fbpx
প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233
খালি কার্ট
Lalon Song Cloud

চুয়াডাঙ্গা মুক্ত দিবস ৭ই ডিসেম্বর

৭ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল। চুয়াডাঙ্গা তথা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। বর্তমানে জেলা সদর চুয়াডাঙ্গা ৯ মাসব্যাপী স্বাধীনতা যুদ্ধের পর দখলদার ও হানাদার বাহিনীর দখলমুক্ত হয়। এদিনে চুয়াডাঙ্গা হয় মুক্ত বা স্বাধীন। চুয়াডাঙ্গা মুক্ত হবার পরিস্থিতিটা সৃষ্টি হয় মূলতঃ ডিসেম্বর মাসের প্রথম থেকেই। ডিসেম্বর মাসের প্রথম থেকেই চুয়াডাঙ্গা মহকুমার সর্বত্র ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে মুক্তিযুদ্ধ জোরদার হতে থাকে। এরই ফলশ্রুতিতে ৬ ডিসেম্বর পরিস্থিতি হয়ে ওঠে চরম উত্তেজনাকর।

এদিন সকাল থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে দখলদার বাহিনীর যুদ্ধ শুরু হয় চুয়াডাঙ্গাকে ঘিরে। একদিকে মুক্তিযোদ্ধারা চুয়াডাঙ্গা মুক্ত করতে চান, অপরদিকে দখলদার বাহিনী চায় তা প্রতিহত করতে। চুয়াডাঙ্গার খাড়া পশ্চিমে ৬ মাইল দুরে দামুড়হুদা থানা। এ থানারই দুটি গ্রাম উজিরপুর ও পীরপুর। চুয়াডাঙ্গা শহর থেকে এ দুটি গ্রামের দূরত্ব ৩-৪ মাইল। এ দুটি গ্রামসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামে অবস্থান নিয়েছিলো বিপুল সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা। এ দুটি গ্রাম থেকে দামুড়হুদা থানা সদরের দূরত্ব ৩-৪ মাইল। এ থানারই আর একটি ভারত সীমান্তবর্তী গ্রাম কার্পাসডাঙ্গা। চুয়াডাঙ্গার আর একটি থানা সদর হলো জীবননগর।

চুয়াডাঙ্গা থেকে এর দূরত্ব ২২ মাইল। দামুড়হুদা ও জীবননগর থানা সদরে ছিল হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। এছাড়া চুয়াডাঙ্গার (তৎকালীন মহকুমা) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও ছিল হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। ওই দিন অর্থাৎ ৬ই ডিসেম্বর দামুড়হুদা থানার উজিরপুর ও পীরপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধারা খবর পান যে, হানাদার বাহিনী তাদের দামুড়হুদা ও জীবননগর থানার বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে সেনা সরিয়ে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদরে আসছে। তখনই উজিরপুর ও পীরপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রামে অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধারা তাদের গোয়েন্দাদের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত প্রচার করে যে, যেভাবেই হোক হানাদার বাহিনীকে দামুড়হুদা ও জীবননগরসহ এ দুটি থানার বিভিন্ন এলাকার হানাদার বাহিনীকে চুয়াডাঙ্গার দিকে আসা রুখতেই হবে। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক দামুড়হুদা ও কার্পাসডাঙ্গা থেকে চুয়াডাঙ্গা আসার প্রধান সড়কের একটি কালভার্টের নিচে মাইন পেতে রাখেন।

