fbpx
প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233
খালি কার্ট
আমাদের ঐতিহ্য

আমাদের ঐতিহ্য

১৯৪৭ সনের ১৮ই আগষ্ট কুষ্টিয়া জেলা হিসাবে রূপ নেয়। কুষ্টিয়া জেলা প্রথমে রাজশাহী বিভাগে ও পরে খুলনা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয়। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কুষ্টিয়া জেলার প্রাণ। ১৮৬০ সালে কলকাতার সাথে রেল যোগযোগ স্থাপন, রেনউইক ও যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, মোহিনী মিলস কুষ্টিয়া সদরে গড়ে ওঠে।

শুরু থেকেই কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ধান,পাট, আখ ও বিভিন্ন ধরনের সবজি, ফসল উৎপাদন হয়ে আসছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ঝাউদিয়া গ্রামে চৌধুরী বাড়ীর উপর একটি প্রাচীন মসজিদ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পুরাকীর্তির একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। ঝাউদিয়ার এই মসজিদটির ভিতরে মোঘল শিল্পকলার অপূর্ব নিদর্শন নানা কারুকার্যে শোভিত রয়েছে। মোঘল সম্রাট শাজাহানের আমলে ঝাউদিয়ার মসজিদটি নির্মিত হয়। এমন অপূর্ব কারুকার্য শোভিত মসজিদ খুব কম দেখা যায়। এ মসজিদে একটি বড় গম্বুজ ও অনেক মাঝারী এবং ছোট গম্বুজ রয়েছে।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জগতিতে ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া সুগার মিলস অবস্থিত। অত্র উপজেলায় বিসিক শিল্প নগরী গড়ে উঠায় এখানে অনেকগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তার মধ্যে বিআরবি গ্রুব অব ইন্ডাস্টিজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম অর্জন করেছে। অত্র উপজেলায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় একদিকে যেমন কুষ্টিয়া জেলাসহ বাংলাদেশের সকল জেলার শিক্ষারদার উন্মুক্ত হয়েছে। তেমনি কুষ্টিয়া সদর উপজেলা ঐতিহ্য বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৭১ সালে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকবাহিনীর যুদ্ধ হয়। ৮নং সেক্টরের অধীনে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় যুদ্ধ হয়। তন্মধ্যে উজানগ্রাম ইউনিয়নের বংশীতলা , আবদালপুর ইউনিয়নের করিমপুর উল্লেখযোগ্য। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বৃত্তিপাড়া বধ্যভূমি বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য বধ্যভূমি।

প্রাচীন নদী কালী গঙ্গা

স্রোতহীন প্রাচীন নদী কালী গঙ্গা। বর্তমানে এটি কালী নদী নামে পরিচিত। এ নদীতেই ভেলায় ভেসে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় এসেছিলেন ফকীর লালন শাহ।

চাপাইগাছি বিল

বাংলাদেশের একটি অন্যতম বিল এই চাপাইগাছি বিল। এটি ৪ থেকে ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত । এই বিলে নানা প্রকারের মাছ পাওয়া যায় যেমনঃ রুই, কাতলা , মৃগেল, নওলা , শিং ,মাগুর, পুটি এছাড়াও নানা প্রকারের মাছ। এই বিলে গ্রামের নানা প্রকারের মানুষ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে।

পূর্ববাংলার রেলওয়ের আগমন এবং এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক জীবনের উপর এর প্রভাব ১৮৬২-১৯৪৭

ত্রৈলোক্যনাথ আমার জন্ম বৎসর ১৮৭৫। গ্রামের নাম বহরকালুখালি। কালুখালি স্টেশন হইতে এ গ্রামের দূরত্ব ছিল প্রায় দুই মাইল। পোড়াদহ হইতে গোয়ালন্দ রেলপথে জগতি, কুষ্টিয়া, কোর্ট, ‍কুষ্টিয়া (পরে কুষ্টিয়ার পূর্বদিকে গড়াই নদীর ব্রিজ পাড়ে চরাইখোল নামক একটি স্টেশন হয়)।

