প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233
খালি কার্ট

আধুনিক মুসলিম সাহিত্যের অগ্রসৈনিক: মীর মশাররফ হোসেন

বহু প্রতিভার অধিকারী, মানব দরদী, সমাজ হিতৈষী মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার নিকটবর্তী লাহিনী পাড়া গ্রামে বিখ্যাত সৈয়দ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।

মীর মশাররফ হোসেন বাংলার মুসলমান সমাজে আধুনিক সাহিত্য ধারার সূচনা করেন। আধুনিক যুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিকদের অগ্রদূত ও বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়। মীর মশাররফ হোসেন তার বহুমুখী প্রতিভার মাধ্যমে উপন্যাস, নাটক, প্রহসন, কাব্য ও প্রবন্ধ রচনা করে আধুনিক যুগে মুসলিম রচিত বাংলা সাহিত্যে সমৃদ্ধ ধারার প্রবর্তন করেন। জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতাকে তিনি তার রচনাবলীর বৈচিত্র্যময় আঙ্গিকে রূপদান করেছেন। শৈশবে মীর মশাররফ হোসেন প্রথমে গ্রাম্য পাঠশালায় শিক্ষা গ্রহণ করেন, পরে কিছুদিন তিনি কুষ্টিয়া ইংরেজি স্কুলে এবং একবছর পদমদীর নবাব স্কুলে লেখাপড়া করেন। ফরিদপুরের পদমদী স্কুলে লেখাপড়ার সময় তিনি ১৮৬৪ খ্রিষ্টাব্দে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হন। সম্ভবত: এর বেশি লেখাপড়ার সুযোগ তার ঘটেনি। কর্মজীবনের শুরুতেই তিনি কিছুদিন ফরিদপুরের পদমদী নবাব এস্টেটে এবং কলকাতায় কর্মরত ছিলেন। পরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার জমিদারী এস্টেটে ম্যানেজারিতেই কর্ম জীবনের অধিকাংশ সময় অতিবাহিত করেন। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার এস্টেটে কাজের সময়টাকেই তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় মনে করা হয়। কারণ এখান থেকেই তিনি সামাজিক ও সাহিত্যে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী ‘গ্রাম্য বার্তা’ সম্পাদক হরিণাথ মজুমদার ওরফে ‘কাঙাল হরিণাথ’ তার সাহিত্য গুরু ছিলেন। তৎকালীন তিনি এই ‘গ্রাম্য বার্তা’ এবং ঈশ্বর গুপ্তের ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকা দুটিতে সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। তার আগে বাংলা গদ্য সাহিত্যে কোনো উল্লেখযোগ্য মুসলমান সাহিত্যসেবী দেখা যায় না। আধুনিক যুগে মুসলমান সাহিত্যসেবীদের মধ্যে মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন অগ্রপথিক। তার সাহিত্য কর্ম পরবর্তীকালে বহু মুসলিম সাহিত্য সাধককে সাহিত্য চর্চায় অনুপ্রাণিত করেছিল।

অতি অল্প বয়সেই তার সাহিত্য প্রতিভা বিকশিত হয়। তার প্রথম গ্রন্থ ‘রত্নবতী’ নামক উপন্যাস ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ২ সেপ্টেম্বর মাত্র ২১ বছর বয়সে রচিত ও প্রকাশিত হয়। তার সর্বশেষ গ্রন্থ ‘আমার জীবনী’ এটি ১২ খণ্ডে ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। তার ‘জমিদার দর্পণ’ নাটক আত্মজীবনীমূলক, ‘উদাস পথিকের মনের কথা’ তার ব্যঙ্গ-বিদ্রুপাত্মক রচনা। ‘গাজী মিয়ার বস্তানী’ বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। কারবালার বিষাদময় ঘটনা নিয়ে লেখা সর্ববৃহৎ উপন্যাস ‘বিষাদ সিন্ধু’ (১৮৮৫-১৮৯১ খ্রি:) তার শ্রেষ্ঠ রচনা। মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ রচনা ‘বিষাদ সিন্ধু’ সেই ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে আজ অবধি প্রায় ১২০ বছর ধরে বাঙালি পাঠকের হৃদয়ে সমাদৃত আসন দখল করে আছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা:) এর দৌহিত্র ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের সঙ্গে দামেস্কের অধিপতি এজিদের বিরোধ ‘বিষাদ সিন্ধু’ গ্রন্থে প্রধান ঘটনা। তার এই বিখ্যাত গ্রন্থ ‘বিষাদ সিন্ধু’ (১৮৮৫-১৮৯১ খ্রি:) তাকে বাঙালি পাঠক সমাজ তথা মুসলিম বিশ্ব চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