কিন্তু সামান্য ভুলের কারণে ভেস্তে যায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমগ্র পরিকল্পনা। হানাদার বাহিনী ওখান দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় আসার আগেই অজ্ঞাত এক ব্যক্তি কোন কারণে ওই কালভার্টের নিচ দিয়ে গরুর গাড়ী চালিয়ে আসতে গিয়ে মাইন বিষ্ফোরণে সেখানেই মারা যান। ফলে মুক্তিযোদ্ধারা নতুন পরিকল্পনা করেন। চুয়াডাঙ্গা-দামুড়হুদা সড়কের অনতিদূরে মাথাভাঙ্গা নদী। চুয়াডাঙ্গা থেকে দামুড়হুদার দিকে কিছুদূর গেলেই এ নদীর পাড়ে অর্থাৎ দক্ষিণে উজিরপুর ও তৎসহ অনেকগুলো গ্রাম আর ওপারে পীরপুরসহ অনেকগুলো গ্রাম। হানাদার বাহিনীকে প্রতিহত করার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হবার পর উজিরপুর ও তার আশপাশের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা নদী পার হয়ে আরো নিরাপদ স্থান পীরপুর ও তার আশপাশের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মিলিত হন এবং তাঁরা দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর উপর সর্বাত্মক আঘাত হানার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। ৬ ডিসেম্বর বেলা ১০টা-১১টার দিকে দখলদার পাকিস্তানী বাহিনী দামুড়হুদা থানা সদর ও ওই থানার অধীন কার্পাসডাঙ্গা সীমান্তবর্তী ক্যাম্প থেকে তাদের সৈন্য সরিয়ে এনে চুয়াডাঙ্গা আসার পথে চুয়াডাঙ্গা-দামুড়হুদা প্রধান সড়কের উজিরপুর গ্রাম সংলগ্ন মাথাভাঙ্গা নদীর ধারে অবস্থান নেয়। এসময় পীরপুর ও তার আশপাশের গ্রামগুলোতে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া মুক্তিযোদ্ধারা পাকহানাদার বাহিনীর এ অবস্থানের খবর পেয়ে অল্পক্ষণের মধ্যেই তাদের উপর আক্রমণ চালায়। পাকহানাদার বাহিনীও মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের জবাব দেয়। মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধের কৌশল হিসাবে থেমে থেমে হানাদার বাহিনীর উপর আঘাত হানতে থাকে।

মুক্তিযোদ্ধারা ওই কৌশল নেয় হানাদার বাহিনীকে চুয়াডাঙ্গা সদরে পৌছানো বিলম্ব করার লক্ষ্যে। এভাবে এখানে মুক্তিযোদ্ধা ও হানাদার বাহিনীর সঙ্গে আনুমানিক ৪-৫ ঘন্টা যুদ্ধ চলে ফলে হানাদার বাহিনীরও চুয়াডাঙ্গা আসা বিলম্বিত হয়। এর মধ্যেই মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে একজন সংবাদ বাহককে পাঠানো হয় চুয়াডাঙ্গায় সেখানকার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানার জন্য। আর পাশাপাশি চলে মুক্তিযোদ্ধাদের হানাদার বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময়। বেশ কিছুক্ষণ পর সংবাদ বাহক চুয়াডাঙ্গা থেকে খবর নিয়ে পীরপুর গ্রামে ফেরেন মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে এবং তিনি জানান যে, পাক হানাদার বাহিনী চুয়াডাঙ্গা থেকে পিছু হটে যাচ্ছে এবং তারা যাচ্ছে আলমডাঙ্গার দিকে। আলমডাঙ্গা থানা তৎকালীন চুয়াডাঙ্গা মহকুমার একটি থানা। এ অবস্থায় পীরপুর গ্রামের ও তৎসহ আশপাশের গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীর উপর আক্রমণ অল্প সময়ের জন্য বন্ধ রেখে চুপচাপ থাকে। এদের মধ্য থেকে একটি দল পীরপুর থেকে চলে আসে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার আলোকদিয়া গ্রামে। এদিকে মাথাভাঙ্গা নদীর পাশে অবস্থান নেয়া দামুড়হুদা ও কার্পাসডাঙ্গা থেকে আসা পাকহানাদার বাহিনী সোজা চুয়াডাঙ্গায় চলে আসে এবং তাদের চুয়াডাঙ্গা থেকে আলমডাঙ্গার দিকে পিছু হটা বাহিনীর সঙ্গে তারাও যোগ দিয়ে আলমডাঙ্গামুখী হয়।

এদিকে দেশের আর একটি মহকুমা অর্থাৎ চুয়াডাঙ্গা মহকুমার খাড়া পশ্চিমে ১৮মাইল দুরে মেহেরপুর থেকেও হানাদার বাহিনী পিছু হটে চুয়াডাঙ্গার দিকে আসতে শুরু করে। চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর সড়কের দু’ধারে বিভিন্ন ধরনের বোমা ও বিষ্ফোরক পেতে ও রাখা হয় এ রাস্তার দু’ধারে হানাদার বাহিনীকে খতম করার লক্ষ্যে। এ অবস্থায় হানাদার বাহিনী অতি সতর্কতার সঙ্গে ৬ ডিসেম্বর সন্ধা ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় পৌছায়। চুয়াডাঙ্গাতে তাদের কাউকে না পেয়ে মেহেরপুর থেকে পিছু হটা হানাদার বাহিনী চুয়াডাঙ্গার দিকে যাত্রা করে তবে পথিমধ্যে মুন্সীগঞ্জে তাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ হয়। চুয়াডাঙ্গা ছাড়ার আগে পাকহানাদার বাহিনী চুয়াডাঙ্গা টাউন মাঠে ২০০টি বন্দুক ফেলে যায়। এছাড়া তারা চুয়াডাঙ্গা শহর সংলগ্ন মাথাভাঙ্গা নদীর উপর ব্রীজের পূর্বদিকটা উড়িয়ে দেয় ডিনামাইট দিয়ে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ছাড়ার আগে ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর হানাদার বাহিনী চুয়াডাঙ্গা শহরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে নষ্ট করে দেয় যার অন্যতম চুয়াডাঙ্গা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র। চুয়াডাঙ্গা মহকুমা সদরসহ মহকুমার বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত পাকহানাদার বাহিনী ৬ ডিসেম্বর রাত ৮-৯ টার মধ্যেই চুয়াডাঙ্গা ত্যাগ করে।

