণে বন্ধুরে পাবো, সে গুণ আমার নাই যে গুণে বন্ধুরে পাবো সে গুণ আমার নাই গো সে গুণ আমার নাই
গান গাই আমার মনরে বুঝাই মঙ্গলবার, 02 আগস্ট 2016
গান গাই আমার মনরে বুঝাই গান গাই আমার মনরে বুঝাই গান গাই আমার মনরে বুঝাই মন থাকে পাগলপারা

® সর্ব-সংরক্ষিত কুষ্টিয়াশহর.কম™ 2014-2019

1063309
আজকের ভিজিটরঃ আজকের ভিজিটরঃ 299

Made in kushtia

Go to top