প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233
খালি কার্ট

মোহিনী মোহন চক্রবর্তীর ছিল মোহিনী মিল

ভারতের প্রখ্যাত সুতা ব্যবসায়ী মোহিনী মোহন চক্রবর্তী। নদীপথে নিরাপদ যাতায়াত আর উন্নত রেল যোগাযোগের কারণে তিনি কুষ্টিয়ার বড় স্টেশনসংলগ্ন জায়গায় একটি সুতা মিল স্থাপনের উদ্যোগ নেন। ১৯০৮ সালে মিলপাড়া এলাকায় ১০০ একর জায়গার ওপর নির্মাণ করেন মোহিনী মিল। সে সময় সুদূর ইংল্যান্ড থেকে পিতলের হ্যান্ডলুম মেশিন আর পিতলের তৈরি প্রায় ২০০ তাঁত আমদানি করে বসিয়েছিলেন তার মিলে। এ সময় ভারতবর্ষের কয়েকটি জায়গায় এ ধরনের আধুনিক সুতার কলের মধ্যে মোহিনী মিল ছিল অন্যতম। এখানে প্রায় ৩০০ শ্রমিক কাজ করতেন। এ মিলে উৎপাদিত সুতা ভারতবর্ষের সব প্রদেশ ছাড়াও বার্মা, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় যেত। সে সময় কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রকল মোহিনী মিল ছিল অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি।

রাত দিন কুষ্টিয়া বড় স্টেশনে ভারতের শিয়ালদহ থেকে কয়েকটি বগি রিজার্ভ আসত মোহিনী মিলের সুতা নেয়ার জন্য। আবার বড়বাজার গড়াই নদীর ঘাট থেকে বড় বড় নৌকায় সুতা যেত দেশের বিভিন্ন জায়গায়। পাবনা, শাহজাদপুর, গাজীপুর, নাটোরসহ দেশের প্রায় সব এলাকা থেকে তাঁতীরা এখানে আসতেন সুতা কিনতে। মোহিনী মিলের এ গোল্ডেন যুগ একটানা ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত চলে। সে সময় ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানিরা এ দেশে হিন্দু সম্পত্তির ওপর একটু বাঁকা নজর ফেলতে থাকে। ’৬৫ সালের শেষের দিকে মোহিনী মিলের মালিক মোহিনী মোহন চক্রবর্তীর ওপর নেমে আসে সাম্প্রদায়িক থাবা। রাতের আঁধারে মিলের ভেতর প্রবেশ করে লুটপাট চালিয়ে মালিক পক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় তারা। একদিন প্রাণভয়ে রাতের আঁধারে শুধু স্ত্রী, সন্তানকে নিয়ে মিলের মৌখিক মালিকানা স্বত্বের বিনিময়ে সবকিছু ছেড়ে এ দেশ ছাড়তে হয় মোহিনী বাবুকে। এরপর পাকিস্তানিদের ইশারায় মিলের এমডি কানু বাবু মোহিনী মিলের সর্বময় কর্তা বনে যান। এর মধ্যে চলে আসে স্বাধীনতা যুদ্ধ। স্বাধীনতা যুদ্ধে কানু বাবুরা এ দেশ ছেড়ে চলে যান। মালিকানাহীন মিলটি পড়ে থাকে বেশ কয়েক বছর।

দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭নং আদেশ বলে মিলটি জাতীয়করণ করে বাংলাদেশ বস্ত্র শিল্প করপোরেশনের পরিচালনায় ন্যস্ত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি কিছুদিন চালু থাকার পর আবার বন্ধ হয়ে যায়। অত্যধিক লোকসানজনিত কারণে বাণিজ্যিকভিত্তিতে চালানোর অযোগ্য বিবেচিত হওয়ায় ১৯৮১ সালের ১২ জুনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে মিলটি গুটিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ১৯৮২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মিলটি বন্ধ করে দেয়া হয়। একই সঙ্গে মিলটির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে দায়-দেনা মেটানোর জন্য একজন লিকুইডেটর নিয়োগ দেয়া হয়। মিলটির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ দরদাতা নজরুল ইসলামের কাছে ১১ কোটি ২৬ লাখ টাকায় এক বিক্রয় চুক্তিমূলে ১৯৮৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর হস্তান্তর করা হয়। ১৯৮৬ সালের ২০ জানুয়ারি এক ত্রিপক্ষীয় চুক্তিমূলে গুটানো মোহিনী মিলের হস্তান্তরিত সম্পত্তির ক্রেতা নজরুল ইসলামের স্থলে মেসার্স শাহ মখদুম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের নামে গ্রহণ করা হয় এবং ওই কোম্পানি নজরুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হয়। ক্রেতা কোম্পানি তাদের নিজস্ব সম্পত্তি বন্ধক রেখে এবং গুটানো মোহিনী মিলের সম্পত্তির ওপর ২য় চার্জ সৃষ্টি করে অগ্রণী ব্যাংক কুষ্টিয়া বড়বাজার শাখা হতে প্রায় ৭ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করে। কিন্তু মিলের পুরনো অংশটি পুনরায় চালু করার শর্ত জুড়ে দেয়ার কারণে কাক্সিক্ষত ও গুণগত উৎপাদন না হওয়ার ফলে মালিক পক্ষকে কোটি কোটি টাকা লোকসান দিতে হয়। এ লোকসানের কারণে ১৯৮৮ সালের ২৫ মে মিলটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯১ সালের ২০ জানুয়ারি মিলটি বিক্রির জন্য আবারও দরপত্র ডাকা হয়। তখন অগ্রণী ব্যাংক ও নজরুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করলে বিক্রি কার্যক্রম স্থগিত হয়।