মীর মশাররফ হোসেন বাংলা কাব্য, প্রবন্ধ উপন্যাস রচনা করে আধুনিক যুগে মুসলিম বাংলা সাহিত্যের এক নব্য সমৃদ্ধ ধারার প্রবর্তন করেন। সাহিত্য রস গ্রন্থ রচনাতেও তিনি বিশেষ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। এ ছাড়া উপন্যাস ‘রতœাবতী’ থেকে ‘বিবি কুলসুম বা আমার জীবনীর জীবনী’ প্রকাশের মধ্যবর্তী সময়ে উপন্যাস, নাটক, প্রহসন, কাব্য, গীতি নাট্য, প্রবন্ধ, সাহিত্য, সমাজ চিত্র প্রভৃতি নানা বিষয়ে তার প্রকাশিত, অপ্রকাশিত ৩৫ খানা গ্রন্থের সন্ধান পাওয়া গেছে।

উপন্যাস : রত্নবতী (২রা সেপ্টেম্বর ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দ), বিষাদ সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দ), উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০-১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দ), গাজী মিয়ার বস্তানী (১৮৯৮-১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ) রস রচনা, তহমিনা (১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ), বাঁধা খাতা (১৯০০ খ্রিষ্টাব্দ), নিয়তি কি অবনতি (১৯০২ খ্রিষ্টাব্দ)।

নাটক : বসন্ত কুমারী (১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দ), জমিদার দর্পণ (১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দ), বেহুলা গীতা ভিনয় (১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দ) গীতি নাট্য। নাটক : বসন্ত কুমারী (১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দ), জমিদার দর্পণ (১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দ), বেহুলা গীতা ভিনয় (১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দ) গীতি নাট্য।

যাত্রা : টালা অভিয়ন (১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ)।

প্রহসন : এর উপায় কি? (১৮৭৬ খ্রিষ্টাব্দ), ভাই ভাই এইতো চাই (১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দ), ফাঁস কাগজ (১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দ), একি? (১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দ)।

প্রবন্ধ : গো-জীবন (১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দ), মুসলমানের বাংলা শিক্ষা (১৯০৩-১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ)। জীবনী : আমার জীবনী (১৯০৮-১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ), হযরত ইউসুফ (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ), বিবি কুলসুম বা আমার জীবনীর জীবনী (১৯১০ খ্রিষ্টাব্দ)।

কাব্য : গোরাই ব্রীজ বা গৌরী সেতু (১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দ), সঙ্গীত লহরী (১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দ), পঞ্চনারী (১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দ), মৌলুদ শরীফ (১৯০২ খ্রিষ্টাব্দ) গদ্য, পদ্য।

ধর্মীয় গ্রন্থ : খোত্বা (১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দ), প্রেম পরিজাত (১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দ), বিবি খোদেজার বিবাহ (১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দ), হযরত বেলালের জীবনী (১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দ), হযরত ওমরের ধর্ম জীবন লাভ (১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দ), হযরত আমীর হামজার ধর্ম জীবন লাভ (১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দ), মদীনার গৌরব (১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দ), মোসলেম বীরত্ব (১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দ), বাজী মাৎ (১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ), ইসলামের জয় (১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ) গদ্য ও পদ্য।

পত্র-পত্রিকা : ‘হিতকরী’ নামক সাপ্তাহিক পত্রিকা পরিচালনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ‘আজিজন নেহার’ নামক মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

