প্রয়োজনে ফোন করুন:
+88 01978 334233
খালি কার্ট
Lalon Song Cloud
বিজ্ঞাপন দিন

প্রাচীন জনপদ কুমারখালী

প্রাচীন জনপদ কুমারখালী। এর ইতিহাস-ঐতিহ্য কুষ্টিয়ার চেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীনতর। তাই ইংরেজ আমলের গোড়ার দিকে কুষ্টিয়ার পরিচয় দিতে বলা হতো "কুমারখালী-কুষ্টিয়া"। বাউলসম্রাট লালন শাহ, সাধক কাঙাল হরিনাথ, মোজাহেদ-নেতা কাজী মিয়াজান, বিপ্লবী-বীর বাঘা যতীন, সাহিত্যরথী মীর মশাররফ হোসেন, প্রজা-আন্দোলনের পুরোধা শামসুদ্দিন আহমদ প্রমুখ কুমারখালী থানার কৃতি সন্তান।

চৈতন্যদেবের আমলে কুমারখালীর নাম ছিল তুলসী গ্রাম। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ এ অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের জন্য কালেক্টর নিযুক্ত করেন কমরকুলি খাঁ কে। তার নাম থেকে আঞ্চলিক সদরের নাম হয় "কুমারখালী"। সাবেক 'কমরখালীর' বিবর্তিত রুপ বর্তমান 'কুমারখালী'। কুমারখালীর বিস্ত্তীর্ণ এলাকা আগে নদীগর্ভে ছিল। চরাইকোলযুক্ত গ্রামের নামগুলো তার প্রমাণ। নদী সরে গেলে পরে থাকে চর বা চরা এবং কোল। এই চরা ও কোল ঘেরা জমিনে গড়ে উঠেছে পুঁটিয়া-চরাইকোল, হয়তাপাড়া চরাইকোল, শিবরামপুর-চরাইকোল, পুরাতন চরাইকোল ইত্যাদি গ্রামসমূহ। অতি ক্ষুদ্র হ্রদের মত পানিভরা বিলগুলো দেখে বুঝা যায় এককালে এগুলো নদী-পরিত্যক্ত কোল ছিল। কুমারখালীর কয়েকটি বিলের নাম - করাতকান্দির বিল, জিয়ালার বিল, চাঁদপুরের বিল, বহলবাড়ীয়ার বিল, সোনাপাতিলার বিল, দলুয়ার বিল, বাঁশআড়ার বিল।

পুর্বে কুমারখালীর থানা-দফতর ছিল গড়াই নদীর দক্ষিণ পাড়ে ভালুকা গ্রামে। পরে থানা ভালুকা থেকে কুমারখালীতে উঠে আসে। এখনও ভালুকা গ্রামকে লোকে থানা ভালুকা বলে। ১৮২৮ সারে পাবনা জেলার গণ্ডীর মধ্যে কুষ্টিয়া ও খোকসায় দুটি থানা ছিল। একটি ফাঁড়ি ছিল চরাইকোলে। বর্তমানে কুমারখালী থানার অধীনে পান্টি ও শিলাইদহে ফাঁড়ি আছে। ১৮৫৭ সালে কুমারখালী, খোকসা, পাংসা ও বালিয়াকান্দি থানা নিয়ে কুমারখালীতে মহকুমার সৃষ্টি হয়। এটা ছিল পাবনা জেলার মহকুমা। কিছুদিন আগেও মহকুমা কারাগারের ধ্বংসাবশেষ দেখা যেত এখানে। ১৮৭১ সালে কুমারখালী পাবনা থেকে নদীয়ার গণ্ডিতে এসে তার মহকুমার মর্যাদা হারিয়ে ফেলে।

কুমারখালী বাংলাদেশের সেরা তাঁত-কাপড়ের হাট। হাজার হাজার তাঁতি ও মহাজন আসে হাট করতে। লাখ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয় প্রতি হাটে। স্থানীয় কারিগরেরা বিভিন্ন ধরণের শাড়ী ও ছিট কাপড় বুনে তাদের খঠ-খটি তাঁতে। শহরের অনেকগুলো ফ্যাক্টরীতে উৎপন্ন হয় নকশাকাটা রঙীন চাদর। বিসিক মিলেও তৈরী হয় শাড়ী, লুঙ্গী ইত্যাদি। বাংলার প্রথম কাপড়ের কল মোহিনী মিলস(স্থাঃ ১৯০৭ সালে)-এর প্রতিষ্ঠাতা ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট মোহিনীমোহন চক্রবর্তীর বাড়ী পৌর এলাকার এলংগী মহল্লায় (বর্তমানে মিলপাড়া)। বৃটিশ আমলে এখানকার তৈরী রেশম ও তসরের খ্যাতি দুরদূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছিল।