২০০৯ সালে শাহ্ মখদুম তৃতীয় আরেকটি পক্ষ দ্য পিপলস ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস করপোরেশন (পিডিএসসি) লিমিটেডের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলটি চালুর চুক্তি করে। চুক্তিতে বলা হয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের হিসাবে সরকার মোহিনী মিল বাবদ ক্রেতার (নজরুল) কাছ থেকে বিক্রীত মূল্য, সরকারের হাতে থাকার সময়ে নেয়া ঋণ ও অনুদানের সুদ-আসলে (১৯৮৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত) মিলে ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ ৭৩ হাজার টাকা পাবে। এর মধ্যে ৩০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা চুক্তি স্বাক্ষরের তিন মাস এবং বাকি ১৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা পরবর্তী এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। ২০০৯ সালের ১০ ডিসেম্বর করা ওই চুক্তিতে বলা হয়, আগের মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিতে পারবে না। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পাওনা পরিশোধ করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে মন্ত্রণালয় আবদুল মতিন নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আবার একই দামে বিক্রির চুক্তি করে। কিন্তু তখনো সঙ্গে ছিল পিডিএসসি। চুক্তি অনুযায়ী, সরকারকে এক কোটি ১০ লাখ এবং অগ্রণী ব্যাংককে ১১ কোটি টাকা পরিশোধ করে ২০১১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা মিলটি চালায়। এরপর বন্ধ হয়ে যাওয়া মিলটি বর্তমান ইনারগোটেক লিমিটেডের হাতে বন্দি। মিলের ৯৯ বিঘা সম্পত্তির মধ্যে কারখানা আছে প্রায় ২৮ বিঘা জমির ওপর। কারখানার ভেতরের যন্ত্রাংশ পরিত্যক্ত। বিএমআরই ইউনিট এখন বন্ধ। ওই জমিতে চারটি মসজিদ, চারটি মন্দির, একটি স্কুল, একটি কলেজ, খেলার মাঠ, একটি দাতব্য হাসপাতাল রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, পুরো জায়গা কুষ্টিয়া পৌরসভার ভেতরে হওয়ায় এখানকার জমির কাঠাপ্রতি দাম বর্তমানে ১০ লাখ টাকার ওপরে। সেই হিসাবে ৯৯ বিঘা জমির বাজারদর ১৯৮ কোটি টাকা। যোগাযোগ করা হলে বর্তমান ক্রেতা আরিফুর রহমান বলেন, ‘সমস্ত দায়-দেনা ও আইনগত বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মিলটি কিনেছি।’ মিলের জায়গায় কী করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিএমআরই ইউনিটটি চালু করব। তারপর অন্য কোনো কারখানা স্থাপন করব।’ তবে বাজেয়াপ্ত এবং আবার চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করার পরও মিল হস্তান্তর করার আইনগত অধিকার আছে কিনাÑ জানতে চাইলে শাহ্ মখদুম মিলস লিমিটেডের বর্তমান চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন মুঠোফোনে বলেন, ‘ঋণের বোঝা থেকে নিজেদের মুক্ত করতেই মিলটি হস্তান্তর করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েই পুরো বিষয়টি করা হয়েছে।’