মন্তব্য


  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, কুষ্টিয়া পৌরসভা
  • পহেলা বৈশাখ ১৪২৫, মিরপুর কুষ্টিয়া
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

    কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩

  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

জনপ্রিয় তথ্য

কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারের বাস্তুভিটা বৃহস্পতিবার, 15 নভেম্বর 2018
কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারের বাস্তুভিটা কাঙ্গাল হরিনাথ তথা হরিনাথ মজুমদার (জন্ম: ১৮৩৩ - মৃত্যু: ১৬এপ্রিল, ১৮৯৬) বাংলা লোক সংস্কৃতির অন্যতম ধারক ও বাহক হিসেবে...
বিষাদ-সিন্ধু - মীর মশাররফ হোসেন বৃহস্পতিবার, 15 নভেম্বর 2018
বিষাদ-সিন্ধু - মীর মশাররফ হোসেন Bishad Shindhu বিষাদ-সিন্ধু কারবালার যুদ্ধক্ষেত্রকে উপাত্ত করে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি যথাক্রমে...
ভেড়ামারার ইতিহাস শনিবার, 07 মার্চ 2015
ভেড়ামারার ইতিহাস Veramara History বাংলাদেশে উপজেলা সদরের মধ্যে অন্যতম এবং গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি ভেড়ামারার।...
নীলকর জমিদারদের প্রধান ঘাঁটি কুষ্টিয়া বৃহস্পতিবার, 10 সেপ্টেম্বর 2015
নীলকর জমিদারদের প্রধান ঘাঁটি কুষ্টিয়া The main bases of the indigo planter in Kushtia ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কুষ্টিয়া জেলায় কয়েকজন নীলকর জমিদারি...
বাউল সম্রাট ফকীর লালন শাঁইজীর সাধুরহাট বাজার জমে উঠেছে ফকীর লালন শাঁইজীর তিরোধান উপলক্ষে সাধুর হাটবাজার এবং লালন মেলা জমে উঠেছে। লক্ষ লক্ষ ভক্তে তাঁর...
কুষ্টিয়া শহরের অপর নাম ডাকদহ ছিল বর্তমান কুষ্টিয়া রেল ষ্টেশন, বাজার যে স্থানে হইয়াছে, ঐ স্থানের নাম কুষ্টীয়া নহে। ঐ স্থানের নাম...
বাউলদের যৌন চিন্তা ১৮+ শনিবার, 20 অক্টোবার 2018
বাউলদের যৌন চিন্তা ১৮+ ঘাটে নামবে কিন্তু জল ঘোলা করবে না রুক্ষ্ম বাবরী চুল। গোঁফের বাহাদুরী। হাতে একতারা এবং ডুগডুগির...
কুষ্টিয়ায় লালন ভক্তরা গুরু ভক্তি ও বিদায়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি লালনের গান বা দর্শন নিয়ে আলোচনা করলে মূলে দেখা যায় যে,সকল মানুষকেই গুরুর নিকট দীক্ষিত-আশ্রিত নিতে...
কুষ্টিয়া লালন একাডেমি চত্বরে তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব শুরু। প্রকৃত মানুষ হতে একজন গুরু বা মুর্শিদ ধরার বিষয়ে শিক্ষা দিতে মরমী সাধক লালন শাহ আমরণ কাজ করেছেন।...
লালন ফকির - জসীমউদ্দীন রবিবার, 20 নভেম্বর 2016
লালন ফকির - জসীমউদ্দীন লালনের জীবন-কথা জানা সহজ না হইলেও অসম্ভব নয়। কারণ এখনও বহু বৃদ্ধ জীবিত আছেন যাঁহারা লালনের...

® সর্ব-সংরক্ষিত কুষ্টিয়াশহর.কম™ 2014-2018

1006221
আজকের ভিজিটরঃ আজকের ভিজিটরঃ 575

Made in kushtia

Real time web analytics, Heat map tracking
Go to top