এদেশের রেল বিকাশ

অষ্টদশ শতাব্দীর পূর্বে যাতায়াত ও যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল স্বল্পগতিসম্পন্ন পশুতে টাকা গাড়ি, মানুষে টাকা পালকি, পাল তোলা নৌকা ইত্যাদি। বাস্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের পর থেকে দ্রুতগতিসম্পন্ন যানবাহনের সাহায্যে যোগাযোগ সহজ ও দ্রুত হতে থাকে। আজকের দিনে টেলিফোন, মুঠোফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট যোগাযোগের গতি, আলোর গতির সমানে এনে দিয়েছে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে সারা পৃথিবী যেন মুঠোর মধ্যে। এতদ্বসত্ত্বেও কোনো দেশেই রেলের গুরুত্ব হ্রাস পায়নি। বরং স্বল্প খরচ, নিরাপদ, আরামদায়ক যাতায়াত হিসেবে জাপান, ভারত, চীন, ইউরোপ, আমেরিকা রেলের গতি বৃ্দ্ধিতে নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও ব্যবহার বৃদ্ধি করে চলছে। পর্যায়ক্রমিক পালের গতি, অশ্বের গতি, ইঞ্জিনের গতি এবং বর্তমান ব্যবহৃত আলোর গতি সভ্যতা বিকাশের ধারাবাহিক পরিমাপক।

মগ, পর্তুগীজ, ফিরিঙ্গী-জলদস্যুদের আবির্ভাব

মগের মুল্লুক, বোম্বেটে, হার্মাদ, ফিরিঙ্গী এ অঞ্চলে তথা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ ও বিদ্রুপাত্মক শব্দ। এছাড়া পেঁপে, পেয়ারা, কামরাঙ্গা, বাদমী, আমলকী, বেদানা, কমলা, বরান্দা, বোডার্স, বোতল, বালতি, গামলা, পেরেক, মাস্তুল, তুফান, কামান, পিস্তল, গীর্জা, পাদ্রী, মিস্ত্রী, এসব শব্দ পর্তুগীজ ও ফিরিঙ্গীদের থেকে এসেছে।

গড়াই জন্মস্থানে গৌড়ী বলে পরিচিত

গড়াই জন্মস্থানে গৌড়ী বলে পরিচিত। গড়াইয়ের প্রথম জন্ম কুষ্টিয়ার আমলা সদরপুরের বিল হতে। গড়াই জয়নাবাদ লাহিনী পাড়ার সাঁওতার পূর্বদিকে কুমারখালি, খোকসা, হিজলাবাদ, জালসুকা, লাঙ্গলবন্দ, আমলাসার, তারাউজল হয়ে ক্রমে দক্ষিণ দিকে নারুয়া সমাধিনগর কামারখালির দিকে প্রবাহিত হয়ে শেষে মধুমতি, এলানজানি, বালেশ্বররূপে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।

মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায় একজন খ্যাতনামা বাঙালি বিচারপতি

মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায় (২৮ অক্টোবর ১৮৭৪ - ১৯৪২) একজন খ্যাতনামা বাঙালি বিচারপতি ও আইনশাস্ত্র রচয়িতা। নাইট উপাধি পাওয়ার পর তিনি স্যার মন্মথনাথ নামে খ্যাত হয়েছিলেন।

ভাষা আন্দোলন ও মওলানা ভাসানী

১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ব্রিটিশদের করালগ্রাস থেকে পাকিস্তান নামক একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করলে অনেক স্বপ্ন আর আশা নিয়ে মওলানা ভাসানী আসামের কারাগার থেকে স্বাধীন পাকিস্তানে ফিরে আসেন। এরপর তিনি ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারীতে দক্ষিণ টাঙ্গাইলের একটি আসন থেকে মুসলিম লীগ প্রার্থী হিসেবে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় পূর্ববঙ্গ ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত হন।