এদিকে কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী মোহিনী মিল আবার হাত বদল হচ্ছে। ৯৯ বিঘা জমিসহ মিলটি ইনারগোটেক লিমিটেডের কাছে হস্তান্তর করতে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে। এ নিয়ে পাঁচবার মিলটি হস্তান্তর করছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ হস্তান্তরে জমিসহ মিলটির দাম ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। তবে মন্ত্রণালয় এই মূল্য নির্ধারণ করেছে ২০০৯ সালের ডিসেম্বরের পর্যালোচনা অনুযায়ী। এর মধ্যে কয়েক বছর পার হয়েছে। এই সময়ে হস্তান্তরের জন্য আরও তিন দফা চুক্তি হয়েছিল তিনটি পক্ষের সঙ্গে। কিন্তু তারা সময়মতো টাকা না দেয়ায় ইনারগোটেক লিমিটেডের মালিক আরিফুর রহমানের সঙ্গে সর্বশেষ চুক্তি হয়। তবে মিলটি হস্তান্তরে শাহ্ মখদুম কর্তৃপক্ষের আইনগত অধিকার নিয়েই প্রশ্ন আছে। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে ১১ কোটি টাকায় নিলামে মিলটি কিনে নিয়েছিল। কিন্তু তারা পুরো টাকা পরিশোধ না করায় একবার তাদের পরিশোধ করা টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ইনারগোটেক সরকারকে তিন মাসে ৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ করবে। আর এই জমি বন্দক রেখে শাহ্ মখদুমের মালিক নজরুল ইসলামের নেয়া ঋণের সুদাসলসহ ব্যাংকের পাওনা বাবদ ১০ থেকে ১২ কোটি টাকাও পরিশোধ করতে হবে বর্তমান মালিককে। আর শাহ্ মখদুম ও দিনার কর্তৃপক্ষকেও ২০ দিনের মধ্যে ৬ কোটি টাকা করে দিতে হবে নতুন ক্রেতাকে। তা ছাড়া আবদুল মতিন, পিডিএসসি ও এম আসলামের যে টাকা সরকারকে দিয়েছিলেন, তা-ও পরিশোধ করতে হবে ইনারগোটেককে।

ইনারগোটেক ইতিমধ্যে সরকারকে ১০ কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি ৩৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা প্রতি তিন মাস অন্তর সমান চার কিস্তিতে পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। তবে পরপর দুটি কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলে ইনারগোটেকের সঙ্গে করা চুক্তিটি বাতিল বলে গণ্য হবে। আর মিলটি বিক্রি করতে হলে ইনারগোটেককে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে। ১০ কোটি টাকা পরিশোধ করার পর মন্ত্রণালয় ২০১২ সালের ২৬ আগস্ট কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসককে মিলটি ইনারগোটেক কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দিতে চিঠি দেয়। ইনারগোটেককে মিলের পুরনো যন্ত্রাংশ বিক্রি করার অনুমতিও দেয় মন্ত্রণালয়।

মন্তব্য


নিরাপত্তা কোড
রিফ্রেশ

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

জনপ্রিয় তথ্য

বাউল সম্রাট ফকির লালন শাঁইজীর ১২৭তম তিরোধান দিবস 127th Departure Day Of Fakir Lalon Shah তিনি ১লা কার্ত্তিক ১২৯৭ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ১৭ অক্টোবর ১৮৯০...
লালন শাহ ও আত্নদর্শন - দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ এদেশে মুসলমানদের আধিপত্য বিস্তারের সুচনা থেকে হিন্দু ও মুসলিম এ উভয় সম্প্রদায়কে একই ভাবাদর্শের...
আবদুল জব্বার এবং গীতিকার আমিরুল ইসলাম বাংলা গানের কিংবদন্তি ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠসৈনিক আব্দুল জব্বারের মৃত্যুতে সংগীত...
কুষ্টিয়া শিল্প প্রতিষ্ঠান Kushtia industry বৃহৎ, মাঝারী, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জন্য কুষ্টিয়ার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।...
গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের রুপকার - কামরুল ইসলাম সিদ্দিক কামরুল ইসলাম সিদ্দিক (জন্মঃ ২০ জানুয়ারি ১৯৪৫, মৃত্যুঃ ১ সেপ্টেম্বর ২০০৮) বাংলাদেশের গ্রামীন...
কারে বলছো মাগী মাগী মঙ্গলবার, 29 আগস্ট 2017
কারে বলছো মাগী মাগী কারে বলছো মাগী মাগী সে বিনে (ঘাট) এড়াইতে পারে কোন বা মহৎ যোগী।।
কোন পথে যাবি মন ঠিক হলো না শনিবার, 12 ডিসেম্বর 2015
কোন পথে যাবি মন ঠিক হলো না কোন পথে যাবি মন ঠিক হলো না কর লাফালাফি সার কাজে শুন্যকার টাকশালে পড়লে যাবে জানা।।
কর সাধনা মায়ায় ভুলোনা মঙ্গলবার, 29 আগস্ট 2017
কর সাধনা মায়ায় ভুলোনা কর সাধনা মায়ায় ভুলোনা মায়াতে ভুললে পরে রতন মিলেনা ।।
যার ভাবে মুড়েছি মাথা মঙ্গলবার, 29 আগস্ট 2017
যার ভাবে মুড়েছি মাথা যার ভাবে মুড়েছি মাথা সে জানে আর আমি জানি আর কে জানে মনের কথা।।
জান গা পদ্ম নিরূপণ মঙ্গলবার, 29 আগস্ট 2017
জান গা পদ্ম নিরূপণ জান গা পদ্ম নিরূপণ। কোথায় জীবের স্থিতি কোন পদ্মে গুরুর আসন।।

    ® সর্ব-সংরক্ষিত কুষ্টিয়াশহর.কম™ ২০১৪ - ২০১৭

    724925
    আজকের ভিজিটরঃ আজকের ভিজিটরঃ 822

    Made in kushtia

    Real time web analytics, Heat map tracking
    Go to top