১৮৫৬ সালে মথুরানাথ কুণ্ডু নীলকুঠী কিনে একটি হাইস্কুল কায়েম করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বছর আগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। একটি মহাবিদ্যালয়সমেত অনেকগুলো হাইস্কুল আছে এই থানায়। তেবাড়িয়া, পান্টি ও ডাঁসার তিনটি জুনিয়ার মাদ্রাসা লুপ্ত হয়ে গেছে ইতিপূর্বে। বর্তমানে আলিয়ানেসাবের দুটি মাদ্রাসা আছে কুমারখালী ও বাঁশগ্রামে। পৌর এলাকার দরিদ্র-বান্ধব লাইব্রেরী, উন্নয়ন মজলিশ এবং শিলাইদহের মহর্ষি পাঠাগার বিভিন্ন সময়ে পড়ুয়াদের জ্ঞানপিপাসা মিটিয়েছে।

গ্রামবার্তা প্রকাশিকা, শৈবী, কোহিনুর ও বংগীয় তিলিসমাজ পত্রিকা কুমারখালীর কয়েকটি সাময়িকপত্র। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কাঙাল হরিনাথ, প্রফুল্লকুমার সরকার, মীর মশাররফ, নারায়ণকৃষ্ণ মজুমদার, কবিরাজ আতিয়ার রসুল সিদ্দিকী, আমজাদ হোসেন প্রমুখের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

খোকসার সৈয়দ আবদুল কুদ্দুস রুমী প্রতিষ্ঠিত 'আনজুমানে ইত্তেফাক ইসলাম'(১৯০৪) নদীয়া জেলার অন্যতম প্রধান সমাজসংস্কারমূলক সংস্থা। দুর্গাপুরে প্রধান দফতর থাকলেও নানাস্থানে এর শাখা ছিল। মিয়া সাহেবদের বিরাট আমবাগানে আনজুমানের সভা-সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতো। সেহেতু এ জায়গা এখনও "সভার বাগান" নামে পরিচিত। সম্মেলন উপলক্ষে ফুরফুরার পীর আবুবকর সিদ্দিকী, শান্তিপুরের কবি মোজাম্মেল হক ও নদীয়ার জেলা ম্যাজিষ্ট্যাট দুর্গাপুর এসেছিলেন । তালোয়া 'আঞ্জুমানে তরক্কীয়ে ইসলাম' অন্য একটি জনকল্যাণমুলক প্রতিষ্ঠান।

প্রায় প্রত্যেকটা আন্দোলনের সঙ্গে কুমারখালীবাসী জড়িত। দুর্গাপুরের কাজী মিয়াজান মোজাহেদ আন্দোলনের শীর্সস্থানীয় নেতা ছিলেন। সামরিক আদালতের বিচারে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়। গোঁসাইযেংগী ও ধোকড়াকোল গ্রামে কয়েকজন মোজাহেদ ছিলেন।

কুমারখালী, শিলাইদহ, ধোকড়াকোল ইত্যাদি গাঁয়ে নীলকুঠি ছিল। খাজনা বন্ধ ও নীল চাষ বিরোধী আন্দোলনে কুমারখালী এলাকার লোকদের অবদান উল্লেকযোগ্য। আন্দোলনের নেত্রী ছছিলেন আমলার জমিদার প্যারীসুন্দরী দাসী। তাঁর সহযোগী ছিলেন সাঁওতার শাহ গোলাম আজম ও শালঘর মধুয়ার শেখ আমির আলি। সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনে যুগান্তর দলের নেতা কয়ার যতীন্দ্রনাথ মুখোপ্যাধ্যায়ের (বাঘা যতীন) নাম শ্রদ্ধার সংগে স্মরণীয়। তিনি উড়িষ্যার বালেশ্বরে ইংরেজ বাহিনীর সংগে যুদ্ধে শহীদ হন। আরেক সন্ত্রাসবাদী বীরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপ্যাধ্যায়। দক্ষিণেশ্বর বোমার মামলায় তাঁর দ্বীপান্তর হয়। গোঁড়া মৈত্রেয়, অন্নদা রায়, নিবারণ রায়ও সন্ত্রাসবাদী দলের সদস্য ছিলেন।