২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২: পুরাতন কলাভবন প্রাঙ্গণ, ১৪৪ ধারা ভঙ্গের প্রাক্কালে।

ভাষা আন্দোলনের মতো আবেগিক বিষয়ের পুনরায় জোরালো হবার পেছনে ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দিনের ভাষণ প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন খাজা নাজিমুদ্দিন ২৫ জানুয়ারি ঢাকায় আসেন এবং ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের এক জনসভায় দীর্ঘ ভাষণ দেন। তিনি মূলত জিন্নাহ্'র কথারই পুনরুক্তি করে বলেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু। রেডিওতে সরাসরি সম্প্রচারিত তাঁর ভাষণে তিনি আরো উল্লেখ করেন যে কোনো জাতি দু'টি রাষ্ট্রভাষা নিয়ে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে পারেনি।

বাংলা ভাষা আন্দোলন

বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবীর বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজ বপিত হয়েছিল বহু আগে, অন্যদিকে এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।

কুষ্টিয়ার রাষ্ট্র ভাষার আন্দোলন

পটভূমি: ১৯৪৭ সালের ১৪ইআগষ্ট পাকিস্তান ১৫ই আগষ্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। এর পর থেকেই দেশদুটিতে রাষ্ট্রভাষা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বহুভাষিক ভারতে তখন কোন সর্বভারতীয় ভাষা ছিল না। এজন্য ব্রাহ্মণ্যবাদী রাষ্ট্রনায়কগণ এক ভাষার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ জাতীয়তাবোধ গঠনের লক্ষ্যে ভারতের একটি আঞ্চলিক ভাষা হিন্দীকে রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতের রাষ্ট্রভাষার এ ঘোষণাকে বাংলা ভাষাভাষী হিন্দুরাও মেনে নিয়েছিল।

পদ্মা নদী

পদ্মা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী। এটি হিমালয়ে উৎপন্ন গঙ্গানদীর প্রধান শাখা এবং বাংলাদেশের ২য় দীর্ঘতম নদী। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী এই পদ্মার উত্তর তীরে অবস্থিত। পদ্মার সর্বোচ্চ গভীরতা ১,৫৭১ ফুট (৪৭৯ মিটার) এবং গড় গভীরতা ৯৬৮ফুট (২৯৫ মিটার)। বাংলাদেশে নদীটির দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১০ কিলোমিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক পদ্মা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-কেন্দ্রীয় অঞ্চলের নদী নং ৩২।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি বিশেষ দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১০ থেকে ১৪ই ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সকল বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ কাজে বাংলাদেশীদের মধ্যে রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনীর লোকেরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।

ঝিনাইদহ মুক্ত দিবস ৬ই ডিসেম্বর

৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক ঝিনাইদহ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে যশোরের সঙ্গে একইদিন পাকহানাদার মুক্ত হয়েছিল ঝিনাইদহ জেলা। উড়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। চালু হয়েছিল ঝিনাইদহে অসামরিক প্রশাসন। অসহযোগ প্রস্তুতিপর্ব, প্রতিরোধ, গেরিলা আক্রমণ ও শেষে সম্মুখ সমরে বিজয় অর্জন-১৯৭১ সালের এই চারটি পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝিনাইদহের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতা যুদ্ধে জেলায় প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালীতে। এছাড়া শৈলকুৃপা থানা আক্রমণ, কামান্না, আলফাপুর ও আবাইপুরের যুদ্ধ আজও স্মৃতিতে অম্লান।