মীর মশাররফ হোসেনের পূর্বে, বাংলা সাহিত্যে কোনো উল্লেখযোগ্য মুসলিম সাহিত্যসেবী দেখা যায় না। মুসলমানদের মধ্যে তিনি আধুনিক সাহিত্যের প্রথম সার্থক সাধক ও স্রষ্টা। তার সাহিত্যের ভাষা প্রাণোচ্ছল ও বেগবান। আধুনিক যুগের মুসলিম বাংলা সাহিত্যের বহু প্রতিভার অধিকারী, সমাজ হিতৈষী মীর মশাররফ হোসেন তার নানা কাব্য ও সাহিত্যে বাংলার মুসলমানকে প্রাচীন মুসলিম গৌরব ও ঐতিহ্যে উদ্বুদ্ধ করার প্রয়াস পেয়েছিলেন। তিনি একাধারে ছিলেন কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, জীবনীকার ও শ্রেষ্ঠ সমাজ সচেতন ব্যক্তি।

বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ রূপকার, মুসলমান সমাজের পথ প্রদর্শক মীর মশাররফ হোসেন ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ ডিসেম্বর প্রায় ৬৪ বছর বয়সে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।

তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

তথ্য সুত্রঃ- দৈনিক নয়া দিগন্ত

মন্তব্য


নিরাপত্তা কোড
রিফ্রেশ

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

জনপ্রিয় তথ্য

পোড়াদাহ কাপড়ের হাট কুষ্টিয়া জেলা তথা দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে জেলার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ রেলওয়ে...
অধ্যাক্ষ সামসুল  হক কোরায়শী দৌলতপুরের হীরের টুকরো দৌলতপুরের হীরের টুকরো। অধ্যাক্ষ সামসুল হক কোরায়শী একজন লেখক ও শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯৩৭ সালে দৌলতপুর...
 সুজাউদ্দিন আহমেদ মানুষ গড়ার শ্রেষ্ঠ কারিগর সুজাউদ্দিন আহমেদ (জন্মঃ ১৯১৬ ইং, মৃত্যুঃ ২২-০৯-১৯৯৩ইং) কুষ্টিয়া মহকুমার দৌলতপুর থানার আদাবাড়িয়া...
স্মৃতির পাতায় প্রফেসর নুরুল ইসলাম দৌলতপুর থানার কাপড় পোড়া গ্রামে ৩০/০৩/১৯৪২ সাল জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম: কসিম উদ্দিন। মাতা মোছা...
মানবতাবাদী লালন: বাউল গানের অগ্রদূত কেউ বলে ফকির লালন, কেউ লালন সাঁই, কেউ আবার মহাত্মা লালন বিভিন্ন নামেই পরিচিত তিনি। তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। তিনি...
মানুষ ও মানবতার মুক্তির কথা বলে গেছেন মহাত্মা লালন সাঁই পৃথিবীর বুকে আবির্ভূত বিস্ময়মানব লালন ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন...
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম রেলওয়ে স্টেশন জগতি স্টেশন শিয়ালদহ থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত দেশে প্রথম রেল লাইন চালু হয় ১৮৬২ সালে। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম রেলওয়ে...
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বৃহস্পতিবার, 14 ডিসেম্বর 2017
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি বিশেষ দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে শহীদ...
একটি সংগ্রামী জীবনের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস - আব্দুর রউফ চৌধুরী The glorious history of the life of a struggling - Abdur Rouf Chowdhury জনাব আব্দুর রউফ চৌধুরী...
শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হাদী বৃহস্পতিবার, 22 অক্টোবার 2015
শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হাদী শামসুল হাদী (জন্মঃ ফেব্রুয়ারী ১৯৫২, মৃত্যুঃ ১১ মে ১৯৭৫)। বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার মধ্যে একজন শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা।...

    ® সর্ব-সংরক্ষিত কুষ্টিয়াশহর.কম™ ২০১৪ - ২০১৭

    841572
    আজকের ভিজিটরঃ আজকের ভিজিটরঃ 1095

    Made in kushtia

    Real time web analytics, Heat map tracking
    Go to top