হক-মন্ত্রীসভার প্রভাবশালী সদস্য শামসুদ্দিন আহম্মদ ছিলেন বঙ্গীয় কৃষকপ্রজা আন্দোলনের প্রাণস্বরুপ। প্রজা-সমিতির সম্পাদক এবং কৃষক-নেতারুপে নিপীড়িত চাষীদের কল্যাণে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। শামসুদ্দিনের অগ্রজ সংগ্রামী আলেম মৌলভী আফসার উদ্দিন ছিলেন বাউল-বিরোধী আন্দোলনের নেতা। তাঁর সহকর্মীদের মধ্যে সুন্সী এমদাদ আলি, মুন্সী আহম্মদ আলি, খন্দকার খোরশেদ আলি ও খোঃ আবদুস সাত্তার প্রধান। কুষ্টিয়ার কুওয়াতুল ইসলাম মাদ্রাসা ও মসজিদ, আল্লার দরগা মসজিদ, বানিয়াপাড়া হাইস্কুল ইত্যাদি মৌলভী সাহেবের সমাজসেবার নিদর্শন।

কুমারখালী অঞ্চলে যেসব সুফি-সাধক ওলী-দরবেশ ইসলামের আলো ছড়িয়েছেন তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ছিলেনঃ মাহ সোনাবন্ধু, মুল্লুক খোরশেদ, বুড়ো দেওয়ান চাঁদ আলি মাহ, শাহ দরবেশ, মীর রুহুল্লাহ, মাহ আউলিয়া, পাঁচু খোন্দকার ও করিম শাহ। বিভিন্ন স্থানে এঁদের মাজার-মকবেরা আছে।

মীর মশাররফ হোসেন, জলধর সেন, অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব, গগন হরকরা, বসন্তকুমার পাল, হরিপদ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রফুল্লকুমার সরকার, ভোলানাথ মজুমদার, শচীন্দ্রনাথ অধিকারী, খোন্দকার আজহারুল ইসলাম, আকবর হোসেন, প্রমুখ কবি-সাহিত্যিক কুমারখালী থানার অধিবাসী।

জাতীয় অধ্যাপক ডঃ কাজী মোতাহার হোসেন জন্মগ্রহণ করেন মাতুলালয় লক্ষীপুরে। তিনি প্রাথমিক শিক্ষাও লাভ করেন এখানেই। প্রখ্যাত চিন্তাবিদ কাজী আবদুল ওদুদের জন্মও তাঁর মাতুলালয় হোগলা গ্রামে। তিনি জগন্নাথপুর স্কুলে পড়াশুনা করেছেন।

বামচরণ কর্মকার ও মাসুদ করিম দুজন বিশিষ্ট গীতিকার। বামচরণ কলকাতা বেতারের সংগে যুক্ত ছিলেন। অন্যান্য শিল্পীদের মধ্যে নির্মলকুমার মজুমদার বেতারশিল্পী। মাজগ্রামের আমিন শাহ গায়ানী, কল্যাণপুরের আব্বাস মিয়া, বাগুলাটের আতা খাঁ জনপ্রিয় কবিয়াল। বাটিকামারার গ্রাম্যকবি গোলাম রব্বানী পথের সাহিত্য রচয়িতা হিসাবে পরিচিত।

কুমারখালীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হচ্ছেনঃ কাজী গোলাম রসুল ওরফে রতি মিয়া, রায়বাহাদুর বিশ্বম্ভর রায়, সৈয়দ আবুল ফজল, মুন্সী বিলায়েত হোসেন, সুরেন্দ্রনাথ সরকার, মুন্সী নুরউদ্দিন আহম্মদ, যোগেন্দ্রনাথ সরকার, পূর্ণচন্দ্র লাহিড়ী, খানবাহাদুর খবির উদ্দিন, খান সাহেব দাদ আলী, জমিদার আবদুল গনি, রবীন্দ্রনাথ সাহা, ডাঃ রেবতীমোহন সাহা, তোফাজ্জেল হোসেন, কবিরাজ গোলাম সরওয়ার ও গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।

বানিয়াকান্দিতে শাহী আমলের একটি মসজিদ আছে। খোরশেদপুরে মুল্লুক খোরশেদের মাজার ও গোপীনাথদেবের মন্দির আছে। মন্দির, মঠ ও দীঘি নির্মাণ করান নাটোরের জমিদার রাণী ভবানী। দরবেশের মাজারটি পাকা করে মাসোহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন কবি রবীন্দ্রনাথ। ছেঁউড়িয়া গ্রামের লালনের সমাধিও বাঁধিয়ে দেন তিনি।