চুয়াডাঙ্গা মুক্ত দিবস ৭ ডিসেম্বর

৭ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল। চুয়াডাঙ্গা তথা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। বর্তমানে জেলা সদর চুয়াডাঙ্গা ৯ মাসব্যাপী স্বাধীনতা যুদ্ধের পর দখলদার ও হানাদার বাহিনীর দখলমুক্ত হয়। এদিনে চুয়াডাঙ্গা হয় মুক্ত বা স্বাধীন। চুয়াডাঙ্গা মুক্ত হবার পরিস্থিতিটা সৃষ্টি হয় মূলতঃ ডিসেম্বর মাসের প্রথম থেকেই। ডিসেম্বর মাসের প্রথম থেকেই চুয়াডাঙ্গা মহকুমার সর্বত্র ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে মুক্তিযুদ্ধ জোরদার হতে থাকে। এরই ফলশ্রুতিতে ৬ ডিসেম্বর পরিস্থিতি হয়ে ওঠে চরম উত্তেজনাকর।

১৮ই ডিসেম্বর রাজবাড়ী মুক্ত দিবস

রাজবাড়ী শহর মূলত রেলওয়ে শহর হিসেবে পরিচিত। রেলের শহরের সুবাদে এখানে ১৫-২০ হাজার বিহারীদের বসবাস ছিলো। শহরের নিউ কলোনি, আঠাশ কলোনি, স্টেশন কলোনি ও লোকোশেড কলোনি এলাকায় ছিলো তাদের বসবাস। পাকিস্তান আমলে এদের প্রচণ্ড দাপট ছিলো। পুরো রেলই ছিলো তাদের দখলে।

কুষ্টিয়ার গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধ

ঊনবিংশ শতাব্দির শেষভাগে কুষ্টিয়ার সন্তান মীর মশাররফ হোসেন রচনা করেন তাঁর অমরগ্রন্থ 'বিষাদ সিন্ধু'। কিন্তু প্রায় শতবর্ষ পর তারই জন্মভূমিতে যে আর একটি বিষাদ সিন্ধু রচিত হতে যাচ্ছে তা কি তিনি ভাবতে পেরেছিলেন? ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে হিংস্র পাক শ্বাপদরা আঘাত হানে লালনের দেশ কুষ্টিয়ায়। শুরু করে ধ্বংস ও হত্যাযজ্ঞ। কিন্তু কুষ্টিয়ার বাঘা যতীনের অনুসারীরা তাদের রুখে দিয়ে ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতা। কুষ্টিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সেই বিজয় আখ্যান বর্ণনা করেছেন ইত্তেফাকের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু।

সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার দৈনিক সংবাদপত্র

মাতৃমমতায় ভরা আমাদের প্রিয় এই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ কুষ্টিয়া।সাহিত্য-সংস্কৃতির অপরুপ সম্ভারের পরিপূর্ণ কুষ্টিয়া বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী যেমন তেমনি দৈনিক সংবাদপত্রের জেলা হিসেবে পরিচিত এক অনবদ্য। আবার কুষ্টিয়াকে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী স্থাপিত করে বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ইতিহাস রচিত হয়।

মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানীঃ শহীদ শহিদুল ইসলাম

ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন, সার্কিট কিংবা পাওয়ার হয়ত এই গুলো ছিল তাঁর আকর্ষণের বস্তু। স্বপ্ন ও লক্ষ্য ছিল তড়িৎ প্রকৌশলী হবার। সেই লক্ষ্যে পূরণের শেষ ধাপ অতিক্রম করতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং এর শেষ বর্ষে থাকতেই ডাক আসে দেশ মাতৃকা কে বাঁচানোর। অমোঘ সেই ডাক কে উপেক্ষা করতে পারেননি তিনি। তাই যুদ্ধ করে নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে স্বাধীন করে গেছেন আমাদের বাংলাদেশ কে।

মুক্তিযুদ্ধের নীরব সাক্ষী কুষ্টিয়ার দুর্বাচারা

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম বাঙালী জাতির ইতিহাসে এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়। মাত্র নয় মাসের যুদ্ধে বর্বর পাক বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয়ার এমন নজির পৃথিবীর ইতিহাসে অতি বিরল। এ স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালীকে হারাতে হয়েছে ত্রিশ লাখ তাজা প্রাণ, অসংখ্য মা-বোনের সম্ভ্রব আর অপরিমিত ধন সম্পদ। তবু এক বুক রক্তের বিনিময়ে বাঙালী পেয়েছে রক্তিম স্বাধীনতা। তাই বাংলার মুক্তিযুদ্ধ পৃথিবীর নির্যাতিত ও পরাধীনতার গ্লানিতে দগ্ধ মুক্তিপাগল মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে রয়েছে।

  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

জনপ্রিয় তথ্য

বারে বারে আর আসা হবে না মঙ্গলবার, 19 ফেব্রুয়ারী 2019
বারে বারে আর আসা হবে না তুমি ভেবেছো কি মনে তুমি ভেবেছো কি মনে এই ত্রিভুবনে তুমি যাহা করে গেলে, কেহ জানেনা ?
ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় মঙ্গলবার, 19 ফেব্রুয়ারী 2019
ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু বাঁকা শ্যামরায় ও দয়াল তোমার লীলা বোঝা দায় দীনের বন্ধু করুণা সিন্ধু, বাঁকা শ্যামরায়।।
এখনো সেই বৃন্দাবনে মঙ্গলবার, 19 ফেব্রুয়ারী 2019
এখনো সেই বৃন্দাবনে এখনো সেই বৃন্দাবনে বাঁশি বাজে রে এখনো সেই বৃন্দাবনে বাঁশি বাজে রে। ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে ময়ূর নাচে রে।।
ভবা পাগলা মঙ্গলবার, 19 ফেব্রুয়ারী 2019
ভবা পাগলা ভবা পাগলা (১৮৯৭-১৯৮৪) আসল নাম ‘ভবেন্দ্র মোহন সাহা’। তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৮৯৭ খৃস্টাব্দে। তাঁর পিতার নাম ‘গজেন্দ্র কুমার সাহা’। ভবা পাগলারা ছিলেন...
মুহাম্মদের একটি ডালে পাঁচটি ফুল তাঁর ফুটেছে মুহাম্মদের একটি ডালে পাঁচটি ফুল তাঁর ফুটেছে মুহাম্মদের একটি ডালে, পাঁচটি ফুল তাঁর ফুটেছে।।
কুলমান সঁপিলাম তোমারে বন্ধুয়ারে কুলমান সঁপিলাম তোমারে বন্ধুয়ারে কুলমান সঁপিলাম তোমারে বন্ধুয়ারে।। কুল দাও কি ডুবায়ে মারো।। জ্বালায় তোমার অন্তরে...
কোন মিস্ত্রি নাউ বানাইলো মঙ্গলবার, 02 আগস্ট 2016
কোন মিস্ত্রি নাউ বানাইলো কোন মেস্তরি নাও বানাইলো কেমন দেখা যায় কোন মেস্তরি নাও বানাইলো কেমন দেখা যায় ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী...
কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু মঙ্গলবার, 02 আগস্ট 2016
কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু ছেড়ে যাইবা যদি
যে গুণে বন্ধুরে পাবো, সে গুণ আমার নাই! যে গুণে বন্ধুরে পাবো, সে গুণ আমার নাই যে গুণে বন্ধুরে পাবো সে গুণ আমার নাই গো সে গুণ আমার নাই
গান গাই আমার মনরে বুঝাই মঙ্গলবার, 02 আগস্ট 2016
গান গাই আমার মনরে বুঝাই গান গাই আমার মনরে বুঝাই গান গাই আমার মনরে বুঝাই মন থাকে পাগলপারা

® সর্ব-সংরক্ষিত কুষ্টিয়াশহর.কম™ 2014-2019

1063347
আজকের ভিজিটরঃ আজকের ভিজিটরঃ 337

Made in kushtia

Go to top