কুমারখালী ও তার আশপাশে বেশ কিছু সর্দার সম্প্রদায়ের লোক বাস করে। তাদের উর্দ্ধতন পুরুষেরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিল বলে জানা যায়। রেলষ্টেশন সংলগ্ন গোরস্তান দেখে মনে হয় এককালে বসবাসকারী খৃষ্টানদের কথা।

তথ্য সূত্রঃ
কুষ্টিয়াঃ ইতিহাস-ঐতিহ্য
আবুল আহসান চৌধুরী
কুষ্টিয়া সাহিত্য পরিষদ

মন্তব্য


নিরাপত্তা কোড
রিফ্রেশ

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭
    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭
    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭
    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭
  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

    লাঠিখেলা উৎসব ২০১৭

  • কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
    কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    ডি সি অফিস নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    একতারা মোড় নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া পৌরসভা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া পৌরসভা বটতলা নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    লালন একাডেমী নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া এন এস রোড নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
    কুষ্টিয়া শাপলা চত্বরে নববর্ষ উৎযাপন ১৪২৩
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
  • ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬
    ফকির লালন শাঁইজীর স্মরণে দোলপূর্ণিমা উৎসব ২০১৬

জনপ্রিয় তথ্য

রমজানের গুরুত্ব মঙ্গলবার, 07 জুন 2016
রমজানের গুরুত্ব ইসলামী শরীয়তে রোজা হলো আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশে নিয়ত সহ সুবহে সাদিকের প্রারম্ভ হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সহবাস...
ইসলাম কি শনিবার, 27 মে 2017
ইসলাম কি ইসলাম (আরবি ভাষায়: الإسلام‎) একটি একেশ্বরবাদী এবং আব্রাহামিক ধর্ম; যা কুরআন (যা এমন এক কিতাব যা হবহু...
দৌলতপুর ইতিহাস শনিবার, 07 মার্চ 2015
দৌলতপুর ইতিহাস Doulotpur History দৌলতপুর বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি কুষ্টিয়ার শেষ...
পিরিত শুক্রবার, 25 ডিসেম্বর 2015
পিরিত পিরিত না জেনে মজো না পিরিতে। জেনে শুনে কর পিরিত শেষ ভাল দাঁড়ায় যাতে।।
প্রাচীন জনপদ কুমারখালী রবিবার, 23 অক্টোবর 2016
প্রাচীন জনপদ কুমারখালী প্রাচীন জনপদ কুমারখালী। এর ইতিহাস-ঐতিহ্য কুষ্টিয়ার চেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীনতর। তাই ইংরেজ আমলের...
রেন উইক যজ্ঞেশ্বর বাঁধ বৃহস্পতিবার, 11 সেপ্টেম্বর 2014
রেন উইক যজ্ঞেশ্বর বাঁধকুষ্টিয়া শহরের পাঁশ ঘেঁষে রয়েছে গড়াই নদী। কুষ্টিয়া শহর রক্ষার্থে দ্বিতীয় যে বাঁধটি রয়েছে সেটির নাম "রেন উইক যজ্ঞেশ্বর বাঁধ"।এই শহরের প্রাণের...
এস এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট রবিবার, 09 আগস্ট 2015
Intermediate And Secondary Education Boards Result পরীক্ষার রেজাল্ট দেখুন প্রবলেম হলে পেজ রিফ্রেশ দিন।
মিরপুরের ইতিহাস শনিবার, 07 মার্চ 2015
মিরপুরের ইতিহাস Mirpur History in kushtia কুষ্টিয়ার মিরপুরের নামকরণের ক্ষেত্রে সঠিক কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে...
রবিকে নিয়ে যত্তো কান্ডো রবীন্দ্রনাথ ছিলেন তার সময়কালে একজন সর্বজনবিদিত প্রসিদ্ধজন। বিশেষত নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর কবির...
বারোশরীফ দরবার ও জামে মসজিদ মঙ্গলবার, 22 নভেম্বর 2016
এক নজরে বারোশরীফ দরবার ও জামে মসজিদ বারোশরীফ দরবার ও জামে মসজিদ ১৬ই শাবান ১৩৯৫ হিজরী মোতাবেক ১৯৭৫ইং সালের ২৫শে আগষ্ট এবং ৮ই ভাদ্র ১৩৮২ বঙ্গাব্দ রোজ...

    ® সর্ব-সংরক্ষিত কুষ্টিয়াশহর.কম™ ২০১৪ - ২০১৭

    586416
    আজকের ভিজিটরঃ আজকের ভিজিটরঃ 657

    Made in kushtia

    Real time web analytics, Heat map tracking